বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

হযরত ঈসা (আঃ) এক অলৌকিক নবীর গল্প

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১৯ এএম | 95 বার পড়া হয়েছে
হযরত ঈসা (আঃ) এক অলৌকিক নবীর গল্প

✨ আলৌকিক নবী: হযরত ঈসা (আঃ)-এর জন্ম ও মহান মুজিযা 🕊️
আল্লাহ তা’আলা যুগে যুগে মানুষের হিদায়াতের জন্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন হযরত ঈসা (আঃ), যিনি সম্পূর্ণ অলৌকিক উপায়ে পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন।
অলৌকিক জন্ম
হযরত ঈসা (আঃ)-এর মা হযরত মারইয়াম (আঃ) ছিলেন অত্যন্ত পরহেজগার ও আল্লাহর ভীরু নারী। একদিন ফেরেশতা হযরত জিব্রাইল (আঃ) তাঁর কাছে এসে বললেন: “আল্লাহ তোমাকে একটি পবিত্র সন্তান দান করবেন।”
মারইয়াম (আঃ) বিস্ময় নিয়ে বললেন: “হে আমার রব, কীভাবে আমার সন্তান হবে? অথচ কোনো মানুষ আমাকে স্পর্শ করেনি!”
ফেরেশতা উত্তর দিলেন: “এভাবেই আল্লাহ যা চান, সৃষ্টি করেন। তিনি যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাকে শুধু বলেন, ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।” (সূরা আলে-ইমরান ৪৫-৪৭)
“সে দোলনায় থাকা অবস্থায় এবং পরিণত বয়সে মানুষের সাথে কথা বলবে এবং সে হবে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।” সূরা আলে-ইমরান-৪৬
আল্লাহ তা’আলা কোনো পিতা ছাড়াই তাঁকে সৃষ্টি করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর জন্ম ছিল আল্লাহর মহান কুদরতের এক উজ্জ্বল নিদর্শন।
দোলনায় কথা বলা
জন্মের পরেই যখন সমাজের লোকেরা মারইয়াম (আঃ)-কে দোষারোপ করতে শুরু করল, তখন এক অলৌকিক ঘটনা ঘটল। নবজাতক ঈসা (আঃ) কথা বলে উঠলেন!
তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর বান্দা। তিনি আমাকে কিতাব দান করেছেন এবং নবী করেছেন।” (সূরা মারইয়াম ১৯:৩০)
“সে (ঈসা) বলল, ‘আমি তো আল্লাহর বান্দা। তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন এবং আমাকে নবী করেছেন’”, যা ঈসা (আঃ)-এর শৈশবে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সম্মান ও মর্যাদার ঘোষণা।
এই অলৌকিক ঘটনা সবাইকে হতবাক করে দিল।
মুজিযা ও দাওয়াত
সময়ের সাথে তিনি বড় হতে লাগলেন। আল্লাহ তাঁকে শিক্ষা, প্রজ্ঞা এবং বহু অলৌকিক ক্ষমতা দান করলেন। আল্লাহর অনুমতিতে তিনি:
অসুস্থকে সুস্থ করতেন।
অন্ধকে চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতেন।
মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতেন। (সূরা আলে ইমরান ৩:৪৯)
ঈসা (আঃ)-এর মুজিযা ও নবুয়তের প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে তিনি আল্লাহর হুকুমে কাদা দিয়ে পাখির আকৃতি তৈরি করে ফুঁকে দেন, জন্মান্ধ ও কুষ্ঠরোগীকে সুস্থ করেন, মৃতকে জীবিত করেন এবং মানুষ যা খায় ও জমা রাখে তা বলে দেন, যা তাঁর রিসালাতের সুস্পষ্ট নিদর্শন।
হযরত ঈসা (আঃ) মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের দিকে ডাক দিতেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার প্রতিপালক এবং তোমাদেরও প্রতিপালক। সুতরাং তোমরা তাঁরই ইবাদত কর। এটাই সরল পথ।” (সূরা আলে ইমরান ৩:৫১)
এই আয়াতটি আল্লাহ্‌র একত্ববাদ (তাওহিদ) এবং একমাত্র তাঁরই ইবাদতের গুরুত্বের উপর জোর দেয়, যা ইসলামে সরল ও সঠিক পথ হিসেবে পরিচিত।
সরল পথ: একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করাই হলো ‘সিরাতুল মুস্তাকীম’ বা সরল পথ, যা মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।
আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তন
কিন্তু কিছু লোক তাঁকে বিশ্বাস করলো না। বরং তাঁর বিরোধিতা করলো এবং তাঁকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করলো। তবে আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করলেন এবং নিজস্ব কুদরতে জীবিত অবস্থায় তাঁকে নিজের নিকট উঠিয়ে নিলেন। (সূরা আন-নিসা ৪:১৫৭-১৫৮)
কিয়ামতের আগে প্রত্যাবর্তন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে সুসংবাদ দিয়েছেন: “আমি সেই সময় খুব নিকটে যখন মরিয়মের পুত্র ঈসা তোমাদের মাঝে ন্যায় শাসক হয়ে অবতরণ করবেন। তিনি ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকরের মাংস নিষিদ্ধ করবেন এবং জিযিয়া (কর) তুলে দিবেন।” (সহীহ বুখারী, হাদীস ২৪৭৬)
কিয়ামতের আগে তিনি আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। সত্যধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবেন, দাজ্জালকে হত্যা করবেন, এবং পৃথিবীতে শান্তি ও ন্যায়ের রাজত্ব কায়েম করবেন।
শিক্ষা:
হযরত ঈসা (আঃ)-এর জীবন প্রমাণ করে যে, আল্লাহর কুদরত সীমাহীন। আল্লাহর ইচ্ছায়ই অলৌকিক ঘটনা ঘটে এবং শেষ পরিণতি আল্লাহর হাতেই নির্ধারিত।

বালিয়াডাঙ্গীতে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম
বালিয়াডাঙ্গীতে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী পাইলট স্কুল রোড এলাকায় প্রায় দীর্ঘ দেড় দশক ধরে বসবাস করে আসা এক অজ্ঞাতপরিচয় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ ১লা এপ্রিল বুধবার সকালে পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের পাশ থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত ওই ব্যক্তি দীর্ঘ প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে বালিয়াডাঙ্গী পাইলট স্কুল রোড সংলগ্ন এলাকায় একটি বাঁশ ঝাড়ের নিচে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং এই দীর্ঘ সময়ে ওই এলাকার মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন। তবে এত বছরেও কেউ তাঁর নাম বা প্রকৃত ঠিকানার হদিস জানতে পারেনি। এলাকাবাসীর দেওয়া খাবার ও সাহায্যেই চলত তাঁর জীবন।

বুধবার সকালে পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের পাশে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় অনেক প্রবীণ ও প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণা, এই ব্যক্তির আদি বাড়ি পার্শ্ববর্তী রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় হতে পারে। দীর্ঘকাল বালিয়াডাঙ্গীতে থাকলেও তাঁর নাড়ির টানের খোঁজে কেউ আসেনি।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে একটি এলাকায় বসবাস করার পর এমন নিঃসঙ্গ মৃত্যুতে স্থানীয়রা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। তারা চান, অন্তত শেষ বিদায়টা যেন তাঁর নিজ পরিবার বা স্বজনদের কাছে হয়।

উক্ত ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং তাঁর পরিবারের সন্ধান পেতে সংবাদটি জনস্বার্থে প্রচারের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৬ বছর আগে নেকমরদ বা পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া কোনো ব্যক্তির বর্ণনার সাথে মিল থাকলে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী থানা অথবা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।

পালিত হলো এ. টি. এম আমিনুর রহমান বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৫ পিএম
পালিত হলো এ. টি. এম আমিনুর রহমান বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ.টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষা২০২৫ গত ২২/১১/২০২৫ইং অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর ফলাফল ঘোষণা করা হয় ফেব্রুয়ারি,২০২৬ এ।পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী ২৫ শে মার্চ ২০২৬ বিকাল তিন ঘটিকা থেকে এ. টি. একাডেমী স্কুল মাঠে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৫ শে মার্চ,২৬ রোজ বুধবার বিকাল ৩ ঘটিকায় এ.টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় যে সকল শিক্ষার্থী ট্যালেন্টফুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় মিরসরাই উপজেলার মিঠাছড়া বাজার সংলগ্ন এ. টি. একাডেমী স্কুল মাঠে।

মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরুষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এ. টি. এম আমিনুর রহমান স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কামরুল হাসান সিদ্দিকী(এফ সি এ), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আনোয়ারুল হক, মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামশেদ আলম, এ. টি. একাডেমীর প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন, মিরসরাই কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও অন উইথ কেজি স্কুলের পরিচালক আনোয়ার জাহেদ, মান্দার বাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সাফিয়া বেগম এবং উপস্থিত ছিলেন এ. টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী, সদস্য আবু তারক সিদ্দিকী, রিফাত সিদ্দিকী, আকিব সিদ্দিকী সহ এ. টি. একাডেমীর শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলী। উপস্থিত ছিলেন এ. টি এম আমিনুর রহমান স্মৃতিশিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষার সম্পাদক মাস্টার আব্দুল আলিম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র সদস্য আবু তারেক আকাশ সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ক্রেস্ট, সনদ ও প্রাইজ বন্ড। শিক্ষার্থীরা তাদের পুরস্কার হাতে পেয়ে খুবই উচ্ছ্বাসিত ও আনন্দিত। এ. টি. এম আমিনুর রহমান স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ২য় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী।

সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তর উত্তর জীবনের উন্নতি কামনা করে সভাপতি অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৩ পিএম
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

গাজীপুরে শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক আনন্দঘন, তাৎপর্যপূর্ণ ও পেশাগত চেতনায় সমৃদ্ধ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(৩১’শে মার্চ ২০২৬) মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার সাবাহ্ গার্ডেন রিসোর্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপনের সঞ্চালনায় ও শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী আসাদুজ্জামানের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠানে ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ শাহাদত হোসাইন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আল আমিন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সোহাগ ভান্ডারী, সহ-সভাপতি শামীম আল মামুন, চ্যানেল এস এর সাংবাদিক মিজানুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল পাশা, যুগ্ম-সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাগর, সাংবাদিক দুর্জয়, সাংবাদিক বিলকিস, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক এনামুল হক প্রমুখ। এ সময় শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের অন্যান্য সদস্য এবং জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি সমসাময়িক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ, পেশাগত দায়বদ্ধতা, সংবাদ পরিবেশনের নৈতিকতা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গণমাধ্যম শুধু সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, বরং সত্য উদঘাটন, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং জনমত গঠনের শক্তিশালী হাতিয়ার। বক্তারা আরো বলেন, স্বাধীনতার চেতনা লালন এবং সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করার লক্ষে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পরে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

error: Content is protected !!