সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

নোয়াখালীর যুবলীগ নেতা ফটিকছড়িতে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম | 36 বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর যুবলীগ নেতা ফটিকছড়িতে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার

নোয়াখালীতে অপহরণের শিকার যুবলীগ নেতাকে চার লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ৬ দিন পর উদ্ধার করতে সম্ভব হয়েছে।

ঈদুল ফিতরের পরের দিন (২২ মার্চ রবিবার) ভোররাত ৪ টার দিকে চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি সড়কের পাশে থেকে তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
এর আগে (২১ মার্চ শনিবার) রাত ১০.৪০ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি সড়কের পাশে অপহরণের শিকার আলা উদ্দিনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পকেটে মোবাইলের সুত্র ধরে বাড়িতে কল করে জানায় স্থানীয় এক দোকানী। এর আগে গত (১৭ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ২ ঘটিকা থেকে চট্টগ্রামের অলন্কার কলেজ সড়ক থেকে অপহরণের হন এওজবালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মোঃ আলা উদ্দিন। অপহরণের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি করেও আর কোন সন্ধান পায়নি তার পরিবার।

আলা উদ্দিনের সন্ধান পেয়ে তার স্ত্রী, ভায়রা ও ভগ্নিপতিগন তাকে উদ্ধারের উদ্দেশ্যে রাত ১২ টার দিকে এম্বুল্যান্স নিয়ে রওনা দিয়ে ভোররাত ৪ টার দিকে লোকেশন অনুযায়ী
ঘটনাস্থল থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
এর আগে অপহরণকারীরা আলা উদ্দিন কে জিম্মি করে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ হিসেবে পরিবার থেকে আদায় করেছে। উদ্ধারের পর তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। পরিবারের তত্ত্বাবধানে গ্রামের বাড়িতে এখন তার প্রাথমিক চিকিৎসা চলছে।
যুবলীগ নেতা মোঃ আলা উদ্দিনের স্ত্রী রুমি আক্তার অভিযোগ করে আরও বলেন, অপহরণের পর আমার স্বামীর ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার থেকে কল করে অসংখ্য বার আমার কাছে মুক্তিপণ হিসেবে দশ লক্ষ টাকা দাবি করে অপহরণকারীরা। আমার স্বামী আলা উদ্দিন স্থানীয় যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। এটাই তার অপরাধ।
স্থানীয় ৮নং এওজবালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল হোসেন গণমাধ্যম কর্মীদর বলেন, আলা উদ্দিন আওয়ামী যুবলীগের লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। বলা যায় একনিষ্ঠ নেতা। দুষ্কৃতকারীরা তাকে কেন অপহরণ করেছে তা আমার বোধগম্য নয়।

মোঃ আশিক আহমেদ শেখ

জিন্দাণী (রহঃ) ওরশকে কেন্দ্র করে নর্তকী নাচ

মোঃ আশিক আহমেদ শেখ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৫ পিএম
জিন্দাণী (রহঃ) ওরশকে কেন্দ্র করে নর্তকী নাচ

নওগাঁ জিন্দাণী (রহঃ) ওরশকে কেন্দ্র করে নর্তকী নাচ, গান-বাজনা ও বিভিন্ন অপসংস্কৃতির বিস্তার ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে এ ধরনের কর্মকাণ্ড মুসলিম সমাজের ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করে এবং ইসলামের মূল শিক্ষার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।
যেই জিন্দানি (রহঃ) নামকে কেন্দ্র করে এসব আয়োজন করা হচ্ছে, তিনি কখনোই এ ধরনের কার্যক্রমকে সমর্থন করেননি বা শিখিয়ে যাননি। অথচ আজ তার নাম ব্যবহার করে একধরনের বাণিজ্যিক ও অশালীন পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা ক্রমেই সীমা অতিক্রম করছে।

এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে—ঈমান, আখলাখ, চরিত্র ও সামগ্রিক নৈতিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ এর মাধ্যমে কোনো প্রকৃত কল্যাণ অর্জিত হচ্ছে না।

আমি তাড়াশ এলাকার সম্মানিত আলেম-ওলামাদের প্রতি বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন এ বিষয়ে সচেতন ভূমিকা গ্রহণ করেন এবং ইসলামবিরোধী এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।

 

 

৪৩ বছরের মধ্যে সর্বাধিক দরপতন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৩ পিএম
৪৩ বছরের মধ্যে সর্বাধিক দরপতন

ইরান যুদ্ধের প্রভাব যেন পড়েছে বৈশ্বিক সোনার বাজারেও। বৈশ্বিক সোনার বাজারে দর আজ সোমবার ৫ শতাংশের বেশি কমে ২০২৬ সালের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে নেমে এসেছে। প্রায় ৪৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ সাপ্তাহিক পতনের পর এই ধস দেখা দিল। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত তীব্র হওয়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে এবং বিশ্বজুড়ে সুদের হার বাড়তে পারে এমন প্রত্যাশাও জোরালো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গ্রিনিচ মান সময় আজ সকাল ৬টা ৩৩ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে (যেসব সোনা তাৎক্ষণিকভাবে বিক্রি করা হবে এবং নিটক ভবিষ্যতেই এর ডেলিভারি দেওয়া হবে) সোনার দাম ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২২৬ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়ায়, যা ১১ ডিসেম্বরের পর সর্বনিম্ন। টানা নবম দিনের মতো পতন অব্যাহত ছিল আজ।

গত সপ্তাহে এই মূল্যবান ধাতুর দাম ১০ শতাংশের বেশি কমেছে, যা ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন। ২৯ জানুয়ারি প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫৯৪ দশমিক ৮২ ডলারের রেকর্ড উচ্চতা থেকে সোনা ইতিমধ্যে ২০ শতাংশেরও বেশি নেমে এসেছে। এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৪ হাজার ২৩১ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ইরান সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে গড়ানোর পাশাপাশি তেলের দাম ১০০ ডলারের আশপাশে থাকায় সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা সরে গিয়ে এখন বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে আয়ের সুযোগ না থাকা সম্পদ হিসেবে সোনার আকর্ষণ কমে গেছে।

গতকাল রোববার ইরান জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার হুমকি বাস্তবায়ন করলে প্রতিশোধ হিসেবে তারা উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি অবকাঠামোতে আঘাত হানবে।

এর প্রভাবে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতেও শেয়ারের দাম পড়ে যায় এবং তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১১০ ডলারের অনেক ওপরে স্থির থাকে। ওয়াটারার আরও বলেন, উচ্চ তারল্যই এখন সোনার জন্য বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝুঁকি এড়ানোর এই সময়ে শেয়ারবাজারে পতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা অন্য সম্পদের মার্জিন কল মেটাতে সোনার অংশ বিক্রি করে দিচ্ছেন।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম উঁচু অবস্থায় রয়েছে। এতে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে এবং মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরদার হচ্ছে। সাধারণত মূল্যস্ফীতি বাড়লে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বাড়ে, কিন্তু উচ্চ সুদের হার সুদবিহীন এই সম্পদের চাহিদা কমিয়ে দেয়।

ফিচ সলিউশন্সের একটি ইউনিট বিএমআই বলেছে, নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিনিয়োগ থেকে সরে গিয়ে বৃহত্তর অর্থনৈতিক প্রবণতাভিত্তিক অবস্থান নেওয়ার ঝোঁক বাড়লে সোনার দর আরও নিচে নামার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদ কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়াই এখন বাজারের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

সিএমইর ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে এমন বাজার প্রত্যাশা বেড়েছে। ২০২৬ সালের শেষে সুদ কমানোর চেয়ে বাড়ার সম্ভাবনাই এখন বেশি দেখা যাচ্ছে।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও তীব্রভাবে কমেছে। স্পট রুপা ৮ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ৭৬ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনাম ৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৪৯ দশমিক ৩১ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৩০ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

রনজিৎ সরকার রাজ দিনাজপুর

পূর্ব বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

রনজিৎ সরকার রাজ দিনাজপুর প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১১ পিএম
পূর্ব বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে একটি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (রাত ৩টার দিকে) উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ছয়ঘটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বসতভিটা নিয়ে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা এ হামলা চালায়।
ভুক্তভোগী মৃত দারাজ উদ্দিন শাহ’র ছেলে গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করে জানান, হামলাকারীরা রাতের আঁধারে তার বাড়িতে ঢুকে দরজা-জানালা ও পাকা বাথরুম ভাঙচুর করে। এ সময় তারা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্রও তছনছ করে।
তিনি আরও জানান, আলমারির ড্রয়ারে রাখা প্রায় ৭ লাখ টাকা ও প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এতে তার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের প্রতিনিধি রিমি আক্তার জানান, ওই বাড়ির পাকা বাথরুমটি রাস্তার পাশে থাকায় চলাচলে সমস্যা হচ্ছিল। বাথরুমটি ভেঙে ফেললে তাদের যাতায়াত সহজ হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে বীরগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ইন্সপেক্টর) শিহাব উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

error: Content is protected !!