বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম)

দুই দিনব্যাপী মহা-মহোৎসব উদযাপন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৮ পিএম | 32 বার পড়া হয়েছে
দুই দিনব্যাপী মহা-মহোৎসব উদযাপন

আপূরয়মাণ বৈশিষ্ট্যপালী লোকত্রাতা বিশ্বসৎসঙ্গের প্রাণপুরুষ যুগ-পুরুষোত্তম পরম প্রেমময় শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের শুভ আবির্ভাব বর্ষ-স্মরণ ও পশ্চিম গুজরা সৎসঙ্গ শাখার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরায় দুই দিনব্যাপী মহা-মহোৎসব শুরু হয়েছে।
শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ, পশ্চিম গুজরা শাখার উদ্যোগে ২২ ও ২৩ মার্চ ২০২৬ রবিবার ও সোমবার নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ মহোৎসব উদযাপিত হচ্ছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, শ্রীমদ্ভগবদগীতা ও সত্যানুসরণ পাঠ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সমবেত বিশ্বমঙ্গল বিনতি প্রার্থনা, সদগ্রন্থাদি পাঠ, গঙ্গা আহ্বান ও শুভ অধিবাস।
অনুষ্ঠানে পরিবেশনায় অংশ নেয় পশ্চিম গুজরা জ্বালাকুমারী শিল্পীগোষ্ঠী। প্রথম দিনের রাত ১০টায় ভক্তিমূলক সংগীত পরিবেশন করেন সুকুমার দে ও ঐশি রক্ষিত। একই সময় সনাতনী ব্যান্ড সংগীত “প্রণাম” এর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে ঊষাকালীন প্রার্থনা, বন্দে পুরুষোত্তম ধ্বনি, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, বিল্বপত্র, তুলসীপত্র ও পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৮তম শুভ আবির্ভাব লগ্ন ঘোষণা করা হয়। পরে নগর পরিক্রমা, দীক্ষাদান এবং অন্নপ্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
মহোৎসব উপলক্ষে লীলাকীর্তন পরিবেশন করেন বিশিষ্ট কীর্ত্তনীয়া অমল দাশ ও তাঁর দল, যা ভক্তদের মাঝে গভীর ভক্তিভাব সৃষ্টি করে।
ধর্মীয় সম্মেলনে সঞ্চালনায় ছিলেন দোলন কুমার দে। এতে উপস্থিত ছিলেন পাবনা হিমাইতপুর শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ ও চট্টগ্রাম জেলা সৎসঙ্গের কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন এলাকার সনাতনী নেতৃবৃন্দ।
রবিবার বিকেলে সাধারণ সম্পাদক মিহির কান্তি দাশের সঞ্চালনায় পশ্চিম গুজরা জ্বালাকুমারী শিল্পীগোষ্ঠীর পরিচালনায় শ্রীমদ্ভগবদগীতা ও সত্যানুসরণ পাঠ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং সমবেত প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
সন্ধ্যায় আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক উত্তম দে এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব রাজু কান্তি দে। সভায় বক্তব্য রাখেন জ্বালাকুমারী মাতৃমন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কাজল দে, সাধারণ সম্পাদক মিহির কান্তি দাশ, অর্থ সম্পাদক সাগর দাশ, সহ-অর্থ সম্পাদক অশোক দাশ, উৎসব উদযাপন পরিষদের অর্থ সম্পাদক জুয়েল কান্তি দে, সহ-অর্থ সম্পাদক উত্তম মল্লিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ঋত্বিক সংঘের সদস্য সচিব (পাবনা) সহ-প্রতি ঋত্বিক নিরঞ্জন দেবনাথ, চট্টগ্রাম জেলা সৎসঙ্গের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সহ-প্রতি ঋত্বিক সুমন চৌধুরী, সহ-প্রতি ঋত্বিক ননী গোপাল দেবনাথ, সমর কান্তি দে, কেন্দ্রীয় ঋত্বিক সংঘের সদস্য দোলন কান্তি দে, পলাশ দাশ ও অরূপ বিশ্বাসসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সজল কান্তি দে, অজয় দে, রবি বিশ্বাস, প্রকাশ দাশ, কাজল দে, নান্টু দে, তপন দাশ, শ্যামল শীল, উজ্জ্বল শীল ও রুপন শীলসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ।
দুই দিনব্যাপী এ মহোৎসব ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরুণ সাংবাদিকের নির্মম হত্যা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি।

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ২:০৫ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরুণ সাংবাদিকের নির্মম হত্যা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি।

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":3},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:– ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ বিকেলে এক তরুণ ও সাহসী সাংবাদিককে পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত সাংবাদিকের নাম দ্বীন ইসলাম। তিনি কসবা উপজেলার শিমরাইল গ্রামের মধ্যপাড়ার শফিকুল ইসলামের ছেলে। মৃত্যুর আগে দ্বীন ইসলাম স্থানীয় সাংবাদিক সমাজে প্রতিবাদী ও ন্যায়পরায়ণ চরিত্রের পরিচয় বহনকারী একজন কৃতিসাধক সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার জন্য বিশেষভাবে সুপরিচিত ছিলেন।

কসবা থানার ওসি নাজনীন সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে তা এখনও সঠিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে দ্রুত কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং সম্ভাব্য সব প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তদন্ত শুরু করেছে।

এই নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি খান সেলিম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর সভাপতি খান সেলিম রহমান বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় তরুণ সাংবাদিক দ্বীন ইসলামকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের ওপর সরাসরি আঘাত। একজন সাহসী সাংবাদিক, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের প্রতি আমাদের জোর দাবি—এই হত্যার স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব।”

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার বলেন, “দ্বীন ইসলামের হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে সত্যের পক্ষে কথা বলা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। মাদকবিরোধী অবস্থানের কারণে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যদি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হয়, তবে এটি গণমাধ্যমে চরম অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করবে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।”

প্রতিবেদন অনুসারে, নিহত দ্বীন ইসলাম তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি অনলাইন পেইজ পরিচালনা করতেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। নিরাপত্তার স্বার্থে কিছুদিন ধরে কুমিল্লা শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য বাড়িতে এসেছিলেন।

B.C.P.C. নেতৃবৃন্দ জানান, দ্বীন ইসলামের পূর্ব শত্রুতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করা গেলে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন সম্ভব। হত্যাকারীরা শাস্তি না পেলে এটি শুধু স্থানীয় নয়, বরং জাতীয় পর্যায়েও সাংবাদিক সমাজে একটি অমানবিক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করবে।

B.C.P.C. নেতৃবৃন্দ সকল স্তরের রাষ্ট্র ও প্রশাসনের কাছে তীব্র হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, “দ্বীন ইসলামের হত্যাকাণ্ড শুধুমাত্র একটি ব্যক্তি হত্যা নয়; এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের ওপর একটি জঘন্য আঘাত। আমরা দাবি জানাই—সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবিলম্বে হত্যাকারীদের সনাক্ত করে গ্রেফতার করুন এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করুন। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণমাধ্যমে স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা স্থায়ীভাবে হুমকির মুখে পড়বে।”

এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে স্থানীয় ও জাতীয় সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমেছে। সাংবাদিকরা বিভিন্ন মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছেন।

উপসংহারে বলা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় তরুণ সাংবাদিক দ্বীন ইসলামকে পিটিয়ে হত্যা করা একটি পরিকল্পিত, নৃশংস ও কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড।

এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সত্যের পক্ষে কথা বলার ওপর সরাসরি আঘাত। বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) কঠোর প্রতিবাদ, দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই হত্যার রহস্য উদঘাটন সম্ভব নয়।

দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সমাজ আশা করছে—দ্বীন ইসলামের হত্যায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং সাংবাদিকদের জীবন ও স্বাধীন মতপ্রকাশের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

দিঘলিয়া ডিজিটাল সেন্টার থেকে স্মার্ট কৃষিতে সাফল্য: উজ্জ্বল দাস এখন অনুকরণীয় উদ্যোক্তা 

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫০ এএম
দিঘলিয়া ডিজিটাল সেন্টার থেকে স্মার্ট কৃষিতে সাফল্য: উজ্জ্বল দাস এখন অনুকরণীয় উদ্যোক্তা 

খুলনা দিঘলিয়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের তরুণ উদ্যোক্তা উজ্জ্বল দাস—যিনি একসময় স্থানীয় ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করতেন—এখন স্মার্ট কৃষিতে সফলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

দৈনন্দিন কাজের ফাঁকে অবসর সময়টুকু কাজে লাগিয়ে নিজস্ব সবজির ক্ষেতে সময় দিতেন উজ্জ্বল। প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির প্রতি আগ্রহ থেকেই একসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বঙ্গচাষি’র বিভিন্ন চাষাবাদ পদ্ধতি দেখে অনুপ্রাণিত হন তিনি। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে কৃষিকাজ শুরু করেন।

শুরুর পথটা সহজ ছিল না। পরিবার ও এলাকার অনেকেই প্রথমদিকে তার এই নতুন উদ্যোগকে তেমন গুরুত্ব দেননি, বরং নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে। তবে দৃঢ় মনোবল আর পরিশ্রমের জোরে সব বাধা অতিক্রম করেন উজ্জ্বল।

প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষ করেই চমক দেখান তিনি। ভালো ফলন ও বাজারমূল্য পেয়ে আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। এরপর ধীরে ধীরে নিজের চাষাবাদের পরিধি বাড়াতে থাকেন। বর্তমানে তিনি এক বিঘা জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে ‘সাথী প্লাস’ জাতের শসা চাষ করছেন এবং ৮ শতক জমিতে টমেটো চাষ করে ভালো ফলন পাচ্ছেন।

মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে উজ্জ্বল দাস এখন একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তার ক্ষেত এখন স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক ধরনের শেখার জায়গা হয়ে উঠেছে।

উজ্জ্বল দাস জানান, “আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে কম খরচে বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব। শুরুতে অনেকেই নিরুৎসাহিত করেছিল, কিন্তু এখন তারাই এসে পরামর্শ নিচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “যুব সমাজ চাইলে কৃষিকে পেশা হিসেবে নিয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে। আমি চাই আমার মতো আরও অনেক তরুণ স্মার্ট কৃষির মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য বদলাক।”

বর্তমানে তিনি শুধু নিজের চাষাবাদেই সীমাবদ্ধ নেই। আশপাশের গ্রামের আগ্রহী কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে এলাকায় স্মার্ট কৃষির প্রতি আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয়দের মতে, উজ্জ্বল দাসের এই উদ্যোগ শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পুরো এলাকার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

ভোলা জেলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকে দোয়া ও শুভকামনা

রিপোর্টার: মোহাম্মদ সাকিব মুন্সী প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
ভোলা জেলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকে দোয়া ও শুভকামনা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য, ভোলা জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর, ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি এবং ভোলা-৪ (চরফ্যাশন ও মনপুরা) আসনের জননন্দিত নেতা, মজলুম জননেতা অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা আলহামদুলিল্লাহ পূর্বের তুলনায় উন্নতির দিকে রয়েছে।

চিকিৎসকদের আশা, আর কিছুটা সুস্থতা অর্জন করলে খুব শীঘ্রই তাকে ICU থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

ভোলা জেলার সর্বস্তরের জনগণসহ ইসলামি আন্দোলনের সকল ভাই-বোন, বিশেষ করে চরফ্যাশন ও মনপুরার সর্বস্তরের মানুষ যেভাবে খোঁজ-খবর নিয়েছেন ও দোয়া করেছেন, তার জন্য ভোলা জেলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হচ্ছে।

এছাড়াও অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতালের ICU বিভাগের সম্মানিত প্রফেসর, কনসালটেন্ট, চিকিৎসক, নার্স, পিসিএ, নিরাপত্তাকর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা

মহান আল্লাহর দরবারে তার দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি।

error: Content is protected !!