শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

মোঃ আব্দুল কাদের ইংরেজি বিভাগ তাড়াশ কলেজ, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ।

বহুমুখী যুদ্ধের মুখোমুখি ভারত: প্রতিবেশী বৈরিতায় পরিণতি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ মে, ২০২৫, ১২:০১ এএম | 593 বার পড়া হয়েছে
বহুমুখী যুদ্ধের মুখোমুখি ভারত: প্রতিবেশী বৈরিতায় পরিণতি

দক্ষিণ এশিয়া দীর্ঘদিন ধরেই ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে চিহ্নিত। এই অঞ্চলে বহু জাতিগোষ্ঠী, ধর্ম, ভাষা ও জাতীয়তাবাদের সহাবস্থান থাকলেও আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক বরাবরই দ্বিধান্বিত ও সংঘাতপূর্ণ। ভারত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র এবং আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে একসময় এর প্রতিবেশীদের ওপর পরোক্ষ কর্তৃত্ব ও প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন, কৌশলগত জোট পুনর্গঠন, অভ্যন্তরীণ সামাজিক মেরুকরণ এবং সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে ভারতের জন্য এক আশঙ্কাজনক বাস্তবতার সূচনা ঘটিয়েছে।
বর্তমানে ভারত এমন একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতির মুখোমুখি, যেখানে তার চারপাশের প্রায় সব প্রতিবেশী রাষ্ট্র—পাকিস্তান, চীন, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং মিয়ানমার—বিভিন্ন কারণে ভারতের প্রতি সন্দেহ ও অসন্তোষ পোষণ করছে। একারণে ভারত এক বহুমুখী যুদ্ধ বা “মাল্টি-ফ্রন্ট ওয়ার” এর আশঙ্কা এখন শুধু সামরিক জল্পনা নয়, বরং কৌশলগত বিশ্লেষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়বস্তু। এমন এক প্রেক্ষাপটে ভারতের পরিণতি কেমন হতে পারে, সেই বিষয়েই সম্প্রতি একটি গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। গবেষণাটিতে মূলত তিনটি সম্ভাব্য যুদ্ধ-দৃশ্যপট, তাদের প্রতিটি ক্ষেত্রের সম্ভাব্য কৌশলগত এবং মানবিক প্রভাব, এবং ভারতের প্রতিরক্ষা কাঠামোর দুর্বলতা তুলে ধরা হয়েছে।
প্রথমতঃ ধরা যাক একটি সীমিত যুদ্ধের সম্ভাবনা। এই ধরনের যুদ্ধ সাধারণত স্বল্পমেয়াদী হয় এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজা হয়। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা, অথবা বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে পানিবণ্টন ও সীমান্ত নির্ধারণ নিয়ে কোনো সংঘর্ষ যদি সাময়িক আকারে রূপ নেয়, তবে ভারত কিছু ভূখণ্ড বা কূটনৈতিক সুবিধা ছেড়ে দিয়ে রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে। তবে এমন সমঝোতা ভারতীয় জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা ডেকে আনতে পারে।
দ্বিতীয়তঃ দৃশ্যপটটি আরও উদ্বেগজনক। এটি হলো একটি প্রলম্বিত যুদ্ধ বা পূর্ণাঙ্গ সামরিক সংঘর্ষের রূপ। যদি চীন এবং পাকিস্তান একযোগে সামরিক অভিযান চালায়, এবং সেই সঙ্গে বাংলাদেশ, নেপাল কিংবা মিয়ানমার কৌশলগতভাবে ভারতের বিপক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলে ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সামরিক সক্ষমতা, যেটি বহুবিধ প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সরঞ্জামের উপর নির্ভরশীল, চরম পরীক্ষার মুখোমুখি হবে। অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ, সংখ্যালঘু নিপীড়নের অভিযোগ, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং রাজনৈতিক দ্বিধা—সব মিলিয়ে ভারতের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাও নষ্ট হতে পারে।
তৃতীয়তঃ সবচেয়ে ভয়াবহ দৃশ্যপটটি হলো পারমাণবিক সংঘর্ষের সম্ভাবনা। ভারত, পাকিস্তান এবং চীন—তিনটি দেশই পারমাণবিক শক্তিধর। যদি যুদ্ধ এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছায় যেখানে কৌশলগত অথবা আত্মরক্ষার দোহাই দিয়ে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়, তবে তা কেবল এই তিনটি দেশের জন্য নয়, বরং পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি, ব্যাপক পরিবেশগত ধ্বংস, অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও জ্বালানি সংকট—সবই এই এক মাত্র যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিণতি হতে পারে।
প্রশ্ন উঠতে পারে, ভারত কেন এমন এক দুর্বল অবস্থানে এসে দাঁড়াল? এর উত্তর খুঁজতে গেলে তিনটি স্তর উঠে আসে: কৌশলগত, প্রতিরক্ষা এবং সামাজিক। কৌশলগতভাবে ভারত তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আস্থা ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। একদিকে যেমন চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) অঞ্চলজুড়ে প্রভাব বিস্তার করছে, অন্যদিকে ভারত একা একা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চেষ্টা করছে। নেপাল ও বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা, মিয়ানমারের সঙ্গে নিরাপত্তা বিভ্রান্তি, এবং শ্রীলঙ্কায় চীনের বিনিয়োগ—সবই ভারতের আঞ্চলিক আধিপত্য প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
প্রতিরক্ষা কাঠামোর দিক থেকেও ভারত বহু ফ্রন্টে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। যদিও ভারতের সামরিক বাহিনী বিশাল, তবু আধুনিকায়ন, প্রযুক্তিগত সমন্বয়, এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা শিল্প এখনও অনেকাংশে বিদেশ নির্ভর।
সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো সামাজিক ঐক্যের অভাব। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধর্মীয় মেরুকরণ, রাজনৈতিক মেরুকরণ, সংবাদমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠতার অভাব এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য ভারতের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। যুদ্ধের সময় এই ভাঙন আরও প্রকট হতে পারে এবং জাতীয় ঐক্য বিঘ্নিত হতে পারে।
এই ভাবনার আলোকে বলা যায়, ভারত যদি সময় থাকতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠন না করে, তার প্রতিরক্ষা কাঠামোকে আধুনিক ও কার্যকর না করে এবং জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী না করে, তবে সামনে একটি চরম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে হবে। এমনকি ভারতের দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় স্বার্থ বিপন্ন হয়ে পড়তে পারে।
অতএব, ভারতের উচিত এখনই চারটি ক্ষেত্রে পদক্ষেপ গ্রহণ করা: প্রথমত, প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিশ্বাসভিত্তিক কূটনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা; দ্বিতীয়ত, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর ও দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলা; তৃতীয়ত, অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা; এবং চতুর্থত, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের দিকে দৃঢ় অগ্রসর হওয়া।
বিশ্ব ইতিহাসে বহু শক্তিধর রাষ্ট্রের পতনের পেছনে মূল কারণ ছিল তাদের অভ্যন্তরীণ অদূরদর্শিতা ও বহির্বিশ্বের বাস্তবতা অনুধাবনের ব্যর্থতা। ভারত যদি এই দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে চিন্তা না করে, তবে তার পরিণতিও অতীতে ঘটিত সেইসব পরাশক্তির মতোই হতে পারে।
বিশ্ব এখন এমন এক সময়ে আছে যেখানে যুদ্ধ নয়, কৌশলগত সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক পারস্পরিকতা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। ভারতের মতো একটি রাষ্ট্রের উচিত এই নীতিবোধ সামনে রেখে তার জাতীয় নীতিমালা পুনর্গঠন করা।

পীরগঞ্জে আকস্মিক বৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট

মো. আরফান আলী : প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
পীরগঞ্জে আকস্মিক বৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট

ঠাকূরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় ১২ ও ১৩ মার্চ রাত্রে টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে কৃষকের স্বপ্ন ভেসে গেছে পানিতে। মাঠজুড়ে সবুজ ফসল এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষকের পরিশ্রম ও আশা মুহূর্তেই ক্ষতির মুখে পড়েছে। ভারাক্রান্ত কৃষক কোন কূল কিনারা না পেয়ে হতাশ, জীবন ধারণের সম্বল টুকু হারিয়ে নিঃস্ব ক্ষুদ্র কৃষকগণ। তিমটি ফসল গম, ভূট্রা আলু বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

প্রাকৃতিক এই দূর্যোগে কৃষকের ক্ষতি অপূরণীয় হলেও সবাই আশা করছেন দ্রুত পানি নেমে যাবে এবং আবার নোতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে কৃষকের জীবন ও কৃষি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে কোন দূর্যোগ পূর্বাভাস প্রদান করা হয় নি। পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা প্রণয়ন করে প্রণোদনা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন নির্বাহী পরিচালক কবি ও সাংবাদিক জানান, সরকার চাইলে প্রাকৃতিক দূর্যোগের জন্য কৃষি বীমা চালু করেলে কিছুটা ক্ষুদ্র কৃষকের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে।

উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ঠ জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ঠ জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর

উখিয়া উপজেলা রাজাপালং ইউনিয়নের

চারবারের নির্বাচিত সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহকামাল চৌধুরী জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর। ১৯৫৬ সালে রাজাপালং ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে জন্ম এই ক্ষণজন্মা সাহসী মানবিক ন্যায়বিচারকের। পিতা প্রয়াত আবুল কাশেম চৌধুরী রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন পিতার মৃত্যুপর তারই আপন সহোদর উখিয়া টেকনাফের রাজনৈতিক ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি ৫ বারে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী
রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তী শাহজাহান চৌধুরী জাতীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে যায় উখিয়া টেকনাফ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
বড় ভাইয়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতি ও সমাজ সেবায় যুক্ত হন শাহকামাল চৌধুরী। ১৯৯০ ইংরেজিতে
বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি প্রথমবারে মতো রাজাপালং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এর পর থেকে আর থেমে থাকেনি রাজাপালং এর রাজপুত্র শাহকামাল চৌধুরী
মানুষের প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে গিয়ে
একে,একে ৪ বার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।
১৯৯০,১৯৯৪,১৯৯৯,২০০৪ একটানা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উখিয়া উপজেলা জেলা তথা কক্সবাজার জেলায় চমক লাগিয়ে দেন এই ক্ষণজন্মা মানবসেবক শিক্ষাবিদ শাহকামাল চৌধুরী। তিনি একাধারে ৩/৪ বার উখিয়া উপজেলা বি এন পির নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন জাতীয়তাবাদীর রাজনৈতিক অঙ্গনের তার ভূমিকা ছিলো অগ্রগণ্য ও দৃষ্টিনন্দন।
মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা ছিলো তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
তার শাসন আমলে ছিলোনা রাজাপালং ইউনিয়নের দুর্নীতির লেশমাত্র অবিসংবাদিত এই জননেতা
নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে দলের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আপোষহীন এই নেতার ভুমিকা ছিলো অগ্রগণ্য ও চোখে পড়ার মতো
রাজনৈতিক আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে রাজপথে হাজার জনতার মিছিলে সামনের সারিতে থাকতেন বিদ্যুৎসাহী এই নেতা।
একদিন স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে হাজার জনতার কাতারে মিছিলে অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে গিয়ে স্বৈরশাসকের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীর কিরিচের আঘাতে প্রায় দ্বিখন্ডিত হয়ে গিয়েছিল শাহকামাল চৌধুরী সাবলীল হাত!
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে লড়তে তিনি আল্লাহ অশেষ মহিমায় বেঁচে যান তার মতো দলের জন্য এতোবড় ত্যাগ উখিয়াতে উচ্চপদস্থ আর কোন বিএনপি নেতার আছে বলে আমার জানানেই।
নিজের কর্মদক্ষতায় তিনি নিজে ছাড়িয়ে গেছেন উখিয়ার সমাজসেবা অঙ্গনে শ্রেষ্ঠ হয়ে ওঠেন দ্রুত সময়ের মধ্যে । ১৯৯৩ সালে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। সরকার পুরুষ্কার হিসেবে স্বর্ণপদক প্রদান করেন শাহকামাল চৌধুরীকে। তারই সুবাদে রাষ্ট্রীয় খরচে তিনি হংকং, ফিলিপাইন, ব্যাংকক সফর করেন।
২০০৪ সালে সমাজ সেবায় উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য
“সমাজ সেবা ফেডারেশন ” কতৃক “মাদার তেরেসা “পুরুষ্কারে ভূষিত হন।
এই ছাড়াও তিনি সঠিক ভাবে জন্ম নিবন্ধ প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে পারায় কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
বহুগুণে গুনান্বিত এই সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ তার একান্ত প্রচেষ্টায় ১৯৯৩ সালে আবুল কাশেম নুরজাহান চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন
যেটি আজ উখিয়া উপজেলার গন্ডি পেরিয়ে সারা বাংলাদেশে পরিচিত অর্জন করেছে বিভিন্ন ক্ষেত্র।
এছাড়াও তিনি রাজাপালং ইউনিয়নের হরিমারায় ” মোহসিন আলী রেজিস্ট্রার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ল ও প্রতিষ্ঠা করেন।
জীবন অন্তিম মুহূর্তে এই ক্ষণজন্মা সাহসী ও মানবিক চেয়ারম্যান বর্তমানে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন ইচ্ছে আর ছুটে যেতে পারেনা মানবসেবায় তাই তিনি পরিচিতজন দেখলে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে থাকেন আর আফসোস করেন আল্লাহ তুমি আমাকে এমন কেন করেদিলে আমাকে আবার সুস্থ করে দাও মানুষকে আরও একবার সেবা করার সুযোগ দাও এই শব্দ গুলো মনে মনে বলতে বলতে চোখের পানিতে বুকভিজেয়ে পেলেন।
এই বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মানুষ শাহকামাল চৌধুরীর যথাযথ মুল্যায়ন করা এখন লক্ষপ্রাণের দাবি। রাষ্ট্রীয় কত বড় বড় দিবস পালন করা হয় হৈচৈ করে অথচ এই ক্ষণজন্মা মানবসেকদের একটু সম্মান দেওয়ার জন্য কেউ ডাকেনা। এটা কি অবহেলা নাকি প্রশাসনের ইচ্ছেকৃত গাফিলতি নাকি অদূরদর্শীতা দুর্দান্ত পরিচয়
একজন জাতীর বিবেক হিসেবে প্রশ্ন রেখে গেলাম।

ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এফডিইবি)ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

মোঃ সুমন মিয়া :স্টাফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এফডিইবি)ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এফডিইবি)ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,,,
জনাব আব্দুল করিম
প্রধান উপদেষ্টা, এফডিইবি ময়মনসিংহ জেলা।
বিশেষ অতিথিঃ
১. ইন্জিঃ দেলোয়ার হোসেন সাঈদি, সভাপতি, এফডিইবি, ময়মনসিংহ মহানগর।
2. জনাব, ছাইফ উল্লাহ পাঠান ফজলু, উপদেষ্টা, ভালুকা উপজেলা শাখা।

ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এ মাস মানুষের মধ্যে ধৈর্য, সহমর্মিতা ও মানবিকতা জাগ্রত করে। রোজা মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং অন্যের কষ্ট ও দুঃখ উপলব্ধি করতে শেখায়। তাই রমজানের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে সমাজে ন্যায়-নীতি, সততা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানান বক্তারা।
এই শাখার উদ্যোগে “মাহে রমজানের মহিমা ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল” অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকাল ৫টায় ময়মনসিংহের ভালুকায় অবস্থিত হোটেল সেভেন ইস্টারে।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের মাস। এই মাস আমাদেরকে সংযম, ত্যাগ ও ধৈর্যের শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারলে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি ইসলামী আদর্শের আলোকে সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এ সময় বক্তারা বলেন, রমজান মানুষকে আল্লাহভীতি ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাসে কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করতে হব।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও মুসল্লিদের সম্মানে ইফতার পরিবেশন করা হয়।

error: Content is protected !!