বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২

ইরানের বিশ্ববিদ্যালয় ও এআই অবকাঠামোতে হামলা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম | 26 বার পড়া হয়েছে
ইরানের বিশ্ববিদ্যালয় ও এআই অবকাঠামোতে হামলা

ইরানের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি দেশটির বেসামরিক ও সাংস্কৃতিক অবকাঠামোগুলো বেছে বেছে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরায়েল। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় অন্তত ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অসংখ্য গবেষণাকেন্দ্র ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তেহরানের ‘শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি’তে চালানো সাম্প্রতিক হামলাটি এই ধ্বংসযজ্ঞের এক ভয়াবহ প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইরানের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে গত সোমবার চালানো হামলায় একাধিক ভবন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্রে। কর্তৃপক্ষের মতে, এই কেন্দ্রে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ডেটাবেইস এবং দীর্ঘ দুই বছরের গবেষণার ফসল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট মাসুদ তাজরিয়ি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘শত্রুরা ইরানের মেধা ও অগ্রগতিকে ভয় পায়। আমাদের এআই প্রযুক্তি অর্জনের পথ রুদ্ধ করতেই এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে।’

শুধু শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ই নয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের উচ্চশিক্ষা খাতের ওপর পদ্ধতিগত আক্রমণ চালানো হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—

পাস্তুর ইনস্টিটিউট: শতবর্ষ প্রাচীন এই চিকিৎসা গবেষণাকেন্দ্রেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়: এখানকার একটি ফটোনিক্স ল্যাবরেটরি ধ্বংস করা হয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: এই প্রতিষ্ঠানের একটি স্যাটেলাইট উন্নয়ন ল্যাবরেটরি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী হোসেন সিমাই সারাফ জানিয়েছেন, এটি কোনো সাধারণ যুদ্ধ নয়, বরং একটি পুরো সভ্যতার মেধা ধ্বংসের চেষ্টা।

শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসস্তূপের সামনে কর্তৃপক্ষ একটি ব্যানার ঝুলিয়ে দিয়েছে যাতে লেখা—‘ট্রাম্পের সাহায্য পৌঁছে গেছে’। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বারবার দাবি করে আসছিলেন যে তারা ইরানি জনগণকে “সাহায্য” করতে চান। কিন্তু বেসামরিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রেললাইন, সেতু এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বোমা বর্ষণ করে তারা ইরানের ৯ কোটি মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছেন।’

ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকি—‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা মরে যাবে’—ইরানিদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও একতাবোধ তৈরি করে। ইরানি বেসামরিক অবকাঠামোর সামনে গিয়ে মানববন্ধন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনলাইনে ক্লাস নেওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের প্রাণহানি এড়ানো গেলেও, যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। স্টিল ফ্যাক্টরি ও পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টগুলো ধ্বংস হওয়ায় দেশটির অর্থনীতি এখন খাদের কিনারায়। তেহরানের এক শিক্ষার্থী আল জাজিরাকে বলেন, ‘আপনি যদি একটি দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু আর বিজ্ঞান গবেষণাগারে হামলা চালানোকে জায়েজ মনে করেন, তবে আপনি যেকোনো অপরাধই করতে পারেন। আমাদের ভবিষ্যৎ চুরি করা হচ্ছে।’

বেসামরিক অবকাঠামোতে এই নির্বিচার হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করে। যদিও তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানসহ ১৫ জন শীর্ষ শিক্ষাবিদ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ হিসেবে বিবেচনা করে হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন, কিন্তু ক্রমাগত ধ্বংসযজ্ঞের মুখে তাঁরাও পাল্টা প্রতিশোধের দাবি তোলেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দম্ভ করে বলেছেন, ওয়াশিংটন আজ যুদ্ধ বন্ধ করলেও ইরানের পুনর্গঠনে ২০ বছর সময় লাগবে। আর যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, তবে ইরানকে আগের অবস্থায় ফিরতে ১০০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বেসামরিক স্থাপনায় এই হামলাকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য করছে।

ইরানজুড়ে এখন কেবলই ধোঁয়া আর ধ্বংসস্তূপের গন্ধ। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার অপেক্ষায় থাকা সাধারণ ইরানিরা এখন কেবল বেঁচে থাকার এবং তাদের লুণ্ঠিত ভবিষ্যৎ ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখছে।

পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

মোজাম্মেল হক :বীরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৬ এএম
পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

:দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপ

পারিবারিক আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে শর্তসাপেক্ষে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার রবার্ট কমল সরকার, প্রোগ্রাম অফিসার ডরিস লিয়া হাসদা এবং লাইভলি হুড টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট তাহমিদুর রহমান।

প্রোগ্রামে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং নিজপাড়া পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আনিস এবং বলরামপুর গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মিলন হোসেন।

কর্মসূচির আওতায় চলতি বছরে নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭০ টি নিবন্ধিত হতদরিদ্র পরিবারকে পরিবার প্রতি ১০,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এতে মোট ৭ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, এই সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারগুলোর স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

ঢাকা থেকে দিনাজপুর দৌড়ে জিরো পয়েন্ট স্পর্শকারী ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবকে গণ সংবর্ধনা প্রদান

মো:মেহেদী হাসান ফুয়াদ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
ঢাকা থেকে দিনাজপুর দৌড়ে জিরো পয়েন্ট স্পর্শকারী ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবকে গণ সংবর্ধনা প্রদান

 

“মাদকের বিরুদ্ধে এসো দৌড়াই” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে যমুনা নদী সাঁতরে পাড়ি দিয়ে দিনাজপুর জিরো পয়েন্টে ম্যারাথন দৌড়ে পৌঁছানো মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাকিব ও তার সঙ্গে থাকা সহযাত্রী সাইকেলিস্ট মোঃ রাব্বিকে গণ সংবর্ধনা দিয়েছে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস ‌।

৮ এপ্রিল-২০২৬ বুধবার বিকেলে দিনাজপুর ঐতিহাসিক গোর এ শহীদ বড় ময়দানে (কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন) পাটোয়ারী বিজনেস হাউজ (প্রাঃ) লিমিটেড এর সার্বিক সহযোগিতায় ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে(যমুনা নদী সাঁতরে) দিনাজপুর জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী তরুণ এই ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবের গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ও ফুল দিয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন।

এছাড়াও ২ এপ্রিল ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে ৮ এপ্রিল বুধবার দিনাজপুর জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ পথ দৌড়ে পাড়ি দেওয়া মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাকিবের গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ফুল দিয়ে বরণ ও উপহার প্রদান করেন এবং বক্তব্য রাখেন পাটোয়ারী বিজনেস হাউজ (প্রাঃ) লিমিটেড এর
ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন, দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ মোকাররম হোসেন, সহ-সভাপতি মোঃ খালেকুজ্জামান বাবু, দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও ক্রীড়া সংগঠক মোঃ রেহাতুল ইসলাম খোকাসহ খেলোয়াড়-সংগঠক-শাকিবের পরিবারবর্গ এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, দিনাজপুর জেলা শহরের রামনগর মহল্লার বাসিন্দা ক্রিয়া প্রতিভা সাকিবের সাহসী উদ্যোগের নেপথ্যে পূর্ণ সমর্থন ও স্পনসরশিপ প্রদান করেছেন দেশের অন্যতম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পাটোয়ারী বিজনেজ হাউস। সাকিবের এই অদম্য স্পৃহা এবং ক্রীড়া নৈপুণ্যকে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতেই এই পৃষ্ঠপোষকতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র শহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন।

এদিকে ঢাকা থেকে দিনাজপুর দৌড়ে বুধবার বিকেল আনুমানিক চারটায় জিরো পয়েন্ট স্পর্শকারী ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবকে সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন , স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা উপস্থিত থেকে এই তরুণ অ্যাথলেটকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

সাকিবের এই সাফল্য সম্পর্কে পাটোয়ারী বিজনেস হাউসের পক্ষ থেকে মুখপাত্র শহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন জানান , তারা সব সময় তরুণদের প্রতিভা বিকাশে কাজ করতে আগ্রহী এবং সাকিবের এই অর্জন দেশের যুবসমাজের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন বিশিষ্ট ধারাভাষ্যকার মোহাম্মদ রফিক।

পাহাড় কেটে লেক তৈরির চেষ্টা, এক্সক্যাভেটর জব্দ

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ এএম
পাহাড় কেটে লেক তৈরির চেষ্টা, এক্সক্যাভেটর জব্দ

 

প্রায় ১৫ একর জায়গাজুড়ে প্রকৃতির রূপ পাহাড়। উচ্চতায় প্রায় দুই শ ফুট। এ পাহাড় কেটে তৈরি করা হচ্ছিল লেক। পাহাড়ের মাটিও বিক্রি করা হচ্ছিল বিভিন্ন জায়গায়। খবর পেয়েই অভিযানে নামে প্রশাসন। এরপর ওই এলাকায় গিয়ে দুটি এক্সক্যাভেটর (খননযন্ত্র) জব্দ করা হয়।

গত ৫ এপ্রিল রোববার দুপুরে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়নের খাড়িছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাদিজা তাহিরা এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চলতি বছরেই এলাকায় অন্তত আটটি বড় পাহাড় পুরো কেটে ফেলা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় রাতের অন্ধকারে এমন তৎপরতা বেশি চলে। তবে স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
খাড়িছড়া এলাকায় যে পাহাড় কাটা হচ্ছিল, এটি ওই এলাকার মো. মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তির দখলে ছিল। তিনি সেখানে মাছ চাষের জন্য একটি লেক তৈরি করছিলেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা ভূঁইয়া বলেন, পাহাড়টি খাসজমি। তবে খাস বা ব্যক্তিমালিকানাধীন—যা–ই হোক, পাহাড় কাটা যাবে না। সেখানে মাছের প্রকল্প হচ্ছিল বলে তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে মনির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহিরা বলেন, এলাকায় বেশ কয়েকটি পাহাড় কাটার আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুটি এক্সক্যাভেটর জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অভিযানকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রিয়লাল চাকমা, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবদুল মান্নান, মানিকছড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তারেকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

error: Content is protected !!