মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২

রাজশাহী মহানগরীর দাশপুকুর এলাকায় র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে নগদ টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক-৬

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:৩১ পিএম | 128 বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী মহানগরীর দাশপুকুর এলাকায় র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে নগদ টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক-৬

র‍্যাব প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সন্ত্রাসী, সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক, অস্ত্র, ছিনতাইকারী এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইং ২২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ রাত্রী-১৯.০৫ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন দাশপুকুর নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী আসামী ১। ইসমাইল হোসেন সবুজ (২৯), পিতা- মোঃ মতিউর রহমান, মাতা- বেবী বেগম, সাং-দাশপুকুর (পূর্ব পাড়া), ২। মোঃ অন্ত (৩১), পিতা-মৃত আঃ মজিদ, মাতা- মৃত জবেদা, সাং লক্ষিপুর আইডি কোয়ার্টার, ৩। মোঃ শাহজাহান (৩০), পিতা- মৃত গোলাম মোস্তফা, মাতা- মোছাঃ নুরজাহান, সাং আইডি লক্ষিপুর বাগানপাড়া, রেললাইন বস্তি, সর্ব থানা-রাজপাড়া, রাজশাহী মহানগর, ৪। মোঃ আরাফাত (১৯), পিতা- মৃতঃ আবু তাহের, মাতা- মৃতঃ বানেসা বেগম, সাং-বোলাবোনা, থানা-দামকুড়া, রাজশাহী মহানগর ৫। মোঃ ফিরোজ ইসলাম (২৬), পিতা- মোঃ নুরুজ্জামান, মাতা-মোছাঃ বানু, সাং- পূর্ব মোল্লাপাড়া (আশা অফিস) ভিকোর পাঠাল, থানা- পবা, জেলা- রাজশাহী, ৬। মোঃ লিটন (৩০), পিতা- ফুল মোহাম্মদ, মাতা- মোছাঃ তাহেরা বিবি, সাং-চক চোয়ার, থানা- মান্দা, জেলা- নওগাঁ, বর্তমানে-তেরখাদিয়া পশ্চিম পাড়া (পরাগ মিয়ার ভাড়াটিয়া), থানা-রাজপাড়া, রাজশাহী মহানগর এবং ৭। পলাতক আসামী মোছাঃ পিংকি বেগম, পিতা- মৃতঃ সাজ্জাদ আলী, মাতা- হাসনা হেনা সাং-আইডি লক্ষিপুর (বাগানপাড়া), থানা-রাজপাড়া, রাজশাহী মহানগরদেরকে গ্রেফতার করে এবং জব্দকৃত আলামত গাঁজা -০১ কেজি ৯৯০ গ্রাম, ইয়াবা-১১ পিস, ট্যাপেন্টডল ট্যাবলেট-০৫ পিস মোবাইল ০৩ টি, সীম ০৩ টি, নগদ ১৫৯৪০/-টাকা উদ্ধার করে।
স্থানীয় জনগণের অভিযোগ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫, সদর কোম্পানী জানতে পারে যে, রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন দাসপুকুর নামক এলাকায় বর্তমানে ব্যাপক হারে মাদকের কেনা বেচা বৃদ্ধি পেয়েছে। পরবর্তীতে র‍্যাবের গোয়েন্দা দল উক্ত স্থানটি নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষনে রাখে এবং অদ্য তারিখ রাতে একটি আভিযানিক দল উক্ত ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে ০৬ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে।
ধৃত আসামিগণ এলাকার সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ফেন্সিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক অজ্ঞাত স্থান হতে সংগ্রহ করে রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বুচরা ও পাইকারী ভাবে বিক্রি করে আসছিল। তাছাড়া ধৃত আসামিগন নিজেরাও বিভিন্ন ধরণের মাদক সেবন করে। উক্ত আসামিগনদের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় মাদক আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা।

ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ড

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০২ পিএম
ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ড

১৯৭৭ সালে ****-এর ভয়েজার অভিযানের অংশ হিসেবে এই সোনালী ডিস্কটি পাঠানো হয় মহাশূন্যে। এর সঙ্গে রওনা দেয় মানবতার আশা, সংস্কৃতি, সঙ্গীত আর ভালোবাসার গল্প। 🌍🎶
🚀 এই রেকর্ডটি বহন করছে দুই মহাকাশযান — ভয়েজার ১ এবং ভয়েজার ২।
আজও তারা ছুটে চলেছে সূর্যজগতের সীমানা পেরিয়ে, অজানা নক্ষত্রপুঞ্জের দিকে… যেন মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন পৌঁছে দিতে মহাবিশ্বের দূরতম প্রান্তে। ⭐
🎧 ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ডে কী আছে?
✨ ৫৫টি ভাষায় শুভেচ্ছাবার্তা
✨ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাকৃতিক শব্দ — বৃষ্টি, পাখির ডাক, হৃদস্পন্দন ❤️
✨ বাখ, বিথোভেন থেকে শুরু করে ভারতীয় রাগ — নানা সঙ্গীতধারা 🎼
✨ মানুষের ছবি, বিজ্ঞান ও গণিতের তথ্য, ডিএনএ-এর গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ বার্তা 📡
এই রেকর্ডের মূল পরিকল্পনাকারীদের একজন ছিলেন বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল সেগান।প্রখ্যাত জ্যোতিঃপদার্থবিদ কার্ল সেগানের নেতৃত্বে গঠিত এই দলে ছিলেন বিখ্যাত ড্রেক সমীকরণের স্রষ্টা ফ্রাঙ্ক ডি. ড্রেক, ডকুমেন্টারি প্রযোজক ও বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করার বিশেষজ্ঞ অ্যান ড্রুয়ান। তাঁর স্বপ্ন ছিল — “যদি কোনোদিন ভিনগ্রহের বুদ্ধিমান প্রাণীরা এই বার্তা পায়, তারা যেন জানতে পারে আমরা কারা, আমরা কী ভালোবাসি।” 💫
🌠 ভাবুন তো — কোটি কোটি বছর পর, কোনো অচেনা গ্রহে কেউ যদি এই ডিস্কটি চালায়…
তারা শুনবে আমাদের হাসি, গান, হৃদস্পন্দন — আর বুঝবে, এই নীল গ্রহের মানুষও একদিন ভালোবাসতে জানত। 💙

রিমন হোসেন, সৌদি আরব

প্রবাসী বাংলাদেশীদের করুন পরিনতি অভিযোগের তীর রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে

রিমন হোসেন, সৌদি আরব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
প্রবাসী বাংলাদেশীদের করুন পরিনতি অভিযোগের তীর রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে

সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যে কাজের ভিসায় মোটা অংকের বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে প্রবাসীদেরকে বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সি প্রতারণা করে যাচ্ছে প্রশাসনের নাকের ডগায়। প্রতারণার স্বীকার হয়ে সর্বস্ব হারাতে হচ্ছে প্রবাসীদের। ভোগান্তির স্বীকার হয়ে কেউ বাধ্য হয়ে কেউবা আবার জেল খেটে দেশে ফেরত আসছেন। প্রতারণায় নিঃস্ব হয়ে দেশে এসেও পড়েছেন কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তায়।

সৌদি আরবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাংলাদেশে থাকা রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে ভালো বেতনের চাকরির আশ্বাস দিলেও বাস্তবে সৌদি আরবে কাজের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন। নির্ধারিত বেতন তো দূরের কথা, কাজই মিলছে না। একই সঙ্গে ইকামাও (সৌদিতে থাকার বৈধতা) মিলছে না। ফলে অবৈধ হয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে প্রবাসীরা। বিশেষ করে এজেন্সি গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাজের বিজ্ঞাপন দিয়ে মিথ্যা প্রলোভন দেখায়। অনেকে অবৈধ অবস্থায় গ্রেপ্তার হয়ে দেশে ফেরত আসছেন।

অনুসন্ধানে জানা গিয়েছে, বিশেষ করে ব্যাঙের ছাতার মতো ঢাকা শহরে গড়ে উঠা রিক্রুটিং এজেন্সির বেশির ভাগেরই আর এল নাম্বার নেই। অন্য এজেন্সির লাইসেন্স নাম্বার ব্যবহার করে ভ্রাম্যমাণ অফিস খুলে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে।

প্রবাসীদেরকে লাইসেন্স নাম্বার দেখিয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে দালালের হাতে তুলে দিচ্ছে। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে কাজ না পেয়ে পুনরায় দেশ থেকে টাকা এনে কাজের ব্যবস্থা করলেও নিয়মিত বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী প্রবাসীরা। এক পর্যায়ে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে নির্বিকায় হয়ে পড়ে।

রিক্রুটিং এজেন্সি ধরাছোঁয়ার বাহিরে চলে যায়, এজেন্সি গুলো প্রবাসীদের সাথে জোগাজোগ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে দিনকাটাতে থাকে। প্রবাসীদের এমন ভোগান্তি যাতে লাঘব হয় সে বিষয়ে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছে প্রবাসী বিভিন্ন সংগঠন।

চাঁদের পথে মানবজাতির নতুন অধ্যায়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
চাঁদের পথে মানবজাতির নতুন অধ্যায়

বহু বছর পর আবার মানুষকে চাঁদের কক্ষপথে পাঠানোর এই মিশন পরিচালনা করছে NASA।
এই মিশনের প্রাণকেন্দ্র হলো অত্যাধুনিক Orion spacecraft—যা ভবিষ্যতের গভীর মহাকাশ অভিযানের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
🛰️ ওরিয়ন ক্যাপসুলে কী থাকছে?
🔹 👨‍🚀 মানব ক্রু (Astronaut Crew)
Artemis II-তে থাকছেন ৪ জন মহাকাশচারী, যারা Moon-এর চারপাশে প্রদক্ষিণ করবেন।
🔹 🧠 উন্নত লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম
দীর্ঘ সময় মহাকাশে টিকে থাকার জন্য অক্সিজেন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, পানি পুনর্ব্যবহার—সবকিছুই রয়েছে অত্যাধুনিকভাবে।
🔹 🖥️ অ্যাভিওনিক্স ও নেভিগেশন সিস্টেম
ওরিয়নের কম্পিউটার ও সেন্সরগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে পথ নির্ধারণ ও নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করবে।
🔹 🛡️ তাপ প্রতিরোধী হিট শিল্ড
পৃথিবীতে ফেরার সময় ভয়ংকর তাপ (প্রায় ২,৮০০°C) সহ্য করার জন্য বিশেষ হিট শিল্ড লাগানো হয়েছে।
🔹 📡 যোগাযোগ ব্যবস্থা (Deep Space Communication)
মহাকাশ থেকে সরাসরি পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী সিস্টেম।
🔹 🔬 বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম
ভবিষ্যৎ মিশনের প্রস্তুতির জন্য বিভিন্ন পরীক্ষামূলক যন্ত্রপাতি ও ডাটা সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে।
🌌 কেন গুরুত্বপূর্ণ এই মিশন?
✨ এটি মানুষের চাঁদে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতির প্রথম ধাপ
✨ ভবিষ্যতে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি তৈরির ভিত্তি
✨ মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার পথ খুলে দেবে
🚀 সংক্ষেপে:
Artemis II শুধু একটি মিশন নয়—এটি মানবজাতির মহাকাশ অভিযানের নতুন যুগের সূচনা!

error: Content is protected !!