বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

কাঁঠালিয়া টিউবওয়েল চুরির হিড়িক, থানায় সাধারণ ডায়েরি 

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫, ৮:২৭ পিএম | 138 বার পড়া হয়েছে
কাঁঠালিয়া টিউবওয়েল চুরির হিড়িক, থানায় সাধারণ ডায়েরি 

কাঁঠালিয়া উপজেলা টিউবওয়েল চুরির হিড়িক পড়েছে। চোরদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না বসতঘর মসজিদ-মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের টিউবওয়েলও।

জানা গেছে, ৩০ জুলাই উপজেলার সদর ৪ নং ইউনিয়ন দক্ষিণ আউরা গ্রাম থেকে ১০টির বেশি টিউবওয়েল চুরি হয়েছে। এছাড়া, হাস- মুরগী, রড সহ বিভিন্ন মালাম চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দক্ষিন আউরা গ্রামের রফিকুল ইসলাম পলাশ জমাদ্দার।

সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা চিশতীয়া দরবার শরীফের টিউবওয়েল, জমাদ্দার বাড়ির জামে মসজিদের টিউবওয়েল চুরি করে নিয়ে গেছে। একইভাবে ওই এলাকার আলম হাওলাদারের বসতঘরের টিউবওয়েলটিও চুরি হয়ে গেছে। এছাড়া, খাদিজাতুল কুবরা মাদ্রাসার টিউবওয়েল সহ আরো অনেকে’র”

ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম পলাশ জমাদ্দার জানান, দক্ষিন আউরা গ্রাম থেকে ১০টির বেশি টিউবওয়েল চুরি হয়েছে। চোরদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না মসজিদ, মাদ্রাসা সহ বসতঘরের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের টিউবওয়েলও।

মাদকসেবী ও ছিচকে চোরেরা একের পর এক টিউবওয়েল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে এলাকার গরীব ও দরিদ্র পরিবারগুলোতে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। মাদ্রাসা ও মসজিদ বসতঘর টিউবওয়েল চুরির ফলে শিশু শিক্ষার্থী ও মুসল্লিরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

তারা আরও জানান, শুষ্ক মৌসুমে খাল-পুকুরে পর্যাপ্ত পানি থাকেনা এবং টিউবওয়েল চুরি হয়ে যাওয়া পানির চরম সংকট দেখা দিতে পারে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুদৃষ্টি কামনা ও নজরদারির দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্তরা।

কৌশিক চৌধুরী, ​হিলি

হিলিতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

কৌশিক চৌধুরী, ​হিলি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ পিএম
হিলিতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি সিপি সংলগ্ন একটি চাতালের পাশের গোডাউন থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে ওই ব্যক্তিকে একটি হুইলচেয়ারে করে হিলি এলাকার বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যেত। বুধবার সকালে হিলি সিপি এলাকার একটি গোডাউনের সামনে তাকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে হাকিমপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মরদেহের পরিচয় শনাক্তে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, হিলির সিপির পাশে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। বর্তমানে তার নাম-ঠিকানা সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হবে এবং রিপোর্ট পাওয়ার পরেই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে তার মৃত্যু আসলে কীভাবে হয়েছে।

​প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা না গেলেও পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে আশপাশের এলাকায় খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট

‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম
‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন

মোংলা-খুলনা মহাসড়কের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন
‎বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ মার্চ) দুপুরে মোংলা জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিহতদের স্বজনদের হাতে সহায়তার অর্থ তুলে দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

‎অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১ লাখ করে টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোংলার ৯টি পরিবারকে মোট ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং রামপালের নিহত মাইক্রোবাস চালকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

‎বুধবার মোংলার ৯ জন ও রামপালের ১ জনের পরিবারকে এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আর বৃহস্পতিবার খুলনার কয়রার ৪ জনের পরিবারের কাছে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে হবে।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনুপ দাস, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি, নৌবাহিনীর খুলনা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল একেএম জাকির হোসাইন, মোংলা দিগরাজ নৌঘাঁটির অধিনায়ক ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ জুবায়ের শাহীন, মোংলা-রামপাল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রেফাতুল ইসলাম।

‎উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ মোংলা-খুলনা মহাসড়কের গুনাই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় খুলনাগামী নৌবাহিনীর বাস ও মোংলাগামী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়। এর মধ্যে ছিলো মোংলার বিএনপি নেতা আ. রাজ্জাক পরিবারের ৯ জন, তার নতুন পুত্রবধূসহ তাদের পরিবারের ৪ জন এবং মাইক্রোচালক।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাঁশখালীতে অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, জাল-মাছসহ আটক ৪

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম
বাঁশখালীতে অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, জাল-মাছসহ আটক ৪

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ আর্টিসনাল ট্রলিং বোট, নিষিদ্ধ জাল ও বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছসহ ৪ জেলেকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট বাঁশখালী থানাধীন শেখেরখীল মাছঘাট সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি অবৈধ আর্টিসনাল ট্রলিং বোট জব্দ করা হয়। এ সময় বোটে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের দুটি ট্রলিং জাল ও প্রায় ৪০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ উদ্ধারসহ চার জেলেকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে সরকার প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সাগরে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সাধারণত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম এবং সামুদ্রিক মাছের বংশবিস্তার রক্ষায় ৬৫ দিনের জন্য (মে-জুলাই) সাগরে সকল ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এছাড়া বছরের বিভিন্ন সময়ে নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ ধরায়ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকে। কিন্তু অসাধু কিছু জেলে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধ ট্রলিং ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করে আসছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।
পরবর্তীতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জব্দকৃত বোট থেকে ট্রলিং সরঞ্জামাদি অপসারণ করা হয় এবং অবৈধ জাল বিনষ্ট করা হয়। উদ্ধারকৃত মাছ নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকতি বলেন, “মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করতে জেলেদের সচেতনতার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর নজরদারি জরুরি।

error: Content is protected !!