মইনুর রশীদ চৌধুরীকে হত্যার নিখুত পরিকল্পনা
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনী সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার মহাসচিব মইনুর রশীদ চৌধুরীকে নিখুত ভাবে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে জানা যায়।
তথ্য মতে জানা যায়,বিগত কিছু দিন পুর্বে ১২/ডি ব্লকের আওয়ামী লীগ নেতা এস এম নিজামুদ্দিনের বিশেষ পরিকল্পনায় সন্ত্রাসীদের টার্গেটে ছিলেন মইনুর রশীদ চৌধুরী।
উক্ত নিজাম ও জাকির প্রায় চার মাস পুর্বে অত্র সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে।একই সাথে যাওয়া আসার মধ্যে নিজামের সখ্যতা গড়ে ওঠে জাকিরের সাথে।
জাকিরকে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে সহযোগীতা করতে থাকে নিজাম।জাকির অবৈধ পথে বিভিন্ন রাষ্ট্রে লোক পাঠানোর অভিযোগ প্রমানীত হওয়ায় তাকে ও নিজামকে গত ০৫/০১/২০২৬ তারিখে সংস্থা থেকে বহিস্কার করা হয়,
জাকিরের প্রতারনা বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে চিঠি প্রেরন করেন মইনুর রশীদ চৌধুরী।
এতে ক্ষিপ্ত হইয়া জাকিরকে সাথে নিয়ে মইনুর রশীদ চৌধুরীকে হত্যার নীল নকশা তৈরী করে নিজাম,
যেমন কথা তেমন কাজ।
নিজাম ১২নং এর স্হানীয় বাসিন্দা ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।
আন্ডার ওয়াল্ডের সন্ত্রাসীদের সাথে রয়েছে তার সু সম্পর্ক তার ই ধারাবাহিকতায় প্রায় ৪০দিন পুর্বে নিজাম প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে মীরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মুন্নাকে গ্রেফতার করাইয়া মইনুর রশীদের নামে প্রচার করে। সন্ত্রাসীদের অন্যান্য মুখোশ ধারী সদস্যদের সাথে নিয়ে মইনুর রশীদ চৌধুরীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনী সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার মীরপুর কার্যালয়ের রুপ নগর অফিসে যায় তার,
কিন্তু রাখে আল্লাহ মারে কে।
মইনুর রশীদ চৌধুরী তখন অফিসে ছিলেন না,তার আশ্রয়ে আশ্রিত পথ শিশু ও বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের আশ্রমে অবস্থান করছিলেন তিনি,
পরে অফিসের পিয়ন মিজান কতৃক খবর পাইয়া রুপ নগর থানায় একটি জিডি এন্ট্রি করেন যার
নং-১৬৭৫/৩০,তদন্ত চলমান।
বর্তমানে জাকির ও নিজাম বিভিন্ন অডিও ও ভিডিওর ক্লিপ এর মাধ্যেমে মহাসচিব মইনুর রশীদ চৌধুরীকে অশ্লীল গালা গালী ও প্রান নাশের হুমকী দিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।সকল প্রমানাধী সহ গত ১৫/০৩/২০২৬ইং তারিখ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবরে জীবনের নিরাপত্তা চাহিয়া একটি আবেদন করেন মইনুর রশীদ চৌধুরী।
এস এম নিজাম উদ্দিন ১২/ডি ব্লকের, লেন-৪/এ,রোড-২/এ এর ১০২নং এর স্হায়ী বাসিন্দা ও শেখ জামাল উদ্দিনের ছেলে বলে জানা যায়,পাশা পাশি সে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২ নং ওয়ার্ডের ৬ নং ইউনিটের সাধারন সম্পাদক বলে জানা যায়,
সেই সাথে জাকিরের এলাকায় খবর নিয়ে জানা যায় সে দীর্ঘ দিন এলাকার মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা পয়সা আত্বসাৎ করে পলাতক,তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় মামলা রয়েছে মইনুর রশীদ চৌধুরী ও ঢাকা আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা দ্বায়ের করেছেন,যার মামলা নং ৬৯৯/২০২৬,
মামলা আদালত গ্রহন করেন,
ইতিমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত বলে জানা যায়।








