সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি শামিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন

সাতক্ষীরায় পুলিশের সদস্য অনুপম কুমার ঘোষের আত্মহত্যা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:০৫ পিএম | 128 বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরায় পুলিশের সদস্য অনুপম কুমার ঘোষের আত্মহত্যা

আল-হুদা মালী : সাতক্ষীরায় গলায় গামছা পেঁচিয়ে এক পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকায় তার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

আত্মহননকারী পুলিশ সদস্যের নাম অনুপম কুমার ঘোষ (২৬)। তিনি বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানার দুর্গাপুর খরমখালি গ্রামের আশীশ কুমার ঘোষের ছেলে। তার কনস্টেবল নাম্বার ১১২২।

পুলিশ সূত্র জানায়, কনস্টেবল অনুপম ঘোষ সাতক্ষীরা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। তিনি রসুলপুর এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

শনিবার দিবাগত রাতে ২টার দিকে তিনি ডিউটি শেষ করে বাসায় ফেরেন। পরে রাত ৩টার দিকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করেন পরিবারের সদস্যরা।

পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে রাতে সাড়ে তিনটার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মারুফ হাসান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি শামিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ভোররাতে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরে তিনি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৫ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারাদেশে ১০ কেজি হারে বিনামূল্যে ভিজিএফ খাদ্যশস্য (চাল) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল ৯টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুন অর রশীদ, পৌর কমিটির সদস্য ও জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল মতিন, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর গোলাম ফারুক, পৌর কর্মচারী সংসদের সভাপতি মোঃ এনামুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আজিজ খানসহ পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে এই ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হচ্ছে, যাতে তারা পবিত্র ঈদুল ফিতর আনন্দের সাথে উদযাপন করতে পারে।
প্রসঙ্গত, ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

জন্মনিবন্ধনের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় জামিন

মিথ্যা অভিযোগ ও জেল হাজতের শিকার রোমিও

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৪ পিএম
মিথ্যা অভিযোগ ও জেল হাজতের শিকার রোমিও

রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া আহসান হাবিব রোমিও অবশেষে আদালতের মাধ্যমে জামিনে মুক্তি পেয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছেন। মামলাটির মূল অভিযোগ ছিল নাবালিকা অপহরণ, যেখানে ভুয়া জন্মনিবন্ধনের মাধ্যমে রোমিওকে অপহরণকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়।

ঘটনার সূত্রপাত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং, যখন রুনা লায়লা তার মেয়ে মোহসিনা আক্তারের নিখোঁজ হবার অভিযোগ দায়ের করেন। কোনো প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করে এবং রোমিওকে গ্রেফতার করে হাজতে পাঠায়। গ্রেফতারের সময় রোমিও অসুস্থ হয়ে পড়েন, যার ফলে তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

পরবর্তীতে ২৩ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞ মহানগর নারী ও শিশু আদালতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়। আদালত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে মোহসিনাকে হাজির করার নির্দেশ দেন এবং জন্মনিবন্ধনের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন।

তদন্তে প্রমাণিত হয়, মামলাকৃত জন্মনিবন্ধন ভুয়া এবং মোহসিনা খাতুন সেচ্ছায় রোমিওর কাছে গেছেন। তিনি ১৮ বছরের বেশি বয়সী এবং লিখিত কাবিননামা অনুযায়ী তাদের বৈধভাবে বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত রোমিওকে জামিন মঞ্জুর করেন এবং তাদের সংসার করার অনুমতি দেন।

উল্লেখযোগ্য, আহসান হাবিব রোমিও একজন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সুরক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রের (নিবন্ধন নং: 8201 – Bk -IV – 09/25) প্রধান নির্বাহী পরিচালক, ঢাকা সেন্ট্রাল ব্রাঞ্চ। তার সামাজিক ও মানবাধিকার কার্যক্রমের জন্য দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পুরষ্কার প্রাপ্ত।

ভুক্তভোগীর পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, মিথ্যা মামলা ও প্রকাশিত ভুয়া সংবাদ জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত। এই কর্মকাণ্ডে পুলিশের সহযোগিতা, প্রাক্তন স্ত্রী রীপা এবং বাদিনী রুনা লায়লাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। এছাড়া কিছু নামধারী সাংবাদিক, বিশেষ করে আতিকুর রহমান আতিককে ব্যবহার করে সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে ঘটনার ভুয়া প্রচারণা চালানো হয়েছিল।

এই ঘটনায় রোমিওর সংস্থা, কর্মকর্তা, কর্মী ও সমর্থকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন সমাজকর্মীও প্রকাশ্যভাবে মিথ্যা অভিযোগ ও ভুয়া সংবাদকে গর্হিত হিসেবে অভিহিত করেছেন। আদালতও রোমিওর জামিন মঞ্জুর এবং সত্যতা প্রমাণের বিষয়টি প্রশংসা করেছেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন, মিথ্যা মামলা ও ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করা একটি গুরুতর অপরাধ। এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে যে, প্রাথমিক তদন্ত, জন্মনিবন্ধনের সত্যতা যাচাই এবং আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সমাজে অনাকাঙ্ক্ষিত দূষণ ও অন্যায় প্রতিরোধ করা যায়।

মোহসিনা খাতুনের লিখিত জবানবন্দি প্রমাণ করে, মামলাটি সম্পূর্ণ রূপে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক। এ ঘটনার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান, যাতে এমন উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং নিরপরাধদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

সাঁথিয়ায় নির্যাতিত মাকে ঘর উপহার দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩১ পিএম
সাঁথিয়ায় নির্যাতিত মাকে ঘর উপহার দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

পাবনার সাঁথিয়ায় নিজ সন্তানের দ্বারা নির্যাতিত অসহায় মা কাঞ্চন মালা (৭৫) কে ঈদ উপলক্ষে ঘর উপহার দিলেন সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে অসহায় মা কাঞ্চনমালার মেয়ের বাড়িতে নির্মান করা ঘর বুঝে দেয়া হয় বৃদ্ধ মহিলাকে।

এ সময় বৃদ্ধ কাঞ্চন মালা নিজের ঘর পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে। কাঞ্চন মালার মেয়ে জানান, আমার মায়ের কোন ঘর ছিলো না। সে ছেলের বাড়িতে রোদ বৃষ্টিতে ভাঙ্গা ঘরে থাকতো। এখন তার মাথা গোজার ঠাঁই হলো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না জানান, গত বছরের ৩০ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বৃদ্ধা মহিলাকে পুত্র ও পুত্র বধু দ্বারা নির্যাতনের ঘটনা আমার নজরে আসে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। তবে বৃদ্ধা মায়ের থাকার ঘর ছিল জড়াজিন্ন। তখনই আমার মনে হয়েছিল বৃদ্ধা মায়ের জন্য কিছু করা প্রয়োজন। পরে জেলা প্রশাসকের বিশেষ টিআর এর আওতায় তাকে স্থায়ী ভাবে একটি ঘর নির্মান করে দেই। যেখানে সে যত দিন বেঁচে থাকবে ততদিন বসবাস করতে পারবে।

ঈদ উপলক্ষে উপহারের ঘর উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন সাঁথিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুলতান হোসেন ও ধোপাদহ ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেযারম্যান সানাউল্লাহ ছানা।

error: Content is protected !!