রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২

শংকর দাস পবন, ঝালকাঠি

ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:২২ পিএম | 34 বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন

ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ঝালকাঠি জেলা পরিষদের সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করবেন। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার কার্যক্রম সমন্বয় এবং জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠির রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি বর্তমানে ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সম্পৃক্ত রয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও সক্রিয়তার কারণে তিনি জেলার বিভিন্ন মহলে সুপরিচিত।
তার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগের খবরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, তার নেতৃত্বে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জেলার উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলের অনেকের মতে, অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেনের অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা জেলা পরিষদের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করে তুলতে সহায়ক হবে। জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ঝালকাঠির উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য। জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেলার সার্বিক অগ্রগতিতে অবদান রাখতে তিনি সচেষ্ট থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, জেলার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সকলের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চান এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।
উল্লেখ্য, ঝালকাঠি জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, যা জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে। সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন প্রশাসকের নেতৃত্বে এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।

মোস্তাফিজের পায়ে মেরেই দৌড়ে এলেন শাহিন আফ্রিদি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৫ পিএম
মোস্তাফিজের পায়ে মেরেই দৌড়ে এলেন শাহিন আফ্রিদি

শেষ দুই ওভারে পাকিস্তানের দরকার ২৮ রান—বল হাতে মোস্তাফিজুর রহমান। স্নায়ুক্ষয়ী মুহূর্তে ৪৯তম ওভারে ফিজকে দুই ছক্কা মারলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

মোস্তাফিজের করা ৪৯তম ওভারের পঞ্চম বলটা ছিল অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেংথের। শাহিন জোরে সোজা মারেন, ফলো-থ্রুতে বল সজোরে আঘাত করে মোস্তাফিজের বাঁ হাঁটুতে। সঙ্গে সঙ্গে উইকেটে ব্যথায় মোস্তাফিজ উইকেটে পড়ে যান। শাহিন এক রান নিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই এগিয়ে এসে ঝুঁকে খোঁজ নিতে থাকেন ফিজের চোটের।

খেলোয়াড়ি চেতনায় এটা খুব স্বাভাবিক দৃশ্যই মনে হতে পারে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, মোস্তাফিজ এ ম্যাচে শাহিনের প্রতিপক্ষ হলেও কদিন পর তিনি আফ্রিদিরই সতীর্থ হয়ে যাবেন। ২৬ মার্চ শুরু পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) মোস্তাফিজ-শাহিন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়বেন লাহোর কালান্দার্সের হয়ে। তখন মোস্তাফিজ হয়ে উঠতে পারেন শাহিনের তুরুপের তাস। নিজের শটে ফিজের পড়ে যাওয়ায় শাহিনের খানিকটা চিন্তিত হওয়াটা তাই অস্বাভাবিক কিছু নয়।

তবে এ ম্যাচে শাহিনের চেয়ে বেশি চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। মাঠে আসা ফিজিওর শুশ্রূষা নিয়ে ওভারের শেষ বলটা করতে বোলিং মার্কে ফিরে যাওয়ায় বাংলাদেশের সেই চিন্তা দূর হয়ে যায় দ্রুতই। নিজের শেষ বলে হারিস রউফকে ফিরিয়ে মোস্তাফিজ যেন জানান দেন, কিচ্ছু হয়নি! মোস্তাফিজের উইকেটে বাংলাদেশের জয়ও ত্বরান্বিত হয়।

 

মো:এনামুল ইসলাম

কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান

মো:এনামুল ইসলাম প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:০০ পিএম
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান

কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তিনি ভিপি সোহেল হিসেবেই বেশি পরিচিত।

রবিবার (১৫ মার্চ) তাকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়। এদিন কিশোরগঞ্জসহ দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি। তিনি জেলা বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-আসনে) বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নিজেকে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরিয়ে নেন।

খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল বিএনপি’র দুর্দিনের জেলা বিএনপি’র একজন ত্যাগি ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিলেন। তিনি হামলা-মামলা-জেল-জুলুম-নির্যাতনসহ ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নানাভাবে নিগৃহীত হয়েছেন।

মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুক্তিযোদ্ধা এএসআই আব্দুল জলিল মিলনায়তনে পাবনা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আনোয়ার জাহিদ, মহোদয়ের সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় জেলার সকল থানা, কোর্ট, ফাঁড়ি, ক্যাম্প, ট্রাফিক ও পুলিশ লাইন্স হতে আগত ইনচার্জগণ ও পুলিশ সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।

‎পাবনা জেলার কর্মরত পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ করার লক্ষ্যে পুলিশ সুপার মহোদয় বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত প্রতিটি সদস্যের মনোবল বৃদ্ধি ও পেশাদারিত্বের সাথে কথা বলেন। পুলিশ সুপার মহোদয় পুলিশের করণীয় বর্জনীয় বিষয়সমূহ যথাযথভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন মূল্যবান দিক-নির্দেশনা তুলে ধরেন।

‎কল্যাণ সভা সঞ্চালনা করেন জনাব মোঃ রেজিনুর রহমান , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), পাবনা।

‎কল্যাণ সভা শেষে পুলিশ অফিস সম্মেলন কক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অপরাধ পর্যালোচনা সভায় রুজুকৃত মামলা সমূহের কেইস টু কেইস বিশ্লেষণ করা হয়। মামলা তদন্তের মান বৃদ্ধি, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রসহ অন্যান্য অবৈধ দ্রব্যাদি উদ্ধার এবং পুলিশি সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুলিশ সুপার মহোদয় বিস্তারিত দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। সভা চলাকালীন সময়ে সকল ইউনিট ইনচার্জ তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করায় এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সফলতা অর্জনকারীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

‎উক্ত সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ, সহকারী পুলিশ সুপারগণ এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ ইউনিট ইনচার্জবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

error: Content is protected !!