বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

পলাশবাড়ীতে খাদ্যবান্ধব ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি;খাদ্য কর্মকর্তা লাপাত্তা, ফুঁসে উঠেছে ব্যবসায়ী সমাজ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫, ২:৩৯ পিএম | 223 বার পড়া হয়েছে
পলাশবাড়ীতে খাদ্যবান্ধব ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি;খাদ্য কর্মকর্তা লাপাত্তা, ফুঁসে উঠেছে ব্যবসায়ী সমাজ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে খাদ্য বান্ধব ডিলার নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানা গেছে, যথাযথ নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তার পছন্দের প্রার্থীদেরকে গোপনে নিয়োগ দিয়েছেন । এমনকি একাধিক ফ্যাসিষ্টের দোসরকেও ভিন্ন নামে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করে গা ঢাকা দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজ ও সচেতন মহল।

সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ২১ জন ডিলার নিয়োগের জন্য একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে ১২টি শর্তারোপ করে আবেদনপত্র জমাদানের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৮৮টি আবেদনপত্র জমা পড়ে।

বিজ্ঞপ্তির ২ নম্বর শর্তে উল্লেখ করা হয়—প্রত্যেক আবেদনকারীর কমপক্ষে ১৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা ও একটি পাকা গুদামঘর থাকতে হবে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ আবেদনকারীর গুদামঘর এই শর্ত পূরণে অক্ষম ছিল।

নিয়ম অনুযায়ী, যেসব বিক্রয় কেন্দ্রে একাধিক আবেদন পড়ে, সেখানে লটারির মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করার কথা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী রাতের আঁধারে তালিকা চূড়ান্ত করে ৯ জুলাই তাতে স্বাক্ষর করেন এবং ১৩ জুলাই তা প্রকাশ করেন।

চাঞ্চল্যকর তথ্য হচ্ছে—এই তালিকা কমিটির সভাপতি ও একাধিক সদস্যকে না জানিয়েই অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে এতে ভিন্ন নামে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন একাধিক ফ্যাসিষ্টের দোসর ও প্রভাবশালী মহলের আত্মীয়স্বজন, এমনকি ব্যবসায়ী নন এমন ব্যক্তিরাও। এতে করে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

১৩ জুলাই তালিকা প্রকাশের পর বঞ্চিত আবেদনকারীরা উপজেলা খাদ্য অফিস ঘেরাও করে লটারির দাবিতে প্রতিবাদ জানান। ওইদিন সন্ধ্যায় খাদ্য কর্মকর্তা ১৪ জুলাই সকাল ১১টায় লটারি আয়োজনের একটি নোটিশ তৈরি করলেও, অজ্ঞাত কারণে তা স্বাক্ষর না করেই গা ঢাকা দেন।

অভিযোগ রয়েছে, একটি “অজ্ঞাত ফোন কল” ও স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর মধ্যস্থতায় আরও ৮ জনকে অন্তর্ভুক্ত করার শর্তে আপোসের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর থেকেই মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে নিয়োগ বঞ্চিত অন্তত ১৫-১৬ জন আবেদনকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তাঁরা লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পুনরায় নিয়োগ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন—অন্যথায় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আলম জানান, “মোট ৮৮টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ২২টি বৈধ বিবেচনায় নেয়া হয়। শুনেছি ২১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে মোট ২৯টি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে।” তার এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন, তবে প্রক্রিয়াটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

খাদ্য কর্মকর্তা মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী বলেন, “প্রথম পর্যায়ে ২১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সমঝোতার ভিত্তিতে আরও ৮ জনের তালিকা তৈরি হয়েছে, যা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।”

নিয়োগ কমিটির সদস্য ও সমাজসেবা কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, “প্রকৃতপক্ষে এসব সিদ্ধান্ত সভাপতি ও সদস্য সচিবরাই নিয়ে থাকেন। অন্যান্য সদস্যদের মতামতের তেমন গুরুত্ব নেই।”

প্রেসক্লাব সভাপতি ও কমিটির আরেক সদস্য শাহ আলম সরকার বলেন, “আমাকে কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে তা জানানো হয়নি। পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কেও আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।”

পলাশবাড়ী উপজেলা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম লিয়াকত বলেন, “খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনসংশ্লিষ্ট উদ্যোগ। এখানে অনিয়ম বা গোপনীয়তা বরদাশত যোগ্য নয়। জনস্বার্থে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করে লটারির মাধ্যমে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হোক।”

এ বিষয়ে জনস্বার্থে ১৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে পলাশবাড়ী উপজেলা নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব ও সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউছ মিয়া খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল ডিলার নিয়োগের এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং লটারির মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় জনমনে অসন্তোষ আরও ঘনীভূত হবে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা।

কৌশিক চৌধুরী, ​হিলি

হিলিতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

কৌশিক চৌধুরী, ​হিলি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ পিএম
হিলিতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি সিপি সংলগ্ন একটি চাতালের পাশের গোডাউন থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে ওই ব্যক্তিকে একটি হুইলচেয়ারে করে হিলি এলাকার বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যেত। বুধবার সকালে হিলি সিপি এলাকার একটি গোডাউনের সামনে তাকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে হাকিমপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মরদেহের পরিচয় শনাক্তে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, হিলির সিপির পাশে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। বর্তমানে তার নাম-ঠিকানা সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হবে এবং রিপোর্ট পাওয়ার পরেই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে তার মৃত্যু আসলে কীভাবে হয়েছে।

​প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা না গেলেও পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে আশপাশের এলাকায় খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট

‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম
‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন

মোংলা-খুলনা মহাসড়কের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন
‎বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ মার্চ) দুপুরে মোংলা জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিহতদের স্বজনদের হাতে সহায়তার অর্থ তুলে দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

‎অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১ লাখ করে টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোংলার ৯টি পরিবারকে মোট ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং রামপালের নিহত মাইক্রোবাস চালকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

‎বুধবার মোংলার ৯ জন ও রামপালের ১ জনের পরিবারকে এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আর বৃহস্পতিবার খুলনার কয়রার ৪ জনের পরিবারের কাছে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে হবে।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনুপ দাস, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি, নৌবাহিনীর খুলনা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল একেএম জাকির হোসাইন, মোংলা দিগরাজ নৌঘাঁটির অধিনায়ক ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ জুবায়ের শাহীন, মোংলা-রামপাল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রেফাতুল ইসলাম।

‎উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ মোংলা-খুলনা মহাসড়কের গুনাই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় খুলনাগামী নৌবাহিনীর বাস ও মোংলাগামী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়। এর মধ্যে ছিলো মোংলার বিএনপি নেতা আ. রাজ্জাক পরিবারের ৯ জন, তার নতুন পুত্রবধূসহ তাদের পরিবারের ৪ জন এবং মাইক্রোচালক।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাঁশখালীতে অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, জাল-মাছসহ আটক ৪

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম
বাঁশখালীতে অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, জাল-মাছসহ আটক ৪

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ আর্টিসনাল ট্রলিং বোট, নিষিদ্ধ জাল ও বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছসহ ৪ জেলেকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট বাঁশখালী থানাধীন শেখেরখীল মাছঘাট সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি অবৈধ আর্টিসনাল ট্রলিং বোট জব্দ করা হয়। এ সময় বোটে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের দুটি ট্রলিং জাল ও প্রায় ৪০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ উদ্ধারসহ চার জেলেকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে সরকার প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সাগরে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সাধারণত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম এবং সামুদ্রিক মাছের বংশবিস্তার রক্ষায় ৬৫ দিনের জন্য (মে-জুলাই) সাগরে সকল ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এছাড়া বছরের বিভিন্ন সময়ে নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ ধরায়ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকে। কিন্তু অসাধু কিছু জেলে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধ ট্রলিং ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করে আসছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।
পরবর্তীতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জব্দকৃত বোট থেকে ট্রলিং সরঞ্জামাদি অপসারণ করা হয় এবং অবৈধ জাল বিনষ্ট করা হয়। উদ্ধারকৃত মাছ নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকতি বলেন, “মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করতে জেলেদের সচেতনতার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর নজরদারি জরুরি।

error: Content is protected !!