বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

সিজদার অনন্য মহিমা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম | 75 বার পড়া হয়েছে
সিজদার অনন্য মহিমা

🕋 সৃষ্টি জগতের শুরু দিকের কথা। রুহুল কুদুস হযরত জিবরাইল (আঃ) একদিন মহান রবের দরবারে আরজ করলেন, “হে আরশের মালিক! আপনি সবচেয়ে বেশি কিসে খুশি হন?”
আল্লাহ রব্বুল আলামিন উত্তর দিলেন, “হে জিবরাইল! আমার বান্দা যখন আমাকে সিজদা করে, আমি তাতে সবচেয়ে বেশি খুশি হই।”
জিবরাইল (আঃ)-এর দীর্ঘ ইবাদত
রবের খুশির কথা জানতে পেরে জিবরাইল (আঃ) সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন। এটি কোনো সাধারণ সিজদা ছিল না—তিনি দীর্ঘ ৩০ হাজার বছর সেই একই সিজদায় নিমগ্ন রইলেন। সিজদা শেষে তিনি মনে মনে ভাবলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার ওপর অনেক খুশি হয়েছেন। মহাবিশ্বে আমার চেয়ে বড় ও দীর্ঘ সিজদা মনে হয় আর কেউ করতে পারবে না!”
তিনি গভীর আশা নিয়ে আল্লাহর সম্মতির অপেক্ষায় রইলেন। কিন্তু যখন কোনো বিশেষ সাড়া পেলেন না, তখন বিনয়ের সাথে আরজ করলেন, “হে রাব্বুল আলামিন! আমার এই দীর্ঘ ৩০ হাজার বছরের সিজদায় কি আপনি খুশি হননি?”
আরশে আজিমের সেই নূরানী লেখা
আল্লাহ তাআলা বললেন, “জিবরাইল! তোমার উত্তর দেওয়ার আগে তুমি আরশে আজিমের দিকে তাকাও।” জিবরাইল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন, সেখানে আল্লাহর কুদরতী নূর দিয়ে লেখা রয়েছে—
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ”
জিবরাইল (আঃ) অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহ! আমার সিজদার সাথে এই নামের কী সম্পর্ক?”
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তখন এক রহস্য উন্মোচন করলেন। তিনি বললেন, “শোনো জিবরাইল! শেষ জমানায় আমি আমার প্রিয় হাবিব মুহাম্মদ ﷺ-কে পাঠাব। তাঁর উম্মতের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করব। সেই নামাজের প্রতিটি সিজদায় যখন আমার গুনাহগার বান্দারা ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আলা’ বলে আমাকে ডাকবে, তখন তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে সওয়াব পেয়েছ, আমি তাদের আমলনামায় তার চেয়েও ৪০ হাজার গুণ বেশি সওয়াব লিখে দেব!”
নবীদের ব্যাকুলতা ও আমাদের সৌভাগ্য
এই মর্যাদা ও পুরস্কারের কথা জানতে পেরে হযরত মুসা (আঃ) কেঁদে কেঁদে দোয়া করেছিলেন যেন আল্লাহ তাঁকে ওই নবীর উম্মত হওয়ার সুযোগ দেন। এমনকি হযরত ঈসা (আঃ)-এর আকুল আবেদন আল্লাহ কবুল করেছেন, যার ফলে তিনি কিয়ামতের আগে এই দুনিয়ায় পুনরায় আসবেন শ্রেষ্ঠ নবীর উম্মত হিসেবে দাজ্জালকে প্রতিহত করতে।
গল্পের শিক্ষা ও আমাদের করণীয়:
১. উম্মতের মর্যাদা: আমরা না চাইতেই সেই মর্যাদা পেয়েছি যার জন্য বড় বড় পয়গম্বররা আরজ করেছিলেন। এটি আমাদের জন্য মহান আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। ২. সিজদার শক্তি: আমাদের সিজদা ছোট হতে পারে, কিন্তু যদি তা ইখলাসের (একনিষ্ঠতা) সাথে হয়, তবে তার মূল্য ফেরেশতাদের হাজার বছরের ইবাদতের চেয়েও বেশি। ৩. আত্মসমালোচনা: একজন নবী (ঈসা আঃ) উম্মত হওয়ার জন্য আসমানে অপেক্ষা করছেন, আর আমরা উম্মত হয়েও নামাজের প্রতি অবহেলা করছি। আমাদের কি উচিত নয় এই শ্রেষ্ঠ উপহারের (নামাজ) মর্যাদা রক্ষা করা?

বালিয়াডাঙ্গীতে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম
বালিয়াডাঙ্গীতে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী পাইলট স্কুল রোড এলাকায় প্রায় দীর্ঘ দেড় দশক ধরে বসবাস করে আসা এক অজ্ঞাতপরিচয় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ ১লা এপ্রিল বুধবার সকালে পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের পাশ থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত ওই ব্যক্তি দীর্ঘ প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে বালিয়াডাঙ্গী পাইলট স্কুল রোড সংলগ্ন এলাকায় একটি বাঁশ ঝাড়ের নিচে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং এই দীর্ঘ সময়ে ওই এলাকার মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন। তবে এত বছরেও কেউ তাঁর নাম বা প্রকৃত ঠিকানার হদিস জানতে পারেনি। এলাকাবাসীর দেওয়া খাবার ও সাহায্যেই চলত তাঁর জীবন।

বুধবার সকালে পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের পাশে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় অনেক প্রবীণ ও প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণা, এই ব্যক্তির আদি বাড়ি পার্শ্ববর্তী রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় হতে পারে। দীর্ঘকাল বালিয়াডাঙ্গীতে থাকলেও তাঁর নাড়ির টানের খোঁজে কেউ আসেনি।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে একটি এলাকায় বসবাস করার পর এমন নিঃসঙ্গ মৃত্যুতে স্থানীয়রা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। তারা চান, অন্তত শেষ বিদায়টা যেন তাঁর নিজ পরিবার বা স্বজনদের কাছে হয়।

উক্ত ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং তাঁর পরিবারের সন্ধান পেতে সংবাদটি জনস্বার্থে প্রচারের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৬ বছর আগে নেকমরদ বা পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া কোনো ব্যক্তির বর্ণনার সাথে মিল থাকলে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী থানা অথবা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।

পালিত হলো এ. টি. এম আমিনুর রহমান বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৫ পিএম
পালিত হলো এ. টি. এম আমিনুর রহমান বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ.টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষা২০২৫ গত ২২/১১/২০২৫ইং অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর ফলাফল ঘোষণা করা হয় ফেব্রুয়ারি,২০২৬ এ।পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী ২৫ শে মার্চ ২০২৬ বিকাল তিন ঘটিকা থেকে এ. টি. একাডেমী স্কুল মাঠে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৫ শে মার্চ,২৬ রোজ বুধবার বিকাল ৩ ঘটিকায় এ.টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় যে সকল শিক্ষার্থী ট্যালেন্টফুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় মিরসরাই উপজেলার মিঠাছড়া বাজার সংলগ্ন এ. টি. একাডেমী স্কুল মাঠে।

মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরুষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এ. টি. এম আমিনুর রহমান স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কামরুল হাসান সিদ্দিকী(এফ সি এ), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আনোয়ারুল হক, মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামশেদ আলম, এ. টি. একাডেমীর প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন, মিরসরাই কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও অন উইথ কেজি স্কুলের পরিচালক আনোয়ার জাহেদ, মান্দার বাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সাফিয়া বেগম এবং উপস্থিত ছিলেন এ. টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী, সদস্য আবু তারক সিদ্দিকী, রিফাত সিদ্দিকী, আকিব সিদ্দিকী সহ এ. টি. একাডেমীর শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলী। উপস্থিত ছিলেন এ. টি এম আমিনুর রহমান স্মৃতিশিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষার সম্পাদক মাস্টার আব্দুল আলিম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র সদস্য আবু তারেক আকাশ সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ক্রেস্ট, সনদ ও প্রাইজ বন্ড। শিক্ষার্থীরা তাদের পুরস্কার হাতে পেয়ে খুবই উচ্ছ্বাসিত ও আনন্দিত। এ. টি. এম আমিনুর রহমান স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ২য় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী।

সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তর উত্তর জীবনের উন্নতি কামনা করে সভাপতি অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৩ পিএম
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

গাজীপুরে শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক আনন্দঘন, তাৎপর্যপূর্ণ ও পেশাগত চেতনায় সমৃদ্ধ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(৩১’শে মার্চ ২০২৬) মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার সাবাহ্ গার্ডেন রিসোর্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপনের সঞ্চালনায় ও শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী আসাদুজ্জামানের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠানে ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ শাহাদত হোসাইন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আল আমিন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সোহাগ ভান্ডারী, সহ-সভাপতি শামীম আল মামুন, চ্যানেল এস এর সাংবাদিক মিজানুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল পাশা, যুগ্ম-সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাগর, সাংবাদিক দুর্জয়, সাংবাদিক বিলকিস, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক এনামুল হক প্রমুখ। এ সময় শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের অন্যান্য সদস্য এবং জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি সমসাময়িক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ, পেশাগত দায়বদ্ধতা, সংবাদ পরিবেশনের নৈতিকতা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গণমাধ্যম শুধু সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, বরং সত্য উদঘাটন, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং জনমত গঠনের শক্তিশালী হাতিয়ার। বক্তারা আরো বলেন, স্বাধীনতার চেতনা লালন এবং সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করার লক্ষে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পরে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

error: Content is protected !!