মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

ঢাকা-১৭ আসনের উন্নয়নে মানবতার ফেরিওয়ালা মুহাম্মদ রুবেল হোসেনের অঙ্গীকার: “আমি মানুষের শান্তির জন্য পরিবর্তন চাই”

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৩৮ পিএম | 318 বার পড়া হয়েছে
ঢাকা-১৭ আসনের উন্নয়নে মানবতার ফেরিওয়ালা মুহাম্মদ রুবেল হোসেনের অঙ্গীকার: “আমি মানুষের শান্তির জন্য পরিবর্তন চাই”

 

বিদ্যুৎ চন্দ্র বর্মন, নিজস্ব প্রতিবেদক:

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় দেশবাসী—এই সম্ভাষণ দিয়েই নিজের বক্তব্য শুরু করলেন এক মানবিক হৃদয়ের মানুষ, যিনি নিজেকে পরিচয় দেন “মানবতার ফেরিওয়ালা” হিসেবে। তিনি আর কেউ নন, মুহাম্মদ রুবেল হোসেন, ঢাকা-১৭ আসনের এক সচেতন নাগরিক ও সমাজসেবক, যিনি আজ নিজের জীবন উৎসর্গের অঙ্গীকার নিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন।

রুবেল হোসেন বলেন,
আমি আপনাদের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চাই। আমাদের এই এলাকায় অসহায়, গরিব ও হতদরিদ্র মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অথচ বিগত সময়ে যারা এই আসনের এমপি বা মন্ত্রী ছিলেন, তারা নির্বাচনী ইস্তেহারে অনেক আশা-ভরসা দিলেও বাস্তবে তেমন কোনো কাজ করেননি। জনগণের সেই আশা এখন হতাশায় রূপ নিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন,
এই পরিস্থিতিতে কেউ না কেউ জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। তাই আমি নিজেকে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি চাই আমার এলাকার মানুষের শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে। আমার জীবন আমি উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।”

ঢাকা-১৭ আসন অন্তর্ভুক্ত মহাখালী, বনানী, গুলশান-১ ও ২, কালাচাঁদপুর, শাহজাদপুর, ভাষানটেক, কচুক্ষেত এবং ক্যান্টনমেন্ট এলাকা। এর মধ্যে কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি ও ভাষানটেক বস্তিতে অসহায় মানুষের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।
এই জনগোষ্ঠীর দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে মানবতার ফেরিওয়ালা রুবেল হোসেন হাতে নিয়েছেন একগুচ্ছ বাস্তবধর্মী পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার।

ঢাকা-১৭ আসনের জন্য ১১ দফা অঙ্গীকার:
১️⃣ নিরাপদ পানির ব্যবস্থা

তিনি বলেন, “বছরের পর বছর মানুষ দূষিত পানি খেয়ে নানা রোগে ভুগছে। আমি কথা দিচ্ছি, প্রতিটি এলাকায় বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির সুব্যবস্থা করা হবে।”

২️⃣ নিরাপদ বাসস্থান

নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।

৩️⃣ বস্তির দুর্গন্ধমুক্ত আধুনিক পরিবেশ

বস্তির প্রতিটি পাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত করে আধুনিক পাড়ায় রূপান্তরিত করার অঙ্গীকার করেন।

৪️⃣ ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা

রাস্তায় জমে থাকা নোংরা পানি অপসারণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

৫️⃣ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ

প্রতিটি বস্তিতে নিয়মিত নিরাপত্তা টহল ও পুলিশ পয়েন্ট স্থাপন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন বলে ঘোষণা দেন তিনি।

৬️⃣ চাঁদাবাজি ও হয়রানি মুক্ত সমাজ

বস্তি ও নিম্নবিত্ত এলাকায় চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের উদ্যোগ নেবেন তিনি।

৭️⃣ বৈদ্যুতিক সংযোগের আধুনিকায়ন

প্রতিটি বাড়িতে বৈধ ও নিরাপদ বৈদ্যুতিক সংযোগ নিশ্চিত করে অগ্নি ও দুর্ঘটনা ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নেবেন বলে জানান।

৮️⃣ ব্যবসা-বাণিজ্যে শৃঙ্খলা

প্রতিটি এলাকার দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খোলা ও বন্ধ রাখার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে।

৯️⃣ রাস্তার মোড়ে নিরাপত্তা ঘাঁটি

জননিরাপত্তা জোরদারে প্রতিটি মোড়ে পুলিশ পেট্রোলিং ঘাঁটি স্থাপন করার পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।

🔟 সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন

বস্তিতে সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য রোধে বিশেষ কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করবেন।

১১️⃣ মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা

মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান, পুনর্বাসন কর্মসূচি ও সচেতনতা প্রচার চালিয়ে সমাজকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

মুহাম্মদ রুবেল হোসেন বলেন, আমি ক্ষমতার লোভে রাজনীতি করতে চাই না, আমি পরিবর্তনের জন্য রাজনীতি করতে চাই। আমি চাই, এই বস্তির শিশুরা হাসুক, মায়েরা নিরাপদ থাকুক, এবং মানুষ সম্মানের সঙ্গে বাঁচুক। আমি বিশ্বাস করি—মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

তিনি আরও যোগ করেন,
আমার লক্ষ্য একটাই—মানবতার কল্যাণে কাজ করা, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এবং একটি আধুনিক, মানবিক ঢাকা-১৭ গড়ে তোলা। এজন্য আমি সবার দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করছি।”

ঢাকা-১৭ আসনের অবহেলিত জনগণের কল্যাণে, উন্নয়ন ও মানবতার পুনর্জাগরণের বার্তা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন একজন তরুণ সমাজপ্রেমী—মানবতার ফেরিওয়ালা মুহাম্মদ রুবেল হোসেন।
তাঁর এই ১১ দফা প্রতিশ্রুতি যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে নিঃসন্দেহে ঢাকা-১৭ আসন একদিন হবে “মানবতার মডেল আসন” — যেখানে মানুষ বাঁচবে নিরাপদে, মর্যাদার সঙ্গে ও ভালোবাসার ছায়ায়।

শুভেচ্ছান্তে,
মুহাম্মদ রুবেল হোসেন
মানবতার ফেরিওয়ালা ও
ঢাকা-১৭ আসনের সর্বোচ্চ সচেতন নাগরিক।

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার

কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম
কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম এরশাদের স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) কক্সবাজারের হোটেল মিশুক রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ আনোয়ার হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং মরহুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলুল কাদের চৌধুরী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এরশাদকে আমরা হারাবো এটা কখনো ভাবিনি। তিনি ছিলেন একজন পরিশ্রমী, ধর্মপ্রাণ ও দায়িত্বশীল মানুষ। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও সম্পর্ক ছিল গভীর। তার মৃত্যুতে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

অনুষ্ঠানে মরহুমের সুযোগ্য সন্তান অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্য রাখেন,কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ শামসুল আলম শ্রাবণ, ইমাম খাইর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন, মোহাম্মদ আয়াজ রবি, কবি জসিম উদ্দিন, নাছিমা আক্তার, দিদারুল আলম, ফরিদ আলম রনি, নাজিম উদ্দিন, আমিন উল্লাহ, জাহেদ হোসেন, মোঃ হাসান, আলাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু মুছা, আমিনুল ইসলাম, ডা. এরফান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এম আলাউদ্দিন, এম জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম বাবু, হাফেজ আনোয়ার, সোলতান, কামরুল ইসলামসহ অসংখ্য সাংবাদিক।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন বলেন, এরশাদ ভাই ছিলেন সাহসী ও আপসহীন এক কলমযোদ্ধা। সাংবাদিকতার শুরু থেকে তিনি অন্যায়, দুর্নীতি, মাদক ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে লিখেছেন। বহু হুমকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হননি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ হিসেবে এরশাদ ভাই ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অভিভাবকের মতো। তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

বক্তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

পবিত্র মসজিদুল হারামে কাবার গিলাফ (কিসওয়া) কাটার চেষ্টার অভিযোগে এক তুর্কি নারীকে আটক করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। একটি তুর্কি হজ কাফেলার সঙ্গে আসা ওই নারী কাঁচি দিয়ে গিলাফের একটি অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই নারী যখন কাঁচি দিয়ে কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা করছিলেন, তখন পাশে থাকা অন্য মুসল্লিরা তাঁকে বাধা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত লোকজন তাঁকে ‘হাজি, এটা হারাম (নিষিদ্ধ)’ বলে সতর্ক করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নারী মিসরীয় নাগরিক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক ইনফরমেশন’-এর প্রতিনিধি ওতাইবি নিশ্চিত করেছেন যে, আটক নারী প্রকৃতপক্ষে তুরস্কের নাগরিক এবং তিনি একটি তুর্কি হজ কাফেলার সদস্য হিসেবে সৌদি আরব ভ্রমণ করছিলেন। ফলে মিসরীয় নাগরিক হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

 

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক মহান অঙ্গীকার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, যিনি সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক সাংবাদিকই নির্যাতন, নিপীড়ন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, এমনকি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটি এমন একটি সংগঠন, যেখানে সাংবাদিকরা বৈধভাবে, নিরাপদভাবে এবং নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

🌟 মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

✔ অধিকার রক্ষা: সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
✔ আইনি সহায়তা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি সহযোগিতা প্রদান।
✔ নিরাপদ কর্মপরিবেশ: মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয়।
✔ হয়রানি প্রতিরোধ: ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ।
✔ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন: সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।
✔ ঐক্য গঠন: সারাদেশের সাংবাদিকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তোলা।
✔ বৈধ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ: ভুয়া বা প্রতারক সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করে প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদান।

📌 প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম:

🔹 নির্যাতিত সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত
🔹 দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ
🔹 মানবাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা
🔹 সাংবাদিকদের জন্য আইডেন্টিটি যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিতকরণ
🔹 মিডিয়া নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলা

🎯 আমাদের অঙ্গীকার:

আমরা বিশ্বাস করি—সাংবাদিকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
👉 সত্যের পক্ষে থাকবো
👉 অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো
👉 সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করবো
👉 একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলবো

পরিশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগটি শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়—এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। কারণ, সাংবাদিক নিরাপদ থাকলে সত্য প্রকাশ পায়, আর সত্য প্রকাশ পেলে সমাজ এগিয়ে যায়।

error: Content is protected !!