রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২

জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ পড়লেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ১১:২১ এএম | 57 বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ পড়লেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর হাইকোর্ট-সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সাধারণ মুসল্লিরা অংশ নেন।

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে বিশেষ খুতবা দেওয়া হয়। নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলির মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সাধারণ মুসল্লিদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। এ ছাড়া জামাতে অংশ নেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ, প্রতিমন্ত্রীগণ, জাতীয় সংসদের সদস্যগণ, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকেরাও এই জামাতে শরিক হন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ মাঠটি জামাতের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছিল। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ঈদগাহ ময়দানে এবার প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়। নারী মুসল্লিদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, অজু এবং নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা ছিল। এবার প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নারী ঈদের জামাতে অংশ নিয়েছেন।

ঈদগাহে অতি গুরুত্বপূর্ণ বা ভিআইপি ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়। পুরো এলাকাটি সিসিটিভি ক্যামেরা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে ছিল।

এ ছাড়া মুসল্লিদের জন্য পর্যাপ্ত অজুখানার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে মেডিকেল টিমের সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সকাল থেকেই কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মুসল্লিরা জায়নামাজ হাতে ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কোনো বিঘ্ন ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এই প্রধান জামাত সম্পন্ন হয়েছে।

প্রায় ১ লক্ষ মানুষের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিলেন রোকন উদ্দিন বাবুল এমপি

নুরুজ্জামান আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৫ পিএম
প্রায় ১ লক্ষ মানুষের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিলেন রোকন উদ্দিন বাবুল এমপি

আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর,লালমনিরহাট -২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার প্রায় ১ লক্ষ মানুষের সাথে তার নিজ বাসভবন চাপারহাটে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।এরপর নানা প্রকার খাবার পরিবেশন করা হয়,সবশেষে রেফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।রাত ৯ টায় শামসুদ্দিন কমরউদ্দিন কলেজে শুরু হয় ঈদ পূর্নমিলন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।এতে লালমনিরহাট, রংপুর বিভাগের বিভিন্ন শিল্পী,মডেল, নৃত্যশিল্পী অংশগ্রহণ করে।সব মিলে একটি আনন্দমুখর ঈদ উৎসব পালিত হলো চাপারহাটে।

ঘুমের রুটিনে ফেরার ১০ উপায়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ১১:০২ পিএম
ঘুমের রুটিনে ফেরার ১০ উপায়

পুরো এক মাস সিয়াম সাধনার পর আমাদের শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা বডি ক্লক অনেকটা বদলে যায়। রাতে জেগে থাকা আর দিনে ঘুমানোর যে অভ্যাস তৈরি হয়, ঈদের আমেজ শেষ হওয়ার পর তা হঠাৎ বদলে ফেলা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়; বিশেষ করে কর্মস্থলে ফেরার সময় ক্লান্তি, মাথাব্যথা আর মেজাজ খিটখিটে হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এই পোস্ট-রমজান জেট ল্যাগ কাটিয়ে উঠে আবার আগের রুটিনে ফেরার কিছু কার্যকর কৌশল জেনে নিন।

ঘুমের সময় ধীরে ধীরে পরিবর্তন করুন

এক মাসের অভ্যাস এক রাতে বদলানো সম্ভব নয়। তাই হুট করে সেটি করার চেষ্টা না করে ধীরে ধীরে সময় এগিয়ে আনুন। প্রথম দিন রাত ১টা বা ২টায় ঘুমানোর চেষ্টা করুন এবং সকাল ৯টায় উঠুন। এভাবে প্রতিদিন অল্প অল্প করে সময় কমিয়ে আনলে শরীর দ্রুত মানিয়ে নেবে।

নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে ফেরা

রোজার পর হঠাৎ দিনে তিন বেলা ভারী খাবার খেলে বিপাক প্রক্রিয়ায় চাপ পড়ে। তাই অল্প অল্প করে দিনে তিন বেলা মূল খাবার এবং দুই বেলা হালকা নাশতা খাওয়ার অভ্যাস শুরু করুন। এতে আপনার মেটাবলিজম বা হজম শক্তি বাড়বে। মনে রাখবেন, ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করা জরুরি।

পর্যাপ্ত সূর্যালোক উপভোগ করুন

ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত এক ঘণ্টা কড়া আলো বা রোদে থাকার চেষ্টা করুন। দিনের আলো আপনার শরীরের নিজস্ব ঘড়িকে সংকেত দেয় যে এখন জেগে থাকার সময়। জানালার পাশে বসুন অথবা একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসুন। এতে দিনের বেলার ঝিমুনি ভাব কেটে যাবে।

চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন

ঈদের পরপরই অতিরিক্ত মিষ্টি বা তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার ঝোঁক থাকে। কিন্তু এসব খাবার হজমে সমস্যা, বুক জ্বালাপোড়া এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। এর বদলে টাটকা ফলমূল, শাকসবজি এবং চর্বিহীন প্রোটিন বেছে নিন।

শরীর হাইড্রেটেড রাখুন

রোজার কারণে শরীরে যে পানির ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এ ছাড়া পানির পরিমাণ বেশি তেমন ফল বা সবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এসব খাবারের মধ্যে আছে শসা, টমেটো, তরমুজ বা স্ট্রবেরির মতো ফল ও সবজি। এগুলোতে থাকা খনিজ ও ইলেকট্রোলাইট শরীর দীর্ঘক্ষণ সতেজ রাখে।

হালকা শরীরচর্চা

ব্যায়াম শুধু পেশি গঠন করে না। এটি রাতে ভালো ঘুমাতেও সাহায্য করে। বিকেলের দিকে কিছুটা হাঁটাহাঁটি, স্ট্রেচিং বা ঘরের কাজ করলেও শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং রাতে দ্রুত ঘুম আসে। তবে শোয়ার ঠিক আগে বেশি শারীরিক পরিশ্রমের ব্যায়াম করবেন না।

ক্যাফেইন বর্জন করুন

চা, কফি বা কোল্ড ড্রিংকসের ক্যাফেইন শরীরে প্রায় ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। ঘুমের রুটিন ঠিক না হওয়া পর্যন্ত এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। খুব বেশি প্রয়োজন হলে শুধু সকালের দিকে একবার চা বা কফি পান করতে পারেন।

রাতে উজ্জ্বল আলো থেকে দূরে থাকুন

ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে টেলিভিশন, কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের পর্দা থেকে চোখ সরিয়ে নিন। স্ক্রিনের নীল আলো শরীরের মেলাটোনিন হরমোন (যা আমাদের ঘুমাতে সাহায্য করে) তৈরিতে বাধা দেয়। এর বদলে বই পড়া বা হালকা গান শোনার অভ্যাস করতে পারেন।

কুসুম গরম পানিতে গোসল

যদি রাতে বিছানায় শুয়েও ঘুম না আসে, তবে হালকা গরম পানিতে গোসল করে নিন। এটি আপনার স্নায়ু ও পেশিকে শিথিল করবে। গোসল শেষে শরীরের তাপমাত্রা যখন স্বাভাবিকভাবে কমতে শুরু করবে, তখন আপনাআপনিই চোখে ঘুম নেমে আসবে।

অল্প সময়ের জন্য পাওয়ার ন্যাপ নিতে পারেন

দিনের বেলা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুমিয়ে কাটাবেন না। খুব বেশি ক্লান্তি লাগলে ২০-৩০ মিনিটের একটি ছোট ঘুম বা ন্যাপ নিতে পারেন। তবে বিকেল ৪টার পর আর কোনোভাবেই ঘুমাবেন না। নইলে রাতে সময়মতো ঘুমানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।

সূত্র: এলারাবিয়া ইংলিশ

লাউয়াছড়ায় পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ১১:০০ পিএম
লাউয়াছড়ায় পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়

মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। ঈদের দিন সকাল থেকেই স্থানীয় পর্যটকদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো পর্যটকের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে এই জাতীয় উদ্যান।

সরেজমিন দেখা গেছে, ঈদের দিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পর্যটকের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো দেখা যায়। দীর্ঘ এক মাস প্রায় পর্যটক শূন্য থাকলেও মানুষের পদচারণে আবার মুখরিত হয়ে উঠেছে।

অনেকেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভিড় করছেন লাউয়াছড়ার সবুজ অরণ্যে। বনের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া পাহাড়ি পথ আর উঁচু-নিচু টিলার মাঝে সময় কাটাতে পেরে উচ্ছ্বসিত দর্শনার্থীরা। বিশেষ করে শিশু ও তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ জনক দেববর্মা জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। বনের পরিবেশ রক্ষা এবং পর্যটকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে বনকর্মী ও সিপিজি সদস্যরা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।

বন বিভাগ ও লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সহব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে পর্যটকদের প্লাস্টিক বর্জন এবং বনের নীরবতা বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ, থানা-পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

error: Content is protected !!