বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

যুব নেতৃত্বে অনন্য অবদান:

ফুড সিস্টেমস উদ্যোগে লালমনিরহাটের মিনহাজুল ইসলাম পেলেন ‘Certificate of Excellence’

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৫ এএম | 60 বার পড়া হয়েছে
ফুড সিস্টেমস উদ্যোগে লালমনিরহাটের মিনহাজুল ইসলাম পেলেন ‘Certificate of Excellence’

পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে যুব নেতৃত্বে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় লালমনিরহাটের তরুণ যুবনেতা মিনহাজুল ইসলাম–কে Certificate of Excellence প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ যুব ছায়া সংসদের মাধ্যমে মিনহাজুল ইসলামের Food Systems Youth Leadership–এর যাত্রা শুরু হয় ২০২৩ সালের ২২–২৪ ফেব্রুয়ারি, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলায় অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। ওই প্রশিক্ষণে তিনি খাদ্য ব্যবস্থা, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং কমিউনিটি পর্যায়ে যুব নেতৃত্বের গুরুত্ব সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা লাভ করেন।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিজ নিজ এলাকায় পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মিনহাজুল ইসলাম নিজ জেলায় শিশুদের পুষ্টিহীনতার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে “১০ টাকায় পুষ্টিকর খিচুড়ি” নামের একটি সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন।
বর্তমানে তার এই উদ্যোগটি লালমনিরহাট সদর উপজেলার চারটি স্কুলে সফলভাবে চলমান রয়েছে, যেখানে স্বল্প খরচে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগ ও মাঠপর্যায়ের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ মিনহাজুল ইসলাম পরবর্তীতে Food Systems Youth Leadership Training – Training of Trainers (ToT)–এ অংশগ্রহণের সুযোগ পান।
এই প্রশিক্ষণটি ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল ও ১–৩ মে, রংপুরের RDRS বাংলাদেশ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
চার দিনব্যাপী ToT প্রশিক্ষণ শেষে তিনি কেবল একজন অংশগ্রহণকারী হিসেবে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যুবদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেন। এর অংশ হিসেবে তিনি বাগেরহাট, রংপুর, বগুড়া, লালমনিরহাট, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুড সিস্টেমস ও পুষ্টি বিষয়ক একাধিক প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন।
এই প্রশিক্ষণগুলোর মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবরা বর্তমানে নিজ নিজ কমিউনিটিতে পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প ও সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে। এসব কার্যক্রমে মিনহাজুল ইসলাম নিয়মিত মেন্টরিং কলের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করছেন।
এই দীর্ঘমেয়াদি অবদান ও যুব নেতৃত্বে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ Global Alliance for Improved Nutrition (GAIN) এবং Scaling Up Nutrition (SUN) Youth Network Bangladesh–এর উদ্যোগে, Food Planning and Monitoring Unit (FPMU) ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (MoHFW)–এর সহযোগিতায় গত ৩০ ডিসেম্বর, সাভারের বিসিডিএম–এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে Certificate of Excellence প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করেন শেখ মোমেনা মনি, অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ), মোঃ মামুনুর রশীদ, যুগ্মসচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অধিশাখা), মোস্তফা ফারুক আল বান্না, গবেষণা পরিচালক (FPMU), শহিদ উদ্দিন আকবর, সিইও, BIID এবং মেহেদী হাসান বাপ্পী, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর, ইয়ুথ অ্যান্ড এডোলেসেন্ট নিউট্রিশন, GAIN বাংলাদেশ।
এ বিষয়ে মিনহাজুল ইসলাম বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যতে পুষ্টি, খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিকাশে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে চাই।”

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!