সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

উঠছে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ

লেমুয়ায় অযোগ্য পরিচালকের হাতে মাদ্রাসা পরিচালনা

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২২ পিএম | 77 বার পড়া হয়েছে
লেমুয়ায় অযোগ্য পরিচালকের হাতে মাদ্রাসা পরিচালনা

নেওয়াজপুর নাজমুন ওয়ালিয়া নুরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এক দশক ধরে আর্থিক অ透明তা—প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অনৈতিক কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে ক্ষুব্ধ অভিভাবক–এলাকাবাসী।
ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের নেয়াজপুর গ্রামে অবস্থিত নেওয়াজপুর নাজমুন ওয়ালিয়া নুরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসা, যা দীর্ঘদিন সুশৃঙ্খল ধর্মীয় শিক্ষার প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল—সেই প্রতিষ্ঠান আজ চরম সংকটের মুখে।
প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলাম–এর বিরুদ্ধে বহুমুখী অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে প্রবল হয়ে উঠেছে। অভিভাবক, স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও বিভিন্ন নথিপত্র বিশ্লেষণে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস: দাতাদের অকৃত্রিম সহযোগিতায় গড়ে ওঠা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
১৯৯৫ সালে লন্ডন প্রবাসী জুলফিকার হায়দার তাঁর বাবা ওয়ালি আহম্মদ ও মেয়ে নাজমুন হায়দারের নামে মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন।
পরবর্তীতে তাঁর মৃত্যু হলে স্ত্রী সাজেদা হায়দার ও দুই মেয়ে জোসনা ও জবা হায়দার বহু বছর বিদেশ থেকে অর্থায়ন চালিয়ে যান।

স্থানীয়দের দাবি—এই উদার দাতাদের অর্থায়নই মাদ্রাসাটিকে টিকিয়ে রেখেছে; কিন্তু পরিচালনায় ভুল সিদ্ধান্ত, শিক্ষক বদলি ও অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আরিফুল ইসলাম ধীরে ধীরে ক্ষমতা দখলের পথ তৈরি করেন।

যোগ্যতা প্রশ্নে ঘোর সন্দেহ
অভিযোগ রয়েছে—আরিফুল ইসলামের প্রধান শিক্ষক হওয়ার মতো কোনো শিক্ষাগত বা ধর্মীয় যোগ্যতা নেই।
তথ্যমতে, তিনি পূর্বে নেওয়াজপুর জামে মসজিদ ও পাজেগানা মসজিদে মোয়াজ্জেম পদে দায়িত্ব নিলেও সুরা-কেরাত ও ধর্মীয় জ্ঞানে দুর্বলতার কারণে দুই স্থান থেকেই বিদায় নিতে হয়।

২০১৫ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার কয়েক মাস পর মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা রাকিব হোসেন প্রবাসে গেলে সাময়িক দায়িত্ব পান আরিফুল ইসলাম।
অভিযোগ, পরে তিনি পরিচালনা কমিটির কয়েকজনকে প্রভাবিত করে অবৈধভাবে প্রধান শিক্ষকের চেয়ার দখল করেন।

হিসাব–নিকাশে অ透明তা: আয়ে গরমিল, ব্যয়ে অতিরঞ্জন
দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশের হাতে আসা বিভিন্ন বছরের হিসাবের নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়—

২০১৮ সালের অনিয়ম
ছাত্রপ্রতি মাসিক ২০ টাকা বিদ্যুৎ বিল নেওয়ার কথা থাকলেও কোনো আয়ের হিসাব নেই
কিন্তু ব্যয় দেখানো হয়েছে ১২,১৬৩ টাকা
বাস্তবতার সঙ্গে মেলেনি যাতায়াত খরচ ১০,৫৫৮ টাকা
গরিব ছাত্রদের সাহায্যের নামে দেখানো ১৪,০০০ টাকা কোনো ছাত্র পাননি
গ্যাস বিল দেখানো ৮,৮০০ টাকা, অথচ স্থানীয় প্রবাসীর দেওয়া লাইনের গ্যাস ছিল বিনামূল্যে
২০১৯ সালের অনিয়ম
কোচিং ফি আয় হিসাবে ৬,১০০ টাকা, কিন্তু ২০০ টাকা করে ৭০ জন শিক্ষার্থীর প্রকৃত বার্ষিক আয় হওয়া উচিত প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা
বিদ্যুৎ বিল আয়ে মাত্র ১,১৩০ টাকা দেখানো
গরিব ছাত্রদের সাহায্য ৯,২৫০ টাকা দেখানো হলেও কেউ পায়নি
পূর্ব বছরের উদ্বৃত্ত ৩২,২৩৬ টাকা থাকা সত্ত্বেও নতুন হিসেবে দেখানো হয়েছে ১৬,৯০৩ টাকা কর্জ
২০২৪ সালের অনিয়ম
ছাত্র সংখ্যা অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল আসার কথা থাকলেও দেখানো হয়েছে মাত্র ৩,৯১০ টাকা
ঘর মেরামতের খরচ প্রতিবছর একইভাবে ৫৭,০০০ টাকা—যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন
গোরাবা ফাউন্ডে “ছাগল দান” নামে খরচ দেখানো হয়েছে ১,১৪,৭০০ টাকা, কিন্তু বাস্তবে দাতাদের দেওয়া ছাগল ছাত্রদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ
স্থানীয়দের দাবি—আরিফুল ইসলাম বিভিন্ন উৎস থেকে বার্ষিক লক্ষাধিক টাকা আসলেও প্রতি বছর হিসাবের খাতায় ‘কর্জ’ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করছেন।

অবৈধ অনলাইন কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ
একাধিক সূত্রের দাবি—
প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলাম বাইনান্স, লিভ গুডসহ অননুমোদিত ক্রিপ্টো, জুয়া এবং সফটওয়্যারভিত্তিক লেনদেনে জড়িত।
এছাড়া তিনি অনলাইনে “পুরনো পণ্য–লেনদেন” নামে আর্থিক কার্যক্রমও পরিচালনা করেন।

অভিযোগ রয়েছে—এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে তাঁর অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং ছাত্রদের জন্য নেতিবাচক উদাহরণ।

অস্বাভাবিক বিনিয়োগ: “প্রাণ কড়ি”, “আলফা ইসলামি লাইফ ইন্সুরেন্স”
সূত্র জানায়—আরিফুল ইসলাম

“প্রাণ কড়ি” নামে অবৈধ সমবায় সমিতিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছেন
“আলফা ইসলামি লাইফ ইন্সুরেন্স”-এ তাঁর মোটা বিনিয়োগ রয়েছে
অভিযোগ—এই অর্থের বড় অংশ মাদ্রাসা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা হয়েছে
এতে এলাকায় ক্ষোভ আরও বাড়ছে।

শিক্ষকের দায়িত্ব ফেলে ব্যক্তিগত ব্যবসা–বানিজ্য
অভিযোগ রয়েছে—প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলাম প্রতিদিন দুপুরে মাদ্রাসা ছেড়ে ফেনী শহরে নিজস্ব ব্যবসা দেখতে যান এবং রাত ১০টার দিকে ফেরেন।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদক সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে মো. নিরব (২৬) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে রোববার দুপুরে উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মাইজচরা গ্রামের বাংলাবাজারের উত্তর পাশে কালা দুলালের বাপের বাড়ির সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত নিরব একই ওয়ার্ডের আব্দুল গনি বাড়ির আব্দুল গনির ছেলে। তিনি পেশায় একজন স’মিল শ্রমিক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিরব কিছুদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। কয়েকদিন আগে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক রুবেল মাঝির (২৮) ভাতিজার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
ওই বিরোধের জেরে রোববার সকাল ১০টার দিকে নিরব তার তিন সহযোগীকে নিয়ে বাংলাবাজারের উত্তর পাশে রুবেল মাঝির ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছুরিকাঘাতে রুবেল মাঝির ৩-৪ জন অনুসারী আহত হয়।

পরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে নিরবের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ রুবেল মাঝির বাড়ির সামনে চলে গেলে রুবেল মাঝির লোকজন ধাওয়া দিয়ে নিরবকে আটক করে। পরে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. জহির ওরফে আব্দুল গনি রোববার রাতে ২২ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে রোববার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে পূর্ব মাইজচরা গ্রাম থেকে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

SIRAJUL KABIR BULBUL

উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ  সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL

নিরাপত্তা ও বৈধতা নিয়েও শঙ্কা, সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি

সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২১ পিএম
সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন “সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিম”-এর পরিচালক মো: সেলিম রানা। তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে সকল প্রবাসীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তার দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, “যারা সৌদি আরবে আছেন, তারা অপ্রয়োজনে বাইরে বের হবেন না। আকামার মেয়াদ ও কাগজপত্র বৈধ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদ ও আটক হওয়ার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে উমরাহ বা হজের উদ্দেশ্যে চলাচলের সময়ও অনেক প্রবাসী সমস্যায় পড়ছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রবাসীদের আটক করে জেল খাটিয়ে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে করে শত শত বাংলাদেশি প্রবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ছেন এবং তাদের পরিবারগুলোও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে।
১০১ টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে অনেক প্রবাসী কান্না ও আহাজারির মধ্য দিয়ে দেশে ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশা বাড়ছে প্রবাসীদের মধ্যে।
এ বিষয়ে ১০১ টিমের সদস্য ফয়সাল, জাহিদ ও নাঈম বলেন, “আমরা জানতে চাই—বৈধভাবে সৌদি আরবে থাকার পরও কেন আমরা নিরাপদ নই? আমাদের সমস্যা কে দেখবে?”
তারা আরও দাবি জানান, বাংলাদেশের সরকারকে দ্রুত এ বিষয়ে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয় এবং ভিসা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। তাই প্রবাসীদের সবসময় নিজেদের কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা, নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলা এবং সন্দেহজনক পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
উপসংহার:
বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য সচেতনতা ও সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপই পারে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও আস্থার জায়গা পুনরুদ্ধার করতে।

error: Content is protected !!