মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

দিলরুবা আক্তার পারভীন

হাসি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫, ১২:২৩ পিএম | 225 বার পড়া হয়েছে
হাসি

আপনারা কি সবাই মুখ গোমরা করে বসে থাকেন? নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রাখার জন্য অথবা নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে তুলে ধরার জন্য? তাহলে এই গোমরা মুখো ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষদের জন্য আমার এই পোস্ট। আসেন আজ হাসি নিয়ে কিছু কথা বলি।
আমার কাছে হাসি হচ্ছে একটি স্বর্গীয় ব্যাপার যা স্বর্গ থেকে এসে আমাদের প্রভাবিত করে। অবশ্যই এটা সম্পূর্ণ আমার নিজের মতামত। আমি নিজে প্রচুর হাসি। ।হাসতে ভালবাসি। মন খুলে ,প্রাণ খুলে শব্দ করে হো হো করে হাসি।আপনি কেন হাসবেন বা হাসির উপকারিতা কি?
হাসির কিন্তু অনেক উপকারিতা আছে যা বলে শেষ করা যাবে না। হাসি আমাদের মন ভালো করে দেয়। শারীরিক সুস্থতা এনে দেয়। হাসি হচ্ছে সংক্রমণের মত যা চতুর্দিকে ছড়িয়ে দেয় এরকম কয়েকটি উদাহরণ দেই।জাপানের একজন সাধক হুদে যে বৌদ্ধের বাণী প্রচার করতেন ,তার মূল শিক্ষা কিন্তু ছিল হাসি। তিনি মানুষকে হাসাবার জন্য মাঠে গিয়ে দাঁড়াতেন, বাজারে গিয়ে দাঁড়াতেন তারপর হাসি শুরু করে দিতেন। এভাবে তিনি হাসতে হাসতে গড়াগড়ি যেতেন। তার হাসিতে চতুর্দিকে প্রচুর লোক জড়ো হয়ে যেত ,তারপর তারাও হাসতে লেগে যেত। এভাবে মানুষের ডিপ্রেশন, আনন্দ এবং রোগ মুক্তি হতো। মানুষ হুদের জন্য‌ অপেক্ষা করে থাকতো কখন তিনি আসবেন। এইভাবে সে মানুষকে হাসির মাধ্যমে বিভিন্ন জটিল সমস্যা থেকে বের করে নিয়ে আসতেন। হাসি কিন্তু মানুষকে রোগ মুক্ত করতেও সাহায্য করে। অনেকেই হয়তো আমার এই কথাটা বিশ্বাস করবেন না। তবে এটা কিন্তু সত্যি এরকম ঘটনা পৃথিবীতে বহু ঘটেছে। আমেরিকার সানডে পত্রিকার সম্পাদক নরমেন কাজিজ মেরুদন্ডের প্রদাহে আক্রান্ত হন। ডাক্তাররা তার আশা ছেড়ে দেন। তিনি নিজেও নিরাশ হয়ে যান এবং ঔষধ খাওয়া বন্ধ করে দেন। যখন প্রচন্ড ব্যথা শুরু হতো তিনি তার প্রিয় হাসির নাটক সিনেমা দেখা শুরু করতেন। তারপর এক সময় তিনি খেয়াল করলেন যে ব্যথাটা আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। তিনি হাসির সুফল বুঝতে শুরু করলেন। যেই ব্যথা তার এক ঘন্টার ছিল সেই ব্যথাটাই আস্তে আস্তে 20 মিনিট কম মনে হচ্ছে এভাবেই সে সুস্থ হয়ে উঠলেন। এই নিরাময়ের উপর তার একটা বইও আছে। তিনি সেখানে হাসির উপর তার বক্তব্য তুলে ধরেছেন।Anatomy of an illness হচ্ছে তার লেখা একটি বই। যেখানে তিনি হাসি দিয়ে রোগ নিরাময় কথা তুলে ধরেন।বিশ্বের বিভিন্ন ডাক্তারগণ হাসি নিয়ে প্রচুর গবেষণা করছেন। কিভাবে হাসি দিয়ে রোগ নিরাময় করা সম্ভব। ডক্টর মোদি বলেন হাসি হচ্ছে একটা ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ। অট্টহাসি মানুষের ব্রেন এবং পেশী গুলির উঠানামায় সঞ্চালন করে। অনেক সময় আমরা বলি না হাসতে হাসতে পেট ব্যথা হয়ে গেল। এটা হচ্ছে সেই ধরনের হাসি। আবার সব হাসি কিন্তু উপকারী নয়। ডাক্তার মোদী বলেন তার এক বন্ধুর চিকিৎসার ধরন ছিল হাসি দিয়ে। তিনি এই হাসিকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন।
১-বিদ্রুপাত্মক হাসি
২-হাসির কথা শুনে হাসা।
৩-প্রাণ খোলা হাসি
সবচেয়ে বেশি কার্যকর হচ্ছে তিন নাম্বার হাসি। দুই নম্বর এবং তিন নম্বর হাসি সবচাইতে বেশি কার্যকর। আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন হাসি হচ্ছে সদগায়ে জারিয়া। আপনি কাউকে দেখে হাসলেন , হেসে কথা বললেন। এটা একটি পুণ্যের কাজ। আসেন সবাই আমরা মন, প্রাণ খুলে হাসি। নিজেদের শরীর মন সুস্থ রাখি।

এম. এস. আই শরীফ, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)

ভোলাহাটে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

এম. এস. আই শরীফ, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩২ পিএম
ভোলাহাটে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা মডেল মসজিদের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহিন মাহমুদ। সভায় অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কমিশনার (ভূমি) সানাউল মোর্শেদ, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ একরামুল হোসাইন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সুলতান আলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোছাঃ নাইমা তাবাসসুম শাহ, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আহরাম আলী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ, বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ সবুজ আলী, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ব্যবস্থাপক মোঃ মতিউর রহমান, জেকে পোলাডাঙ্গা নায়েক সুবেদার মোঃ আব্দুল হালিম, চাঁনশিকারী বিজিবি কোম্পানী কমান্ডার মোঃ ইদ্রিস আলী ও আনসার ভিডিপি অফিসার মোসাম্মদ নাদিরা খাতুনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।

এছাড়াও সভায় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ-আলহাজ্ব মোঃ পিয়ার জাহান, মোঃ ইয়াসিন আলী শাহ্, আলহাজ্ব মোঃ মোজাম্মেল হক চুটু, মোঃ আফাজ উদ্দিন পানু মিঞাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বর্তমান জ্বালানি তেলের সংকট, সরবরাহ পরিস্থিতি এবং এর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উপস্থিত কর্মকর্তারা সংকট মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ, বাজার মনিটরিং জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতি তার বক্তব্যে সকল দপ্তরকে সতর্ক থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান এবং জনগণের ভোগান্তি কমাতে আন্তরিকভাবে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

ঈদের ১০ দিন পর মিলল বরাদ্দের চাল

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৭:২২ পিএম
ঈদের ১০ দিন পর মিলল বরাদ্দের চাল

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নে ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে ভিজিএফের সাত বস্তা চাল উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর পার হওয়ার প্রায় ১০ দিন পর সোমবার দুপুরে চেউটিয়া এলাকায় অবস্থিত তাঁর অস্থায়ী কার্যালয় থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা এসব চাল উদ্ধার করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দুস্থ ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত এই চাল যথাসময়ে বিতরণ না করে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার জন্ম নেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খাজরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক বোরহান উদ্দিন এবং ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুর রশিদ বলেন, গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ চাল সাধারণ জনগণের মাঝে বিতরণ না করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজের কার্যালয়ে লুকিয়ে রেখেছিলেন, যা অনৈতিক ও দুঃখজনক।
অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাচ্চু দাবি করেন, বিতরণের সময় কিছু জটিলতার কারণে ২১ জন উপকারভোগীর জন্য বরাদ্দকৃত সাত বস্তা চাল সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অবগত ছিলেন।
তবে এ বিষয়ে তৎকালীন ইউএনও সাইদুজ্জামান হিমু তাঁর সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে বলেন, চাল সংরক্ষণ বা সরিয়ে রাখার বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের অবগত ছিলেন না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভিজিএফ (Vulnerable Group Feeding) কর্মসূচির আওতায় প্রতি বছর ঈদের আগে দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী ঈদের আগেই এই বিতরণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ১০ দিন পরও চাল চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ আরও বেড়েছে।
এ ঘটনায় প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আশাশুনি উপজেলায় বিপুল পরিমাণ পেট্রোল জব্দ

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৭:২১ পিএম
আশাশুনি উপজেলায় বিপুল পরিমাণ পেট্রোল জব্দ

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় অবৈধভাবে মজুদ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা বিপুল পরিমাণ পেট্রোল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া কালিবাড়ি বাজারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম ও মোঃ তাওহিদুল হাসান। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এরই প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী মারুফা খাতুনের দোকানের পেছনে কৌশলে লুকিয়ে রাখা চারটি ড্রামের মধ্যে আনুমানিক ৮০০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। মারুফা খাতুন বকচর গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমানের স্ত্রী।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, জব্দকৃত পেট্রোল পরবর্তীতে উপস্থিত মোটরসাইকেল চালকদের মাঝে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করা হয়। প্রতি পাঁচ লিটার পেট্রোল ৬০০ টাকা দরে বিতরণ করা হয়, যাতে সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি পেতে পারেন। বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদ ও বিক্রির অপরাধে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী মারুফা খাতুনকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারি অনেকাংশে কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্য দামে জ্বালানি কিনতে পারবে।

error: Content is protected !!