বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

দীপাবলি আজ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩২ এএম | 174 বার পড়া হয়েছে
দীপাবলি আজ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা (কালীপূজা) ও দীপাবলি উৎসব আজ সোমবার (২০ অক্টোবর)। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। শক্তি ও শান্তির দেবী শ্যামা মায়ের আগমনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে পূজার আয়োজন চলছে এবং সর্বত্র আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে।

শ্যামাপূজার সন্ধ্যায় মন্দির ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে দীপাবলি উদযাপনের জন্য প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। মৃত স্বজনদের মঙ্গল কামনায় প্রদীপ জ্বালিয়ে পানিতে ভাসিয়ে দেয় অনেকেই। রাতে দেবীর পূজার পাশাপাশি অঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, আরতি, ধর্মীয় সংগীত, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকসজ্জাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি থাকে।

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে কেন্দ্রীয়ভাবে শ্যামাপূজা উদযাপিত হবে। মন্দির মেলাঙ্গনে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় দীপাবলির সহস্র প্রদীপ প্রজ্বালন এবং রাতে পূজা হবে।

শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা এবং মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব ও সাধারণ সম্পাদক ড. তাপস চন্দ্র পাল।

রোববার (১৯ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে নেতারা বলেন, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালনের মাধ্যমে ভক্তের জীবনে কল্যাণের অঙ্গীকার নিয়ে পৃথিবীতে আগমন ঘটে দেবী শ্যামা বা কালীর। শ্যামা দেবী শান্তি, সংহতি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামের প্রতীক।

শক্তি সম্প্রদায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেবী কালী। সংহারের অধিপতি শিব এবং সংহারের অধিষ্ঠাত্রী হলেন কালী। শুম্ভ-নিশুম্ভের বধের সময় তার শরীর থেকে একটি রশ্মিপুঞ্জ নির্গত হয়, এর ফলে তার রং কালো হয়ে যায়। তাই তার নাম হয় কালী। জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তিকে জাগ্রত করতেই কালীপূজা বা শ্যামাপূজা করা হয়।

কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুণ্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত। কালীপূজার দিন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বালন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করে। এটিকে বলা হয় দীপাবলি। দীপাবলি অর্থ আলোর উৎসব। এ উৎসব অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভশক্তির বিজয় ঘোষণা করে।

দুর্গাপূজার মতো কালীপূজায়ও গৃহে বা মণ্ডপে মৃণ্ময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়। মন্দিরে বা গৃহে প্রতিষ্ঠিত প্রস্তরময়ী বা ধাতুপ্রতিমাতেও কালীপূজা করা হয়। মধ্যরাতে তান্ত্রিক পদ্ধতিতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। তবে গৃহস্থ বাড়িতে সাধারণত অতান্ত্রিক ব্রাহ্মণ্যমতে আদ্যাশক্তি কালীর রূপে কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। কালীপূজায় সাধারণত পাঁঠা, ভেড়া বা মহিষ বলি দেওয়া হয়। শ্যামাপূজাই দীপাবলি বা দিওয়ালি নামে পরিচিত।

রাজধানীর শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, সূত্রাপুরসহ পুরান ঢাকার অনেক এলাকায় বেশ ঘটা করে শ্যামাপূজা হয়। এ ছাড়া গোপীবাগের রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, রমনা কালীমন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পোস্তগোলা শশ্মান, লালবাগ শশ্মান, ঠাটারীবাজার শিবমন্দিরসহ বিভিন্ন স্থানে শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

দালাল সিন্ডিকেটের কবলে ময়মনসিংহ বিআরটিএ

মামুনুর রশীদ মামুন,ময়মনসিংহ থেকে: প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ এএম
দালাল সিন্ডিকেটের কবলে ময়মনসিংহ বিআরটিএ

ময়মনসিংহের বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অফিসে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে—দালাল সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই অফিসে দালাল ছাড়া সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি,নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দিয়েও নিয়ম অনুযায়ী সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে; বরং দালালদের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা দিলে খুব সহজেই সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন যানবাহন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এবং সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে,দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী দালাল চক্র অফিসটিকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে। অফিসের ভেতর-বাইরে প্রকাশ্যেই এসব দালালের তৎপরতা চললেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। দালাল ছাড়া আবেদন করলেই শুরু হয় হয়রানি! ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,কেউ যদি সরাসরি অফিসে গিয়ে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে চান,তাহলে নানা অজুহাতে তার আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয়। কখনো কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি দেখানো হয়, আবার কখনো ড্রাইভিং পরীক্ষায় অযৌক্তিকভাবে ফেল দেখানো হয়। ফলে নিরুপায় হয়ে অনেকেই শেষ পর্যন্ত দালালদের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন।
একাধিক আবেদনকারীর অভিযোগ,লাইসেন্স পেতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও দালালদের মাধ্যমে কয়েক হাজার থেকে শুরু করে কয়েক দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। বিনিময়ে অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা ছাড়াই কিংবা নিয়মের তোয়াক্কা না করেই লাইসেন্স পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অফিস কক্ষেই দালালদের অবাধ বিচরণ: সরেজমিনে দেখা গেছে, বিআরটিএ অফিস চত্বরে দালালদের অবাধ বিচরণ। এমনকি কিছু দালালকে সরাসরি অফিস কক্ষে ঢুকে কম্পিউটার অপারেটিং থেকে শুরু করে সরকারি নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করতেও দেখা গেছে। তাদের আচরণ দেখে অনেক সময় সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেন না—তারা কোনো সরকারি কর্মকর্তা নন,বরং অফিস বহির্ভূত দালাল চক্রের সদস্য। স্থানীয়দের ভাষ্য,বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই “ওপেন সিক্রেট” হয়ে আছে। কিন্তু অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কার্যকর কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিযোগের কেন্দ্রে মোটরযান পরিদর্শক! অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই দালাল সিন্ডিকেটের নেতৃত্বের অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট অফিসের মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর। অভিযোগ রয়েছে, তার কক্ষেই দালালদের নিয়মিত আনাগোনা এবং সরকারি নথিপত্রে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।
যদিও এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
“দালালদের সরকারি নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটির বিষয়টি দুঃখজনক। বিষয়টি রোধে আমার কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।” তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি,এমন কোনো উদ্যোগ এখনো বাস্তবে দৃশ্যমান হয়নি। ফলে অভিযোগের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। সহকারী পরিচালকের পদক্ষেপের আশ্বাস,বাস্তবে অগ্রগতি নেই! এদিকে সংশ্লিষ্ট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) আনিসুর রহমান যোগদানের পরপরই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে,সেই আশ্বাসের পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে দালালদের তৎপরতা আগের মতোই বহাল রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। চিহ্নিত কয়েক দালালের নাম: অনুসন্ধানে স্থানীয়ভাবে পরিচিত কয়েকজন কথিত দালালের নামও উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মোফাজ্জল,হীরা,শান্ত,কামাল, খোকন,রিপন,ভুট্টো,শাহ কামাল,সেলিম ও তপন সহ আরও কয়েকজন। অভিযোগ রয়েছে, এসব দালাল ভুক্তভোগীদের “হয়রানিমুক্ত সেবা” দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আদায়কৃত টাকার একটি অংশ ‘অফিস খরচ’ নামে সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনের বক্তব্য: এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এবং ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট কমিটি (ডিসিটিসি)-এর সভাপতি আসাদুজ্জামান বলেন,“বিষয়টি আমাদের
নলেজে না থাকলেও–অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” দ্রুত তদন্তের দাবি: সচেতন মহল বলছে,দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। তাদের মতে,বিআরটিএ অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের প্রভাব বন্ধ করা না গেলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে এবং সরকারি সেবার প্রতি মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল।

তেজগাঁওয়ে ৪৭টি মাথার খুলি উদ্ধার, মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার

দিশা আক্তার ঃ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৫ এএম
তেজগাঁওয়ে ৪৭টি মাথার খুলি উদ্ধার, মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৭টি মাথার খুলি ও মানবদেহের বিপুল পরিমাণ হাড় উদ্ধারসহ একটি সংঘবদ্ধ মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে তেজগাঁও থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক (২৫), মোঃ আবুল কালাম (৩৯), আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ (৩২) এবং মোঃ ফয়সাল আহম্মেদ (২৬)। তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগে রাখা অবস্থায় ৪৭টি মাথার খুলি এবং মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের হাড় উদ্ধার করা হয়।
তেজগাঁও থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়া এলাকার ১ নম্বর গেটের সামনে এক ব্যক্তি অবৈধভাবে কবরস্থান থেকে মানব কঙ্কাল সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। পরে গত ৯ মার্চ রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে সেখানে অভিযান চালিয়ে কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিককে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে তেজগাঁও কলেজের সামনে অভিযান চালিয়ে মোঃ আবুল কালাম ও আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে আরও দুটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন দুপুর আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ‘Sapporo Dental College & Hospital’-এর হোস্টেলে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মোঃ ফয়সাল আহম্মেদকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় হোস্টেলের ৪০২ নম্বর কক্ষে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অবস্থায় ৪৪টি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে গোপনে কবর খুঁড়ে মানব কঙ্কাল চুরি করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে চড়া দামে বিক্রি করত।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত মোঃ আবুল কালামের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ২১টি এবং আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে ।

কাজিপুরে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ:- প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৩ এএম
কাজিপুরে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে র্যালি ও অগ্নিনির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার পরিষদ চত্বর থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। এরপর উপজেলা পরিষদ চত্বরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অগ্নিনির্বাপন মহড়া প্রদর্শন করে। দিবসটি উদযাপনের উদ্বোধন করেন কাজিপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাঈমা জাহান সুমাইয়া ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার আব্দুর রাজ্জাক, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ছাকমান আলী, শিক্ষা অফিসার নুরুল হুদা তালুদকার, মহিলা বিষয়ক অফিসার চিত্রা রানী সাহা, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মাসুদ পারভেজ, কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান আলী, সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল, বিআরডিবির সাবেক পরিচালক মিজানুর রহমান বাবলু, উপজেলা পরিষদ আদর্শ একাডেমির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

error: Content is protected !!