বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

শীতের আগেই ত্বক ঠোঁটের যত্নে আন্না’র পরামর্শ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৩ এএম | 101 বার পড়া হয়েছে
শীতের আগেই ত্বক ঠোঁটের যত্নে আন্না’র পরামর্শ

শীতের আগেই সব ধরনের ত্বক ও ঠোঁটের যত্নের ঘরোয়া কিছু টিপস দিয়েছেন সাবেক চিত্রনায়িকা, বিউটি এক্সপার্ট ও আন্না’স মেকওভার অ্যান্ড স্কুল অব বিউটিফিকেশন এর কর্ণধার নাহিদা আশরাফ আন্না।
শীত মানেই ঠান্ডা হাওয়া, শুষ্কতা আর নিস্তেজ ত্বক। কিন্তু একটু যত্ন নিলেই যেকোনো ধরনের ত্বক শুষ্ক, তৈলাক্ত, মিশ্র বা সংবেদনশীল হলেও থাকতে পারে কোমল ও উজ্জ্বল। চলুন জেনে নিই ঘরে বসে নেওয়া সহজ কিছু যত্নের উপায়।
১. ত্বক প্রস্তুত করুন :
#ক্লিনজিং ও স্ক্রাবিং :
ক্লিনজিং (ত্বক পরিষ্কার রাখা)। শুষ্ক ত্বকে দুধ বা ক্রিমভিত্তিক ক্লিনজার ব্যবহার করুন। ঘরোয়া বিকল্প হিসেবে কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে মুখ মুছে নিন।
#তৈলাক্ত ত্বক :
গোলাপজল বা টক দই ব্যবহার করুন। এটি তেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
#সংবেদনশীল ত্বক : অ্যালোভেরা জেল বা মৃদু ফেসওয়াশ বেছে নিন।
#স্ক্রাবিং (মৃত কোষ দূর করা) :
সবার জন্য ঘরোয়া স্ক্রাব: ১ চা চামচ চিনি + ১ চা চামচ মধু + সামান্য অলিভ অয়েল মিশিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন ৩/৪ মিনিট, তারপর ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বক হলে লেবুর রসের এক ফোঁটা দিতে পারেন; শুষ্ক ত্বক হলে কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল দিন।
২. হাইড্রেশন :
#আর্দ্রতা ধরে রাখতে ময়েশ্চারাইজিং টিপস :
#শুষ্ক ত্বক :
অলিভ অয়েল, নারকেল তেল বা দুধ – মধুর প্যাক ব্যবহার করুন।
#তৈলাক্ত ত্বক :
হালকা ওজনযুক্ত জেল – ক্রিম বা অ্যালোভেরা জেল দিন ও রাতে।
#মিশ্র ত্বক :
গাল ও ঠোঁটের চারপাশে ক্রিম, আর টি জোনে (নাক ও কপাল) হালকা জেল ব্যবহার করুন।
#ঘরোয়া মাস্ক :
দই ও মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি সব ধরনের ত্বকেই আর্দ্রতা যোগায় ও ত্বক মসৃণ রাখে।
৩. ঠোঁটের যত্ন :
#সবার জন্য প্রাকৃতিক টিপস :
শীতকালে ত্বকের মতো ঠোঁটও শুষ্ক হয়ে যায়, তাই নিয়মিত যত্ন জরুরি।
#ঠোঁট নরম রাখার উপায় :
মধু ও চিনি স্ক্রাব: ঠোঁটে হালকা ম্যাসাজ করুন ২ মিনিট, তারপর ধুয়ে ফেলুন।
#প্রাকৃতিক লিপবাম :
মোম (beeswax), নারকেল তেল ও ভিটামিন ই তেল মিশিয়ে সংরক্ষণ করুন।
#রাতে ঘুমানোর আগে :
গ্লিসারিন বা বাদাম তেল লাগান।
#অতিরিক্ত যত্ন :
#শুষ্ক ঠোঁটে কাঁচা দুধের ক্রিম লাগিয়ে রাখলে ফাটা ঠোঁট দ্রুত সারবে।
#লেবুর রস ব্যবহার করবেন না, এটি ঠোঁট আরও শুষ্ক করে।
৪. ভেতর থেকে যত্ন :
#খাবার ও পানীয় :
দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন, শীতেও পানি পানের অভ্যাস রাখুন।
#ভিটামিন এ, সি, ও ই সমৃদ্ধ ফলমূল ও সবজি খান। গাজর, বিট, টমেটো, কমলালেবু, আপেল।
বাদাম, ফ্ল্যাক্সসিড ও মাছের মতো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার ত্বককে ভিতর থেকে ময়েশ্চারাইজ করে।
৫. ঘরের পরিবেশ ও অভ্যাস :
#রুমে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে বাতাসে আর্দ্রতা বজায় থাকে। তবে সরাসরি হিটারের সামনে বসবেন না।
#ডিম কুসুম গরম পানিতে গোসল করুন, অতিরিক্ত গরম পানি ত্বককে শুষ্ক করে দেয়।
৬. অতিরিক্ত যত্নের টিপস :
#বাইরে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। কারণ, শীতে সূর্যের রশ্মিও ত্বক পোড়াতে পারে।
#সুগন্ধিযুক্ত সাবান বা হার্ড কেমিক্যাল এড়িয়ে চলুন।
#রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ও ঠোঁট পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজ করুন।
শেষ কথা :
#ত্বক যেকোনো ধরনের হোক না কেনো নিয়মিত যত্ন, সঠিক খাবার, আর প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহারে শীতে ত্বক ও ঠোঁট দুটোই থাকবে উজ্জ্বল, নরম ও প্রাণবন্ত।

আমার কাছে সরাসরি সেবা নিতে চলে আসতে পারেন –
#আন্না’স মেকওভার এন্ড স্কুল অফ বিউটিফিকেশন :
বাড়ি নং : ৩৭৫/১ (২য় তলা) ডি.আই.টি.রোড, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা – ১২১৯

মডেল : লাজিনা

কক্সবাজার খুরুস্কুল ইউনিয়নে (ভিজিএফ) চাউল বিতরণ শুরু

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া, কক্সবাজার প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ২:০৪ পিএম
কক্সবাজার খুরুস্কুল ইউনিয়নে (ভিজিএফ) চাউল বিতরণ শুরু

(১১ মার্চ) সকাল দশটায় কক্সবাজার সদর উপজেলা খুরুস্কুল ইউনিয়নে সরকারি ভাবে বরাদ্দকৃত হতদরিদ্র মানুষের মাঝে মাহে রমজান উপলক্ষে মাথাপিছু ১০ কেজি করে চাউল বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে
এই সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন মহিলা দলের সভাপতি হোসনে আরা আজাদ বেবী খুরুশকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন চৌধুরী। ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ মেম্বার। ইউপি সেক্রেটারি হুমায়ূন সহ প্রমুখ। তথ্যসূত্রে জানা যায় প্রথম দিনে ১৪৫০ হতদরিদ্র পরিবারের কাছে (ভিজিএফ) চাউল সুষ্ঠু ভাবে বিতরণ করা হয়।

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

পাবনা-৩ নির্বাচনী আসনে ভোট পুন:গণনা চেয়ে আবেদন

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
পাবনা-৩ নির্বাচনী আসনে ভোট পুন:গণনা চেয়ে আবেদন

আজ পাবনা-৩ নির্বাচনী আসনে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নির্বাচনী স্পেশাল বেঞ্চে অবৈধ ফলাফল বাতিল পূর্বক ভোট পুন:গণনা চেয়ে আবেদন করা হয়।

নির্বাচনী স্পেশাল বেঞ্চের একক বিচারক বিচারপতি মো: জাকির হোসেন শুনানি শেষে অবৈধ ফলাফল বাতিল এবং ভোট পুন:গণণা চেয়ে আবেদন গ্রহণ করেন এবং আগামী ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে শুনানির দিন ধার্য্য করেছেন।

আদেশে তিনি ওই আসনের ব্যালট সহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।

​মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ী মডেল থানা ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্য থেকে আধুনিকতার অগ্রযাত্রায় ১৬১ বছর

​মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
গোদাগাড়ী মডেল থানা ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্য থেকে আধুনিকতার অগ্রযাত্রায় ১৬১ বছর

রাজশাহী জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন প্রশাসনিক ইউনিট ‘গোদাগাড়ী মডেল থানা’ তার দীর্ঘ ১৬১ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নিয়ে সেবার আধুনিক রূপকার হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। ১৮৬৫ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত এই থানাটি বর্তমানে শুধু একটি প্রশাসনিক কেন্দ্র নয়, বরং সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং জনবান্ধব পুলিশিংয়ের এক অনন্য মডেলে পরিণত হয়েছে।

​উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে গোদাগাড়ী ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর ও ব্যবসা কেন্দ্র। পদ্মা ও মহানন্দা নদীর মিলনস্থলে অবস্থিত হওয়ায় এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮৬৫ সালে ব্রিটিশ সরকার এখানে থানা স্থাপন করে। দেশভাগ এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে এই থানার ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।

​মডেল থানায় রূপান্তর ও আধুনিকায়নে
​সাধারণ থানাকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ‘মডেল থানায়’ রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০০৪-২০০৫ সালের দিকে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ২০০৫ সালের ৫ মে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর আনুষ্ঠানিকভাবে এর নতুন ভবন ও মডেল থানা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

​প্রায় ৪৭৫.২৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই বিশাল থানা এলাকাটি ৯টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হওয়ায় এবং রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের ওপর অবস্থানের কারণে এই থানার কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে এখানে একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে এসআই, এএসআই ও কনস্টেবলসহ একটি দক্ষ টিম কাজ করছে, যা গোদাগাড়ী সার্কেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

​মডেল থানা হওয়ার পর এখানে যুক্ত হয়েছে বিশেষ কিছু সেবা:​নারী ও শিশু ডেস্ক: ভুক্তভোগী নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা আইনি সহায়তা ও কাউন্সেলিং।
​বিট পুলিশিং: ৯টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভায় বিট অফিসের মাধ্যমে দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা।
​সিসিটিভি মনিটরিং: গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো সিসিটিভির আওতায় এনে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ।

নেতৃত্বে যারা ছিলেন ও আছেন
​১৮৬৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত কয়েকশ কর্মকর্তা এখানে ওসির দায়িত্ব পালন করেছেন।
গোদাগাড়ী মডেল থানায় বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের নাম এবং তাঁদের যোগদানের তারিখ ও প্রস্থানের সময়কাল । ১৯৮৩ সাল থেকে বর্তমান (২০২৬) পর্যন্ত কর্মকর্তাদের।

​ঐতিহাসিক তালিকা (১৯৮৩ – ২০০০-এর দশক)
ক্রমিক কর্মকর্তার নাম আগমন প্রস্থান
০১ জনাব মো: আব্দুর রহমান ০৬-১১-৮৩ ০৬-০৭-৮৫
০২ জনাব মো: গোলাম মোস্তফা মিঞা ০৬-০৭-৮৫ ২২-০৪-৮৬
০৩ জনাব মো: আব্দুল বাতেন ৩০-০৪-৮৬ ০৬-০৭-৮৬
০৪ জনাব সৈয়দ মোমেন হোসেন ১৩-০৭-৮৬ ০৬-১০-৮৭
০৫ জনাব ফেরদৌস হোসেন ১২-১০-৮৭ ১১-০৮-৮৯
০৬ জনাব মো: আব্দুল হাই ২৯-০৮-৮৯ ০৪-০৯-৯১
০৭ জনাব মো: হেলাল উদ্দীন ০৪-০৯-৯১ ২০-০৪-৯২
০৮ জনাব কে এম হাবিবুর রহমান ০২-০৬-৯২ ১৯-০৪-৯৪
০৯ জনাব হেলাল উদ্দীন (বিপিএম ও ইউএনপিএম) ১৯-০৪-৯৪ ২০-০৪-৯৬
১০ জনাব হুমায়ুন কবির সরকার ২০-০৪-৯৬ ২৯-০৮-৯৭
১১ জনাব দেওয়ান মো: রেজাউল করিম (পিপিএম) ২৯-০৮-৯৭ ০৬-০৭-৯৮
১২ জনাব মোহাম্মদ গোলাম রহমান ০৬-০৭-৯৮ ২২-১০-৯৯
১৩ জনাব কে এম হাবিবুর রহমান ২৯-১০-৯৯ ০৬-০৮-০১

মধ্যবর্তী তালিকা (২০০১ – ২০২০)
ক্রমিক কর্মকর্তার নাম আগমন প্রস্থান
১৪ জনাব মো: আকতারুজ্জামান ০৮-০৮-০১ ২৮-১০-০১
১৫ জনাব এম সালাহ উদ্দিন আহমেদ ২৯-১০-০১ ১৭-০৬-০৩
১৬ জনাব মো: সাইদুর রহমান ১৭-০৬-০৩ ২৪-০৭-০৬
১৭ জনাব মো: আবু বক্কর সিদ্দিক ২৪-০৭-০৬ ২৫-০৩-০৯
১৮ জনাব মো: শামসুল আলম শাহ ২৬-০৩-০৯ ১০-১২-০৯
১৯ জনাব মো: আতাউর রহমান ১১-১২-০৯ ০৪-১২-১০
২০ জনাব মো: আলমগীর হোসেন ০৫-১২-১০ ০৩-০৭-১২
২১ জনাব মো: আবু জাফর বিশ্বাস ০৩-০৭-১২ ১০-০৫-১৩
২২ জনাব মো: এস এম আবু ফরহাদ ১১-০৫-১৩ ১৫-০৯-১৫
২৩ জনাব হিপজুর আলম মুন্সি ১৬-০৯-১৫ ১৫-০৮-১৮
২৪ জনাব জাহাঙ্গীর আলম ১৬-০৮-১৮ ৩১-০৩-২০
২৫ জনাব মো: খলিলুর রহমান পাটোয়ারী ০১-০৪-২০ ৩০-০৯-২১

সাম্প্রতিক তালিকা (২০২১ – বর্তমান ২০২৬)
ক্রমিক কর্মকর্তার নাম আগমন প্রস্থান
২৬ জনাব মো: কামরুল ইসলাম (আইজিপি ব্যাচ) ১৬-০৬-২১ ৩১-১০-২৩
২৭ জনাব মো: আব্দুল মতিন ৩১-১০-২৩ ০৯-০৮-২৪
২৮ জনাব মো: আতাউর রহমান (আইজিপি ব্যাচ) ১০-০৮-২৪ ১৫-০৯-২৪
২৯ জনাব মো: মনিরুল ইসলাম (আইজিপি ব্যাচ) ১৫-০৯-২৪ ০৬-১০-২৪
৩০ জনাব মুহাম্মদ রুহুল আমিন (আইজিপি ব্যাচ) ০৭-১২-২৪ ১৮-০৯-২৫
৩১ জনাব মো: হাসান বাসির (আইজিপি ব্যাচ) ০৮-১২-২৫ বর্তমান

তবে ২০০৫ সালে মডেল থানা হওয়ার পর প্রথম ওসির দায়িত্ব পালন করেন এসএম আবু ফরহাদ। এরপর কামরুল ইসলাম, হিফজুর আলম মুন্সি ও খায়রুল ইসলামের মতো কর্মকর্তারা এখানে মাদকবিরোধী অভিযানে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন তারা ।

​সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় গোদাগাড়ী থানার প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো মাদক (বিশেষ করে হেরোইন) ও অনলাইন জুয়া, চোরাচালান রোধ। বর্তমান ওসির নেতৃত্বে নিয়মিত রেকর্ড পরিমাণ মাদক উদ্ধার এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার মাধ্যমে থানাটি সারা দেশে আলোচিত হচ্ছে। ‘ওপেন ডে পুলিশিং’ এবং ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে এই মডেল থানা।
​প্রাচীন ঐতিহ্য ধরে রেখে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানা আগামী দিনে আরও জনবান্ধব হয়ে উঠবে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

মাদক ও অনলাইন জুয়া, অপরাধমুক্ত গোদাগাড়ী গড়তে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ওসির।
বর্তমানে গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন জনাব মোঃ হাসান বাসির (আইজিপি ব্যাচ প্রাপ্ত)।
কর্মদক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিকবার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থানার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন।

​শতবর্ষী গোদাগাড়ী মডেল থানার ঐতিহ্য ধরে রেখে সেবার মানকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোঃ হাসান বাসির (আইজিপি ব্যাচ প্রাপ্ত)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে থানার বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

ওসি হাসান বাসির বলেন, গোদাগাড়ী একটি সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এখানে মাদকের চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। তবে আমাদের নীতি স্পষ্ট মাদক ও অনলাইন জুয়া খেলার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’। গত এক বছরে আমরা কোটি কোটি টাকার মাদক উদ্ধার করেছি এবং বিপুল সংখ্যক অপরাধীকে আইনের আওতায় এনেছি। মাদক ও অনলাইন জুয়া নির্মূলে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

থানার সেবার মান নিয়ে তিনি বলেন, আমরা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছি। পুরো উপজেলাকে পর্যায়ক্রমে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে, যা সরাসরি থানা থেকে মনিটর করা হয়। এছাড়া বিট পুলিশিং ও ওপেন হাউজ ডে-র মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের দূরত্ব এখন শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

থানায় সংরক্ষিত ব্রিটিশ আমলের নথিপত্র ও ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, বর্তমানে আমাদের থানায় নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী ডেস্ক অত্যন্ত কার্যকর। প্রতি মাসে গড়ে প্রায় অর্ধশত নারী ও শিশু এখান থেকে আইনি সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং পাচ্ছেন। আমরা চাই গোদাগাড়ী মডেল থানা হবে সাধারণ মানুষের আস্থার শেষ ঠিকানা।

error: Content is protected !!