রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

আলমগীর শরীফ, ঝালকাঠি প্রতিনিধি

বরিশালে রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ৭১তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:২৯ এএম | 135 বার পড়া হয়েছে
বরিশালে রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ৭১তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

২২ অক্টোবর ২০২৫ ইং রোজ বুধবার বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাস সড়কের “জীবনানন্দ অঙ্গন মিলনায়তনে” বরিশাল কবিতা পরিষদ ও প্রগতি লেখক সংঘের আয়োজনে এবং কবিতাচক্র ঝালকাঠির অংশগ্রহণে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন স্থানের প্রায় অর্ধশত কবি, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যম কর্মী ও সংগীত শিল্পীরা এ তে অংশগ্রহণ করেন।
কবির লেখা কবিতা আবৃত্তি, গান, আলোচনা, কবি’র জীবনী পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে কবিকে স্মরণ করা হয়। প্রগতি লেখক সংঘ বরিশালের সভাপতি অধ্যাপক হাসিনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক দীপঙ্কর চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখেন কবিতাচক্র ঝালকাঠির সভাপতি কবি মু আল আমীন বাকলাই, শিশু সাহিত্যিক তপঙ্কর চক্রবর্তী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্টার বাহাউদ্দীন গোলাপ, বানরীপাড়ার কবি মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক, ছড়াকার অ্যাডভোকেট সুবাস দাস, সাংবাদিক শোভন কর্মকার কৃষ্ণ, অধ্যাপক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ।
আবৃত্তি করেন অধ্যাপক টুনু কর্মকার, কবি বিজন বেপারী, কাজী সেলিনা, আমিনুর রহমান খোকন, নজরুল হক নিলু, কবি জামাল আজাদ, অনিতা পান্ডে।
অনুষ্ঠানে কবির লেখা গান পরিবেশন করেন ঝালকাঠি মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ বিমল চক্রবর্তী।
এই অনুষ্ঠান থেকে ঝালকাঠিতে ধানসিঁড়ি নদীর তীরে জীবনানন্দ সংগ্রহশালা ও পাঠাগারটি সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানানো হয়। বরিশালে কবির ভিটায় নির্মিত সংগ্রহশালা ও পাঠাগারটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। কবিতা ছাড়া ও কবির লেখা গান, উপন্যাস, ছোট গল্প প্রভৃতি নিয়ে ব্যাপক গবেষণার আহ্বান জানানো হয়। কবির লেখা গান রেডিও বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়। কবিতাচক্রের সাধারণ সম্পাদক মু আল আমীন বাকলাই কবিতাচক্রের সদস্যদের নিয়ে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ করেন। প্রগতি লেখক সংঘ ও বরিশাল কবিতা পরিষদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের শুরুতে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ করা হয়, কবি’র স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। কবির আগামী জন্মদিবস ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি নদীর তীরে উদযাপনের জন্য বরিশালে রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ৭১তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন

জামাল হাওলাদার ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি:-

২২ অক্টোবর ২০২৫ ইং রোজ বুধবার বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাস সড়কের “জীবনানন্দ অঙ্গন মিলনায়তনে” বরিশাল কবিতা পরিষদ ও প্রগতি লেখক সংঘের আয়োজনে এবং কবিতাচক্র ঝালকাঠির অংশগ্রহণে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন স্থানের প্রায় অর্ধশত কবি, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যম কর্মী ও সংগীত শিল্পীরা এ তে অংশগ্রহণ করেন।
কবির লেখা কবিতা আবৃত্তি, গান, আলোচনা, কবি’র জীবনী পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে কবিকে স্মরণ করা হয়। প্রগতি লেখক সংঘ বরিশালের সভাপতি অধ্যাপক হাসিনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক দীপঙ্কর চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখেন কবিতাচক্র ঝালকাঠির সভাপতি কবি মু আল আমীন বাকলাই, শিশু সাহিত্যিক তপঙ্কর চক্রবর্তী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্টার বাহাউদ্দীন গোলাপ, বানরীপাড়ার কবি মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক, ছড়াকার অ্যাডভোকেট সুবাস দাস, সাংবাদিক শোভন কর্মকার কৃষ্ণ, অধ্যাপক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ।
আবৃত্তি করেন অধ্যাপক টুনু কর্মকার, কবি বিজন বেপারী, কাজী সেলিনা, আমিনুর রহমান খোকন, নজরুল হক নিলু, কবি জামাল আজাদ, অনিতা পান্ডে।
অনুষ্ঠানে কবির লেখা গান পরিবেশন করেন ঝালকাঠি মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ বিমল চক্রবর্তী।
এই অনুষ্ঠান থেকে ঝালকাঠিতে ধানসিঁড়ি নদীর তীরে জীবনানন্দ সংগ্রহশালা ও পাঠাগারটি সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানানো হয়। বরিশালে কবির ভিটায় নির্মিত সংগ্রহশালা ও পাঠাগারটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। কবিতা ছাড়া ও কবির লেখা গান, উপন্যাস, ছোট গল্প প্রভৃতি নিয়ে ব্যাপক গবেষণার আহ্বান জানানো হয়। কবির লেখা গান রেডিও বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়। কবিতাচক্রের সাধারণ সম্পাদক মু আল আমীন বাকলাই কবিতাচক্রের সদস্যদের নিয়ে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ করেন। প্রগতি লেখক সংঘ ও বরিশাল কবিতা পরিষদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের শুরুতে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ করা হয়, কবি’র স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। কবির আগামী জন্মদিবস ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি নদীর তীরে উদযাপনের জন্য কবিতাচক্র ঝালকাঠির পক্ষ থেকে সভায় আহ্বান জানান ।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অপূর্ব গৌতম। অপূর্ব গৌতম।

রিমন হোসেন

প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে সচেতন থাকতে প্রেস বিজ্ঞপ্তি

রিমন হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:১৬ পিএম
প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে সচেতন থাকতে প্রেস বিজ্ঞপ্তি

যারা প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ঘৃণার চোখে দেখে বা অবমূল্যায়ন করে, তারা অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দেয়। “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা এবং কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং এম এ রউফ (Qatar) সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় কমিটি
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিষয়: প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের মর্যাদা, অধিকার ও ৬ দফা দাবির প্রতি জাতীয় মনোযোগের আহ্বান
তারিখ: 29/03/2026.
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মর্যাদা ও অধিকার সংরক্ষণের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি প্রদান করা হয়েছে।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং সদস্য সচিব এম এ রউফ (কাতার) বলেন, যারা প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ঘৃণার চোখে দেখে বা অবমূল্যায়ন করে, তারা অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দেয়। দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে প্রবাসীরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিনরাত পরিশ্রম করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন—তাদের অবদানকে অস্বীকার করা জাতির জন্য লজ্জাজনক।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে একটি ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত ছিল যে প্রবাসীরা কেবল শ্রম দিবে ও অর্থ পাঠাবে; তাদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বা নেতৃত্বে আসার কোনো অধিকার নেই। এমনকি কিছু মহল থেকে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে—যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক।
সংগঠনটি উল্লেখ করে যে, প্রবাসীদের ভোটাধিকার আদায় কোনো দয়া বা অনুগ্রহের ফল নয়; এটি একটি দীর্ঘ সংগ্রামের অর্জন। আজ প্রবাসীরা ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন, ভোট দিয়েছেন—এটি প্রবাসীদের বিজয় এবং রেমিটেন্স যোদ্ধাদের সম্মিলিত সাফল্য।
এ সময় “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ তাদের ঘোষিত ৬ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানায় এবং বলে যে, এই দাবিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রবাসীদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বিবৃতিতে ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে বলা হয়,
“United We Stand, Divided We Fall”—
অর্থাৎ, ঐক্যবদ্ধ থাকলেই সাফল্য অর্জন সম্ভব।
“একতাই শক্তি, একতাই মুক্তি।”
✍️ নিবেদনে
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক: অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
সদস্য সচিব: এম এ রউফ (কাতার)
কেন্দ্রীয় কমিটি
প্রচার সম্পাদক রিমন হোসেন

ফারুক আহমেদ চৌধুরী ইউকে
আহবায়ক
মোসাদ্দিক মিয়া মানিক ইউকে
আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি
সৈয়দ খালেদ মিয়া অলিদ
যুগ্ম আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি
আহবায়ক
হাকিকূল ইসলাম খোকন সিনিয়র সাংবাদিক আমেরিকা
রেজা নবী আমেরিকা
আহবায়ক
রেয়াজ আবু সাইদ ইতালি
আহবায়ক
শাহিন তালুকদার দুবাই
আহবায়ক
আরব আলী কুয়েত
হেলাল আহমেদ সৌদি আরব
মাহারাজ মিয়া দূবাই
কাজী মোকলিছ মালদ্বীপ
আবূল হোসেন সরদার অস্ট্রিয়া
শাহাজান অস্ট্রেলিয়া
কিলটন পাভেল আমেরিকা
আহবায়ক
হেলাল উদদীন কাতার
শাহাজান খান মালোয়েশিয়া
কামাল মিয়া বাহরাইন
আবূ তাহের ওমান
আবূ তাহের চৌধুরী ইউকে
লুৎফুর রহমান ইউকে
মোহাম্মদ এনাম লন্ডন
ইকবাল তালুকদার লন্ডন
নাজমা আক্তার লন্ডন
এডভোকেট তাজূল ইসলাম বাংলাদেশ
মেজর ইমরান বাংলাদেশ
রিমন হোসেন সৌদি আরব
আঃ হামিদ সৌদি আরব
শুভ মীর সৌদি আরব
মো: সজীব সৌদি আরব
মো: সাব্বির হোসেন সৌদি আরব
মো: রবিউস সানী সৌদি আরব
মো: মামুন মোল্লা সৌদি আরব
সাগর মিয়া সৌদি আরব
ইয়াসমিন আখতার বকুল বাংলাদেশ
রাবিয়া খাতূন বাংলাদেশ
নাজনীন রহমান রাজন মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি
সভাপতি বাংলাদেশ
নাসরিন আক্তার সূমন রউফ
মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশ
ইয়াসমিন আক্তার রুমন
মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি বাংলাদেশ সহ সভাপতি
রানিছা কেন্দ্রীয় কমিটির
সদস্য
মাহিশা বাংলাদেশ সদস্য
আলেয়া বেগম বাংলাদেশ
মীর আশরাফ আমেরিকা
জালাল উদ্দীন ফ্রান্স
ডক্টর মালেক ফরাজী ফ্রান্স
জালাল উদ্দীন ফ্রান্স
জামাল মোস্তফা সুইডেন
রহিম মিয়া স্পেন
মোহাম্মদ আজাদ রহমান সিঙ্গাপুর
রিপন মিয়া কানাডা
আক্তার মিয়া বাংলাদেশ
ইয়াসমিন আক্তার বাংলাদেশ
মোহন বাংলাদেশ
আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশ
আব্দুল লতিফ বাংলাদেশ
মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বাংলাদেশ
এডভোকেট আবেদ রাজা বাংলাদেশ
কামাল৷ মিয়া আইল্যান্ড
আরব আলী কুয়েত
জাহাঙ্গীর আলম অস্ট্রেলিয়া
সিরাজ খান পাকিস্তান
মুসলিম মিয়া ইন্ডিয়া
শাহাদাৎ হোসেন চায়না
আশরাফ মিয়া পোল্যান্ড
নাজমা আক্তার লন্ডন
কাউসার অস্ট্রেলিয়া
লাবনী আনোয়ার বাংলাদেশ
আবূল বাসার বাংলাদেশ
আব্দুল লতিফ ইউকে
ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর লন্ডন
এডভোকেট এনাম লন্ডন
শাহাজান মিয়া আইল্যান্ড
সিরাজ মিয়া সিঙ্গাপুর
শেখ ফরিদ অস্ট্রেলিয়া
নুরুল হুদা বাংলাদেশ
মনিরুজ্জামান বাংলাদেশ
ইসমাইল খান বাংলাদেশ
এস এম আব্দুস সাত্তার বাংলাদেশ।
মনিরুজ্জামান সাংবাদিক বাংলাদেশ
আমিনুল ইসলাম বাংলাদেশ
আলেয়া বেগম বাংলাদেশ
হাসিনা মমতাজ বাংলাদেশ
সপিক মিয়া লন্ডন
রহমত আলী লন্ডন
জুনায়েদ লন্ডন
নবাব উদদীন লন্ডন
হাসিনা বেগম সাথী বাংলাদেশ
আব্দুল কাদের জিলানী বাংলাদেশ
মাহবুব হোসেন ফ্রান্স
এডভোকেট মির সিরাজ বাংলাদেশ
ইউসূফ আলী বাংলা দেশ
আশরাফ খান বাংলাদেশ
প্রফেসর আলহাজ ডক্টর শরিফ সাকি
এনামুল কবির লিটূ
দেয়াল বড়ুয়া বাংলাদেশ
আর ও অনেকই সংযুক্ত আছেন
DESH-BONDHU REMITTANCE JUDDAH SHONSHOD

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট

লালমনিরহাটে সংবাদ সম্মেলন: ইউএনও ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে জমি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:১৩ পিএম
লালমনিরহাটে সংবাদ সম্মেলন: ইউএনও ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে জমি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

লালমনিরহাট সদর উপজেলায় কোনো প্রকার আইনি নোটিশ বা পুলিশি উপস্থিতি ছাড়াই এক সংখ্যালঘু পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গোবিন্দ চন্দ্র সরকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ তোলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লালমনিরহাট গল্পকথা মৃধাবাড়িতে আজ বিকাল ৫টায় মৃত গঙ্গামোহন সরকারের পুত্র গোবিন্দ চন্দ্র সরকার জানান,, ২৬ মার্চ বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনিতা দাস কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তার মালিকানাধীন জমিতে আকস্মিকভাবে প্রবেশ করেন। এসময় তার সাথে মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন এবং স্থানীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শুকুরউদ্দীনসহ প্রায় ৫০-৬০ জনের একটি দল ছিল।
​অভিযোগ করা হয় যে, কোনো আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই সেখানে ‘মব’ সৃষ্টি করে বসতবাড়ির সাইনবোর্ড ও স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়। ভুক্তভোগী ও তার সন্তানদের জোরপূর্বক জমি থেকে বের করে দিয়ে নির্মাণাধীন মার্কেটের প্রায় ১০ হাজার ইট, ১০০ বস্তা সিমেন্ট এবং প্রায় ২ লক্ষ টাকার রড লুটপাট করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

গোবিন্দ চন্দ্র সরকার তার বক্তব্যে জানান, এই জমি কোনো সরকারি খাস বা কলোনির জায়গা নয়। ১৯৪৩ সালে তার পিতা প্রায় ১৭.৫ একর জমি ক্রয় করেন, যার মধ্যে বড় একটি অংশ পরবর্তীতে সরকার অধিগ্রহণ করে। অবশিষ্ট ২ একর ১৭ শতাংশ জমি ১৯৬২ সালে তার পিতার নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। এই জমির একটি অংশ ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দিরে দান করা হয়েছে। বর্তমানে অবশিষ্ট জমিতে তিনি বৈধভাবে মার্কেট নির্মাণের কাজ করছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আবেগপ্লুত কণ্ঠে গোবিন্দ চন্দ্র সরকার বলেন, “আমি একজন আইন মান্যকারী নাগরিক। আমার যদি কোনো ত্রুটি থাকতো, তবে আমাকে কাগজপত্র দেখানোর সুযোগ দেওয়া কিংবা আইনি নোটিশ দেওয়া যেতো। কিন্তু ইউএনও মহোদয় কোনো পুলিশ ছাড়াই স্থানীয় একদল ব্যক্তিকে নিয়ে যেভাবে হামলা ও মারধর চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও বেআইনি।” তিনি আরও জানান, তাকে টেনে-হিঁচড়ে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং ঘটনার ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। একইসঙ্গে দখলকৃত সম্পত্তি দ্রুত ফেরত পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ১৯৪০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত জমির সকল বৈধ দলিল ও কাগজপত্র সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত আছেন বলেও জানান।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, এখনো পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহলে এই ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মো:মুন্না শেখ বাগেরহাট

প্রথম কর্মদিবসেই সক্রিয় ভূমিকা: জেলা পরিষদে ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন

মো:মুন্না শেখ বাগেরহাট প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:০৫ পিএম
প্রথম কর্মদিবসেই সক্রিয় ভূমিকা: জেলা পরিষদে ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন

জেলা পরিষদ বাগেরহাটের নবনিযুক্ত প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কর্মদিবসেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি জেলা পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শন করেন এবং সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

প্রথম দিনেই তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। এ সময় তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জেলার উন্নয়ন ও সেবার মান আরও বাড়াতে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন। কোথাও কোনো সমস্যা বা ধীরগতি থাকলে তা দ্রুত সমাধানের নির্দেশনা দেন।
তিনি আরও জানান, বাগেরহাট জেলার উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করা হবে এবং স্থানীয় জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন প্রশাসকের আগমনকে স্বাগত জানিয়ে তার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

error: Content is protected !!