রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

ভালোবাসা আর সংসার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫, ১:৪৬ পিএম | 250 বার পড়া হয়েছে
ভালোবাসা আর সংসার

বিয়ের পরে একটা সংসার ডান দিকে যাবে না বাম দিকে — এর মূল চালক হলো স্বামী।
সংসার অবশ্যই স্ত্রী গুছিয়ে রাখে, কিন্তু সংসার গুছিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব একজন পুরুষের।

তাই একজন ভালো পুরুষকে বিয়ে করা অনেক জরুরি।
ভালোবাসা আর সংসার করা — দুইটা এক জিনিস না।
সময়ের সাথে সাথে কিন্তু মানুষ বদলায়।
আপনি নিজের বদলানো নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, কিন্তু আরেকজন ভালো হবে নাকি খারাপ — এটা আপনি চাইলেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।

তাই ভালোবাসার পরেও বিয়ের অনেক বছর পর অনেক সমস্যা দেখা যায়।

একজন পুরুষ যদি সঠিক হয়, তাহলে সংসার এমনি নিজে থেকেই সুন্দরভাবে চলে।

চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একজন সংসারিক পুরুষ কেমন হওয়া উচিত এবং তার মধ্যে কি কি থাকা উচিত বা থাকা উচিত নয়, তাই লিখব।

🌸দায়িত্বহীন পুরুষ🌸

সবার আগে গুরুত্বপূর্ণ হলো দায়িত্বশীল হওয়া।
যে পুরুষ কানে শুনেও শোনে না, প্রয়োজন দেখার পরেও অন্ধের মতো ভান করে বসে থাকে,যে সংসারে থেকেও থাকে না — উড়ে ঘুরে বেড়ায়, সংসারের সমস্যাকে নিজের সমস্যা মনে করে না,
দায়িত্ব দেখলেই অজুহাত করে পালিয়ে যায় —
সেই পুরুষ কোনোদিন আপনাকে শান্তি দেবে না।

🌸বেকার, ধান্ধাবাজ পুরুষ🌸

এখন অনেকে এসে বলবে —
“Taka dekhe biye kore meyera”, “Takai shob”, bla bla.
ভাই, আপনি একজন স্ত্রীকে বিয়ে করে তার ৫টা মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে না পারেন?
তাহলে আপনি কেন বিয়ে করবেন??

আপনি যখন একজন মেয়েকে বিয়ে করেন, you are the guardian of that girl!!
বাংলাদেশের আইন, ইসলাম — সব বলে, একজন মেয়েকে বিয়ে করলেyou must have to provide her a good house, food, clothes and all basic needs!
ভালোবাসা ঠিক আছে।আপনি যখন ভালোবাসেন, তখন আপনারা দুজন থাকেন ওই ভালোবাসায়, কিন্তু আপনারা যখন বিয়ে করেন, তখন একটা পুরো সমাজ আর আপনার সন্তান সেই বিয়েতে চলে আসে।যদি পুরুষ স্বনির্ভর না হয়, তাহলে এর খারাপ প্রভাব আপনার সন্তানদের ওপরেও পড়ে।আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
আপনি আত্মীয়স্বজনকেও ঠিকভাবে মেইনটেইন করতে পারবেন না।মৌলিক চাহিদা চাওয়া কোনো অপরাধ না — এটা অধিকার!
যদি আপনি স্বামী হিসেবে তা পূরণ করতে না পারেন, তাহলে সেটা আপনার দোষ!

🌸চরিত্রহীনতা🌸

একটা বড় সংখ্যক পুরুষ আছে বাংলাদেশে, যাদের চরিত্রে সমস্যা আছে।এবং তারা এটা জীবনে কোনোদিনও স্বীকার করবে না!
তারা ছেসরামি করবে, কিন্তু যুক্তি দেখাবে।
তারা ৪টা বিয়ে করবে, কারণ ইসলাম না — reason tader character e problem!কিন্তু বিয়ের সময় ব্যবহার করবে ইসলামকে।
একটা বিয়েতে যখন আপনার সঙ্গী চরিত্রহীন হয় — এর চেয়ে পেইনফুল আর কিছু হতে পারে না।And trust me!
আপনি সব বদলাতে পারবেন, কিন্তু এই চরিত্রের সমস্যা বদলাতে পারবেন না।কারণ এটা একটা রোগ!!!! চরিত্রবান পুরুষ আল্লাহর সবচেয়ে সুন্দর উপহার। যার চরিত্র ভালো, সে এক নারী নিয়েই ১০০ বছর কাটিয়ে দিতে পারবে। যে পুরুষের চরিত্র ভালো, তার নিজের স্ত্রী ছাড়া অন্য নারীকে নিয়ে এসব ভাবতেই ঘৃণা আসার কথা।

🌸গ্রহণযোগ্যতা না থাকা (Acceptance)🌸

সংসার জীবনে দুজন মানুষ একসাথে থাকে, উঠে-বসে।
অনেক কিছু মিলবে, অনেক কিছু মিলবে না — এটা স্বাভাবিক।
একজন পুরুষ যেহেতু একজন নারীর অভিভাবক, তাকে সেইভাবেই অনেক কিছু গ্রহণ করতে হয়।
স্ত্রীর ছোট ছোট ভুল থেকে শুরু করে তার উদ্বেগ, হতাশা, সমস্যা, বয়সের ছাপ, বিশৃঙ্খলতা — সব কিছুই গ্রহণ করতে হবে।
কেউ ১০০% পারফেক্ট না, কেউ ১০০% সার্ভ করে না।
যে পুরুষ যত বেশি গ্রহণ করতে পারে, সংসারে তত বেশি শান্তি।

🌸বোঝাপড়া (Understanding)🌸

একজন understanding husband পাওয়া একজন মেয়ের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
না হলে সংসারজীবন খুব কঠিন হয়ে যায়।
স্ত্রীর সমস্যা বুঝে সেই অনুযায়ী ইতিবাচকভাবে আচরণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
স্ত্রীর শরীর খারাপ হলে তার যত্ন নেওয়া, কাজে সাহায্য করা —
যে কোনো সমস্যা হলে বা স্ত্রী বিপদে পড়লে তাকে পজিটিভভাবে সাহায্য করা — এটা একজন understanding স্বামীর লক্ষণ।

🌸ঠান্ডা মাথা🌸

রাগ আসলে কম-বেশি সবার থাকে, কিন্তু বিয়ের পরে সেটা কন্ট্রোল করতে হয়।
ইসলামেও রাগ থাকা কোনো ভালো বা কুল জিনিস না।
এটা একটা খারাপ গুণ — রাগ শয়তানের চরিত্র, মানুষের হতে পারে না।দু’জন একসাথে থাকলে অনেক কিছু মিলবে না।
না মিললে রাগ উঠবে, কথা কাটাকাটি হবে —
তাই বলে স্ত্রীর গায়ে হাত তোলা উচিত না, গালাগালি করাও উচিত না।
এই জিনিসগুলো কোনো সুস্থ বা স্বাভাবিক মানুষ করে না!
একমাত্র পশুদের দ্বারাই এমন আচরণ সম্ভব।

আপনি জীবনের শেষ সময় শান্তিতে থাকবেন না অশান্তিতে — এটা নির্ভর করে আপনার জীবনসঙ্গীর ওপর।
তাই আবেগ না, বিবেক দিয়ে জীবনসঙ্গী বেছে নেবেন।

ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ললিতপুরের আনফা কমপ্লেক্সে স্বাগতিকদের কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামা বাংলাদেশ এবার নেপালকে পেল সেমিফাইনালেই। এবারও ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী মার্ক কক্সের শিষ্যরা।

গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ। অপরাজিত হয়ে সেমিতে উঠলেও মার্ক কক্সের শিষ্যরা ভারতের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছেন। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে বাংলাদেশ। অপর গ্রুপ (‘এ’ গ্রুপ) থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নেপাল সেমিতে উঠেছে। সেমিফাইনাল সামনে রেখে বাংলাদেশ দল প্রস্তুতি নিচ্ছে জোরকদমে। আজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) এক ভিডিও বার্তায় গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমার বিশ্বাস খেলোয়াড়রা সেরাটা দিয়ে সেমিফাইনালে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে উঠব।’

বাংলাদেশ-নেপাল সেমিফাইনাল হবে ১ এপ্রিল মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে। নকআউট পর্বের ম্যাচ সামনে রেখে আজ রিকভারি সেশন করেছে দল। মূলত নেপাল ম্যাচ সামনে রেখে ফুটবলারদের উজ্জীবিত রাখতেই এমন কিছু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিপ্লব। বাফুফের ভিডিও বার্তায় গোলরক্ষক বলেন, ‘গত দুটি ম্যাচে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে অনেক বড় ম্যাচ খেলেছি। ফুটবলারদের ওপর ধকল গেছে। এখন আমরা রিকভারি ট্রেনিং করছি সুইমিংপুলে এসে। স্ট্রেসিং ছিল। সামনে সেমিফাইনালের মতো অনেক বড় একটা ম্যাচ। দলকে ভালো একটা অবস্থায় আনার চেষ্টা করছি। খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করতে প্রত্যেক মুহূর্ত চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

নেপাল ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠেছে সেমিফাইনালে। ভুটান-শ্রীলঙ্কাকে হারানো নেপাল ড্র করেছে মালদ্বীপের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত নেপাল দিয়েছে চার গোল এবং দুই গোল হজম করেছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হলেও ফাইনালে ওঠার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফুটবলার ডেকলান সুলিভান। বাফুফের ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘দলের সঙ্গে রিকভারি সেশন মাত্র শেষ হলো। সেশনটা ভালো ছিল। আমরা এখানেই থামব না। পরের ম্যাচে আমাদের জিততেই হবে।’

অনূর্ধ্ব-২০ সাফ শুরুর আগেই আলোচনায় ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই যমজ রোনান সুলিভান ও ডেকলান সুলিভান। রোনান পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। ডেকলান দুই ম্যাচের একটিতেও খেলার সুযোগ পাননি। ১ এপ্রিল আরেক সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-ভুটান। ভারত-বাংলাদেশ দুই দলের পয়েন্ট চার। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ভারত। গতকাল ১-১ গোলে ড্র হওয়া বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে দেখা গেছে জোড়া লাল কার্ড।

 

‎মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা

ফুলছড়িতে বিএনপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব

‎মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
ফুলছড়িতে বিএনপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে জাসাস নেতার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় রীতিমতো ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এলাকায়।

‎গত ১৯ মার্চ বিকেলে ফুলছড়ি ইউনিয়নে জাসাসের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেনের বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

স্থানীয়দের দাবি, একাধিক হত্যা ও ডাকাতি মামলার আসামি মোহাম্মদ আলী ও তার সশস্ত্র বাহিনী এ হামলার নেতৃত্ব দেয়।

‎ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বাধা ও ছাত্র হত্যা দায়ে ঢাকা উত্তরা থানার মামলার আসামি শুকুর আলী ফিরোজের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই নৃশংস হামলা সংঘটিত হয়েছে। বাড়িতে পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগ নিয়ে হামলার ছক কষা হলেও ঘটনাস্থলে লোকজন থাকায় আগুন দিতে ব্যর্থ হয়ে হামলাকারীরা ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

‎এ সময় ফরহাদ হোসেনের বাবা জামাল বাদশাসহ অন্তত ১৩ জনকে লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। গুরুতর আহতদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন—কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

‎আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার। যেকোনো সময় আবারও হামলার আশঙ্কায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

‎ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বলছেন, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে, নইলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

‎ফুলছড়ি থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় ফরহাদ হোসেন ৫১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

বিসিবিকে নিয়ে কী বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম
বিসিবিকে নিয়ে কী বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী?

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জিতে বিএনপি সরকার গঠন করার পর টেকনোক্র্যাট কোটায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আগ থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিয়ে তুলনামূলক বেশি বক্তব্য রেখেছেন আমিনুল হক। সংসদ অধিবেশনে আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে থাকল বিসিবি।

সংসদ অধিবেশনে আজ প্রশ্নোত্তর পর্বে আমিনুলের কাছে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন জিজ্ঞেস করেন, বিসিবি নিয়ে কী ভাবছেন তিনি। উত্তরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের যে অর্থ কিংবা জনবল, তাঁরা বিগত সময়ে যে ভোটের অধিকার হরণ করতে একটি গ্রুপকে সহযোগিতার মাধ্যমে এ ধরনের অপকর্ম করেছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরে এই বোর্ডের যাঁরা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, সেই সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ইনশা আল্লাহ। পাশাপাশি আমাদের সবশেষ ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব নেওয়ার কিছু ইস্যু আমার সামনে পরিলক্ষিত হয়েছে। আমাদের যে দুদকের মহাপরিচালক রয়েছেন, তাঁর কাছে আহ্বান করব এই বিষয়ে কোনো তদন্ত বা কিছু থাকলে যেন আমাদের জানান এবং সেগুলো যেন জাতির সামনে উপস্থাপন করা হয়।’

২০০৯ সাল থেকে শুরু করে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। সংসদ সদস্য মোশাররফ আওয়ামী শাসনামলে ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে জানতে চাইলে আমিনুল বলেন, ‘আপনারা সকলেই জানেন যে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে ২০০৮ সাল থেকে ক্রিকেট বোর্ডসহ দলীয়করণ এবং রাজনীতিকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে যে স্থবিরতা নিয়ে এসেছিল এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন যেভাবে ধ্বংসের পথে চলে গেছে, সেই ধ্বংসস্তূপ ক্রীড়াঙ্গনকে নতুনভাবে দলীয়করণমুক্ত, রাজনীতিকরণমুক্ত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে চলেছি। ২০০৮ সাল থেকে যারা এই দলীয় সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে যারা অবৈধ নিয়োগ হয়েছে, সে সব আমরা দ্রুতই তদন্ত কমিটি করে কারা জড়িত ছিল, ইনশা আল্লাহ জাতির সামনে নিয়ে আসব।’

জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক আমিনুল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ক্রীড়াবিদ হিসেবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। কেন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে পারল না একটা তদন্ত কমিটির মাধ্যমে সেটার কারণ অনুসন্ধানের ঘোষণা ঈদের ছুটির আগে দিয়েছিলেন তিনি। এরই মধ্যে বিসিবির গত বছরের ৬ অক্টোবরের নির্বাচন নিয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।

error: Content is protected !!