বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২

৭ বছর পর ধরা পড়ল দুর্ধর্ষ খুনি নুর আলম

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৭ এএম | 35 বার পড়া হয়েছে
৭ বছর পর ধরা পড়ল দুর্ধর্ষ খুনি নুর আলম

 

হাসপাতালের টয়লেট থেকে নাটকীয় গ্রেফতার, নতুন করে চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ সাত বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে আইনের আওতায় এসেছে আলোচিত কিশোর শামীম হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নুর আলম (৪২)। মঙ্গলবার দুপুরে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি টয়লেট থেকে তাকে নাটকীয়ভাবে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নুর আলম আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর-তিন বাড়িয়া রহমত নগর গ্রামের মৃত খায়েজ আহমদের ছেলে। ২০১৯ সালে সংঘটিত কিশোর শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামিদের একজন তিনি। ওই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকলেও এতদিন তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।
নৃশংস হত্যার শিকার কিশোর শামীম
নিহত শামীম (১৫) ছিলেন সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের চরশাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৯ সালের ১১ আগস্ট রাতে নানার বাড়ি থেকে ফেরার পথে সোনাপুর তিন বাড়িয়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তার পথরোধ করে।
এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
নতুন অভিযোগে আবারও আলোচনায়
গ্রেফতারের দিনই নুর আলমের বিরুদ্ধে নতুন করে চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদা না পেয়ে তিনি ও তার সহযোগীরা রাকিব হোসেন (২২) নামে এক রাজমিস্ত্রিকে অপহরণ করে নির্যাতন চালায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় রাকিবকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে সন্ত্রাসীরা সেখানে গিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নুর আলম পালিয়ে হাসপাতালের টয়লেটে আত্মগোপন করেন। পরে সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের বক্তব্য
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান,
“গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”
স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়
দীর্ঘদিন পর মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। ভুক্তভোগী পরিবারও এই গ্রেফতারকে ন্যায়বিচারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয়দের মতে, এই গ্রেফতার শুধু একটি মামলার অগ্রগতি নয়, বরং দীর্ঘদিনের আতঙ্কের অবসান এবং ন্যায়বিচারের আশার নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে সোনাগাজীতে।

প্রবাসীদের ৬ দফা দাবি পূরনে সরকারের নিকট আহ্বান জানিয়েছে “দেশ বন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ”

রিমন হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫১ এএম
প্রবাসীদের ৬ দফা দাবি পূরনে সরকারের নিকট আহ্বান জানিয়েছে “দেশ বন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ”

 

বাংলাদেশের প্রবাসীরা এক একজন শক্তি। একতার ভিত্তিতে একতাবদ্ধ হয়ে তারা দেশকে টিকিয়ে রেখেছে। অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায় প্রবাসীরা। প্রতিটি আন্দোলনে দেশের স্বার্থে বিশ্বের নিকট তারাই দেশকে তুলে ধরছে।

তাই শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ জনগণ মানবাধিকার পাবে তা হবেনা। প্রবাসীদেরকেও সঠিক ভাগ দিতে হবে। কারন তারা হচ্ছে দেশের চালিকা শক্তি। তাদেরকে বাদ দিয়ে কোন ভাবে উন্নয়ন বিল পাশ এটি হতে দেওয়া হবেনা।

“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব এম এ রউফ (Qatar) রিমন হোসেন প্রচার সম্পাদক (সৌদি আরব) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,
আমরা বাংলাদেশে কোনো বিশৃঙ্খলা দেখতে চাই না—পানি ঘোলা করে মাছ শিকারের পায়তারা বন্ধ করুন, সংস্কার নিয়ে সমঝোতায় আসুন” প্রবাসীদের ৬ দফা দাবি পূরন করুন।
একই সাথে প্রবাসীদের কে ৬ দফা দাবি আদায়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। দাবিগুলো:
১. বিশ্বের রেমিটেন্স যোদ্ধাদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং ১০ জন সংসদ সদস্য (এমপি) অবশ্যই নিযুক্ত করতে হবে। এই প্রতিনিধিদের অবশ্যই রেমিটেন্স যোদ্ধাদের দ্বারা সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে হবে।
২. একটি রেমিটেন্স পেনশন স্কিম চালু করতে হবে।
৩. বিদেশে চাকরির খরচ অবশ্যই কমাতে হবে।
৪. শিক্ষা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণকে অবশ্যই বিশ্ব বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
৫. রেমিটেন্স যোদ্ধাদের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা ও সুরক্ষা অবশ্যই সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত করতে হবে।

৬. রেমিটেন্স কল্যাণ তহবিল একটি বিশেষ তহবিল অবশ্যই প্রতিষ্ঠা করতে হবে

যা রেমিটেন্স আয়ের কমপক্ষে ১% ব্যবহার করে গঠিত হবে এবং যা বিশ্বজুড়ে রেমিটেন্স যোদ্ধাদের সাথে জড়িত যেকোনো অপ্রত্যাশিত বা অনির্দেশ্য দুর্ঘটনার জন্য পূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিদাতা:
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ desh-bondhu@hotmail.com
এম এ রউফ (Qatar)
সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় কমিটি
📞 00974 66958035
প্রচার সম্পাদক রিমন হোসেন
ফারুক আহমেদ চৌধুরী ইউকে
আহবায়ক
মোসাদ্দিক মিয়া মানিক ইউকে
আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি
সৈয়দ খালেদ মিয়া অলিদ
যুগ্ম আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি
আহবায়ক
হাকিকূল ইসলাম খোকন সিনিয়র সাংবাদিক আমেরিকা
রেজা নবী আমেরিকা
আহবায়ক
রেয়াজ আবু সাইদ ইতালি
আহবায়ক
শাহিন তালুকদার দুবাই
আহবায়ক
আরব আলী কুয়েত
হেলাল আহমেদ সৌদি আরব
মাহারাজ মিয়া দূবাই
কাজী মোকলিছ মালদ্বীপ
আবূল হোসেন সরদার অস্ট্রিয়া
শাহাজান অস্ট্রেলিয়া
কিলটন পাভেল আমেরিকা
আহবায়ক
হেলাল উদদীন কাতার
শাহাজান খান মালোয়েশিয়া
কামাল মিয়া বাহরাইন
আবূ তাহের ওমান
আবূ তাহের চৌধুরী ইউকে
লুৎফুর রহমান ইউকে
মোহাম্মদ এনাম লন্ডন
ইকবাল তালুকদার লন্ডন
নাজমা আক্তার লন্ডন
এডভোকেট তাজূল ইসলাম বাংলাদেশ
মেজর ইমরান বাংলাদেশ
রিমন হোসেন সৌদি আরব
আঃ হামিদ সৌদি আরব
শুভ মীর সৌদি আরব
মো: সজীব সৌদি আরব
মো: সাব্বির হোসেন সৌদি আরব
মো: রবিউস সানী সৌদি আরব
মো: মামুন মোল্লা সৌদি আরব
সাগর মিয়া সৌদি আরব
ইয়াসমিন আখতার বকুল বাংলাদেশ
নাজনীন রহমান রাজন মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি
সভাপতি বাংলাদেশ
নাসরিন আক্তার সূমন রউফ
মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশ
ইয়াসমিন আক্তার রুমন
মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি বাংলাদেশ সহ সভাপতি
রানিছা বাংলাদেশ সদস্য
মাহিশা বাংলাদেশ সদস্য
আলেয়া বেগম বাংলাদেশ
মীর আশরাফ আমেরিকা
জালাল উদ্দীন ফ্রান্স
ডক্টর মালেক ফরাজী ফ্রান্স
জালাল উদ্দীন ফ্রান্স
জামাল মোস্তফা সুইডেন
রহিম মিয়া স্পেন
মোহাম্মদ আজাদ রহমান সিঙ্গাপুর
রিপন মিয়া কানাডা
আক্তার মিয়া বাংলাদেশ
ইয়াসমিন আক্তার বাংলাদেশ
মোহন বাংলাদেশ
মুস্তাফিজুর রহমান রিপন বাংলাদেশ
ফোটন বাংলাদেশ সদস্য
প্রাপ্তি রহমান বাংলাদেশ
আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশ
আব্দুল লতিফ বাংলাদেশ
মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বাংলাদেশ
এডভোকেট আবেদ রাজা বাংলাদেশ
কামাল৷ মিয়া আইল্যান্ড
আরব আলী কুয়েত
জাহাঙ্গীর আলম অস্ট্রেলিয়া
সিরাজ খান পাকিস্তান
মুসলিম মিয়া ইন্ডিয়া
শাহাদাৎ হোসেন চায়না
আশরাফ মিয়া পোল্যান্ড
নাজমা আক্তার লন্ডন
কাউসার অস্ট্রেলিয়া
লাবনী আনোয়ার বাংলাদেশ
আবূল বাসার বাংলাদেশ
আব্দুল লতিফ ইউকে
ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর লন্ডন
এডভোকেট এনাম লন্ডন
শাহাজান মিয়া আইল্যান্ড
সিরাজ মিয়া সিঙ্গাপুর
শেখ ফরিদ অস্ট্রেলিয়া
নুরুল হুদা বাংলাদেশ
মনিরুজ্জামান বাংলাদেশ
ইসমাইল খান বাংলাদেশ
এস এম আব্দুস সাত্তার বাংলাদেশ।
এমরান হোসাইন ইতালি
মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাংলাদেশ
লায়ন আব্দুল কাদের জিলানী বাংলাদেশ সহ সভাপতি
শামসুন্নাহার বেগম বাংলাদেশ
প্রফেসর আলহাজ্ব
ডক্টর শরিফ সাকি বাংলাদেশ
এনাম হক লন্ডন
এনামূল কবির লিটূ বাংলাদেশ
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ
গাজী আব্দুল গনি বাংলাদেশ
সাবূজা খাতূন বাংলাদেশ
হামিদূল ইসলাম বাংলাদেশ। সাফায়েত হোসেন বাংলাদেশ
কবির আহমেদ মাসূম লন্ডন
আমিনুল ইসলাম লন্ডন
ইশরাত জাহান রিপা
মোহাম্মদ আজাদ দেওয়ান

কুড়িগ্রামে অর্থ সংকটে-চিকিৎসার অভাবে কলেজ কর্মচারীর মৃত্যু

রুহুল আমিন রুকু ,কুড়িগ্রাম। প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫০ এএম
কুড়িগ্রামে অর্থ সংকটে-চিকিৎসার অভাবে কলেজ কর্মচারীর মৃত্যু

 

দীর্ঘ ৬ বছর অতিবাহিত হলেও কুড়িগ্রামে পেনশনের টাকা না পেয়ে অর্থের অভাবে বিনা-চিকিৎসায় গোলজার হোসেন নামে এক কলেজ কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

মৃত গোলজার হোসেন কুড়িগ্রাম মজিদা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অফিস সহায়ক পদে কলেজের জন্মলগ্ন থেকে চাকরি করে আসছিলেন। এবং তিনি গত ১২/০১/২০ইং তারিখে চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হন।

এরপর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড বরাবর গত ২৪/০৮/২০ইং তারিখে অবসরের টাকার জন্য আবেদন করেন। যার ইনডেক্স নং- (607724) এবং আবেদন আইডি নং- (C-895296096), এনআইডি নং- (3706421991)।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, অবসরে যাওয়ার পর তিনি অন্ধ ও বিভিন্ন মানসিক রোগে আক্রান্ত হন। এবং দীর্ঘ ৬ বছর যাবত অবসরের টাকা না পেয়ে চিকিৎসা ও খাওয়ার অভাবে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গত ৩১/০৩/২৬ইং তারিখে তার নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। তার একমাত্র স্ত্রী মোছাঃ জাহানারা বেগম তিনিও দীর্ঘ দেড় বছর ধরে হার্ট স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে বাড়িতে পড়ে আছেন। তিনি দুটি ছেলে ও দুটি মেয়ে রেখে গেছেন। বড় ছেলেটি বাসের হেলপার এবং ছোট ছেলেটি ২০০৭ইং সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। আর মেয়ে দুটির বিয়ে হলে তাদের স্বামীও কয়েক বছর আগে মারা যান। বর্তমানে মেয়ে দুটি স্থানীয় জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরিতে বিড়ি শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সন্তানদের নিয়ে কোন রকমে দিনাতিপাত করছে। বর্তমানে তাদের ১০ জনের সংসারের ব্যয়ভার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

কর্মচারী মৃত গোলজার হোসেন কুড়িগ্রাম শহরের পুরাতন স্টেশন পাড়ার পিতা মৃত অজর মামুদ ও মাতা মৃত গোলজন বেগমের ছেলে। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬৬ বছর।

এলাকাবাসী মোঃ লিমন হোসেন সহ অনেকেই বলেন, মৃত গোলজার হোসেন একজন খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি অবসরের টাকা না পেয়ে দিশেহারা হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার অভাবে মারা যান। এই অবসরের টাকা পেলে হয়তো তিনি এখনো বেঁচে থাকতেন। বর্তমানে টাকার অভাবে তার পরিবারেরও বেহাল অবস্থা দেখার কেউ নেই। অতি কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অবসরের টাকাটা পেলে হয়তো পরিবারটি বেঁচে যাবে। কলেজ কর্তৃপক্ষ যেন এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেন এটাই আমাদের দাবি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম মজিদা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবেদ আলী বলেন, মৃত গোলজার হোসেন কলেজ শুরুর ১৯৮৫ইং সাল থেকে কলেজের পিয়ন পোস্টে চাকরি করেছিলেন এবং গত ২০২০ইং সালে তিনি অবসরে যান। তারপর কল্যাণ এবং অবসরের টাকার জন্য আবেদন করেন। দুঃখজনক কিছুদিন আগে জানতে পারি তিনি মারা যাওয়ার অনেক আগে কল্যাণের টাকা পেলেও অবসরের টাকা এখনো পাননি। আমি কিছু কাগজপত্র সংগ্রহ করতেছি, সেই কাগজপত্র সহ আগামী সপ্তাহে আমি ঢাকায় গিয়ে এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ময়মনসিংহে হজযাত্রীদের হজ প্রশিক্ষণ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৬ এএম
ময়মনসিংহে হজযাত্রীদের হজ প্রশিক্ষণ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত

 

 

ময়মনসিংহে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে গমনেচ্ছু হজযাত্রীদের জন্য হজ প্রশিক্ষণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ০৭ এপ্রিল মংগলবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের আয়োজনে তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বক্তারা হজের বিভিন্ন নিয়ম-কানুন, করণীয়-বর্জনীয় এবং পবিত্র হজ পালনের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে হজযাত্রীদের বিস্তারিত ধারণা দেন। এছাড়াও হজযাত্রার সময় স্বাস্থ্যসচেতনতা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দলগতভাবে দায়িত্বশীল আচরণের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান বলেন, হজ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলার এক মহান শিক্ষা। তিনি বলেন, হজযাত্রীরা যেন সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে পবিত্র হজের প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, হজ পালনের সময় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে সবাইকে নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে এবং সৌদি আরবের আইন-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি হজযাত্রীদের সুস্থ ও নিরাপদভাবে হজ পালন করে দেশে ফিরে আসার জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানান।

প্রশিক্ষণে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত হজযাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!