রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২

মহানবমী আজ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:০৩ পিএম | 84 বার পড়া হয়েছে
মহানবমী আজ

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ। মণ্ডপে-মণ্ডপে বিদায়ের সুর। আগামীকাল বিজয়া দশমির মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।

পঞ্জিকানুযায়ী আজ শনিবার মহানবমী পূজা। অনেকের বিশ্বাস, মহানবমীর দিন হচ্ছে দেবী দুর্গাকে প্রাণ ভরে দেখে নেওয়ার ক্ষণ। এদিন অগ্নিকে প্রতীক করে সব দেবদেবীকে আহুতি দেওয়া হয়।

এদিন সন্ধ্যায় দেবীদুর্গার ‘মহাআরতি’ করা হয়। মহানবমীতে বলিদান ও নবমী হোমের রীতি রয়েছে। মূলত ‘সন্ধিপূজা’ শেষ হলে শুরু হয় মহানবমী। আজ ১০৮টি নীলপদ্মে পূজা হবে দেবীদুর্গার। পূজা শেষে যথারীতি থাকবে অঞ্জলি নিবেদন ও প্রসাদ বিতরণ। মণ্ডপে মণ্ডপে প্রাণের উৎসবে ভক্তদের মাঝে বইবে বিষাদের সুর।

এদিনেই সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়ে থাকে পূজামণ্ডপগুলোতে।

নবমী তিথি শুরুই হয় সন্ধিপূজা দিয়ে। সন্ধিপূজা হয় অষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট ও নবমীর সূচনার প্রথম ২৪ মিনিট জুড়ে। মূলত দেবী চামুন্ডার পূজা হয় এই সময়ে। ১০৮টি মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে ১০৮টি পদ্মফুল নিবেদন করা হয় দেবীর চরণে। আর ঠিক এই কারণে পূজার মন্ত্রেও সেই বিশেষত্ব উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া শারদীয় এ দুর্গোৎসবের আর শেষ হবে আগামীকাল রোববার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।

এদিকে, শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে অঞ্জলি আর কুমারী পূজার আয়োজনে সুগন্ধি চন্দন, পুষ্পমালা, ধূপদীপে সমারোহে উদযাপিত হয়েছে মহাষ্টমীর অর্চনা।

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষ্টমীর দিনে শুক্রবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কুমারীপূজা উদযাপিত হয়েছে। রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারীপূজা দেখতে রীতিমতো ভক্তদের ঢল নামে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শুক্রবার কুমারী পূজায় আশীর্বাদ ও প্রার্থনা করতে রাজধানীসহ দেশের জেলা-উপজেলা শহরের মণ্ডপে-মণ্ডপে ভিড় করেন। রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে সকাল সাড়ে ১০টায় কুমারীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।

কুমারীপূজা দেখতে সকাল থেকেই রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠে ভিড় জমান হাজার-হাজার পুণ্যার্থী। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্যে দীর্ঘলাইন ধরে প্রবেশ করতে হয়েছে এখানে। দুর্গাভক্তরা কুমারী মায়ের আরাধনায় মণ্ডপের সামনে উলুধ্বনি দিয়েছেন। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনিতে পুরো মঠ, মিশন এলাকায় ছড়িয়ে যায় শারদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ।

গঙ্গাজল, শুদ্ধ বস্ত্র আর পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র- নিয়ে সবার মঙ্গল কামনার মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে চলে অঞ্জলি দেয়ার আচার-আচরণ।

কুমারী পূজার বৈশিষ্ট্য হলো, কুমারীকে পূজা করার সময় দেখা হয় না তার ধর্ম, জাত-পাত। এখনো ঋতুবর্তী হয়নি, এমন এক থেকে ১৬ বছর বয়সী যে কোনো মেয়েই কুমারীরূপে পূজিত হতে পারে।

দেবীদুর্গা সব নারীর মধ্যে মাতৃরূপে আছেন, এ উপলব্ধি সবার মধ্যে জাগ্রত করার জন্যই কুমারীপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ১৬ বছর পর্যন্ত কুমারীর মধ্যে মাতৃভাব প্রতিষ্ঠাই এ পূজার মূল লক্ষ্য। পরে অনুষ্ঠিত সন্ধিপূজায় ১০৮টি মাটির প্রদীপ ও ১০৮টি পদ্মফুল উৎসর্গ করে দেবীর পূজা করা হয়।

কিশোরী কন্যাকে দেবীর আসনে বসিয়ে মাতৃরূপে পূজা-অর্চনা করা হয়। শঙ্খের ধ্বনি, কাঁসর ঘণ্টা, ঢাকের বাদ্য, উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে কুমারী মাকে পুষ্পমাল্য পরিয়ে দেয়া হয়। অষ্টমী তিথির পূজা শেষে হয় কুমারী পূজা।

মূলত কুমারী পূজার ১৬ উপকরণ দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতার সূত্রপাত। শুরুতেই গঙ্গাজল ছিটিয়ে কুমারী মাকে পরিপূর্ণ শুদ্ধ করে তোলা হয়। এরপর কুমারী মার চরণযুগল ধুয়ে তাকে বিশেষ অর্ঘ্য দেওয়া হয়। অর্ঘ্যের শঙ্খপাত্র সাজানো হয় গঙ্গাজল, বেলপাতা, আতপচাল, চন্দন, পুষ্প ও দূর্বাঘাস দিয়ে। অর্ঘ্য দেওয়ার পর দেবীর গলায় পরানো হয় পুষ্পমাল্য। এরপর অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বায়ু এই পাঁচ উপকরণ দেওয়া হয় কুমারীপূজাতে।

শাস্ত্রমতে, কোলাসুরকে বধ করার মধ্য দিয়ে কুমারী পূজার উদ্ভব। বর্ণিত রয়েছে- কোলাসুর এক সময় স্বর্গ-মর্ত্য অধিকার করায় বাকি বিপন্ন দেবগণ মহাকালীর শরণাপন্ন হন। সেই সব দেবগণের আবেদনে সাড়া দিয়ে দেবী পুণর্জন্মে কুমারীরূপে কোলাসুরকে বধ করেন।

এরপর থেকেই মর্ত্যে কুমারী পূজার প্রচলন হয়।

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন ওবায়দুল হক নাসির

স্টাফ রিপোর্টার: রিমন হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন ওবায়দুল হক নাসির

সারা দেশের ১১টি সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক বসানোর পর এবার দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে। দ্রুতই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সাধারণত জেলা পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেন।

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন এস এম ওবায়দুল হক নাসির। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন থেকে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রতিকের প্রার্থী ছিলেন। প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে এস এম ওবায়দুল হক নাসির বিএনপির বহিস্কৃত বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী সাবেক এমপি ও প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদের কাছে পরাজিত হন।

এই আসনে লুৎফর রহমান খান আজাদ এক লাখ ৬ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। আর বিএনপির (ধানের শীষ) প্রতিকের প্রার্থী এস এম ওবায়দুল হক নাসির ৮১ হাজার ৭৩৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।

সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করছে সরকার। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে।

স্বামীর আবদারে গেঞ্জি পরে টিকটক: অতঃপর ডিভোর্স

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
স্বামীর আবদারে গেঞ্জি পরে টিকটক: অতঃপর ডিভোর্স

সমাজ কোন দিকে যাচ্ছে?
​সোশ্যাল মিডিয়া বর্তমানে অনেকের কাছে বিনোদন বা উপার্জনের সহজ পথ হলেও, এই উপার্জনের নেশা যখন নৈতিকতার সীমা ছাড়িয়ে যায়,
তখন তা ধ্বংস করে দেয় একটি সাজানো সংসার। সম্প্রতি এক গৃহবধূর জবানবন্দিতে উঠে এসেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির মানুষের ভয়াবহ নৈতিক অবক্ষয়ের গল্প।
​ঘটনার আড়ালে থাকা অন্ধকার দিক:।
​স্বামী যখন দালাল: স্ত্রী অভিযোগ করেছেন, তাঁর স্বামী নিজেই তাঁকে স্বল্প পোশাকে (গেঞ্জি পরে) ভিডিও করতে বাধ্য করতেন। উদ্দেশ্য একটাই—ভিডিও ভাইরাল করে টাকা উপার্জন করা।
​নেশার জন্য হাহাকার: উপার্জিত সেই অর্থ কোনো ভালো কাজে নয়, বরং স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে নেশা করার জন্য ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল স্বামীর। সতিত্ব ও শালীনতা বিসর্জন দিয়ে মাদক কেনাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য।
​ভণ্ডামির চরম সীমা:
শ্বশুরবাড়ির লোকজন (বোন) নিজেকে ‘মাওলানা’ পরিচয় দিলেও পর্দার আড়ালে তাঁরাই আবার ওড়না ছাড়া ভিডিও বানাতে বাধ্য করতেন। ধর্মের লেবাস পরে এমন অনৈতিক কাজ সমাজের জন্য এক বড় চড়।
​ডিভোর্স ও ব্ল্যাকমেইল: এই অসংলগ্ন জীবনের প্রতিবাদ করলে বা দূরত্ব তৈরি হলে নেমে আসে ডিভোর্সের খড়গ। এমনকি ফেক আইডি খুলে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার মতো নোংরা হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।
​আমাদের সামাজিক পচন:
এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, সমাজে এখন ‘সফলতা’ মানে শুধুই টাকা, তা যে পথেই আসুক না কেন। যখন একজন স্বামী তাঁর স্ত্রীকে অর্থ
উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন, তখন সেই সংসারে শ্রদ্ধাবোধের কোনো স্থান থাকে না। সস্তা জনপ্রিয়তার এই সংস্কৃতি আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা দিচ্ছে।

অসহায় প্রবাসীর স্ত্রীর আর্তনাদ

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে দুই বছর মেলামেশা: চাকরি পেতেই দেবর এখন অচেনা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে দুই বছর মেলামেশা: চাকরি পেতেই দেবর এখন অচেনা

গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে উঠেছে প্রতারণা ও শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ।
ভুক্তভোগী এক নারী, যাঁর স্বামী গত চার বছর ধরে জেলখানায়, তাঁর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে খোদ নিজের দেবর আশরাফ শেখ (পিতা: হাবিব শেখ) ঘটিয়েছেন এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা।
​বিশ্বাসঘাতকতার নীল নকশা:
​সহযোগিতার ছলে প্রতারণা:
স্বামীর অনুপস্থিতিতে দেবর আশরাফ ওই নারীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত দুই বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ওই নারীর দাবি, আশরাফ তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন চাকরি পেলেই তিনি বিয়ে করে ঘরে তুলবেন।
​চাকরি পেতেই ভোলবদল:
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পর থেকেই আশরাফের আচরণ বদলে যায়। তিনি ওই নারীকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন এবং মোবাইলে থাকা সম্পর্কের সব প্রমাণ ডিলিট করে দেন।
​শ্বশুরবাড়ি ও দেবরের পরিবারের অমানবিকতা: নিজের অধিকার দাবি করতে গেলে ওই নারীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।
এমনকি আশরাফের বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখানে তাঁর শ্বশুর হাবিব শেখ ও পরিবারের সদস্যরা মিলে ওই নারীকে রাতভর আটকে রেখে অকথ্য গালিগালাজ ও মারধর করে।
​মরার ওপর খাঁড়ার ঘা:
ভুক্তভোগী নারী জানান, তাঁকে বাড়ি থেকে তাড়াতে একের পর এক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এমনকি তিনি যখন তাঁর অধিকারের জন্য আশরাফের ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তাঁকে ‘চোর’ সাজিয়ে বা আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টাও করা হচ্ছে।
​আইনি প্রেক্ষাপট:
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করা ‘ধর্ষণ’ বা ‘প্রতারণার’ আওতায় পড়ে। এছাড়া ওই নারীর গায়ে হাত তোলা এবং তাঁকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা ফৌজদারি অপরাধ।

error: Content is protected !!