শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

জাতীয়তাবাদী চেতনার সাহসী সৈনিক: মোঃ শহিদুল ইসলাম রতন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫, ২:৫৬ পিএম | 515 বার পড়া হয়েছে
জাতীয়তাবাদী চেতনার সাহসী সৈনিক: মোঃ শহিদুল ইসলাম রতন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের কলাকোপা গ্রামে জন্ম নিয়েছিল এক ইতিহাস, আর সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় এখন রাজনীতির ময়দানে যে কজন নির্ভীক সৈনিক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি অবিচল আস্থা রেখেছেন—তাঁদের একজন হলেন উপজেলার নাড়ুয়ামালা ইউনিয়নের চাকলা গ্রামের সন্তান মোঃ শহিদুল ইসলাম রতন।

তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, গাবতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য, বৃহত্তম বগুড়া সমিতি ঢাকার কার্যনির্বাহী সদস্য, এবং দৈনিক পীরগাছা সংবাদ পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা। সমাজ, রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একাধিক দায়িত্ব পালন করে আসছেন এই নিবেদিতপ্রাণ নেতা।

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা আন্দোলনের মহানায়ক

জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একটি গর্বিত অধ্যায় ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা আন্দোলন। সেই আন্দোলনের সম্মুখ সারির একজন মহানায়ক ছিলেন মোঃ শহিদুল ইসলাম রতন। স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়ন সত্ত্বেও তিনি বারবার মাঠে ছিলেন, নেতৃত্বে ছিলেন, এবং বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েও পিছু হটেননি আদর্শ থেকে।

রাজনীতি ছাড়াও বহুমাত্রিক নেতৃত্ব

শুধু রাজনীতির ময়দানে নয়—সাংবাদিকতা, সামাজিক সেবা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির মাঠেও শহিদুল ইসলাম রতনের অবদান স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। তরুণ সমাজকে মাদক ও অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত করছেন। জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দলের মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণদের দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন নিরবচ্ছিন্নভাবে।

মানবিকতা যেখানে শিরোনাম

গরিব-অসহায় কাউকে রাস্তায় দেখলে নিজে গাড়ি থেকে নেমে তাদের পাশে বসেন, খোঁজ নেন, সাহায্যের হাত বাড়ান—এটাই মোঃ শহিদুল ইসলাম রতনের স্বভাব। তাই শুধু নেতাকর্মীরা নন, সাধারণ মানুষও তাঁর মানবিকতা ও আন্তরিকতায় আকৃষ্ট।

সবার আপনজন ও কর্মীদের প্রেরণার উৎস

সাংবাদিক সমাজ হোক, রাজনৈতিক কর্মসূচি হোক বা সামাজিক অনুষ্ঠান—প্রতিটি ক্ষেত্রেই শহিদুল ইসলাম রতনের উপস্থিতি অনিবার্য। তিনি নেতাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করেন, তাদের পাশে থাকেন, পথ দেখান। তাঁর নেতৃত্ব আজ একটি চেতনার নাম।

উপসংহার

উপজেলার নাড়ুয়ামালা ইউনিয়নের চাকলা গ্রামের এই গর্বিত সন্তান মোঃ শহিদুল ইসলাম রতন রাজনীতি, সমাজসেবা, সাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের এক উজ্জ্বল প্রতীক। জাতীয়তাবাদী চেতনার এই সৈনিক প্রমাণ করে দিয়েছেন—সত্যিকারের নেতৃত্ব আসে আদর্শ, ত্যাগ ও ভালোবাসা থেকে।

কর্নফুলী নদীতে ভাসমান লাইটার জাহাজ থেকে ৩৭ হাজার লিটার তেল জব্দ

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০১ পিএম
কর্নফুলী নদীতে ভাসমান লাইটার জাহাজ থেকে ৩৭ হাজার লিটার তেল জব্দ

সারাদেশে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে একটি লাইটার জাহাজ থেকে প্রায় ৩৭ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২ এপ্রিল(বৃহস্পতিবার) বিকেলে নগরীর সদরঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে অবস্থানরত ‘ওটি কোরবান আলী শাহ’ নামের একটি লাইটার জাহাজে অভিযান চালানো হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন কচির নেতৃত্বে এ অভিযানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা অংশ নেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, অভিযানে জাহাজটিতে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা মোট ৩৭ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। তেলগুলোর বৈধ কোনো কাগজপত্র বা ক্রয়াদেশ দেখাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন কচি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ডিপো থেকে তেল সংগ্রহ করে তা অবৈধভাবে মজুত করা হয়েছিল। এসব তেল পরে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, জব্দ করা তেলের উৎস ও এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে সরকার দেশব্যাপী অভিযান জোরদার করেছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, গত এক মাসে পরিচালিত অভিযানে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হওয়ায় অবৈধ মজুত ঠেকাতে সরকার নজরদারি বাড়িয়েছে।

২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৯ পিএম
২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’

বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি জোরদার, বহির্নোঙরে এলপিজি ও এলএনজি জাহাজ।

দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাচ্ছে। সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’ নামে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়েছে। একই সময়ে এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে আরও দুটি বড় জাহাজ বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছে।
৩ এপ্রিল(শুক্রবার) দুপুরে ডিজেলবাহী জাহাজটি জেটিতে ভেড়ানো হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর পর এটি চট্টগ্রাম বন্দরে ডিজেল নিয়ে আসা নবম জাহাজ।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চীনের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’ ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে পৌঁছেছে এবং তা ডলফিন জেটিতে ভেড়ানো হয়েছে। জাহাজটির কারিগরি ও আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের জন্য শুক্রবার দুপুর ২টায় বিপিসির কর্মকর্তারা বন্দরে উপস্থিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে সেগুলো থেকে জ্বালানি খালাসের কার্যক্রম শুরু হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, দেশে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ঘাটতি না রাখতে পাইপলাইনে থাকা তেল ও গ্যাসের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতেও বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মুন্সিগঞ্জ জেলা তৃণমূলে বিএনপি দলের শীর্ষে রাজনীতিবিদ নারী নেত্রীরা

মোঃ সুজন বেপারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৭ পিএম
মুন্সিগঞ্জ জেলা তৃণমূলে বিএনপি দলের শীর্ষে রাজনীতিবিদ নারী নেত্রীরা

মুন্সিগঞ্জ জেলা তৃণমূলে জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপি শীর্ষে রাজনীতিবিদ নারী নেত্রীরা মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয়।

তাঁরা হলেন , মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি মহিলা দলের সহ-সভাপতি মোসাঃ নাছিমা আক্তার সিমা ও জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোসাঃ বেগম রহিমা শিকদার ও মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য মোসাঃ পাপিয়া ইসলাম।

বিএনপি মহিলা দলের সহ-সভাপতি নারী নেত্রী নাছিমা আক্তার সিমা মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি ২০০৪ সাল থেকে ২০১৫ সাল পৌর প্রতিনিধিত্ব ছিলেন।

তৃণমূলে বিএনপি দলের শীর্ষে নারী নেত্রীরা বলেন, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ আমাদের মাঝে নেই। তাঁর রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম এবং দেশের প্রতি অবদান সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করছি, তিনি যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।

error: Content is protected !!