বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩৫ এএম | 87 বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া

গণতন্ত্র পুণ:রুদ্ধারের অবিসংবাদিত নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিএনপি’র উদ্যোগে ০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার বাদ আসর গুলশানস্থ আজাদ মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া দেশব্যাপী বিএনপি’র উদ্যোগে ০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার তাদের সুবিধাজনক সময়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান করবে।
বিএনপি’র সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ শুভাকাঙ্খীদেরকে উক্ত মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানগুলোতে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

মোঃ আব্দুল কাদের, সহকারী অধ্যাপক (ইংরেজি), তাড়াশ কলেজ, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ

দাও, তবেই পাও

মোঃ আব্দুল কাদের, সহকারী অধ্যাপক (ইংরেজি) প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১১:১০ এএম
দাও, তবেই পাও

International Women’s Day ২০২৬-এর স্লোগান “Give to Gain” বা “দাও, তবেই পাও” একটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করে। এই স্লোগানের মূল ভাবনা হলো- নারীদের উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সমাজ যদি কিছু দেয়, তবে শেষ পর্যন্ত সেই সমাজই বহুগুণে লাভবান হয়।

এখানে “Give” অর্থ হলো নারীদের প্রতি সুযোগ, সম্মান, শিক্ষা, নিরাপত্তা এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্র উন্মুক্ত করে দেওয়া। বিশ্বের বহু দেশে এখনও নারীরা বৈষম্য, সীমিত কর্মসংস্থান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার মতো সমস্যার সম্মুখীন হন। তাই নারীদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা সমাজের দায়িত্ব।

অন্যদিকে “Gain” বোঝায় এর ইতিবাচক ফলাফল। যখন নারীরা শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে সমানভাবে অংশগ্রহণ করেন, তখন দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়, পারিবারিক কল্যাণ বৃদ্ধি পায় এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হয়। নারীর ক্ষমতায়ন দারিদ্র্য হ্রাস, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের পথকে আরও সুগম করে।

সুতরাং, “Give to Gain” আমাদের শেখায় যে নারীদের অধিকার ও সুযোগ প্রদান করা শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়; বরং এটি একটি দূরদর্শী বিনিয়োগ। নারীদের এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সমাজ, রাষ্ট্র এবং মানবজাতি সামগ্রিকভাবে উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে অগ্রসর হতে পারে।

বহুল জনপ্রিয় পোর্টাল দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা -কবি সাহিত্যিক সাংবাদিক ও সংগঠক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ২:০১ এএম
বহুল জনপ্রিয় পোর্টাল দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা -কবি সাহিত্যিক সাংবাদিক ও সংগঠক

এ এস এম সাদেকুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ, যাহা বলতে চাই অন্তিম পয়গামে ” বইটি অমর একুশে বইমেলা-২০২৬
উচ্ছ্বাস প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত স্টল নম্বর ৬৩৮ এ পাওয়া যাচ্ছে।

সুলভ মূল্যে বই কিনুন উচ্ছ্বাস প্রকাশনী আপনাদের পাশে।

দালাল সিন্ডিকেটের কবলে ময়মনসিংহ বিআরটিএ

মামুনুর রশীদ মামুন,ময়মনসিংহ থেকে: প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ এএম
দালাল সিন্ডিকেটের কবলে ময়মনসিংহ বিআরটিএ

ময়মনসিংহের বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অফিসে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে—দালাল সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই অফিসে দালাল ছাড়া সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি,নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দিয়েও নিয়ম অনুযায়ী সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে; বরং দালালদের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা দিলে খুব সহজেই সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন যানবাহন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এবং সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে,দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী দালাল চক্র অফিসটিকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে। অফিসের ভেতর-বাইরে প্রকাশ্যেই এসব দালালের তৎপরতা চললেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। দালাল ছাড়া আবেদন করলেই শুরু হয় হয়রানি! ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,কেউ যদি সরাসরি অফিসে গিয়ে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে চান,তাহলে নানা অজুহাতে তার আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয়। কখনো কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি দেখানো হয়, আবার কখনো ড্রাইভিং পরীক্ষায় অযৌক্তিকভাবে ফেল দেখানো হয়। ফলে নিরুপায় হয়ে অনেকেই শেষ পর্যন্ত দালালদের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন।
একাধিক আবেদনকারীর অভিযোগ,লাইসেন্স পেতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও দালালদের মাধ্যমে কয়েক হাজার থেকে শুরু করে কয়েক দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। বিনিময়ে অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা ছাড়াই কিংবা নিয়মের তোয়াক্কা না করেই লাইসেন্স পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অফিস কক্ষেই দালালদের অবাধ বিচরণ: সরেজমিনে দেখা গেছে, বিআরটিএ অফিস চত্বরে দালালদের অবাধ বিচরণ। এমনকি কিছু দালালকে সরাসরি অফিস কক্ষে ঢুকে কম্পিউটার অপারেটিং থেকে শুরু করে সরকারি নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করতেও দেখা গেছে। তাদের আচরণ দেখে অনেক সময় সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেন না—তারা কোনো সরকারি কর্মকর্তা নন,বরং অফিস বহির্ভূত দালাল চক্রের সদস্য। স্থানীয়দের ভাষ্য,বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই “ওপেন সিক্রেট” হয়ে আছে। কিন্তু অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কার্যকর কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিযোগের কেন্দ্রে মোটরযান পরিদর্শক! অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই দালাল সিন্ডিকেটের নেতৃত্বের অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট অফিসের মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর। অভিযোগ রয়েছে, তার কক্ষেই দালালদের নিয়মিত আনাগোনা এবং সরকারি নথিপত্রে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।
যদিও এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
“দালালদের সরকারি নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটির বিষয়টি দুঃখজনক। বিষয়টি রোধে আমার কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।” তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি,এমন কোনো উদ্যোগ এখনো বাস্তবে দৃশ্যমান হয়নি। ফলে অভিযোগের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। সহকারী পরিচালকের পদক্ষেপের আশ্বাস,বাস্তবে অগ্রগতি নেই! এদিকে সংশ্লিষ্ট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) আনিসুর রহমান যোগদানের পরপরই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে,সেই আশ্বাসের পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে দালালদের তৎপরতা আগের মতোই বহাল রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। চিহ্নিত কয়েক দালালের নাম: অনুসন্ধানে স্থানীয়ভাবে পরিচিত কয়েকজন কথিত দালালের নামও উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মোফাজ্জল,হীরা,শান্ত,কামাল, খোকন,রিপন,ভুট্টো,শাহ কামাল,সেলিম ও তপন সহ আরও কয়েকজন। অভিযোগ রয়েছে, এসব দালাল ভুক্তভোগীদের “হয়রানিমুক্ত সেবা” দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আদায়কৃত টাকার একটি অংশ ‘অফিস খরচ’ নামে সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনের বক্তব্য: এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এবং ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট কমিটি (ডিসিটিসি)-এর সভাপতি আসাদুজ্জামান বলেন,“বিষয়টি আমাদের
নলেজে না থাকলেও–অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” দ্রুত তদন্তের দাবি: সচেতন মহল বলছে,দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। তাদের মতে,বিআরটিএ অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের প্রভাব বন্ধ করা না গেলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে এবং সরকারি সেবার প্রতি মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল।

error: Content is protected !!