শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ২:০২ এএম | 92 বার পড়া হয়েছে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আজ রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে সেনা প্রধান কুশলাদি বিনিময়ের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। প্রধান উপদেষ্টা এসময় সেনা প্রধানকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

ভিয়েতনামে পৌঁছেই জামাল-শমিতরা বলছেন, ঈদ মোবারক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৫ পিএম
ভিয়েতনামে পৌঁছেই জামাল-শমিতরা বলছেন, ঈদ মোবারক

ঈদ মোবারক—রাস্তায় বের হইলেই আজ এই শব্দ সবার মুখে মুখে। রমজান শেষে আজ দেশে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা একে অপরের সঙ্গে আলিঙ্গন করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। ভিয়েতনামে পৌঁছে দেশবাসীকে ঈদ মোবারক বলেছেন জামাল ভূঁইয়া-শমিত শোমরা।

ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলতে গতকাল রাতে ঢাকা ছাড়ে বাংলাদেশ ফুটবল দল। আজ সকালে হ্যানয় বিমানবন্দরে পৌঁছেই দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ফুটবলাররা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশন দিয়েছে, ‘আমাদের দলের পক্ষ থেকে আপনাদের ঈদ মোবারক। বাংলাদেশ জাতীয় দল সবাইকে জানায় ঈদের শুভেচ্ছা।’ বাফুফের ভিডিও বার্তায় শমিত বলছেন, ‘সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক। আপনারা সবাই আনন্দ করুন।’ জামাল ভূঁইয়া বলেছেন, ‘ঈদ মোবারক সবাইকে।’ সবার একটাই চাওয়া, পরিবারের সঙ্গে সবাই যেন এবারের ঈদ উপভোগ করেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আজ এই বিশেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জনসাধারণের ঢল নামে। ঈদের দিনে তারেকের সঙ্গে আলিঙ্গন করার পর নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে তিনটি ছবি পোস্ট করেছেন আমিনুল। ক্যাপশনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়।

আমিনুল হক গত রাতে বাংলাদেশ ফুটবল দলের সঙ্গে দেখা করেছেন। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, কোচ হাভিয়ের কাবরেরা, জামাল ভূঁইয়াসহ বিশাল বহরের সঙ্গে ছবি তুলেছেন আমিনুল। জামাল নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে সেই ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে দিয়েছেন, ‘আমাদের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় দলের সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় আমিনুল হক দেখা করতে এসেছেন।’ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল দলের সঙ্গেও আমিনুল দেখা করেছেন। বয়সভিত্তিক নারী এশিয়ান কাপের জন্য ফুটবলারদের শুভকামনা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

সিঙ্গাপুর-ভিয়েতনাম ম্যাচের দল ঘোষণা করল বাফুফেসিঙ্গাপুর-ভিয়েতনাম ম্যাচের দল ঘোষণা করল বাফুফে
ঈদের ছুটিতে যখন পুরো দেশ উৎসবে মাতোয়ারা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন ব্যস্ত সময় পার করছেন দেশের ফুটবলাররা। জাতীয় দল, ছেলেদের অনূর্ধ্ব-২০ দল এবং মেয়েদের অনূর্ধ্ব-২০ দল—এই তিন দলের কারোই এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার সুযোগ নেই। কারণ, সামনে যে অপেক্ষা করছে খেলা। ছেলেরা এরই মধ্যে ভিয়েতনামে পৌঁছে গেছেন।

২৬ মার্চ প্রীতি ম্যাচে ভিয়েতনামের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে হামজা চৌধুরী-শমিতরা খেলবেন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচটি এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের অন্তর্ভুক্ত। ভিয়েতনাম-সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে দুটি ম্যাচই বাংলাদেশের জন্য অ্যাওয়ে ম্যাচ। ৩১ মার্চ হবে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচ।

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা

ঈদের দিনেও মানবিকতার আলো: ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ২:৫৮ পিএম
ঈদের দিনেও মানবিকতার আলো: ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত

রোগীদের খোঁজখবর নিতে স্বশরীরে ওয়ার্ড পরিদর্শনে ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম; সঙ্গে ছিলেন ডা. ইমাম হোসেন ইমু — নিশ্চিত করা হয়েছে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা

পবিত্র ঈদ মানেই আনন্দ, পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো আর উৎসবের আমেজ।

তবে এই আনন্দঘন দিনেও মানবিক দায়িত্বে অবিচল থেকে রোগীদের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ফেনীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল।

ঈদের দিনেও হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে সরাসরি ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন হাসপাতালের মান্যবর তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম।

তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে রোগীদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসা সেবার মান যাচাই করেন।

এই পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক ডা. ইমাম হোসেন ইমু।

তারা একসঙ্গে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সমস্যা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের দিনেও জরুরি ও নিয়মিত চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখতে সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রোগীদের জন্য ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অন্যান্য সেবাসমূহ যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এসময় ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম বলেন, “মানবিক সেবাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। ঈদের দিন হোক বা যেকোনো সময়—রোগীদের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য।”

রোগী ও তাদের স্বজনরা হাসপাতালের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

তারা বলেন, উৎসবের দিনেও চিকিৎসকদের এমন উপস্থিতি ও আন্তরিকতা তাদের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থার সঞ্চার করেছে।

ঈদের আনন্দের মধ্যেও এমন মানবিক উদ্যোগ প্রমাণ করে—সত্যিকারের সেবা কখনোই ছুটির অপেক্ষা করে না; বরং মানুষের প্রয়োজনে সবসময়ই এগিয়ে আসে।

রাষ্ট্রপতির ঈদের শুভেচ্ছা, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম
রাষ্ট্রপতির ঈদের শুভেচ্ছা, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল শ্রেণিকে দরিদ্র ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শনিবার ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি সুপ্রিয় দেশবাসী ও বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদুল ফিতর মুসলমানদের প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর পরম আনন্দের সাথে আজ আমরা ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করছি। মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, ঈদের এই অপার আনন্দ যেন সবার মাঝে, সারা বাংলাদেশে প্রতিটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। মানবিক মূল্যবোধ, সাম্য, পারস্পরিক সহাবস্থান ও সহমর্মিতা ইসলামের এই সুমহান বাণী ও আদর্শ বিশ্বের বর্তমান বাস্তবতায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ বছর আমরা এমন একটা সময়ে ঈদ উদ্‌যাপন করছি যখন অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধবিগ্রহের কারণে পৃথিবীর বহু জনপদে অগণিত নিরীহ শিশু, নারী ও সাধারণ মানুষের রক্ত ঝরছে। সংকটে পড়েছে মানবতা। সংঘাতের বিরূপ প্রভাব সর্বত্র।’

রাষ্ট্রপতি বাণীতে উল্লেখ করেন, ‘মানুষ হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব অসহায় মানুষের পাশে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানো। আমরা চাই যুদ্ধ, সংঘাত ও প্রতিহিংসার চির অবসান ঘটুক। শান্তি ও স্বস্তি সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। ঈদ আমাদের সেই শিক্ষা ও তাগিদ দেয়। ঈদ এক অনুপম সামাজিক সম্প্রীতির উৎসবও। ঈদের দিনে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই একসাথে ঈদ উৎসবে শামিল হন। আসুন, ইসলামের সুমহান এই আদর্শকে সমুন্নত রেখে আমরা আমাদের পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবার সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিই। এজন্য আমি সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল শ্রেণিকে দরিদ্র ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর পাশে সুদৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে শুভ যাত্রা সূচিত হয়েছে, আসুন, ঈদের এই শুভক্ষণে আমরা সেই অভিযাত্রায় ঐক্যবদ্ধভাবে শামিল হওয়ার অঙ্গীকার করি।’ তিনি দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

error: Content is protected !!