শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

আজ থেকে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:৩৮ পিএম | 116 বার পড়া হয়েছে
আজ থেকে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ

দেশের সব সুপারশপে আজ ১ অক্টোবর থেকে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে ব্যবহার করতে হবে পাট বা কাপড়ের ব্যাগ।

আজ মঙ্গলবার সরকারি এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এছাড়া সারাদেশে পলিথিন ব্যবহার বন্ধে কার্যক্রম শুরু হবে ১ নভেম্বর থেকে।

দেশব্যাপী পলিথিন উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখ পলিথিন শপিং ব্যাগের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় পলিথিন ব্যাগ বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়।‌ ওই সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সুপারশপে কোনো ধরনের পলিথিন বা পলিপ্রপাইলিনের ব্যাগ রাখা যাবে না। একই সঙ্গে ক্রেতাদের দেওয়া যাবে না।

পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। প্রচারণা চালিয়েছেন মোহাম্মদপুরের টাউন হল কাঁচাবাজারেও। সচেতনতা বাড়াতে নিষিদ্ধ পলিথিনের বিকল্প পণ্যের মেলারও আয়োজন করা হয়।

গত রোববার পরিবেশ অধিদপ্তরে পলিথিনের বিকল্প পণ্যের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উঠে আসে পরিবেশবান্ধব নানা পণ্যের সমাহার। সুপারশপে পলিথিন বন্ধে ব্যবস্থা নিতে দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং এসপিদের পলিথিন ও পলিপ্রোপাইলিন ব্যাগ বন্ধে নির্দেশনা দেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, পলিথনের যে কোন ধরনের ব্যাগ ও প্লাস্টিক যে ফর্মেই তৈরি হোক না কেন তা সহজে পচে না। এই ব্যাগ ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হলে মাটির সঙ্গে মিশতে সময় নেয় প্রায় সাড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ বছর। এমনকি মাটির অনেক নিচে গেলেও তা ধ্বংস করছে মাটির স্বাভাবিক স্তরকে। পলিপ্রোপিলিন ব্যাগে থাকা রাসায়নিক পদার্থ মাটির জীব, গাছ, মাটির উর্বরতা, কৃষি উৎপাদনশীলতা সব কিছু ধবংস করে।

বাংলাদেশে সব সময়ই পলিথিনের সুস্পষ্ট বিকল্প ছিল। এখন পাট, কাপড় ও কাগজকে বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে। প্লাস্টিক বা পলিথিনের মত দেখতে পচনশীল ব্যাগকেও বিকল্প হিসেবে আপাতত ভাবা হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে জি আর (চাল) বিতরণ

শরিফুজ্জামান শান্ত, লালমনিরহাট কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি। প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম
কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে জি আর (চাল) বিতরণ

দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত সাম্প্রতিক সময়ে আদিতমারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে জিআর (চাল) বিতরণ করেন লালমনিরহাট-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব রোকন উদ্দিন বাবুল মহোদয়।

আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে — প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

মাহিদুল ইসলাম হিমেল হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২২ পিএম
আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে — প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চলমান নৌ-যান ও ফেরি সংকট নিরসনে সরেজমিন পরিদর্শনে এসে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেছেন, “আমরা স্ব উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সকল মতের মানুষের স্বার্থে। দলমত নির্বিশেষে সবার উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য।”

শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে হাতিয়ার নলচিরা চৌঘাট পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলস্রুতিতে আমরা নিজ দায়িত্ব থেকে হাতিয়ার মানুষের পথ চলা সহজ করতে সমস্যাসমূহ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, হাতিয়ার উভয় পাশের ফেরিঘাট আরও প্রশস্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আসন্ন ঈদুল আজহার আগেই একটি নতুন ফেরি যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। নদীর নাব্যতা স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ফেরি চলাচল আরও নিরাপদ ও টেকসই করতে ঘাটের র‍্যাম্প উন্নয়ন এবং দুই পাশের নদীর তীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

এছাড়াও নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের আরও কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকসহ স্থানীয় বিপুলসংখ্যক মানুষ।

যশোরে তরুণীর সংবাদ সম্মেলন: প্রেম, ধর্ষণ ও বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

মেহেদী হাসান রিপন,স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
যশোরে তরুণীর সংবাদ সম্মেলন: প্রেম, ধর্ষণ ও বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

প্রেম ও বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে যশোরে এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে ভুক্তভোগী নারী বিষ খাইয়ে তাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, অন্যদিকে প্রতিপক্ষ একে ১০ লাখ টাকার ‘চাঁদা না পেয়ে সাজানো নাটক’ বলে দাবি করেছে।

শনিবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের চিত্র ফুটে ওঠে।
অভয়নগর উপজেলার পোতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সোনিয়া আক্তার দিয়া (২৫) জানান, তার এই সংকটের শুরু ২০১৪ সালে। ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হওয়া যশোর শহরের চোপদারপাড়া এলাকার এহসান আহমেদ ফয়সালের সাথে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সোনিয়ার অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফয়সাল তাকে কুয়াকাটায় নিয়ে একটি হোটেলে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ফয়সাল বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে গত বছরের মে মাসে তিনি কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

সোনিয়া আরও অভিযোগ করেন, মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় ফয়সালের পরিবার তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক বিষ খাইয়ে দেয়। পরে তাকে রাস্তায় ফেলে রাখা হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তাকে এসিড নিক্ষেপ ও গুমের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তার ভাইকেও পুলিশ দিয়ে আটক করানো হয়েছে।

‘১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মনগড়া গল্প’ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সোনিয়ার কথাবার্তায় কিছু অসংলগ্নতা ধরা পড়লে বিষয়টি ভিন্ন মোড় নেয়। এদিকে অভিযুক্ত ফয়সালের ভগ্নিপতি ব্যবসায়ী আইয়াজ উদ্দিন রিপন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে গণমাধ্যমকে জানান, এটি একটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সাজানো অভিযোগ।

তাদের দাবি, সোনিয়া প্রেমের ফাঁদে ফেলে ফয়সালের পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। টাকা না পেয়েই মানহানির উদ্দেশ্যে এই নাটক সাজানো হয়েছে এবং রাজনৈতিক নেতাদের নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তাদের কাছে টাকা দাবির ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।ধর্ষণ মামলা থেকে শুরু করে হত্যাচেষ্টার মামলা এবং সবশেষে সংবাদ সম্মেলনে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি বর্তমানে জেলাজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এখন পুলিশি তদন্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।

error: Content is protected !!