শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

ফেসবুকে যেসব পোস্ট করলে হতে পারে জেল-জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:৪৯ পিএম | 274 বার পড়া হয়েছে
ফেসবুকে যেসব পোস্ট করলে হতে পারে জেল-জরিমানা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় ফেসবুক। জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে এই সোশ্যাল মিডিয়াটি। ব্যক্তিগত যোগাযোগ থেকে শুরু করে নানা বিষয়ে মতামত তুলে ধরা হয় এই মাধ্যমে। তবে ফেসবুকে এমন কিছু পোস্ট, কমেন্ট বা ভিডিও শেয়ার করলে বিপদসহ আইনি ঝামেলায় পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। প্রমাণ হলে জেল, জরিমানা দুই-ই হতে পারে।

জেনে নিন কোন ধরনের পোস্ট থেকে পড়তে পারেন বিপদে।

আপত্তিকর বা উসকানিমূলক পোস্ট
জাতীয় বা সাম্প্রদায়িক ভাবাবেগকে আঘাত করে এমন পোস্ট করে ফেললে কিন্তু ইউজারের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের নানা ধারায় মামলা রুজু হতে পারে। এই ধরনের পোস্টকে সাইবার অপরাধ হিসেবে ধরা হয়। কাজেই এই ধরনের বিষয় শেয়ার করা তো বটেই, কোনও ধরনের কমেন্ট করার ক্ষেত্রেও সাবধান থাকতে হবে।

প্রাইভেসি লঙ্ঘন
ফেসবুকে কারও ছবি, ভিডিও তাঁর অনুমতি না নিয়ে পোস্ট কারও বিপজ্জনক হতে পারে। অভিযোগ প্রমাণ হলে জেল, জরিমানা দুই-ই হতে পারে। তাই কারও অনুমতি না নিয়ে তাঁর ছবি বা ভিডিও শেয়ার করবেন না। তাছাড়া কারও ব্যক্তিগত তথ্য যথা ফোন নম্বর, ঠিকানা বা ব্যাঙ্ক ডিটেইলস শেয়ার করাও একই রকম অন্যায়। এই ধরনের কার্যকলাপ থেকে সতর্ক হোন।

ফেক প্রোফাইল
অন্য কোনও ব্যক্তির নাম, ছবি বা তথ্যের ব্যবহার করে ‘ফেক’ অ্যাকাউন্ট শেয়ার করলে কিন্তু বিপদকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বসবেন। তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে জেল হতে পারে। দিতে হতে পারে জরিমানাও।

মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ানো
সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য বা গুজব ছড়ানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যেমন- ভুয়া সংবাদ বা ভিডিও পোস্ট করা, কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জাতীয় সংকটের সময় ভুয়া তথ্য প্রচার। তাই যে কোনো নিউজ শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করে নেবেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, একই পরিবারের ৪ জন আহত

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ পিএম
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, একই পরিবারের ৪ জন আহত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুকানুপুর ইউনিয়নের তালুকানুপুর গ্রামে একই পরিবারের ৪ জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। এতে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার শিকার হন বাবলুর বোনসহ পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বিকেলে তালুকানুপুর গ্রামের মৃত আবুল ডাক্তারের ছেলে বাবলুর বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় এক দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বাবলুর বোনের গলায় গুরুতর আঘাতসহ পরিবারের আরও ৩ জন ছুরিকাঘাতে আহত হন।
আহতদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে হামলাকারী একজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্তে অভিযান চালাচ্ছে।

যশোরে কোটি টাকার হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৮ পিএম
যশোরে কোটি টাকার হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

যশোরে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ হীরা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রাসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকারও বেশি।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযানে সুজাউদ্দিন নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের আবু বক্করের ছেলে বলে জানা গেছে।
বিকেলে যশোরের ঝুমঝুমপুরে বিজিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বড় হীরার চালান পাচারের পরিকল্পনার খবর পেয়ে তারা নতুনহাট বাজার এলাকায় নজরদারি জোরদার করে। এ সময় সন্দেহজনক আচরণের কারণে সুজাউদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১৫৫.৬৭ গ্রাম ওজনের হীরা, ৫৫০ মার্কিন ডলার, ৫ হাজার ৮৮০ ভারতীয় রুপি, ২০০ থাই বাথ এবং ৫ হাজার ৫৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুজাউদ্দিন নিজেকে পেশাদার চোরাকারবারি হিসেবে স্বীকার করেছেন বলে জানায় বিজিবি। তিনি এর আগে একাধিকবার বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় যাতায়াত করেছেন এবং ঢাকা থেকে সংগ্রহ করা হীরা ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
এ ঘটনায় চোরাচালান দমন আইনে মামলা দায়ের করে তাকে যশোর কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রা সরকারি ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি।

ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় ডাকাতি: লুটের মালামালসহ গ্রেপ্তার ৩

সম্রাট আলাউদ্দিন,ধামরাই (ঢাকা) প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম
ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় ডাকাতি: লুটের মালামালসহ গ্রেপ্তার ৩

ঢাকার ধামরাইয়ে একটি ব্যাটারি কারখানায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতিতে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ ভ্যান এবং লুট হওয়া ব্যাটারির কাঁচামাল উদ্ধার করা হয়েছে।শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৃথক অভিযানে পাবনার বেড়া, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ ভ্যানও উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- জাহিদ হাসান (৩৫), চাঁদ মিয়া (৬২) ও শোয়েব মিয়া (৩৯)। পুলিশ জানায়, গত ২২ মার্চ গভীর রাতে ৩৫ থেকে ৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ধামরাইয়ের একটি ব্যাটারি কারখানায় হামলা চালায়। তারা আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কারখানায় ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের মারধর করে বেঁধে ফেলে এবং প্রায় ৫৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কারখানার মালিক মো. রুবেল ধামরাই থানায় মামলা করেন।পুলিশ জানায়, ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাত দলের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। প্রথমে জাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাবনার বেড়া এলাকা থেকে চাঁদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদে চাঁদ মিয়া জানান, তিনি লুট হওয়া মালামাল ১৭ লাখ টাকায় কিনে ২৪ লাখ টাকায় শোয়েব মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। এরপর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শোয়েব মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।পরে শোয়েব মিয়ার কারখানার গুদাম থেকে লুট হওয়া ব্যাটারির কাঁচামাল গলিয়ে তৈরি ৪৯টি সিসার গোলবার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এসব সিসার ওজন প্রায় ১ হাজার ৪৪৯ কেজি, যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া এলাকা থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত আরও একটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা দুটি পিকআপের মোট মূল্য প্রায় ৪৮ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এস এম কাওসার সুলতান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।

error: Content is protected !!