শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

হোয়াইক্যংয়ে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৪ পিএম | 53 বার পড়া হয়েছে
হোয়াইক্যংয়ে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ১নং হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২০২৬ সালের ভিজিএফ (VGF) কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব ইমামুল হাফেজ নাদিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব হাসান সিদ্দিকী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জনাব হাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান, সদস্য ও সদস্যাগণ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সরকারের এই ভিজিএফ কর্মসূচি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য একটি মানবিক সহায়তা। এই চাল বিতরণের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো ঈদের আনন্দ কিছুটা হলেও উপভোগ করতে পারবেন।

এ সময় বক্তারা সকলের সহযোগিতায় সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং ইউনিয়নবাসীর সার্বিক কল্যাণ, সুখ-সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন।

উল্লেখ্য, ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে পর্যায়ক্রমে চাল বিতরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১০ পিএম
ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রঙ্গন মিউজিক নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরা, মিরপুর ও আগারগাঁওয়ের বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির চিত্রধারণ সম্পন্ন হয়েছে।
নাটকটির গল্প আবর্তিত হয়েছে নাগরিক জীবনের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ষাটোর্ধ্ব হায়াত সাহেব, যিনি সারা জীবন মফস্বলে চাকরি করে একমাত্র ছেলেকে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর অসুস্থ হায়াত সাহেব চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছেলের বাসায় আসেন।
শুরুতে আনন্দ থাকলেও শহরের ব্যস্ততা আর বাস্তবতার চাপে বাবা-ছেলের সম্পর্কের মাঝে তৈরি হয় নানা তিক্ততা ও মানসিক দূরত্ব। নিদারুণ বাস্তবতায় বাবা ও সন্তানের চিরায়ত সম্পর্কের দেওয়ালে ঘেরা এক আবেগঘন কাহিনি ফুটে উঠবে এই নাটকে।
পরিচালক সুব্রত মিত্র বলেন, এটি পারিবারিক গল্পের নাটক। বাবা আর সন্তানের সম্পর্কের গল্পের নাটক। তাদের সাধ অনেক কিন্তু সাধ্যটা সীমিত। ছেলের ইচ্ছা করে বাবার জন্য জীবনের পুরোটা দিয়ে দিতে, কিন্তু বাস্তবতা তাকে দাঁড় করায় ভিন্ন এক দেয়ালের সামনে।
নাটকটিতে হায়াত সাহেবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল, এস এম আশরাফুল আলম সোহাগ, রেশমা আহমেদ, আজম খান, ইফতেখার পলাশ ও শিশুশিল্পী ইব্রাহিমসহ আরও অনেকে।
মো. জামাল হোসেনের প্রযোজনায় নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন সুমন হোসেন এবং আবহসংগীত করেছেন প্রত্যয় খান। নাটকটি ‘রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হবে।

ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:০৯ পিএম
ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের নিয়ে চলা ট্রল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ওপার বাংলার নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। এমন সম্মানহানি ঠেকাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও কঠোর আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে শ্রাবন্তী জানান, বাকস্বাধীনতা মানেই যা খুশি বলা নয়। মানুষের ভেতরের হতাশা এভাবে প্রকাশ করা কাম্য নয়। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের একটা সীমা থাকা উচিত। আমি অনেক উপেক্ষা করেছি, কিন্তু এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি নারীরাই অন্য নারীকে অসম্মান করছেন।
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের নিয়ে তৈরি কুরুচিপূর্ণ ভিডিওর প্রসঙ্গও টানেন অভিনেত্রী। জানান, এসব কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
অভিনেত্রী মনে করেন, সামাজিকমাধ্যমে যারা নাম পরিচয় লুকিয়ে বা প্রকাশ্যেই গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য করেন, তাদের সতর্ক করতে কঠোর আইন প্রয়োজন। বলেন, শুধু নারী নয়, পুরুষরাও এখানে অপমানিত হচ্ছেন। তবে নারীদের বেশি লক্ষ্যবস্তু করা দীর্ঘদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এই অসভ্যতা বন্ধ হওয়া জরুরি।
অনলাইনে এত নেতিবাচকতা সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যম ছেড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নন শ্রাবন্তী। তার মতে, সেখানে তাকে ভালোবাসার মানুষের সংখ্যাও অনেক। এছাড়া বর্তমান ডিজিটাল যুগে পেশাগত কারণেই সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

error: Content is protected !!