শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

দক্ষিণপন্থীদের উত্থানে

‘বামপন্থী বিএনপি’ উদ্বিগ্ন যে কারণে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫, ৩:২৭ পিএম | 228 বার পড়া হয়েছে
‘বামপন্থী বিএনপি’ উদ্বিগ্ন যে কারণে

তিন প্রজন্মের পরীক্ষিত দল বিএনপি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘প্রথম প্রজন্ম’। আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ‘দ্বিতীয় প্রজন্ম’ এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘তৃতীয় প্রজন্ম’।
শুরু থেকেই জাতীয়তাবাদী ইসলামী আদর্শে বিশ্বাসী এই বিএনপির পরিচয় ছিল ডানপন্থী রাজনৈতিক দল হিসেবে। বিএনপির ঘনিষ্টতাও ছিল দক্ষিণপন্থী তথা ইসলামপন্থীদের সঙ্গে।
দেশের মানুষ সব সময় প্রত্যাশা করেছে যে, ইসলামপন্থীদের সঙ্গে ডানপন্থী বিএনপি জোটবদ্ধ থেকেই ভারতপন্থী আর বামপন্থীদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করবে।
সম্প্রতি হঠাৎ করে জাতীয়তাবাদী ইসলামী আদর্শের সেই তিন প্রজন্মের বিএনপিকে রূপান্তরিত করে নতুন এক পরিচয়ে ‘বামপন্থী বিএনপিকে’ হাজির করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি গতকাল ২৬ জুলাই এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে দক্ষিণপন্থীদের উত্থানে উদ্বিগ্ন হওয়ার কথা বলে প্রমান করেছেন, তার দল বিএনপি এখন দক্ষিনপন্থার বিরুদ্ধে। অর্থাৎ বিএনপি এখন একটি ‘বামপন্থী’ রাজনৈতিক দল।
প্রথম আলোয় দেওয়া ঐ সাক্ষাতকারের প্রশ্ন ছিলো-‘‘তাহলে কি আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর দেশের রাজনীতিতে দক্ষিণপন্থীদের উত্থান হতে যাচ্ছে ? আপনি কী দেখেন ?’’
এর জবাবে মির্জা ফখরুল বলেছেন,‘‘আমিও দেখছি। সে জন্য আমি উদ্বিগ্ন। আমি বাংলাদেশকে সব সময় একটা সত্যিকার অর্থে উদারপন্থী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ হিসেবে দেখতে চাই এবং এখানে গণতন্ত্র হবে সবচেয়ে বড় বিষয়। সেই জায়গায় যদি এখন এমন এমন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান হয়, যারা গণতন্ত্রেই বিশ্বাস করে না। পরিষ্কার ঘোষণা দিয়ে করে না। আবার তারা নিজেরা জোর করে চাপিয়ে দিতে চায় মতবাদকে, এটা নি:সন্দেহে এলার্মিং সিচুয়েশন।’’
দক্ষিণপন্থীদের পরিচয় দিতে গিয়ে মির্জা সাহেব বলেন,‘‘কিছু কিছু দলের মধ্যে এমনও কথা আছে যে মহিলাদের তারা কিছুতেই সামনে আনতে চায় না। মহিলাদের তারা রাজনৈতিক ক্ষমতা তো দূরের কথা, তারা সামাজিক ক্ষমতায়নও করতে চায় না।’’
এর পর এই প্রশ্নের উত্তরে মির্জা সাহেব বলেন,‘‘এসব দলের যদি উত্থান হয় এই দেশে, তাহলে তো পিছিয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো পথ থাকবে না।’’
ঐ সাক্ষাৎকারে মির্জা সাহেব অত্যন্ত স্পষ্ট করে বলেছেন যে, দক্ষিণপন্থীরা গণতন্ত্রেই বিশ্বাস করে না। দক্ষিণপন্থীদের উত্থান হলে দেশ পিছিয়ে যাবে।
তাঁর কথায় সত্যিকার অর্থে উদারপন্থী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হলে দক্ষিণপন্থীদের উত্থান ঠেকিয়ে বামপন্থীদের উত্থান ঘটাতে হবে।
মির্জা সাহেবের এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, জাতীয়তাবাদী ইসলামী আদর্শ ঝেড়ে ফেলে দিয়ে বিএনপি এখন আগাগোড়া খাঁটি বামপন্থী দলে পরিণত হয়েছে এবং সেই কারণে বাংলাদেশে ডানপন্থীদের উত্থানে বিএনপি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
অথচ এতোদিন দেশবাসী জেনে এসেছেন যে, জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপি দক্ষিণপন্থী তথা ডানপন্থী রাজনৈতিক দল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার আমলেও জাতীয়তাবাদী ইসলামী আদর্শে বিশ্বাসী বিএনপি দক্ষিণপন্থী ছিলো। বেগম খালেদা জিয়ার আমলেও সেই বিএনপি দক্ষিণপন্থীই ছিলো।
বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সময়ে এসে হঠাৎ করে দলটির মহাসচিব ডানপন্থীদের উত্থানে উদ্বিগ্ন হয়ে জাতীয়তাবাদী ইসলামী আদর্শে বিশ্বাসী বিএনপিকে দক্ষিণপন্থী থেকে রুপান্তরিত করে বামপন্থী হিসেবে জাহির করলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম ব্যক্তিগতভাবে আগাড়গাড়া একজন খাঁটি বামপন্থী মানুষ। তাঁর মিশনই ছিলো ডানপন্থী বিএনপিকে বামপন্থীতে রূপান্তরিত করা। তিনি সেই মিশনে সফল হয়েছেন।
দু:খজনকভাবে বিএনপিতে এখন ভারতপন্থী, আওয়ামী পন্থী এবং বামপন্থীদের প্রভাব বেশি। প্রথম প্রজন্মের বিএনপি এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের বিএনপিতে ভারতপন্থী-আওয়ামী পন্থী এবং বামপন্থীদের অবস্থান থাকলেও তাঁরা কোনঠাসা অবস্থায় ছিলেন। এখন তৃতীয় প্রজন্মের বিএনপি চালাচ্ছে অতীতে ঘাপটি মেরে থাকা সেই ভারতপন্থী, আওয়ামী পন্থী এবং বামপন্থীরা। তাই ডানপন্থী বিএনপির এই বামপন্থীতে রূপান্তর হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।
বামপন্থীরাই এখন বিএনপি চালাচ্ছে বলে বিএনপির ‘ডানপন্থী প্রজন্ম’ চাপা পড়ে গেছেন। সম্ভবত সে কারণেই আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও দৃশ্যপটের আড়ালে রাখা হয়েছে।
একারণেই বিএনপির ত্রিকালদর্শী জনতা বিএনপির এই রূপান্তরে তেমন একটা হোঁচট খায়নি। তারা খুব সহজেই বিএনপির এই রূপান্তর মেনে নিয়েছেন।
তবে এতোদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে পথ চলা মানুষের জিজ্ঞাসা, দক্ষিণপন্থী বিএনপির হঠাৎ করে বামপন্থীতে রূপান্তরের আসলে উদ্দেশ্য কী ?
এই প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারবেন কেবলমাত্র বিএনপির মহাসচিবই। তবে মির্জা সাহেবের এই উদ্বিগ্ন হওয়ার বক্তব্যে আরো বেশি উদ্বিগ্ন হয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ।
আন্দোলনের মহাসচিব এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব “দক্ষিণপন্থীদের উত্থান” সম্পর্কিত এক প্রশ্নে যেভাবে উত্তর দিয়েছেন, তাতে জনমনে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভুল বার্তা দেবে।
বিএনপির মহাসচিবের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব ইউনুস আহমদ আরো বলেন, ‘আমরাও বাংলাদেশে রাজনীতি করছি। আমরা তো এমন কোনো শক্তির উত্থান দেখছি না। তিনি যদি এমন কোনো শক্তির উত্থান দেখেন, তাহলে তা পরিষ্কার করে বলা উচিত। কিন্তু তা না করে অনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে এমন নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করাকে আমরা অশুভকর বলে মনে করছি। তাঁর এই বয়ান পতিত ফ্যাসিবাদের বয়ানকে সমর্থন করে।’
ডানপন্থী বিএনপিকে বামপন্থীতে রূপান্তরিত করার আসল উদ্দেশই হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিতাড়িত ফ্যা.সিবাদের পূনর্বাসন করা। হাজার হাজার শহীদের রক্তে কেনা ২য় স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করা।
জোটবদ্ধ জাতির রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতীয় অধিপত্যবাদ খতমের চেতনাকে নস্যাত করার জন্যই রক্তঝরা চব্বিশের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর থেকে পলাতক আওয়ামী লীগের বিকল্প হিসেবে বিএনপিকে সামনে আনার চেষ্টা চলেছে।
এবার সেই চেষ্টারই অনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বোয়ালখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন রশীদ ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলে শোক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
বোয়ালখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন রশীদ ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলে শোক

বোয়ালখালী পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব গোমদণ্ডী মুফ্তি পাড়া,ফজর আলীর বাড়ি নিবাসী মরহুম নুরুর রহমান এর প্রথম পুত্র,

দৈনিক জনতা, দৈনিক ইনফো বাংলা প্রতিনিধি পটিয়া প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ সেলিম চৌধুরী’র ফুফাত ভাই ও বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ, প্রচার, প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক আল সিরাজ ভাণ্ডারী’র বড়ভাই, আহসান উল্লাহ জামে মসজিদের সহসাধারণ সম্পাদক, হাজিরহাট ইকবাল পাঠাগার সহসভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ (৭১) ১লা এপ্রিল ২০২৬ বুধবার দুপুর ২ টার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
আল্লাহ তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসাবে কবুল করুন আমিন। ১ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার মুফ্তিপাড়া আহসান উল্লাহ জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের জানাজার নামাজের তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। মৃত্যুকালে হারুনুর রশীদ দুইভাই এবং ৫জন মেয়ে নাতি, নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে যান।
মরহুম হারুন অর রশিদ এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন, জিয়া স্মৃতি পরিষদ বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আহবায়ক সাংবাদিক মন্জুর আলম মাস্টার, দৈনিক কর্ণফুলী স্টাফ রিপোর্টার এম এ মন্নন, দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি শাহিনুর কিবরিয়া মাসুদ, ক্রাইম রিপোর্টার সাংবাদিক আজম খান, বাণিজ্যিক রাজধানীর সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী রানা, বোয়ালখালী প্রেসক্লাব, নাগরিক টিভি রিপোর্টার তৌহিদুর রহমান, সূফিকথা সম্পাদনা পরিষদের সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ, আহসান উল্লাহ জামে মসজিদ এর পরিচালনা কমিটি, রেজা মোঃ ইকবাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা ইকবাল হোসেন চৌধুরী, জলিল ভাণ্ডার দরবার শরীফের শাহজাদা জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ সাইফুউদ্দিন, খোকা ভাণ্ডারী,
মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ গোমদণ্ডী সদর শাখা, হযরত শাহসুফি মাওলানা সৈয়দ মানজি শাহ্ মাজার শরীফ কমিটি, রমেশভাণ্ডার পরিচালনা কমিটি ও রমেশ পরিবার, হাজিরহাট ইকবাল পাঠাগার। তাজকিয়া কেন্দ্রীয় পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক নুরে আহমদ জিয়াউল হাসান।

 

From
Salim Chowdory
Patiya Corresponden
Chittagong
01819349442

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহ সফর

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩০ এএম
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহ সফর

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, এমপি আগামী শনিবার (০৪এপ্রিল) ময়মনসিংহ সফর করবেন। সফরকালে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী শনিবার সকাল ১০:৩০ টায় ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগের জেলাসমূহের জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন। এরপর দুপুর ১২:০০ টায় ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়াও বিকাল ০৩:০০টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ বাইপাসের ৫০০ মিটার সামনে শিকারিকান্দা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন। এবং দিনের শেষে বিকাল ৫ টায় প্রতিমন্ত্রী সার্কিট হাউজে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

error: Content is protected !!