শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

স্বামী-স্ত্রী উভয় পরিবারের সাথে সম্পর্ক তৈরি হয়

স্বামী এবং বয়ফ্রেন্ডের মধ্যে পার্থক্য কি?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ২:০৭ এএম | 221 বার পড়া হয়েছে
স্বামী এবং বয়ফ্রেন্ডের মধ্যে পার্থক্য কি?

Khadija Akter Rowja 

আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকে বলছি কতটা প্রাধান্য পাবে আমার জানা নেই ! তবে স্বামী এবং বয়ফ্রেন্ডের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে, যা আইনি, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্পষ্ট। স্বামী: বিবাহ একটি আইনি চুক্তি, যা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আইনি অধিকার এবং দায়িত্ব তৈরি করে। এটি সম্পত্তির অধিকার, উত্তরাধিকার এবং অন্যান্য আইনি বিষয় গুলোর সাথে জড়িত। বয়ফ্রেন্ড: বয়ফ্রেন্ডের সাথে সম্পর্ক আইনি ভাবে স্বীকৃত নয়। তাই, এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো আইনি অধিকার বা দায়িত্ব থাকে না। স্বামী: সমাজে বিবাহিত সম্পর্কের একটি বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। এটি সামাজিক ও পারিবারিকভাবে স্বীকৃত। বয়ফ্রেন্ড: বয়ফ্রেন্ডের সম্পর্ক সাধারণত ব্যক্তিগত এবং এটি সমাজে সেভাবে স্বীকৃত নয়। স্বামী: বিবাহ একটি দীর্ঘ মেয়াদী প্রতিশ্রুতি, যেখানে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের প্রতি দায়বদ্ধ থাকেন। এটি অর্থনৈতিক, মানসিক এবং শারীরিক সহায়তার সাথে জড়িত।বয়ফ্রেন্ড: বয়ফ্রেন্ডের সম্পর্ক তুলনামূলকভাবে কম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এটি যেকোনো সময় শেষ হতে পারে। স্বামী: বিবাহিত জীবনে স্বামী-স্ত্রী সাধারণত এক সাথে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করেন, যার মধ্যে সন্তানধারণ, বাড়ি কেনা এবং অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে। বয়ফ্রেন্ড: বয়ফ্রেন্ডের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাধারণত কম থাকে এবং এটি বর্তমানের উপর বেশি গুরুত্ব দেয়। স্বামী: বিবাহের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী উভয় পরিবারের সাথে সম্পর্ক তৈরি হয়।বয়ফ্রেন্ড: বয়ফ্রেন্ডের সম্পর্ক সাধারণত শুধু দুজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, এখানে দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।সংক্ষেপে, স্বামী এবং বয়ফ্রেন্ডের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো আইনি, সামাজিক এবং প্রতিশ্রুতি বদ্ধতার ক্ষেত্রে।

পীরগঞ্জে আকস্মিক বৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট

মো. আরফান আলী : প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
পীরগঞ্জে আকস্মিক বৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট

ঠাকূরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় ১২ ও ১৩ মার্চ রাত্রে টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে কৃষকের স্বপ্ন ভেসে গেছে পানিতে। মাঠজুড়ে সবুজ ফসল এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষকের পরিশ্রম ও আশা মুহূর্তেই ক্ষতির মুখে পড়েছে। ভারাক্রান্ত কৃষক কোন কূল কিনারা না পেয়ে হতাশ, জীবন ধারণের সম্বল টুকু হারিয়ে নিঃস্ব ক্ষুদ্র কৃষকগণ। তিমটি ফসল গম, ভূট্রা আলু বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

প্রাকৃতিক এই দূর্যোগে কৃষকের ক্ষতি অপূরণীয় হলেও সবাই আশা করছেন দ্রুত পানি নেমে যাবে এবং আবার নোতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে কৃষকের জীবন ও কৃষি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে কোন দূর্যোগ পূর্বাভাস প্রদান করা হয় নি। পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা প্রণয়ন করে প্রণোদনা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন নির্বাহী পরিচালক কবি ও সাংবাদিক জানান, সরকার চাইলে প্রাকৃতিক দূর্যোগের জন্য কৃষি বীমা চালু করেলে কিছুটা ক্ষুদ্র কৃষকের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে।

উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ঠ জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ঠ জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর

উখিয়া উপজেলা রাজাপালং ইউনিয়নের

চারবারের নির্বাচিত সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহকামাল চৌধুরী জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর। ১৯৫৬ সালে রাজাপালং ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে জন্ম এই ক্ষণজন্মা সাহসী মানবিক ন্যায়বিচারকের। পিতা প্রয়াত আবুল কাশেম চৌধুরী রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন পিতার মৃত্যুপর তারই আপন সহোদর উখিয়া টেকনাফের রাজনৈতিক ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি ৫ বারে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী
রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তী শাহজাহান চৌধুরী জাতীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে যায় উখিয়া টেকনাফ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
বড় ভাইয়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতি ও সমাজ সেবায় যুক্ত হন শাহকামাল চৌধুরী। ১৯৯০ ইংরেজিতে
বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি প্রথমবারে মতো রাজাপালং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এর পর থেকে আর থেমে থাকেনি রাজাপালং এর রাজপুত্র শাহকামাল চৌধুরী
মানুষের প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে গিয়ে
একে,একে ৪ বার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।
১৯৯০,১৯৯৪,১৯৯৯,২০০৪ একটানা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উখিয়া উপজেলা জেলা তথা কক্সবাজার জেলায় চমক লাগিয়ে দেন এই ক্ষণজন্মা মানবসেবক শিক্ষাবিদ শাহকামাল চৌধুরী। তিনি একাধারে ৩/৪ বার উখিয়া উপজেলা বি এন পির নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন জাতীয়তাবাদীর রাজনৈতিক অঙ্গনের তার ভূমিকা ছিলো অগ্রগণ্য ও দৃষ্টিনন্দন।
মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা ছিলো তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
তার শাসন আমলে ছিলোনা রাজাপালং ইউনিয়নের দুর্নীতির লেশমাত্র অবিসংবাদিত এই জননেতা
নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে দলের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আপোষহীন এই নেতার ভুমিকা ছিলো অগ্রগণ্য ও চোখে পড়ার মতো
রাজনৈতিক আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে রাজপথে হাজার জনতার মিছিলে সামনের সারিতে থাকতেন বিদ্যুৎসাহী এই নেতা।
একদিন স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে হাজার জনতার কাতারে মিছিলে অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে গিয়ে স্বৈরশাসকের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীর কিরিচের আঘাতে প্রায় দ্বিখন্ডিত হয়ে গিয়েছিল শাহকামাল চৌধুরী সাবলীল হাত!
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে লড়তে তিনি আল্লাহ অশেষ মহিমায় বেঁচে যান তার মতো দলের জন্য এতোবড় ত্যাগ উখিয়াতে উচ্চপদস্থ আর কোন বিএনপি নেতার আছে বলে আমার জানানেই।
নিজের কর্মদক্ষতায় তিনি নিজে ছাড়িয়ে গেছেন উখিয়ার সমাজসেবা অঙ্গনে শ্রেষ্ঠ হয়ে ওঠেন দ্রুত সময়ের মধ্যে । ১৯৯৩ সালে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। সরকার পুরুষ্কার হিসেবে স্বর্ণপদক প্রদান করেন শাহকামাল চৌধুরীকে। তারই সুবাদে রাষ্ট্রীয় খরচে তিনি হংকং, ফিলিপাইন, ব্যাংকক সফর করেন।
২০০৪ সালে সমাজ সেবায় উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য
“সমাজ সেবা ফেডারেশন ” কতৃক “মাদার তেরেসা “পুরুষ্কারে ভূষিত হন।
এই ছাড়াও তিনি সঠিক ভাবে জন্ম নিবন্ধ প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে পারায় কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
বহুগুণে গুনান্বিত এই সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ তার একান্ত প্রচেষ্টায় ১৯৯৩ সালে আবুল কাশেম নুরজাহান চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন
যেটি আজ উখিয়া উপজেলার গন্ডি পেরিয়ে সারা বাংলাদেশে পরিচিত অর্জন করেছে বিভিন্ন ক্ষেত্র।
এছাড়াও তিনি রাজাপালং ইউনিয়নের হরিমারায় ” মোহসিন আলী রেজিস্ট্রার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ল ও প্রতিষ্ঠা করেন।
জীবন অন্তিম মুহূর্তে এই ক্ষণজন্মা সাহসী ও মানবিক চেয়ারম্যান বর্তমানে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন ইচ্ছে আর ছুটে যেতে পারেনা মানবসেবায় তাই তিনি পরিচিতজন দেখলে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে থাকেন আর আফসোস করেন আল্লাহ তুমি আমাকে এমন কেন করেদিলে আমাকে আবার সুস্থ করে দাও মানুষকে আরও একবার সেবা করার সুযোগ দাও এই শব্দ গুলো মনে মনে বলতে বলতে চোখের পানিতে বুকভিজেয়ে পেলেন।
এই বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মানুষ শাহকামাল চৌধুরীর যথাযথ মুল্যায়ন করা এখন লক্ষপ্রাণের দাবি। রাষ্ট্রীয় কত বড় বড় দিবস পালন করা হয় হৈচৈ করে অথচ এই ক্ষণজন্মা মানবসেকদের একটু সম্মান দেওয়ার জন্য কেউ ডাকেনা। এটা কি অবহেলা নাকি প্রশাসনের ইচ্ছেকৃত গাফিলতি নাকি অদূরদর্শীতা দুর্দান্ত পরিচয়
একজন জাতীর বিবেক হিসেবে প্রশ্ন রেখে গেলাম।

ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এফডিইবি)ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

মোঃ সুমন মিয়া :স্টাফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এফডিইবি)ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এফডিইবি)ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,,,
জনাব আব্দুল করিম
প্রধান উপদেষ্টা, এফডিইবি ময়মনসিংহ জেলা।
বিশেষ অতিথিঃ
১. ইন্জিঃ দেলোয়ার হোসেন সাঈদি, সভাপতি, এফডিইবি, ময়মনসিংহ মহানগর।
2. জনাব, ছাইফ উল্লাহ পাঠান ফজলু, উপদেষ্টা, ভালুকা উপজেলা শাখা।

ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এ মাস মানুষের মধ্যে ধৈর্য, সহমর্মিতা ও মানবিকতা জাগ্রত করে। রোজা মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং অন্যের কষ্ট ও দুঃখ উপলব্ধি করতে শেখায়। তাই রমজানের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে সমাজে ন্যায়-নীতি, সততা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানান বক্তারা।
এই শাখার উদ্যোগে “মাহে রমজানের মহিমা ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল” অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকাল ৫টায় ময়মনসিংহের ভালুকায় অবস্থিত হোটেল সেভেন ইস্টারে।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের মাস। এই মাস আমাদেরকে সংযম, ত্যাগ ও ধৈর্যের শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারলে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি ইসলামী আদর্শের আলোকে সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এ সময় বক্তারা বলেন, রমজান মানুষকে আল্লাহভীতি ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাসে কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করতে হব।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও মুসল্লিদের সম্মানে ইফতার পরিবেশন করা হয়।

error: Content is protected !!