শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

২৯ রমজানে তেতুলিয়া নদীর পাড়ে বাউফলে এসএসসি ২০২৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১২:০১ এএম | 54 বার পড়া হয়েছে
২৯ রমজানে তেতুলিয়া নদীর পাড়ে বাউফলে এসএসসি ২০২৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় ২৯ রমজান উপলক্ষে ২০২৩ সালের এসএসসি ব্যাচের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে তেতুলিয়া নদীর পাড়ে এক হৃদ্যতাপূর্ণ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পবিত্র রমজানের শেষ সময়ে আয়োজিত এ ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন পর একত্রিত হয়ে তারা একে অপরের সাথে সৌহার্দ্য বিনিময় করেন এবং অতীতের স্মৃতিচারণায় মেতে ওঠেন।
ইফতারের পূর্বে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সকলের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ, ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরা হয়।
আয়োজকরা জানান, পবিত্র ২৯ রমজানের এই আয়োজন তাদের জন্য এক বিশেষ অনুভূতি, যা ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে আয়োজন করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
তেতুলিয়া নদীর মনোরম পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই ইফতার মাহফিল অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আনন্দ, প্রশান্তি ও একতা বয়ে আনে।

জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞানের প্রকার ভেদ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:২০ এএম
জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞান দুই প্রকারঃ- আল্লাহর দেওয়া জ্ঞানের নামই অর্পিত জ্ঞান ও অর্জিত জ্ঞান বলা হয় বই , খাতা কলম শিক্ষার প্রতিষ্ঠান থেকে যেই

মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি কুলের সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী হিসেবে সৃষ্টি করেন
এবং জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি মানুষের ভেতরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। একে জাগ্রত করাই প্রত্যেক সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের। সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের।

মোঃ তালাত মাহামুদ
বিশেষ প্রতিনিধি
“দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকা”

ঈদযাত্রা—আনন্দের পথে যেন না নামে বিষাদের ছায়া

এম এস শ্রাবন মাহমুদ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৭ এএম
ঈদযাত্রা—আনন্দের পথে যেন না নামে বিষাদের ছায়া

ঈদ মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর আপনজনের কাছে ফেরার এক অনন্য অনুভূতি।

বছরের ব্যস্ততা, কর্মজীবনের ক্লান্তি আর শহরের যান্ত্রিক জীবন পেছনে ফেলে এই একটি সময়েই মানুষ ছুটে যায় নিজের শেকড়ে-গ্রামের বাড়িতে, মা-বাবার কাছে, শৈশবের স্মৃতির কাছে।
কেউ রেলপথে, কেউ সড়ক পথে, আবার কেউ নদীপথে-সব পথ যেন মিলিত হয় একটাই গন্তব্যে: প্রিয়জনের কাছে ফেরা।
কিন্তু এই আনন্দযাত্রাই কখনো কখনো পরিণত হয় দুঃখ আর শোকে। শুধু একটু অসাবধানতা, একটু তাড়াহুড়া, কিংবা নিয়ম অমান্য করার প্রবণতা-এগুলোই কেড়ে নিতে পারে একটি পরিবারের হাসি, একটি জীবনের মূল্য।
প্রতিবছর ঈদের সময় আমরা দেখি অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ।
ট্রেনের ছাদে ঝুঁকি নিয়ে ভ্রমণ, লঞ্চে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বাসের ছাদে উঠা কিংবা দরজায় ঝুলে যাত্রা-এসব দৃশ্য যেন এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
অথচ এই “স্বাভাবিক” বিষয়গুলোই সবচেয়ে বড় অস্বাভাবিক বিপদের কারণ।
একটু ভাবুন—আপনি যে যাত্রা শুরু করেছেন, সেটি আপনার জন্য শুধু একটি সফর নয়; আপনার পরিবার, আপনার প্রিয়জনদের কাছে এটি আপনার ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি। আপনার মা অপেক্ষা করছেন, সন্তানেরা অপেক্ষা করছে, প্রিয় মানুষটি অপেক্ষা করছে।
আপনার একটি ভুল সিদ্ধান্ত, একটি অসতর্ক পদক্ষেপ তাদের জীবনে চিরস্থায়ী শোক বয়ে আনতে পারে।
সুশৃঙ্খলভাবে যানবাহনে ওঠা, অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলা, নিয়ম মেনে যাত্রা করা—এসব কোনো বড় ত্যাগ নয়, বরং নিজের জীবনকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব। মনে রাখতে হবে, নিরাপত্তা কোনো বিকল্প নয়, এটি একটি বাধ্যবাধকতা।
বিশেষ করে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য অসাবধানতায় বিদ্যুতের তার, সেতু কিংবা হঠাৎ ঝাঁকুনিতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। একইভাবে লঞ্চ বা নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী হওয়া মানেই ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া।
আমরা অনেকেই ভাবি-“আমার কিছু হবে না”-কিন্তু দুর্ঘটনা কখনো কাউকে বলে আসে না।

ঈদের আনন্দ কেবল গন্তব্যে পৌঁছানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং নিরাপদে পৌঁছানোই প্রকৃত আনন্দ।
তাই যাত্রাপথে একটু ধৈর্য, একটু সচেতনতা এবং একটু মানবিকতা—এই তিনটি জিনিসই পারে একটি সুন্দর ঈদ নিশ্চিত করতে।
চলুন, আমরা নিজেরা সচেতন হই, অন্যকেও সচেতন করি।
পরিবারের কথা ভাবি, নিজের জীবনের মূল্য বুঝি। কারণ একটি নিরাপদ যাত্রাই পারে ঈদের আনন্দকে পূর্ণতা দিতে।

আপনার ঈদযাত্রা হোক আনন্দময়, নিরাপদ ও স্বস্তির—বিষাদের নয়।

লেখক- এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় সদস্য, (বিটিএসএফ)।

৬ বাংলাদেশি ক্রিকেটার খেলবেন পাকিস্তান লিগে

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪০ এএম
৬ বাংলাদেশি ক্রিকেটার খেলবেন পাকিস্তান লিগে

এবারের পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলবেন ৬ ক্রিকেটার। অতীতে পাকিস্তানের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে এক মৌসুমে এত বাংলাদেশি ক্রিকেটার দেখা যায়নি। এবারের পিএসএল ঘিরে তাই এদেশের ভক্তদের নজর থাকবে একটু বেশিই।

বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে পিএসএলের সবশেষ দল পেয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলবেন এই বাঁ হাতি ওপেনার। সবার আগে দল পান মোস্তাফিজুর রহমান। কাটার মাস্টারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করেছে লাহোর কালান্দার্স। পরবর্তীতে নিলাম থেকে আরেক বাংলাদেশি ক্রিকেটার পারভেজ হোসেন ইমনকে দলে টানে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। নাহিদ রানাকে নেয় জালমি, রিশাদ হোসেনকে দলে টেনেছে নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজি পিন্ডিজ। নিলামের পর শরীফুল ইসলামকে দলে নিয়েছে জালমি।

নিজেদের মাঠে আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে ২ মে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। এ জন্য পিএসএলে দল পাওয়া ৬ ক্রিকেটারের কাউকেই পুরো সময়ের জন্য অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া হয়নি—আজকের পত্রিকাকে এমনটাই জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি দায়িত্বশীল সূত্র।

লাহোর কালান্দার্স এবং হায়দরাবাদ কিংসমেনের ম্যাচ দিয়ে আগামী ২৬ মার্চ পিএসএল শুরু হবে। টুর্নামেন্টটির জন্য রিশাদ, শরীফুল, রানা এবং তামিমকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত অনাপত্তিপত্র দিয়েছে বিসিবি। ইমনকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়েছে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। অন্যদিকে মোস্তাফিজ অনাপত্তিপত্র পেয়েছেন দুই ভাগে। প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত খেলতে পারবেন এই পেসার। এরপর ২৪ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে পিএসএলে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

 

error: Content is protected !!