শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

নওশীন তাবাসসুম

ভালোবাসার সুন্নাহ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৩৯ এএম | 119 বার পড়া হয়েছে
ভালোবাসার সুন্নাহ

দুনিয়াতে সবচেয়ে বেশি যদি কেউ আপনার ভালোবাসা পাওয়ার ও অনুভূতিগুলো জানার হক্বদার হয় সে হচ্ছে আপনার জীবনসঙ্গী।

আমরা একটা কথা অনেকেই বলি যে, বয়স হয়ে গেলে অনুভূতিরাও বুড়িয়ে যায়। কথাটা কি আদৌ সত্য?

বয়স বাড়ার সাথেসাথে জীবনে অনেক বিষন্নতা, অবসাদ চলে আসে সত্যি, জীবনের নির্মলতাগুলো হারিয়ে জটিল হয়ে যায় জীবন। তার ফলস্বরূপ কচি বয়সে যে অনুভূতিগুলো কাজ করে, যেভাবে আমরা ভাবি প্রেম, ভালোবাসাকেন্দ্রিক ভাবনাগুলো বয়স বাড়ার সাথে সাথে সেগুলো সেইমভাবে কাজ করেনা।

কারো ক্ষেত্রে একেবারেই কাজ করেনা, কারো ক্ষেত্রে একটু কম কাজ করে আর কারো ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি। কিন্তু সবার ক্ষেত্রেই যে বিষয়টা কমন তা কি জানেন?

ভালোবাসা একটা চারাগাছের মতো। একে যত্ন নিয়ে বুনতে হয়। হতেই পারে আপনার অনুভূতিগুলো বুড়িয়ে গেছে। কিন্তু যদি আপনি ভাবেন আপনি আপনার জীবনসঙ্গীকে ঠিক কিশোর বয়সের মতো করেই ভালোবাসবেন আপনাকে ফিরে যেতে হবে কিশোর বয়সের দিনগুলোতে।

স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে বের করতে হবে ওই বয়সে আপনার অনুভূতিগুলো কেমন ছিল, কী কী ভাবতেন। নিজেকে সেই সময়টাতেই ফিরিয়ে নিয়ে আজকের সময়টায় দাঁড়িয়ে হলেও জীবনসঙ্গীকে সেভাবেই ভালোবাসা উচিত।

হতে পারে মন থেকে সেগুলো আসবেনা। কিন্তু অভিনয় হলেও করতে হবে আনার। ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে হলেও একসময় মানুষ সেই ফিতরাতে অভ্যস্ত হয়ে যায়।

খুব মনে পড়ে আমাদের আম্মিজানের কথা। মাঝেমধ্যেই ভাবি রাসুলুল্লাহ (সা:) যখন উনার জীবনে এলেন জীবনযুদ্ধে কতটুকু হোঁচট খাওয়া মানুষ ছিলেন তিনি।
ব্যবসায়িক দায়িত্ব, উনার দায়িত্বে থাকা মানুষদের জিম্মাদারী, একাধিকবার বিধবা হওয়ার বিস্বাদ।

তবুও নবীজীকে তিনি ঠিক সেভাবেই ভালোবেসেছিলেন যেন এর আগে উনার জীবনে আর কোনো ভালোবাসার সূর্যই উদিত হয়নি। নিজের জীবনের, অনুভূতির সবটুকু উজার করে দিয়েছিলেন নবীজীকে।

এজন্যই নবীজীর জীবনের সাথে কী চমৎকারভাবেই না নিজেকে রাঙিয়ে নিয়েছিলেন। বৃদ্ধা বয়সেও নবীজীর জন্য দরজায় অপেক্ষমান হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন, উনার জন্য খাবার নিয়ে যেতেন পাহাড় বেয়ে, উনার মিশনের সর্বাত্মক সাহায্যকারী ছিলেন।

এইযে ভালোবাসা, এই ভালোবাসা নবীজীর জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়ার পর নবীজীর আচরণ কেমন ছিল?

রাসুলুল্লাহ (সা:) যে সময়টায় আম্মিজান আয়িশা (রা:) এর জীবনে এলেন তখন উনার জীবনও পড়ন্ত বয়সে পা রেখেছে। তারপরও তিনি আয়িশা (রা:) কে সেভাবেই ভালোবেসেছিলেন যেন তিনিও আম্মিজানের মতোই কম বয়ষ্ক মানুষ।

এজন্যই উনার সাথে দৌড় প্রতিযোগীতা করতেন, উনাকে খেলাধুলার সুযোগ দিতেন। এককথায় ভালোবাসার মানুষটাকে উনার সবটুকু দিয়ে প্যাম্পার করতেন, তাকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী বেড়ে উঠতে দিয়েছিলেন, তার মতো করেই তাকে ভালোবেসেছিলেন।

কখন তিনি অভিমান করে ইব্রাহীমের রবের কসম বলছেন আর কখন তিনি মুহাম্মদের রবের কসম বলছেন এরকম ছোট ছোট বিষয়গুলোও উনার নজর এড়াতোনা। কারণ পৃথিবীর বিশুদ্ধতম মানুষটার ভালোবাসায় তো কোনো ইগনোরেন্স ছিলোনা।

আম্মিজান খাদিজা (রা:) পড়ন্ত বয়সে কমবয়সী রাসূলুল্লাহ (সা:) কে যেভাবে ভালোবেসেছিলেন, আর রাসূলুল্লাহ (সা:) ঠিক একইভাবে উনার পড়ন্ত বয়সে যেভাবে আয়িশা (রা:) কে ভালোবেসেছিলেন তাতে এটাই প্রমাণিত হয় ভালোবাসার কোনো বয়স হয়না। ভালোবাসার মতো করে কাউকে ভালোবাসলে ওই ভালোবাসা বয়সের ভারে কখনোই বুড়িয়ে যায়না।

দুনিয়াতে আমরা বাঁচবোইবা আর কতদিন? এইযে দাম্পত্যজীবনের এতো ছন্দপতন নিত্যনতুন ঘটে, কেন আমরা নজর দেইনা সিরাতের ঘটনাগুলিতে? ভালোবাসার এই অনুভূতিগুলো, একটা চমৎকার দাম্পত্য জীবন উপভোগের যে আদর্শ রোডমেড কেন সিরাহর ক্ষেত্রে সেদিকে তাকাইনা?

আমরা খাবারের সুন্নাহ শিখি, জীবনযাপনের সুন্নাহ শিখি, ভালোবাসার সুন্নাহ শিখি কজন?

যারা শিখে তারা অবিবাহিত অবস্থায় কল্পনার জগতে শিখে। কিন্তু বিবাহিত হওয়ার পর যখন সত্যিকার অর্থেই এপ্লাইয়ের সুযোগ আসে তখন কেন কাজে লাগাইনা? কেন জীবন নিয়ে এতো হাহুতাশ করি?

দুনিয়ার স্বল্প জীবনটা তো একদিন কেটেই যাবে! কি এমন ক্ষতি হয় দুজন দুজনকে যদি কিশোরকালের মতোই ভালোবেসে একজীবন কাটিয়ে দেয়া যায়?

আজকালের মানুষগুলোও না কেমন যেন! ভালোবাসা প্রকাশে অথবা ভালোবাসার ক্ষেত্রে বড্ড কৃপণ…

ভালোবাসার বিশুদ্ধ চারাগাছটির যদি আজ থেকেই যত্ন না নেন একদিন দেখবেন সে মৃতপ্রায় হয়ে বেঁচে আছে। এভাবেই দুজন কাটিয়ে দিয়েছেন বছরের পর বছর। অথচ কী অসম্ভব সুন্দর একটা সুযোগ আল্লাহ আপনাদের দিয়েছেন ভালোবাসাপূর্ণ জীবন উপভোগের! মানুষ সময় ফুরালে ঠিকই আফসোস করে। অথচ সময় থাকতে কেন বুঝেনা?

নাটোরে ১২ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

মো: রাজিবুল ইসলাম বাবু বিশেষ প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম
নাটোরে ১২ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

নাটোরে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোরে নাটোর সদর থানাধীন চকরামপুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মৃত কাসেম শেখের ছেলে লিটন শেখ (৪২) এবং নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ছাতিয়ানগাছা মন্ডলপাড়া গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায় , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৩টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত শহরের চকরামপুর এলাকায় ইসলামিয়া পচুর হোটেলের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় কুড়িগ্রাম থেকে ফরিদপুরগামী শাহী ক্লাসিক (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৫৩৫৭) নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের দুই যাত্রীর কাছে থাকা স্কুল ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক খন্দকার নাজিম উদ্দিন।

এ ঘটনায় পরিদর্শক খন্দকার নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আটক ব্যক্তিদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মো: রাজিবুল ইসলাম বাবু
বিশেষ প্রতিনিধি
নাটোর।
০১৩১০-৩২১ ৩০৬.
০১৭৪০-৮১৫ ৫০৬.
৩ এপ্রিল ২০২৬.

সুন্দরবন থেকে অস্ত্র-গুলিসহ দুই বনদস্যু আটক, উদ্ধার ৩ জেলে

রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ পিএম
সুন্দরবন থেকে অস্ত্র-গুলিসহ দুই বনদস্যু আটক, উদ্ধার ৩ জেলে

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে  অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ  দুই বনদস্যু আটক। এসময় উদ্ধার করা হয় মুক্তি পনের দাবিতে দস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা  তিন জেলেকে।
‎শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) বিকালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন, কোস্টগার্ড  পশ্চিমজোন এর মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন ।

‎তিনি জানান,গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী সদস্যরা সুন্দরবনের বাইনতলা খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে,  শুক্রবার ভোরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা বনের ভেতর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আভিযানিক দল কর্তৃক দস্যুদের ধাওয়া করে। এসময় ২টি একনলা বন্দুক, ২৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৫ পিস ইয়াবা ও নগদ ১,১০০ টাকাসহ  বন দস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর ২ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করে তাদের আস্তানা ধ্বংস করা হয়।

‎কোস্টগার্ড জানায়, আটক বন দস্যু মোঃ সোহাগ হাওলাদার (৩৫) বাগেরহাটের শরণখোলা এবং বাবুল সানা (৪২) খুলনার পাইকগাছা থানার বাসিন্দা। উভয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে ডাকাতি করে আসছিল।

‎অপরদিকে, আরও একটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সুন্দরবনের খোল ডাঙ্গ খাল সংলগ্ন এলাকা বনদস্যু জোনাব বাহিনীর আস্তানায় অভিযান চালায় কোস্টগার্ড। এসময় মুক্তিপণের দাবিতে দস্যু বাহিনীর কাছে জিম্মি থাকা ৩ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়। তবে কোস্টগার্ডের অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কোন বন দস্যুকে আটক করতে পারেনি কোস্টগার্ড।

‎এ সময় দস্যুদের আস্তানা থেকে ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৩টি ওয়াকিটকি চার্জার, ৩টি মোবাইল ব্যাটারি ও ১টি কুড়াল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জেলে ইনতাজ (৫০), মোশাররফ (৪২) ও আনিস (৪৫) সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা।

‎আটককৃত ডাকাত, জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকৃত জেলেদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় কোস্টগার্ড।

‎কোস্টগার্ড সুত্রে জানাযায়, গত বছরের শুরু থেকে  অদ্যাবধি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে কুখ্যাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর মোট ৬১ জন দস্যুকো আটক  করা হয়েছে। ওই সব অভিযানে  ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গোলা ও ১,৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ এবং দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

মাদারীপুর শিবচরে ৩ দিন পর তেল পাম্পে উপচে পড়া ভিড়, কৃষকদের জন্য স্যালাইন-পানির ব্যবস্থা

অপি মুন্সী: শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি:- প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৯ পিএম
মাদারীপুর শিবচরে ৩ দিন পর তেল পাম্পে উপচে পড়া ভিড়, কৃষকদের জন্য স্যালাইন-পানির ব্যবস্থা

‎সারাদেশের মত মাদারীপুর জেলার শিবচরেও জালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। মোটরসাইকেল চালক,গাড়ি চালকসহ কৃষি কাজেও ব্যাপক সমস্যায় পড়েছে।

‎ শুক্রবার ৩শরা এপ্রিল শিবচরে তিন দিন পর পাম্পগুলোতে তেল আসায় মোটরসাইকেল ও গাড়ির উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে সংগ্রহ করতে হচ্ছে জালানি তেল এতে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কৃষি কাজে জমি চাষ, সেচ প্রদানের জন্য খেটে খাওয়া গ্রামের বয়স্ক কৃষকদেরও লাইনে দাড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শিবচরের আব্দুল হাকিম খান (এ এইচ কে) ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল, গাড়ি ও কৃষকেরা লাইনে দাড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন। তবে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। শৃঙ্খলাভাবে লাইন ঠিক রাখার জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

‎তেল নিতে আসা কৃষক লাভলু হাওলাদার বলেন, এখন ধানে সেচ দিতে হয়,জমি চাষ করতে হয়, ঠিকমত যদি আমরা তেল না পাই তাহলে চাষাবাদ করবো কিভাবে। তিনি আরো বলেন, আমরা যদি জমিতে সময়মত বীজ বপন করতে না পারে,তাহলে খাবো কি? সেই চিন্তায় রাতে ঘুম আসে না।

‎মোটরসাইকেল তেল সংগ্রহ করতে আসা মনির হোসেন বলেন,তিন পর শিবচরে তেল আসছে রৌদ্রের মধ্যে লাইনে দাড়িয়ে আছি তেল নিতে হবে কিছু করার নাই। তিনি বলেন, মোটরসাইকেলে ৩০০ টাকার বেশি তেল দেয় না, এতক্ষণ লাইনে দাড়িয়ে থেকে এত কম তেল না দিয়ে ১ হাজার টাকার দিলে ভালো হত।

‎ এ দিকে আব্দুল হাকিম খান (এ এইচ কে) ফিলিং স্টেশনের পক্ষে থেকে বিনামূল্যে কৃষক ও বয়স্কদের জন্য খাবার পানি ও স্যালাইন সরবরাহ করতে দেখা গেছে।

‎শিবচর হাইওয়ে থানার ওসি জহিরল ইসলাম জানান, তিন দিন পরে শিবচরের ফিলিং স্টেশন গুলোতে তেল আসছে,এ জন্য একটু ভীড় দেখা যাচ্ছে, লাইনে দাড়িয়ে সুশৃঙ্খল ভাবে যাতে সবাই তেল সংগ্রহ করতে পারে সে জন্য আমরা কাজ করছি।

error: Content is protected !!