রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২
রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২

যুব নেতৃত্বে অনন্য অবদান:

ফুড সিস্টেমস উদ্যোগে লালমনিরহাটের মিনহাজুল ইসলাম পেলেন ‘Certificate of Excellence’

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৫ এএম | 55 বার পড়া হয়েছে
ফুড সিস্টেমস উদ্যোগে লালমনিরহাটের মিনহাজুল ইসলাম পেলেন ‘Certificate of Excellence’

পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে যুব নেতৃত্বে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় লালমনিরহাটের তরুণ যুবনেতা মিনহাজুল ইসলাম–কে Certificate of Excellence প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ যুব ছায়া সংসদের মাধ্যমে মিনহাজুল ইসলামের Food Systems Youth Leadership–এর যাত্রা শুরু হয় ২০২৩ সালের ২২–২৪ ফেব্রুয়ারি, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলায় অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। ওই প্রশিক্ষণে তিনি খাদ্য ব্যবস্থা, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং কমিউনিটি পর্যায়ে যুব নেতৃত্বের গুরুত্ব সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা লাভ করেন।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিজ নিজ এলাকায় পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মিনহাজুল ইসলাম নিজ জেলায় শিশুদের পুষ্টিহীনতার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে “১০ টাকায় পুষ্টিকর খিচুড়ি” নামের একটি সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন।
বর্তমানে তার এই উদ্যোগটি লালমনিরহাট সদর উপজেলার চারটি স্কুলে সফলভাবে চলমান রয়েছে, যেখানে স্বল্প খরচে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগ ও মাঠপর্যায়ের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ মিনহাজুল ইসলাম পরবর্তীতে Food Systems Youth Leadership Training – Training of Trainers (ToT)–এ অংশগ্রহণের সুযোগ পান।
এই প্রশিক্ষণটি ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল ও ১–৩ মে, রংপুরের RDRS বাংলাদেশ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
চার দিনব্যাপী ToT প্রশিক্ষণ শেষে তিনি কেবল একজন অংশগ্রহণকারী হিসেবে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যুবদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেন। এর অংশ হিসেবে তিনি বাগেরহাট, রংপুর, বগুড়া, লালমনিরহাট, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুড সিস্টেমস ও পুষ্টি বিষয়ক একাধিক প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন।
এই প্রশিক্ষণগুলোর মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবরা বর্তমানে নিজ নিজ কমিউনিটিতে পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প ও সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে। এসব কার্যক্রমে মিনহাজুল ইসলাম নিয়মিত মেন্টরিং কলের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করছেন।
এই দীর্ঘমেয়াদি অবদান ও যুব নেতৃত্বে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ Global Alliance for Improved Nutrition (GAIN) এবং Scaling Up Nutrition (SUN) Youth Network Bangladesh–এর উদ্যোগে, Food Planning and Monitoring Unit (FPMU) ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (MoHFW)–এর সহযোগিতায় গত ৩০ ডিসেম্বর, সাভারের বিসিডিএম–এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে Certificate of Excellence প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করেন শেখ মোমেনা মনি, অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ), মোঃ মামুনুর রশীদ, যুগ্মসচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অধিশাখা), মোস্তফা ফারুক আল বান্না, গবেষণা পরিচালক (FPMU), শহিদ উদ্দিন আকবর, সিইও, BIID এবং মেহেদী হাসান বাপ্পী, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর, ইয়ুথ অ্যান্ড এডোলেসেন্ট নিউট্রিশন, GAIN বাংলাদেশ।
এ বিষয়ে মিনহাজুল ইসলাম বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যতে পুষ্টি, খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিকাশে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে চাই।”

অপহৃত ট্রাক ও চালক উদ্ধার

নওগাঁয় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

মর্তুজা শাহাদত সাধন, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৩৮ পিএম
নওগাঁয় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

নওগাঁর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) নওগাঁর টানা অভিযানে আন্তঃজেলা কুখ্যাত ডাকাত চক্রের ৬ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডাকাতির শিকার হওয়া ট্রাক, অপহৃত ট্রাকচালক ও হেলপার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত আরেকটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।

ডাকাতির ঘটনার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার সময় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি দিনাজপুর জেলার বদরগঞ্জ এলাকা থেকে ট্রাকচালক মারুফ ও তার হেলপার শামীম একটি ট্রাকে (ঢাকা মেট্রো-ট ১৬-০১৩৮) করে প্রায় ২৫০ বস্তা (৫০০ মন) ধান বোঝাই করে নওগাঁ জেলার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরদিন রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে নওগাঁ সদর থানার শেষ সীমানার কীর্ত্তিপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের নির্জন সড়কে পৌঁছালে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পিছন দিক থেকে আরেকটি ট্রাক দিয়ে ওভারটেক করে সামনে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় ডাকাতরা ট্রাকের কাচ ভেঙে চালক ও হেলপারকে মারধর করে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং ধানসহ ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনাটি জানার সাথে সাথেই পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সদর থানা, বদলগাছি থানা ও সদর সার্কেলের পুলিশ সদস্যরা মাঠে নামেন। তদন্তের এক পর্যায়ে পাওয়া তথ্যে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা তদন্ত কেন্দ্রে একটি ট্রাক ও একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক রাখা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ডিবি নওগাঁর একটি টিম সেখানে পৌঁছে আটক ব্যক্তি মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ (৩০) কে জিজ্ঞাসাবাদ করে ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হয় যে, সে ডাকাতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এরপর আরিফুল ইসলামকে হেফাজতে নিয়ে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ ও সাদুল্যাপুর থানায় অভিযান চালিয়ে মো. গোলাপ (২৪), লাভলু (২৮) কে আরও দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর এলাকায় ডাকাত দলের সর্দার মো. সামিউল ইসলাম (৩০) কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে গেলেও তার ভাড়া বাসা থেকে ডাকাতি হওয়া ট্রাকের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ঢাকা জেলার আশুলিয়া, সাভার ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

রহনপুরে পুনর্ভবা নদীর তীর থেকে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার

মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৩২ পিএম
রহনপুরে পুনর্ভবা নদীর তীর থেকে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় পুনর্ভবা নদীর তীর থেকে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রহনপুর বেলিব্রিজ সংলগ্ন পুনর্ভবা নদীর পাড়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি পলিব্যাগে থাকা ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়

উদ্ধারকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন গোমস্তাপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান তারেক, গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিকসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা।

এ বিষয়ে গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, পুনর্ভবা নদীর তীর থেকে কয়েকটি ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো প্রকৃতপক্ষে ককটেল কিনা, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রুবিনা শেখ

IMEI পরিবর্তনের সফটওয়্যারসহ গ্রেফতার-এক

রুবিনা শেখ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:১৩ পিএম
IMEI পরিবর্তনের সফটওয়্যারসহ গ্রেফতার-এক

ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তনের অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে।

আজ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে রাজধানীতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ সফটওয়্যার, একটি ল্যাপটপ এবং এ কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিজিটাল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, IMEI নম্বর পরিবর্তন একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ, যা অপরাধীদের পরিচয় গোপন করতে, চুরি হওয়া মোবাইল ফোন পুনরায় ব্যবহার করতে এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে। এই ধরনের অপরাধ দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে IMEI পরিবর্তনের কাজ করে আসছিল এবং তার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ চলমান রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ সাইবার অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ে সাধারণ জনগণকে এ ধরনের অপরাধ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানায়।