নোয়াখালীতে অপহরণের শিকার যুবলীগ নেতাকে চার লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ৬ দিন পর উদ্ধার করতে সম্ভব হয়েছে।
ঈদুল ফিতরের পরের দিন (২২ মার্চ রবিবার) ভোররাত ৪ টার দিকে চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি সড়কের পাশে থেকে তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
এর আগে (২১ মার্চ শনিবার) রাত ১০.৪০ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি সড়কের পাশে অপহরণের শিকার আলা উদ্দিনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পকেটে মোবাইলের সুত্র ধরে বাড়িতে কল করে জানায় স্থানীয় এক দোকানী। এর আগে গত (১৭ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ২ ঘটিকা থেকে চট্টগ্রামের অলন্কার কলেজ সড়ক থেকে অপহরণের হন এওজবালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মোঃ আলা উদ্দিন। অপহরণের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি করেও আর কোন সন্ধান পায়নি তার পরিবার।
আলা উদ্দিনের সন্ধান পেয়ে তার স্ত্রী, ভায়রা ও ভগ্নিপতিগন তাকে উদ্ধারের উদ্দেশ্যে রাত ১২ টার দিকে এম্বুল্যান্স নিয়ে রওনা দিয়ে ভোররাত ৪ টার দিকে লোকেশন অনুযায়ী
ঘটনাস্থল থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
এর আগে অপহরণকারীরা আলা উদ্দিন কে জিম্মি করে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ হিসেবে পরিবার থেকে আদায় করেছে। উদ্ধারের পর তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। পরিবারের তত্ত্বাবধানে গ্রামের বাড়িতে এখন তার প্রাথমিক চিকিৎসা চলছে।
যুবলীগ নেতা মোঃ আলা উদ্দিনের স্ত্রী রুমি আক্তার অভিযোগ করে আরও বলেন, অপহরণের পর আমার স্বামীর ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার থেকে কল করে অসংখ্য বার আমার কাছে মুক্তিপণ হিসেবে দশ লক্ষ টাকা দাবি করে অপহরণকারীরা। আমার স্বামী আলা উদ্দিন স্থানীয় যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। এটাই তার অপরাধ।
স্থানীয় ৮নং এওজবালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল হোসেন গণমাধ্যম কর্মীদর বলেন, আলা উদ্দিন আওয়ামী যুবলীগের লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। বলা যায় একনিষ্ঠ নেতা। দুষ্কৃতকারীরা তাকে কেন অপহরণ করেছে তা আমার বোধগম্য নয়।

