বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২

ট্রাম্পের আলটিমেটাম, মোজতবার সবুজসংকেত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম | 27 বার পড়া হয়েছে
ট্রাম্পের আলটিমেটাম, মোজতবার সবুজসংকেত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গত সোমবার এক কৌতূহলী ঘটনার কথা জানতে পারেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলটিমেটামের সময় যখন ঘনিয়ে আসছিল, ঠিক তখনই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তাঁর প্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন চুক্তির দিকে এগিয়ে যেতে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো তিনি এমন নির্দেশনা দিলেন বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি ও আঞ্চলিক কর্মকর্তারা।

ট্রাম্প যখন প্রকাশ্যেই ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন, পর্দার আড়ালে তখন চলছিল জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতা। তবে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সূত্রের সদস্যরাও যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত জানতেন না আসলে ঠিক কী ঘটতে যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনী এবং পেন্টাগনের কর্মকর্তারা ট্রাম্পের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করার পাশাপাশি ইরানের অবকাঠামোতে ব্যাপক বোমা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা জানতাম না ঠিক কী হতে যাচ্ছে। পরিস্থিতি ছিল একদম বন্য।’

আঞ্চলিক মিত্ররা ইরানের নজিরবিহীন পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ছিল। ইরানের ভেতরেও কিছু বেসামরিক মানুষ সম্ভাব্য হামলার হাত থেকে বাঁচতে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছিলেন। এগারোটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির শান্ত হওয়ার নেপথ্য কাহিনি সাজানো হয়েছে।

গত সোমবার সকালে হোয়াইট হাউসে যখন ইস্টার সানডের উদযাপন চলছিল, তখন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ অত্যন্ত রাগান্বিত হয়ে ফোনে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি মধ্যস্থতাকারীদের জানান, ইরানের পক্ষ থেকে আসা ১০ দফার প্রস্তাবটি ছিল ‘বিপর্যয় ও মহাবিপদ।’ এরপর শুরু হয় সংশোধনের এক বিশৃঙ্খল দিন। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীরা উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির মধ্যে খসড়া চালাচালি করছিলেন। মিসর ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও চেষ্টা করছিলেন দুই পক্ষের দূরত্ব ঘুচিয়ে আনতে।

সোমবার রাত নাগাদ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির একটি নতুন প্রস্তাবে মার্কিন অনুমোদন পাওয়া যায়। এরপর বিষয়টি খামেনির সিদ্ধান্তের ওপর ঝুলে ছিল, যিনি সোমবার ও মঙ্গলবার পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত গোপনীয় ও শ্রমসাধ্য। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে গুপ্তহত্যার হুমকি থাকায় খামেনি মূলত বার্তাবাহকদের মাধ্যমে চিরকুট পাঠিয়ে যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন।

দুটি সূত্র জানিয়েছে, খামেনির পক্ষ থেকে চুক্তি করার অনুমতি দেওয়াটা ছিল একটি বড় ধরনের ‘ব্রেকথ্রু’ বা অগ্রগতি। আঞ্চলিক সূত্রগুলো বলছে, আরাগচি শুধু আলোচনার টেবিলেই নয়, বরং রেভল্যুশনারি গার্ডের কমান্ডারদেরও চুক্তিতে রাজি করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। চীনও ইরানকে এই সংঘাত থেকে সরে আসার পরামর্শ দিচ্ছিল।

তবে দিনের শেষে সোম ও মঙ্গলবারের সব বড় সিদ্ধান্ত খামেনির হাত দিয়েই এসেছে। ওই আঞ্চলিক সূত্রের দাবি, ‘তাঁর সবুজ সংকেত ছাড়া এই চুক্তি সম্ভব হতো না।’ মঙ্গলবার সকাল নাগাদ অগ্রগতির লক্ষণ স্পষ্ট হলেও ট্রাম্প তাঁর সবচেয়ে ভয়ানক হুমকিটি দেন, ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা মারা যাবে।’

কিছু মার্কিন সংবাদমাধ্যম খবর দেয় যে ইরান আলোচনা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। তবে আলোচনার সঙ্গে যুক্ত সূত্রগুলো জানায়, বিষয়টি তেমন ছিল না বরং পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছিল। ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স হাঙ্গেরি থেকে মূলত পাকিস্তানিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্প ও তাঁর দলের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগে ছিলেন, যদিও ইসরায়েলিরা শঙ্কিত ছিল যে তারা পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে।

মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ দুই পক্ষ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে একমত হয়। এর তিন ঘণ্টা পর পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক্স হ্যান্ডেলে চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ করেন এবং উভয় পক্ষকে তা গ্রহণের আহ্বান জানান। এর পরপরই ট্রাম্পের কট্টরপন্থী মিত্র ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে ফোন ও মেসেজ দিয়ে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে চাপ দিতে থাকেন। এমনকি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠরাও বিভ্রান্ত ছিলেন। ট্রাম্প পোস্ট করার এক-দুই ঘণ্টা আগেও অনেকে বিশ্বাস করতেন যে তিনি যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করবেন।

অবশেষে পোস্ট করার কিছুক্ষণ আগে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার প্রতিশ্রুতি নেন। এরপর তিনি পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে কথা বলে চুক্তিটি চূড়ান্ত করেন। ট্রাম্পের পোস্টের ১৫ মিনিট পর মার্কিন বাহিনীকে অভিযান বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরাগচি পরে জানান, ইরান যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে এবং তাদের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় সাপেক্ষে জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করে দেবে।

ইরান আসলে কতটুকু জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেবে বা নেতানিয়াহু কতদিন এই যুদ্ধবিরতি মেনে চলবেন, তা এখনো দেখার বিষয়। এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, নেতানিয়াহুকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে—শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র চাপ দেবে যেন ইরান পারমাণবিক উপাদান ত্যাগ করে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করে এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি থেকে সরে আসে।

আগামী শুক্রবার পাকিস্তানে হতে যাওয়া আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন সম্ভবত ভ্যান্স। এটি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হতে যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে এখনো বড় ফাঁক রয়ে গেছে, যার ফলে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে তাঁরা ট্রাম্পের ধ্বংসাত্মক হুমকির যারা সমালোচনা করেছিলেন, তাদের একহাত নেবেন। তাদের যুক্তি হবে, ট্রাম্পের হুমকির কারণেই এই চুক্তি সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে ইরান ঠিক এর উল্টো যুক্তি দিচ্ছে, তবে তারা হয়তো ভাবছে ট্রাম্পের হুমকি সত্যিই শেষ হয়েছে কি না।

তথ্যসূত্র: অ্যাক্সিওস

 

পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

মোজাম্মেল হক :বীরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৬ এএম
পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

:দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপ

পারিবারিক আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে শর্তসাপেক্ষে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার রবার্ট কমল সরকার, প্রোগ্রাম অফিসার ডরিস লিয়া হাসদা এবং লাইভলি হুড টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট তাহমিদুর রহমান।

প্রোগ্রামে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং নিজপাড়া পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আনিস এবং বলরামপুর গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মিলন হোসেন।

কর্মসূচির আওতায় চলতি বছরে নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭০ টি নিবন্ধিত হতদরিদ্র পরিবারকে পরিবার প্রতি ১০,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এতে মোট ৭ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, এই সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারগুলোর স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

ঢাকা থেকে দিনাজপুর দৌড়ে জিরো পয়েন্ট স্পর্শকারী ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবকে গণ সংবর্ধনা প্রদান

মো:মেহেদী হাসান ফুয়াদ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
ঢাকা থেকে দিনাজপুর দৌড়ে জিরো পয়েন্ট স্পর্শকারী ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবকে গণ সংবর্ধনা প্রদান

 

“মাদকের বিরুদ্ধে এসো দৌড়াই” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে যমুনা নদী সাঁতরে পাড়ি দিয়ে দিনাজপুর জিরো পয়েন্টে ম্যারাথন দৌড়ে পৌঁছানো মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাকিব ও তার সঙ্গে থাকা সহযাত্রী সাইকেলিস্ট মোঃ রাব্বিকে গণ সংবর্ধনা দিয়েছে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস ‌।

৮ এপ্রিল-২০২৬ বুধবার বিকেলে দিনাজপুর ঐতিহাসিক গোর এ শহীদ বড় ময়দানে (কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন) পাটোয়ারী বিজনেস হাউজ (প্রাঃ) লিমিটেড এর সার্বিক সহযোগিতায় ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে(যমুনা নদী সাঁতরে) দিনাজপুর জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী তরুণ এই ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবের গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ও ফুল দিয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন।

এছাড়াও ২ এপ্রিল ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে ৮ এপ্রিল বুধবার দিনাজপুর জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ পথ দৌড়ে পাড়ি দেওয়া মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাকিবের গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ফুল দিয়ে বরণ ও উপহার প্রদান করেন এবং বক্তব্য রাখেন পাটোয়ারী বিজনেস হাউজ (প্রাঃ) লিমিটেড এর
ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন, দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ মোকাররম হোসেন, সহ-সভাপতি মোঃ খালেকুজ্জামান বাবু, দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও ক্রীড়া সংগঠক মোঃ রেহাতুল ইসলাম খোকাসহ খেলোয়াড়-সংগঠক-শাকিবের পরিবারবর্গ এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, দিনাজপুর জেলা শহরের রামনগর মহল্লার বাসিন্দা ক্রিয়া প্রতিভা সাকিবের সাহসী উদ্যোগের নেপথ্যে পূর্ণ সমর্থন ও স্পনসরশিপ প্রদান করেছেন দেশের অন্যতম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পাটোয়ারী বিজনেজ হাউস। সাকিবের এই অদম্য স্পৃহা এবং ক্রীড়া নৈপুণ্যকে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতেই এই পৃষ্ঠপোষকতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র শহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন।

এদিকে ঢাকা থেকে দিনাজপুর দৌড়ে বুধবার বিকেল আনুমানিক চারটায় জিরো পয়েন্ট স্পর্শকারী ক্রীড়া প্রতিভা সাকিবকে সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন , স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা উপস্থিত থেকে এই তরুণ অ্যাথলেটকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

সাকিবের এই সাফল্য সম্পর্কে পাটোয়ারী বিজনেস হাউসের পক্ষ থেকে মুখপাত্র শহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন জানান , তারা সব সময় তরুণদের প্রতিভা বিকাশে কাজ করতে আগ্রহী এবং সাকিবের এই অর্জন দেশের যুবসমাজের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন বিশিষ্ট ধারাভাষ্যকার মোহাম্মদ রফিক।

পাহাড় কেটে লেক তৈরির চেষ্টা, এক্সক্যাভেটর জব্দ

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ এএম
পাহাড় কেটে লেক তৈরির চেষ্টা, এক্সক্যাভেটর জব্দ

 

প্রায় ১৫ একর জায়গাজুড়ে প্রকৃতির রূপ পাহাড়। উচ্চতায় প্রায় দুই শ ফুট। এ পাহাড় কেটে তৈরি করা হচ্ছিল লেক। পাহাড়ের মাটিও বিক্রি করা হচ্ছিল বিভিন্ন জায়গায়। খবর পেয়েই অভিযানে নামে প্রশাসন। এরপর ওই এলাকায় গিয়ে দুটি এক্সক্যাভেটর (খননযন্ত্র) জব্দ করা হয়।

গত ৫ এপ্রিল রোববার দুপুরে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়নের খাড়িছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাদিজা তাহিরা এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চলতি বছরেই এলাকায় অন্তত আটটি বড় পাহাড় পুরো কেটে ফেলা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় রাতের অন্ধকারে এমন তৎপরতা বেশি চলে। তবে স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
খাড়িছড়া এলাকায় যে পাহাড় কাটা হচ্ছিল, এটি ওই এলাকার মো. মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তির দখলে ছিল। তিনি সেখানে মাছ চাষের জন্য একটি লেক তৈরি করছিলেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা ভূঁইয়া বলেন, পাহাড়টি খাসজমি। তবে খাস বা ব্যক্তিমালিকানাধীন—যা–ই হোক, পাহাড় কাটা যাবে না। সেখানে মাছের প্রকল্প হচ্ছিল বলে তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে মনির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহিরা বলেন, এলাকায় বেশ কয়েকটি পাহাড় কাটার আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুটি এক্সক্যাভেটর জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অভিযানকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রিয়লাল চাকমা, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবদুল মান্নান, মানিকছড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তারেকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

error: Content is protected !!