শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

যশোর বোর্ড এর এইস এসসি ২০২৪ এর ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:৩৮ পিএম | 203 বার পড়া হয়েছে
যশোর বোর্ড এর এইস এসসি ২০২৪ এর ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গত বছর তলানিতে নেমে যাওয়া যশোর বোর্ড এবার একধাপ উপরে উঠেছে। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি সামান্য বাড়লেও কমেছে পাসের হার। এ বছর যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৯ ভাগ; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৭৪৯ জন শিক্ষার্থী।

গত বছর যশোর বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬৯ দশমিক ৮৮ ভাগ; জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৮ হাজার ১২২ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলে যশোর বোর্ডের এ চিত্র উঠে এসেছে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, ইংরেজিতে অনুত্তীর্ণের হার বেড়ে যাওয়ায় বোর্ডের সার্বিক ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডর চেয়ারম্যান প্রফেসর মর্জিনা আক্তার বলেন, এবছর এইচএসসি পরীক্ষায় অবতীর্ণরা করোনা মহামারীর সময় ২০২০ ও ২০২১ সালে ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করেছে। তখন শ্রেণিকক্ষে তাদের পাঠদান সম্ভব না হওয়ায় তাদের ইংরেজিতে দুর্বলতা রয়ে গেছে। যা এখনও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। পরীক্ষার্থীদের ৩১ শতাংশ ইংরেজিতে অনুত্তীর্ণ হয়েছে। এই প্রভাব পড়েছে সার্বিক ফলাফলে। আগামীতে বোর্ডের ফলাফল ভাল করার জন্য তারা পদক্ষেপ নেবেন।

যশোর বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বোর্ড থেকে এক লাখ ২২ হাজার ৫১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭৮ হাজার ৭৬৪ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ৩৬ হাজার ২৪৭ জন এবং ছাত্রী ৪২ হাজার ৫১৭ জন। পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৯। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৭৪৯ জন। বহিষ্কৃত হয়েছে ১৩ জন।

যশোর শিক্ষাবোর্ডের ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন। অন্যদিকে, ৭টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।
শিক্ষাবোর্ড ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে যশোরের চৌগাছায় অবস্থিত এস এম হাবিবুর রহমান পৌর কলেজ। এই কলেজ থেকে এবার পরীক্ষায় অবতীর্ণ ১২৭ শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছেন।
এ ছাড়া খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার প্রতিষ্ঠান ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুলের ৬১, খালিশপুরের নেভি অ্যাঙ্কারেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫৯ এবং ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ৪৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছেন।

শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর মহিলা কলেজ (পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২), নড়াইলের গোবরা মহিলা কলেজ (১), যশোরের কেশবপুরের তিতা বাজিতপুর এম কে বি মহিলা কলেজ (৩), ঝিকরগাছার বাঁকড়া হাজিরবাগ মহিলা আইডিয়াল কলেজিয়েট স্কুল (৯), খুলনার কয়রা উপজেলার হাড্ডা পাবলিক কলেজ (২), সাতক্ষীরা কমার্স কলেজ (৩), সাতক্ষীরা সদরের গোবরদাড়ি জরদিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ (১), যশোরের চৌগাছা উপজেলার মাড়–য়া ইউসুপ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৩২) এবং কুষ্টিয়া সদরের সুনুপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের (১৪) সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন।
অন্যদিকে, এবার যশোর বোর্ডের সাতটি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, মেহেরপুরের মড়কা জাগরণ কলেজ, খুলনার মডেল মহিলা কলেজ, একই জেলার শাপলা কলেজ, সাতক্ষীরার আখড়াখোলা আইডিয়াল কলেজ, মাগুরার গোপীনাথপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যশোরের নেঙ্গুড়াহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঝিনাইদহের নাজির উদ্দিন ইসলামিয়া কলেজ। এই ৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৮ জন এবারের পরীক্ষায় বসেছিলেন।

ধামইরহাট আইডিয়াল মাদ্রাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

ধামইরহাট ( নওগাঁ) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৫ পিএম
ধামইরহাট আইডিয়াল মাদ্রাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নওগাঁর ধামইরহাট আইডিয়াল মাদ্রাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ ই এফ্রিল শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় আইডিয়াল মাদ্রাসার আয়োজনে উপজেলার ডাক বাংল হলরুমে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত চক্রবর্তী। আলহাজ সাইফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং আইডিয়াল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওাঃ মামুনুর রশীদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অত্র মাদ্রাসার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নজিপুর ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ ছানাউল ইসলাম, ইসলাম,সাবেক কমিশনার আমজাদ হোসেন। ৬ জন বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট বাজার বনিক সমিতির সভাপতি কোরবান আলী , অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক বৃন্দ, শিক্ষার্থীগন, অভিভাবক বৃন্দ ও সাংবাদিক বৃন্দ প্রমুখ । পরিশেষে জয়পুরহাট হতে উদ্ভোবন সাংস্কৃতিক শিল্পী গোস্টি ইসলামি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
মোঃ নুরুল ইসলাম
০১৭১০১৯০০১০

বেলকুচিতে অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল: নৈতিকতা, আধুনিক শিক্ষা ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক শিক্ষার অনন্য ঠিকানা

বেলকুচিতে অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল: নৈতিকতা, আধুনিক শিক্ষা ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক শিক্ষার অনন্য ঠিকানা প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৩ পিএম
বেলকুচিতে অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল: নৈতিকতা, আধুনিক শিক্ষা ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক শিক্ষার অনন্য ঠিকানা

আশিকুল ইসলাম, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার শেরনগর এলাকায় অবস্থিত “অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল” ইতোমধ্যেই মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিকতা এবং ইংরেজি ভাষাভিত্তিক পাঠদানের সমন্বয়ে একটি আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্লে-গ্রুপ থেকে অষ্টম শ্রেণি (PLAY-EIGHT) পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানে। শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করতে রয়েছে সৃজনশীল, আনন্দময় ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক পাঠদান পদ্ধতি, যা তাদের শেখার আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বেলকুচি উপজেলায় একমাত্র ইংরেজি ভাষণভিত্তিক (English Medium/English version) স্কুল হিসেবে “অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল” বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে। ফলে অভিভাবকদের কাছে এটি একটি প্রথম পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বিশেষত্ব হলো এর বহুমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা। এখানে রয়েছে আবাসিক (Residential), অনাবাসিক (Non-residential) এবং ডে-কেয়ার (Day Care) সুবিধা, যা অভিভাবকদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। বিশেষ করে কর্মজীবী অভিভাবকদের সন্তানদের জন্য নিরাপদ ও যত্নশীল পরিবেশে ডে-কেয়ার ব্যবস্থা ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

“Excellence in Morality and Quality”—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আদর্শ, নৈতিক ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মতে, বেলকুচিতে মানসম্মত, আধুনিক ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে “অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল” ইতোমধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নিয়েছে। ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠান আরও এগিয়ে যাবে এবং শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

ছাতকের কাইল্যাচর গ্রামে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, এলাকায় উত্তেজনা

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১১ পিএম
ছাতকের কাইল্যাচর গ্রামে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, এলাকায় উত্তেজনা

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কাইল্যাচর গ্রামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কটূক্তি ও স্থানীয় বাজারে কথা-কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা বিরাজ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাইল্যাচর গ্রামের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে মাওলানা আল আমিন এবং একই গ্রামের মৃত সুরাব আলীর ছেলে মাওলানা নজমুল হক নসিবের মধ্যে প্রথমে টেটিয়ারচর বাজারে কথা-কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে এবং উভয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করে।

এক পর্যায়ে বিরোধ চরমে পৌঁছালে দুই পক্ষের লোকজন মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।

ঘটনার বিষয়ে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ও শান্ত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন সকল পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য পরিহারের অনুরোধ জানিয়েছে।

error: Content is protected !!