বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২

মইনুর রশীদ চৌধুরীকে হত্যার নিখুত পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম | 38 বার পড়া হয়েছে
মইনুর রশীদ চৌধুরীকে হত্যার নিখুত পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনী সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার মহাসচিব মইনুর রশীদ চৌধুরীকে নিখুত ভাবে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে জানা যায়।

তথ্য মতে জানা যায়,বিগত কিছু দিন পুর্বে ১২/ডি ব্লকের আওয়ামী লীগ নেতা এস এম নিজামুদ্দিনের বিশেষ পরিকল্পনায় সন্ত্রাসীদের টার্গেটে ছিলেন মইনুর রশীদ চৌধুরী।
উক্ত নিজাম ও জাকির প্রায় চার মাস পুর্বে অত্র সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে।একই সাথে যাওয়া আসার মধ্যে নিজামের সখ্যতা গড়ে ওঠে জাকিরের সাথে।
জাকিরকে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে সহযোগীতা করতে থাকে নিজাম।জাকির অবৈধ পথে বিভিন্ন রাষ্ট্রে লোক পাঠানোর অভিযোগ প্রমানীত হওয়ায় তাকে ও নিজামকে গত ০৫/০১/২০২৬ তারিখে সংস্থা থেকে বহিস্কার করা হয়,
জাকিরের প্রতারনা বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে চিঠি প্রেরন করেন মইনুর রশীদ চৌধুরী।
এতে ক্ষিপ্ত হইয়া জাকিরকে সাথে নিয়ে মইনুর রশীদ চৌধুরীকে হত্যার নীল নকশা তৈরী করে নিজাম,
যেমন কথা তেমন কাজ।
নিজাম ১২নং এর স্হানীয় বাসিন্দা ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।
আন্ডার ওয়াল্ডের সন্ত্রাসীদের সাথে রয়েছে তার সু সম্পর্ক তার ই ধারাবাহিকতায় প্রায় ৪০দিন পুর্বে নিজাম প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে মীরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মুন্নাকে গ্রেফতার করাইয়া মইনুর রশীদের নামে প্রচার করে। সন্ত্রাসীদের অন্যান্য মুখোশ ধারী সদস্যদের সাথে নিয়ে মইনুর রশীদ চৌধুরীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনী সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার মীরপুর কার্যালয়ের রুপ নগর অফিসে যায় তার,
কিন্তু রাখে আল্লাহ মারে কে।
মইনুর রশীদ চৌধুরী তখন অফিসে ছিলেন না,তার আশ্রয়ে আশ্রিত পথ শিশু ও বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের আশ্রমে অবস্থান করছিলেন তিনি,
পরে অফিসের পিয়ন মিজান কতৃক খবর পাইয়া রুপ নগর থানায় একটি জিডি এন্ট্রি করেন যার
নং-১৬৭৫/৩০,তদন্ত চলমান।
বর্তমানে জাকির ও নিজাম বিভিন্ন অডিও ও ভিডিওর ক্লিপ এর মাধ্যেমে মহাসচিব মইনুর রশীদ চৌধুরীকে অশ্লীল গালা গালী ও প্রান নাশের হুমকী দিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।সকল প্রমানাধী সহ গত ১৫/০৩/২০২৬ইং তারিখ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবরে জীবনের নিরাপত্তা চাহিয়া একটি আবেদন করেন মইনুর রশীদ চৌধুরী।
এস এম নিজাম উদ্দিন ১২/ডি ব্লকের, লেন-৪/এ,রোড-২/এ এর ১০২নং এর স্হায়ী বাসিন্দা ও শেখ জামাল উদ্দিনের ছেলে বলে জানা যায়,পাশা পাশি সে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২ নং ওয়ার্ডের ৬ নং ইউনিটের সাধারন সম্পাদক বলে জানা যায়,
সেই সাথে জাকিরের এলাকায় খবর নিয়ে জানা যায় সে দীর্ঘ দিন এলাকার মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা পয়সা আত্বসাৎ করে পলাতক,তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় মামলা রয়েছে মইনুর রশীদ চৌধুরী ও ঢাকা আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা দ্বায়ের করেছেন,যার মামলা নং ৬৯৯/২০২৬,
মামলা আদালত গ্রহন করেন,
ইতিমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত বলে জানা যায়।

পীরগঞ্জ খেঁকিডাঙ্গায় এখনো পৌঁছায়নি বিদ্যুতের আলো,  দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার

মো: রেজাউল করিম, জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
পীরগঞ্জ খেঁকিডাঙ্গায় এখনো পৌঁছায়নি বিদ্যুতের আলো,   দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ১১নং বৈরচুনা ইউনিয়নের জগন্নাথপুর খেঁকিডাঙ্গা এলাকায় এখনো পৌঁছায়নি বিদ্যুতের সেবা। স্বাধীনতার বহু বছর পরও এ এলাকার প্রায় শতাধিক পরিবার বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে ঐতিহ্যবাহী খেঁকিডাঙ্গা খেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করা হয়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আশার সঞ্চার হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হয়নি। ফলে খুঁটি বসানোর পরও বাস্তবে কোনো সুফল পাননি গ্রামবাসী

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যুৎ সংযোগের দাবিতে তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এতে করে শিশুদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, সন্ধ্যার পর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ছে এবং কৃষিকাজেও নানামুখী সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা রাতে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। অনেক পরিবারকে কুপিবাতি বা বিকল্প স্বল্পসুবিধার আলো ব্যবহার করতে হচ্ছে। এছাড়া কৃষি নির্ভর এ এলাকায় আধুনিক সেচ ও অন্যান্য কাজেও বিদ্যুতের অভাব বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, একটি উন্নয়নশীল দেশে এখনো বিদ্যুতবিহীন অবস্থায় জীবনযাপন করা অত্যন্ত কষ্টকর। তারা দ্রুত জগন্নাথপুর খেঁকিডাঙ্গা এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, নতুন সরকারের সদয় দৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে বহুদিনের এ ভোগান্তির অবসান হবে এবং খেঁকিডাঙ্গা গ্রামের মানুষও বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হবে।

মুক্তাগাছায় জুয়া ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ১৩ জন গ্রেফতার

ডাঃ মোঃ আবুল কালাম জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৫ পিএম
মুক্তাগাছায় জুয়া ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ১৩ জন গ্রেফতার

মুক্তাগাছায় পুলিশের পৃথক অভিযানে জুয়া খেলা এবং জনবিরক্তি সৃষ্টির অভিযোগে মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ।

‎পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বানিয়াবাড়ী এলাকার একটি ধানক্ষেতে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলার সময় ৬ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। আটককৃতরা হলেন- মোঃ রাসেল (৩৮), পিতা-আবু বক্কর সিদ্দিক, গ্রাম- বন্দগোয়ালিয়া, মোঃ রমজান আলী (৩০), পিতা-কাদেম আলী, শফিকুল ইসলাম (৩৭), পিতা-হামেদ আলী ফকির, উভয় গ্রাম- বানিয়াবাড়ি,  নাজমুল ইসলাম (৩০), পিতা-আবু বক্কর সিদ্দিক, গ্রাম- রহিমবাড়ি, মোঃ দুদু মিয়া (৪০), পিতা-মৃত আঃ খালেক, গ্রাম- যাত্রাটি, এবং আনোয়ারুল ইসলাম (২৭), পিতা-আইয়ুব আলী, গ্রাম- হায়দারপুর, সর্ব থানা- মুক্তাগাছা, জেলা- ময়মনসিংহ। এ সময় তাদের কাছ থেকে জুয়ার সরঞ্জাম এবং নগদ ৭৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

‎একই রাতে বানিয়াকাজী বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৬ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- মোঃ সোরহাব আলী (৫৫), পিতা- মৃত মোহাম্মদ আলী, ইদ্রিস আলী (৫২), পিতা- মৃত ইসমাইল, মোঃ রতন (৫৫), পিতা-মৃত সফর আলী ফকির, নাজমুল হোসেন (৩২), পিতা- মৃত হাসমত আলী, আরিফ রব্বানি (২২), পিতা- হেলাল এবং ইস্রাফিল (৩৮), পিতা- মৃত আবুল কালাম, সর্বগ্রাম- বানিয়াকাজী, থানা- মুক্তাগাছা, জেলা- ময়মনসিংহ। তাদের কাছ থেকেও জুয়ার সরঞ্জামসহ নগদ ৬১০ টাকা জব্দ করা হয়।

‎অন্যদিকে, পৃথক অভিযানে মুক্তাগাছা নতুন বাজার এলাকায় জনবিরক্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে মোঃ জাকারিয়া (২৩), পিতা- মোঃ সোহরাব হোসেন, গ্রাম- পয়ারকান্দি, থানা- মুক্তাগাছা, জেলা- ময়মনসিংহ নামে এক যুবককে আটক করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনের ৪ ধারা এবং পুলিশ আইনের ৩৪(৬) ধারায় পৃথক তিনটি নন-এফআইআর প্রসিকিউশন দায়ের করে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

‎এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মুক্তাগাছা থানার ওসি (তদন্ত) জুলুস খান বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ফেনীতে মানবাধিকার সংগঠনের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৩ পিএম
ফেনীতে মানবাধিকার সংগঠনের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী

নতুন সদস্যদের পরিচিতি, মানবাধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

ফেনীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার উদ্যোগে জমকালো পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদুল ফিতর পুনর্মিলনী ও নতুন সদস্য পরিচিতি সভা।

শহরের সৌদিয়া হোটেলের দ্বিতীয় তলায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংস্থার নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সহকারী যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ হানিফ।

পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মাওলানা দেলোয়ার হোসেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ নুর ইসলাম ও রবিউল আলম মিটু। আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলার সভাপতি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মাস্টার আবুল কাশেম।

তিনি তার বক্তব্যে মানবাধিকার রক্ষায় সংগঠনের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সমাজে অবহেলিত, নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের সংখ্যা কম নয়। তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা কেবল দায়িত্ব নয়, এটি একটি নৈতিক কর্তব্য—যা প্রতিটি সচেতন নাগরিকের পালন করা উচিত।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেনী জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি শামসুল হক চৌধুরী তিনি শিক্ষার মাধ্যমে মানবাধিকার সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, একটি শিক্ষিত সমাজই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে পারে।

তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। নতুন প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে শিক্ষক সমাজের সক্রিয় ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

আরেক বিশেষ অতিথি আলাউদ্দিন ভূঁইয়া তার বক্তব্যে বলেন, মানবাধিকার কেবল একটি শব্দ নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।

তিনি সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহকারী পরিচালক হাফেজ বরকত উল্ল্যাহ বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবাধিকার একে অপরের পরিপূরক। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামসহ সকল ধর্মেই মানবাধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা সম্ভব বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন। সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ফেনী সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডাক্তার কামরুজ্জামান জিকু, এডভোকেট রোমানা আক্তার নিপু এবং নারী ও শিশু নির্যাতন ব্যুরোর প্রধান রোকসানা আক্তার সুমি।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। পাশাপাশি আইনি সহায়তা সহজলভ্য করা এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

সভায় নতুন সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, যা ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণীয় অংশ।

নবাগত সদস্যদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ হানিফ সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, নতুন সদস্যদের সম্পৃক্ততা সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, প্রতিটি সদস্য মানবাধিকার বিষয়ে নিজে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে ভূমিকা রাখবেন।

তিনি বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার ফেনী জেলা শাখার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী, তথ্য অফিসার আলা উদ্দিন ভুঁইয়া, জেলা তথ্য অফিসার ওসমান, ফেনী পৌর সভাপতি উসমান গনীসহ দাগনভূঞা, ফুলগাজী ও সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যবৃন্দ।

এছাড়াও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
ঈদ পুনর্মিলনীর অংশ হিসেবে উপস্থিত অতিথিরা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এতে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা পুরো অনুষ্ঠানে এক বিশেষ মাত্রা যোগ করে।

অংশগ্রহণকারীরা এ আয়োজনকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এমন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি ছিল সুশৃঙ্খল, প্রাণবন্ত ও সফল। মানবাধিকার রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

error: Content is protected !!