বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

টি-টোয়েন্টি সিরিজও হারলো

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ১:০৫ পিএম | 142 বার পড়া হয়েছে
টি-টোয়েন্টি সিরিজও হারলো

ব্যাটিং-বোলিং ব্যর্থতায় এক ম্যাচ হাতে রেখেই ভারতের কাছে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারলো সফরকারী বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারতের কাছে ৮৬ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কাছে এটিই বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা টাইগারদের।

এর আগে টেস্ট সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ।

টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বুধবার প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ২২১ রান করে ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে এটিই সর্বোচ্চ দলীয় রান টিম ইন্ডিয়ার। জবাবে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৫ রান করে ম্যাচ হারে টাইগাররা। সিরিজের প্রথম ম্যাচ ৭ উইকেটে হেরেছিলো বাংলাদেশ।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নেমে স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজকে দিয়ে বোলিং ইনিংস শুরু করে সুবিধা করতে পারেনি টাইগাররা। প্রথম ওভারে ৩টি চারে ১৫ রান দেন মিরাজ।

দ্বিতীয় ওভারে পেসার তাসকিন আহমেদকে এনে সাফল্য পায় বাংলাদেশ। ভারতের ওপেনার সঞ্জু স্যামসনকে ১০ রানে বিদায় দেন তাসকিন। পরের ওভারে তানজিম হাসানও উইকেট তুলে নেন। আরেক ওপেনার অভিষেক শর্মাকে ১৫ রানে বোল্ড করেন তানজিম।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে প্রথমবারের মত আক্রমণে এসে উইকেট শিকারের তালিকায় নাম তুলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে ৮ রানে থামিয়ে দেন ফিজ। পাওয়ার প্লেতে ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত।

নবম ওভারে ভারতের চতুর্থ উইকেট পতনের সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু স্পিনার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বলে আম্পায়ার্স কলে লেগবিফোর থেকে বেঁচে যান নীতিশ কুমার রেড্ডি। জীবন পেয়ে রিঙ্কু সিংকে নিয়ে বাংলাদেশের বোলারদের উপর চড়াও হন নীতিশ।

স্পিনার রিশাদ হোসেনের ওভারে ৩টি ছক্কা ও ১টি চারে ২৪ রান তুলেন নীতিশ ও রিঙ্কু। ঐ ওভারেই ভারত ১শ’ রান স্পর্শ করে। মারমুখী মেজাজ ধরে রেখে ২৭ বলে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন নীতিশ। ১৩তম ওভারে মিরাজের বলে তিনটি ছক্কা ও ১টি চারে ২৬ রান তুলে রিঙ্কুর সাথে জুটিতে ১শ’ পূর্ণ করেন নীতিশ।

১৪তম ওভারে নীতিশ ও রিঙ্কুর ৪৯ বলে ১০৮ রানের বিধ্বংসী জুটি ভাঙেন মুস্তাফিজ। চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে এটিই সর্বোচ্চ রানের জুটি। ৪টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৩৪ বলে ৭৪ রান করেন নীতিশ। এরপর ২৬ বলে টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয় অর্ধশতক করেন রিঙ্কু। হাফ-সেঞ্চুরির পর ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। তাসকিনের শিকার হন ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫৩ রান করা রিঙ্কু।

১৭তম ওভারে ১৮৫ রানে রিঙ্কু ফেরার পর ভারতকে ৯ উইকেটে ২২১ রানের বিশাল সংগ্রহ এনে দেন হার্দিক পান্ডিয়া ও রিয়ান পরাগ। বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে এই প্রথবারের মত ২শ’ রান করলো ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষে কোন দলের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান। সব মিলিয়ে ১৫টি ছক্কা মেরেছেন ভারতের ব্যাটাররা। পান্ডিয়া ২টি করে চার-ছক্কায় ১৯ বলে ৩২ এবং পরাগ ২টি ছক্কায় ৬ বলে ১৫ রান করেন।

রিশাদ ৫৫ রানে ৩ উইকেট নেন। ভারতীয় ইনিংসের শেষ ওভারে ৮ রানে ৩ উইকেট নেন রিশাদ। এছাড়া তাসকিন-মুস্তাফিজ ও তানজিম ২টি করে উইকেট নেন।

সিরিজে সমতা ফেরাতে ২২২ রানের বিশাল টার্গেটে খেলতে নেমে সপ্তম ওভারে ৪৬ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ১৬, লিটন দাস ১৪, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১১ এবং তাওহিদ হৃদয় ২ রানে আউট হন।

পঞ্চম উইকেটে ২৭ বলে ৩৪ রানের জুটিতে দলের উইকেট পতন ঠেকান মিরাজ ও মাহমুদুল্লাহ। ১টি চারে ১৬ রান করে মিরাজ ফেরার পর দ্রুত আরও ২ উইকেট হারায় টাইগাররা। জাকের আলি ১ ও রিশাদ হোসেন ৯ রানে বিদায় নিলে ৯৩ রানে সপ্তম উইকেট পতনে লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ।

এক প্রান্ত আগলে বাংলাদেশের হারের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন ক্যারিয়ারের শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামা মাহমুদুল্লাহ। ১৯তম ওভারে নবম ব্যাটার হিসেবে সাজঘরে ফিরেন তিনি। ৩টি ছক্কায় ৩৯ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন মাহমুদুল্লাহ।

শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৫ রান করলে টেস্টের মত টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারও নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

নীতিশ ও বরুণ চক্রবর্তী ২টি করে উইকেট নেন।

আগামী ১২ অক্টোবর হায়দারাবাদে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি খেলতে নামবে বাংলাদেশ ও ভারত।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!