শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার

মুক্তিযোদ্ধাদের ভুলে গেলে জাতি তার অস্তিত্বকেই ভুলে যাবে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫, ১:৪৪ এএম | 98 বার পড়া হয়েছে
মুক্তিযোদ্ধাদের ভুলে গেলে জাতি তার অস্তিত্বকেই ভুলে যাবে

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ভুলে গেলে জাতি তার অস্তিত্বকেই ভুলে যাবে। জাতির সূর্যসন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের এক-দু’দিন সংবর্ধিত করা হলেও, বছরের প্রতিদিনই তারা প্রতিটি বাংলাদেশির স্মৃতিপটে থাকেন। বুকের তাজা রক্ত দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাগণ স্বাধীনতা এনেছে বলেই দেশ আজ এগিয়ে যেতে পারছে, দেশের জনগণ নিজ সম্ভাবনার সফল বাস্তবায়ন করতে পারছে।

আজ ২৬ মার্চ, সকাল ১১টায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৫ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যগণের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নগরীর এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি বলেন, সমগ্র সৃষ্টিকূলের মাঝে একমাত্র মানুষের মাঝেই স্বাধীনতাবোধ রয়েছে। আর বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতাবোধের যে দৃষ্টান্ত, তা পৃথিবীতে বিরল। একমাত্র বাঙালি জাতিই মাতৃভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে। আর তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ঘটে স্বাধীনতাপ্রাপ্তি। মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে রয়েছে সমস্ত জাতি। তাঁদের প্রতি জাতির নিরন্তর শ্রদ্ধা, ভালবাসা। আর যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাগণ স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সে স্বপ্নের পথেই এগিয়ে চলেছে দেশ।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আবু বকর সিদ্দিক, পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান; বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি, জুলাই-আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে শহীদ মাহিন ও শহীদ সাগরের পিতা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের মাঝে সংবর্ধনাস্বরূপ ফুলেল শুভেচ্ছা তুলে দেওয়া হয়। এরপর সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, জেলার বিভিন্ন স্তরের জনগণসহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ঠ জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
উখিয়ার শাহকামাল চৌধুরী শ্রেষ্ঠ জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর

উখিয়া উপজেলা রাজাপালং ইউনিয়নের

চারবারের নির্বাচিত সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহকামাল চৌধুরী জনসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তর। ১৯৫৬ সালে রাজাপালং ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে জন্ম এই ক্ষণজন্মা সাহসী মানবিক ন্যায়বিচারকের। পিতা প্রয়াত আবুল কাশেম চৌধুরী রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন পিতার মৃত্যুপর তারই আপন সহোদর উখিয়া টেকনাফের রাজনৈতিক ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি ৫ বারে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী
রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তী শাহজাহান চৌধুরী জাতীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে যায় উখিয়া টেকনাফ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
বড় ভাইয়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতি ও সমাজ সেবায় যুক্ত হন শাহকামাল চৌধুরী। ১৯৯০ ইংরেজিতে
বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি প্রথমবারে মতো রাজাপালং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এর পর থেকে আর থেমে থাকেনি রাজাপালং এর রাজপুত্র শাহকামাল চৌধুরী
মানুষের প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে গিয়ে
একে,একে ৪ বার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।
১৯৯০,১৯৯৪,১৯৯৯,২০০৪ একটানা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উখিয়া উপজেলা জেলা তথা কক্সবাজার জেলায় চমক লাগিয়ে দেন এই ক্ষণজন্মা মানবসেবক শিক্ষাবিদ শাহকামাল চৌধুরী। তিনি একাধারে ৩/৪ বার উখিয়া উপজেলা বি এন পির নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন জাতীয়তাবাদীর রাজনৈতিক অঙ্গনের তার ভূমিকা ছিলো অগ্রগণ্য ও দৃষ্টিনন্দন।
মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা ছিলো তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
তার শাসন আমলে ছিলোনা রাজাপালং ইউনিয়নের দুর্নীতির লেশমাত্র অবিসংবাদিত এই জননেতা
নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে দলের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আপোষহীন এই নেতার ভুমিকা ছিলো অগ্রগণ্য ও চোখে পড়ার মতো
রাজনৈতিক আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে রাজপথে হাজার জনতার মিছিলে সামনের সারিতে থাকতেন বিদ্যুৎসাহী এই নেতা।
একদিন স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে হাজার জনতার কাতারে মিছিলে অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে গিয়ে স্বৈরশাসকের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীর কিরিচের আঘাতে প্রায় দ্বিখন্ডিত হয়ে গিয়েছিল শাহকামাল চৌধুরী সাবলীল হাত!
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে লড়তে তিনি আল্লাহ অশেষ মহিমায় বেঁচে যান তার মতো দলের জন্য এতোবড় ত্যাগ উখিয়াতে উচ্চপদস্থ আর কোন বিএনপি নেতার আছে বলে আমার জানানেই।
নিজের কর্মদক্ষতায় তিনি নিজে ছাড়িয়ে গেছেন উখিয়ার সমাজসেবা অঙ্গনে শ্রেষ্ঠ হয়ে ওঠেন দ্রুত সময়ের মধ্যে । ১৯৯৩ সালে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। সরকার পুরুষ্কার হিসেবে স্বর্ণপদক প্রদান করেন শাহকামাল চৌধুরীকে। তারই সুবাদে রাষ্ট্রীয় খরচে তিনি হংকং, ফিলিপাইন, ব্যাংকক সফর করেন।
২০০৪ সালে সমাজ সেবায় উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য
“সমাজ সেবা ফেডারেশন ” কতৃক “মাদার তেরেসা “পুরুষ্কারে ভূষিত হন।
এই ছাড়াও তিনি সঠিক ভাবে জন্ম নিবন্ধ প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে পারায় কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
বহুগুণে গুনান্বিত এই সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ তার একান্ত প্রচেষ্টায় ১৯৯৩ সালে আবুল কাশেম নুরজাহান চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন
যেটি আজ উখিয়া উপজেলার গন্ডি পেরিয়ে সারা বাংলাদেশে পরিচিত অর্জন করেছে বিভিন্ন ক্ষেত্র।
এছাড়াও তিনি রাজাপালং ইউনিয়নের হরিমারায় ” মোহসিন আলী রেজিস্ট্রার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ল ও প্রতিষ্ঠা করেন।
জীবন অন্তিম মুহূর্তে এই ক্ষণজন্মা সাহসী ও মানবিক চেয়ারম্যান বর্তমানে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন ইচ্ছে আর ছুটে যেতে পারেনা মানবসেবায় তাই তিনি পরিচিতজন দেখলে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে থাকেন আর আফসোস করেন আল্লাহ তুমি আমাকে এমন কেন করেদিলে আমাকে আবার সুস্থ করে দাও মানুষকে আরও একবার সেবা করার সুযোগ দাও এই শব্দ গুলো মনে মনে বলতে বলতে চোখের পানিতে বুকভিজেয়ে পেলেন।
এই বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মানুষ শাহকামাল চৌধুরীর যথাযথ মুল্যায়ন করা এখন লক্ষপ্রাণের দাবি। রাষ্ট্রীয় কত বড় বড় দিবস পালন করা হয় হৈচৈ করে অথচ এই ক্ষণজন্মা মানবসেকদের একটু সম্মান দেওয়ার জন্য কেউ ডাকেনা। এটা কি অবহেলা নাকি প্রশাসনের ইচ্ছেকৃত গাফিলতি নাকি অদূরদর্শীতা দুর্দান্ত পরিচয়
একজন জাতীর বিবেক হিসেবে প্রশ্ন রেখে গেলাম।

ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এফডিইবি)ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

মোঃ সুমন মিয়া :স্টাফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এফডিইবি)ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(এফডিইবি)ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,,,
জনাব আব্দুল করিম
প্রধান উপদেষ্টা, এফডিইবি ময়মনসিংহ জেলা।
বিশেষ অতিথিঃ
১. ইন্জিঃ দেলোয়ার হোসেন সাঈদি, সভাপতি, এফডিইবি, ময়মনসিংহ মহানগর।
2. জনাব, ছাইফ উল্লাহ পাঠান ফজলু, উপদেষ্টা, ভালুকা উপজেলা শাখা।

ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এ মাস মানুষের মধ্যে ধৈর্য, সহমর্মিতা ও মানবিকতা জাগ্রত করে। রোজা মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং অন্যের কষ্ট ও দুঃখ উপলব্ধি করতে শেখায়। তাই রমজানের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে সমাজে ন্যায়-নীতি, সততা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানান বক্তারা।
এই শাখার উদ্যোগে “মাহে রমজানের মহিমা ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল” অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকাল ৫টায় ময়মনসিংহের ভালুকায় অবস্থিত হোটেল সেভেন ইস্টারে।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের মাস। এই মাস আমাদেরকে সংযম, ত্যাগ ও ধৈর্যের শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারলে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি ইসলামী আদর্শের আলোকে সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এ সময় বক্তারা বলেন, রমজান মানুষকে আল্লাহভীতি ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাসে কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করতে হব।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও মুসল্লিদের সম্মানে ইফতার পরিবেশন করা হয়।

ঢাকায় সেনবাগ ৫নং ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের ব্যুরো চীফ, নোয়াখালী প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
ঢাকায় সেনবাগ ৫নং ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ঢাকাস্থ সেনবাগ ৫নং ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ( ১৩ মার্চ ) রাজধানী ঢাকার নবাবপুরস্থ স্টার হোটেলে আয়োজিত এ ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টপ স্টার গ্রুপের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, লায়ন্স ক্লাব অব সেনবাগ সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট এবং সেনবাগ ৫নং ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতির প্রধান উপদেষ্টা লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় অবস্থানরত সেনবাগ ৫নং ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। পবিত্র রমজানের পবিত্র পরিবেশে উপস্থিত অতিথিরা একসঙ্গে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ বলেন, প্রবাসে থেকেও নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্য অটুট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের সামাজিক আয়োজন মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং সেনবাগ ৫নং ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতির সার্বিক কল্যাণ ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

ইফতার ও দোয়া মাহফিলটি ঢাকায় অবস্থানরত সেনবাগবাসীর মধ্যে এক আনন্দঘন ও সম্প্রীতিময় পরিবেশ সৃষ্টি করে।

error: Content is protected !!