মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

উঠছে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ

লেমুয়ায় অযোগ্য পরিচালকের হাতে মাদ্রাসা পরিচালনা

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২২ পিএম | 78 বার পড়া হয়েছে
লেমুয়ায় অযোগ্য পরিচালকের হাতে মাদ্রাসা পরিচালনা

নেওয়াজপুর নাজমুন ওয়ালিয়া নুরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এক দশক ধরে আর্থিক অ透明তা—প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অনৈতিক কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে ক্ষুব্ধ অভিভাবক–এলাকাবাসী।
ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের নেয়াজপুর গ্রামে অবস্থিত নেওয়াজপুর নাজমুন ওয়ালিয়া নুরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসা, যা দীর্ঘদিন সুশৃঙ্খল ধর্মীয় শিক্ষার প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল—সেই প্রতিষ্ঠান আজ চরম সংকটের মুখে।
প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলাম–এর বিরুদ্ধে বহুমুখী অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে প্রবল হয়ে উঠেছে। অভিভাবক, স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও বিভিন্ন নথিপত্র বিশ্লেষণে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস: দাতাদের অকৃত্রিম সহযোগিতায় গড়ে ওঠা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
১৯৯৫ সালে লন্ডন প্রবাসী জুলফিকার হায়দার তাঁর বাবা ওয়ালি আহম্মদ ও মেয়ে নাজমুন হায়দারের নামে মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন।
পরবর্তীতে তাঁর মৃত্যু হলে স্ত্রী সাজেদা হায়দার ও দুই মেয়ে জোসনা ও জবা হায়দার বহু বছর বিদেশ থেকে অর্থায়ন চালিয়ে যান।

স্থানীয়দের দাবি—এই উদার দাতাদের অর্থায়নই মাদ্রাসাটিকে টিকিয়ে রেখেছে; কিন্তু পরিচালনায় ভুল সিদ্ধান্ত, শিক্ষক বদলি ও অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আরিফুল ইসলাম ধীরে ধীরে ক্ষমতা দখলের পথ তৈরি করেন।

যোগ্যতা প্রশ্নে ঘোর সন্দেহ
অভিযোগ রয়েছে—আরিফুল ইসলামের প্রধান শিক্ষক হওয়ার মতো কোনো শিক্ষাগত বা ধর্মীয় যোগ্যতা নেই।
তথ্যমতে, তিনি পূর্বে নেওয়াজপুর জামে মসজিদ ও পাজেগানা মসজিদে মোয়াজ্জেম পদে দায়িত্ব নিলেও সুরা-কেরাত ও ধর্মীয় জ্ঞানে দুর্বলতার কারণে দুই স্থান থেকেই বিদায় নিতে হয়।

২০১৫ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার কয়েক মাস পর মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা রাকিব হোসেন প্রবাসে গেলে সাময়িক দায়িত্ব পান আরিফুল ইসলাম।
অভিযোগ, পরে তিনি পরিচালনা কমিটির কয়েকজনকে প্রভাবিত করে অবৈধভাবে প্রধান শিক্ষকের চেয়ার দখল করেন।

হিসাব–নিকাশে অ透明তা: আয়ে গরমিল, ব্যয়ে অতিরঞ্জন
দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশের হাতে আসা বিভিন্ন বছরের হিসাবের নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়—

২০১৮ সালের অনিয়ম
ছাত্রপ্রতি মাসিক ২০ টাকা বিদ্যুৎ বিল নেওয়ার কথা থাকলেও কোনো আয়ের হিসাব নেই
কিন্তু ব্যয় দেখানো হয়েছে ১২,১৬৩ টাকা
বাস্তবতার সঙ্গে মেলেনি যাতায়াত খরচ ১০,৫৫৮ টাকা
গরিব ছাত্রদের সাহায্যের নামে দেখানো ১৪,০০০ টাকা কোনো ছাত্র পাননি
গ্যাস বিল দেখানো ৮,৮০০ টাকা, অথচ স্থানীয় প্রবাসীর দেওয়া লাইনের গ্যাস ছিল বিনামূল্যে
২০১৯ সালের অনিয়ম
কোচিং ফি আয় হিসাবে ৬,১০০ টাকা, কিন্তু ২০০ টাকা করে ৭০ জন শিক্ষার্থীর প্রকৃত বার্ষিক আয় হওয়া উচিত প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা
বিদ্যুৎ বিল আয়ে মাত্র ১,১৩০ টাকা দেখানো
গরিব ছাত্রদের সাহায্য ৯,২৫০ টাকা দেখানো হলেও কেউ পায়নি
পূর্ব বছরের উদ্বৃত্ত ৩২,২৩৬ টাকা থাকা সত্ত্বেও নতুন হিসেবে দেখানো হয়েছে ১৬,৯০৩ টাকা কর্জ
২০২৪ সালের অনিয়ম
ছাত্র সংখ্যা অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল আসার কথা থাকলেও দেখানো হয়েছে মাত্র ৩,৯১০ টাকা
ঘর মেরামতের খরচ প্রতিবছর একইভাবে ৫৭,০০০ টাকা—যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন
গোরাবা ফাউন্ডে “ছাগল দান” নামে খরচ দেখানো হয়েছে ১,১৪,৭০০ টাকা, কিন্তু বাস্তবে দাতাদের দেওয়া ছাগল ছাত্রদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ
স্থানীয়দের দাবি—আরিফুল ইসলাম বিভিন্ন উৎস থেকে বার্ষিক লক্ষাধিক টাকা আসলেও প্রতি বছর হিসাবের খাতায় ‘কর্জ’ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করছেন।

অবৈধ অনলাইন কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ
একাধিক সূত্রের দাবি—
প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলাম বাইনান্স, লিভ গুডসহ অননুমোদিত ক্রিপ্টো, জুয়া এবং সফটওয়্যারভিত্তিক লেনদেনে জড়িত।
এছাড়া তিনি অনলাইনে “পুরনো পণ্য–লেনদেন” নামে আর্থিক কার্যক্রমও পরিচালনা করেন।

অভিযোগ রয়েছে—এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে তাঁর অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং ছাত্রদের জন্য নেতিবাচক উদাহরণ।

অস্বাভাবিক বিনিয়োগ: “প্রাণ কড়ি”, “আলফা ইসলামি লাইফ ইন্সুরেন্স”
সূত্র জানায়—আরিফুল ইসলাম

“প্রাণ কড়ি” নামে অবৈধ সমবায় সমিতিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছেন
“আলফা ইসলামি লাইফ ইন্সুরেন্স”-এ তাঁর মোটা বিনিয়োগ রয়েছে
অভিযোগ—এই অর্থের বড় অংশ মাদ্রাসা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা হয়েছে
এতে এলাকায় ক্ষোভ আরও বাড়ছে।

শিক্ষকের দায়িত্ব ফেলে ব্যক্তিগত ব্যবসা–বানিজ্য
অভিযোগ রয়েছে—প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলাম প্রতিদিন দুপুরে মাদ্রাসা ছেড়ে ফেনী শহরে নিজস্ব ব্যবসা দেখতে যান এবং রাত ১০টার দিকে ফেরেন।

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার

কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম
কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম এরশাদের স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) কক্সবাজারের হোটেল মিশুক রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ আনোয়ার হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং মরহুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলুল কাদের চৌধুরী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এরশাদকে আমরা হারাবো এটা কখনো ভাবিনি। তিনি ছিলেন একজন পরিশ্রমী, ধর্মপ্রাণ ও দায়িত্বশীল মানুষ। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও সম্পর্ক ছিল গভীর। তার মৃত্যুতে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

অনুষ্ঠানে মরহুমের সুযোগ্য সন্তান অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্য রাখেন,কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ শামসুল আলম শ্রাবণ, ইমাম খাইর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন, মোহাম্মদ আয়াজ রবি, কবি জসিম উদ্দিন, নাছিমা আক্তার, দিদারুল আলম, ফরিদ আলম রনি, নাজিম উদ্দিন, আমিন উল্লাহ, জাহেদ হোসেন, মোঃ হাসান, আলাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু মুছা, আমিনুল ইসলাম, ডা. এরফান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এম আলাউদ্দিন, এম জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম বাবু, হাফেজ আনোয়ার, সোলতান, কামরুল ইসলামসহ অসংখ্য সাংবাদিক।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন বলেন, এরশাদ ভাই ছিলেন সাহসী ও আপসহীন এক কলমযোদ্ধা। সাংবাদিকতার শুরু থেকে তিনি অন্যায়, দুর্নীতি, মাদক ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে লিখেছেন। বহু হুমকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হননি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ হিসেবে এরশাদ ভাই ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অভিভাবকের মতো। তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

বক্তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

পবিত্র মসজিদুল হারামে কাবার গিলাফ (কিসওয়া) কাটার চেষ্টার অভিযোগে এক তুর্কি নারীকে আটক করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। একটি তুর্কি হজ কাফেলার সঙ্গে আসা ওই নারী কাঁচি দিয়ে গিলাফের একটি অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই নারী যখন কাঁচি দিয়ে কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা করছিলেন, তখন পাশে থাকা অন্য মুসল্লিরা তাঁকে বাধা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত লোকজন তাঁকে ‘হাজি, এটা হারাম (নিষিদ্ধ)’ বলে সতর্ক করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নারী মিসরীয় নাগরিক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক ইনফরমেশন’-এর প্রতিনিধি ওতাইবি নিশ্চিত করেছেন যে, আটক নারী প্রকৃতপক্ষে তুরস্কের নাগরিক এবং তিনি একটি তুর্কি হজ কাফেলার সদস্য হিসেবে সৌদি আরব ভ্রমণ করছিলেন। ফলে মিসরীয় নাগরিক হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

 

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক মহান অঙ্গীকার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, যিনি সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক সাংবাদিকই নির্যাতন, নিপীড়ন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, এমনকি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটি এমন একটি সংগঠন, যেখানে সাংবাদিকরা বৈধভাবে, নিরাপদভাবে এবং নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

🌟 মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

✔ অধিকার রক্ষা: সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
✔ আইনি সহায়তা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি সহযোগিতা প্রদান।
✔ নিরাপদ কর্মপরিবেশ: মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয়।
✔ হয়রানি প্রতিরোধ: ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ।
✔ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন: সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।
✔ ঐক্য গঠন: সারাদেশের সাংবাদিকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তোলা।
✔ বৈধ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ: ভুয়া বা প্রতারক সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করে প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদান।

📌 প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম:

🔹 নির্যাতিত সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত
🔹 দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ
🔹 মানবাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা
🔹 সাংবাদিকদের জন্য আইডেন্টিটি যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিতকরণ
🔹 মিডিয়া নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলা

🎯 আমাদের অঙ্গীকার:

আমরা বিশ্বাস করি—সাংবাদিকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
👉 সত্যের পক্ষে থাকবো
👉 অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো
👉 সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করবো
👉 একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলবো

পরিশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগটি শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়—এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। কারণ, সাংবাদিক নিরাপদ থাকলে সত্য প্রকাশ পায়, আর সত্য প্রকাশ পেলে সমাজ এগিয়ে যায়।

error: Content is protected !!