শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় ৬.৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ২:৫৩ এএম | 59 বার পড়া হয়েছে
সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় ৬.৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে দেশের রপ্তানি আয় পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬.৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে এই মাসে মোট রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩.৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২০ মিলিয়ন ডলার বেশী।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় ছিল ৩.২৯ বিলিয়ন ডলার।

এনবিআর রিয়েল টাইম শিপমেন্টের তথ্যের ভিত্তিতে ইপিবি এই তথ্য প্রস্তুত করেছে বলে আজ বিকেলে তার কার্যালয়ে মাসিক রপ্তানি আয় পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন এ কথা জানান।

এখন থেকে, ইপিবি প্রতি মাসে রপ্তানি আয়ের বিশদ বিশ্লেষণ নিয়ে আসবে, বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইপিবি তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর- প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৫.০৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১১.৩৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ের থেকে ১০.৮২ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশি।

তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি) এই তিন মাসে ৫.৩৪ শতাংশ বৃদ্ধির সাথে ৯.২৯ বিলিয়ন ডলার অর্জন করে বৈদেশিক বাজারে প্রধান্য অব্যাহত রেখেছে।

এরমধ্যে, নিটওয়্যারের রপ্তানি ছিল ৫.২২ বিলিয়ন ডলার, যার বর্ধিত প্রবৃদ্ধি ৫.৭২ শতাংশ, ওভেন পোশাক ৪.০৭ বিলিয়ন ডলার, যা ৪.৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে একমাসে রপ্তানি আয় ২.৭৮ বিলিয়ন ডলার। এটি সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি।

সূত্র; বাসস

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট

‎জ্বালানি সংকটে মোংলা বন্দরে লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস ব্যাহত

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৮ পিএম
‎জ্বালানি সংকটে মোংলা বন্দরে লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস ব্যাহত

মোংলা বন্দরে বানিজ্যিক জাহাজে জ্বালানি সংকটের কারণে পণ্য খালাস করে আনলোড করতে পারছে না অধিকাংশ লাইটার জাহাজে। পর্যাপ্ত জ্বালানী তেল সরবরাহ না পাওয়ায় তাদের ভোগান্তি চরমে।

‎যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে তেল-গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশের বাজারে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে বলে দাবি করছে কেউ কেউ। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে জ্বালানি সংকটের কারণে বড় জাহাজ অর্থাৎ মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস করতে পারছে না অধিকাংশ লাইটার জাহাজ। তেলের সংকট স্বাভাবিক না হলে বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা। এর প্রভাব পড়তে পারে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ও অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য সরবরাহের কাজে। এ অবস্থা চলতে থাকলে বন্দরের কাজে অচলাবস্থা সৃষ্টি হবে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তারা। আবার রফতানি পণ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত বেসরকারি ডিপোতেও এই প্রভাব পড়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন ডিপো পরিচালনাকারীরা।

‎মোংলা বন্দরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোংলা বন্দরের বহির্নোঙরে বিদেশ থেকে আসা বড় জাহাজগুলো ড্রাফটের কারণে জেটিতে কিংবা পশুর চ্যানেলে ভিড়তে পারে না। লাইটার জাহাজের মাধ্যমে বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে তা জেটি ও দেশের বিভিন্ন নদী বন্দরে পাঠানো হয়। বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন করা প্রায় এক হাজার লাইটার জাহাজের ওপর নির্ভরশীল দেশের পণ্য পরিবহন নেটওয়ার্ক।

‎সম্প্রতি জ্বালানি সংকটে বিপাকে পড়েছে এসব লাইটার জাহাজ। তেল বিপণন কোম্পানিগুলো রেশনিং করার ফলে অনেক জাহাজ প্রয়োজনীয় তেল না পেয়ে অচল হয়ে পড়েছে। লাইটার জাহাজ মালিকের অভিযোগ, ডিপেগুলো আগের মতো ডিজেল না দেওয়ায় তেলের সংকটে অলস বসে আছে জাহাজগুলো।

‎মোংলা বন্দরের লাইটার জাহাজের মালিকরা বলেন, ‘বন্দরের ফেয়ারওয়ে এলাকায় অবস্থানরত বিদেশি জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের জন্য আমার লাইটার জাহাজ ভাড়া চাওয়া হয়। ফেয়ারওয়ে এলাকা মোংলা থেকে ১৩১ কিলোমিটার দূরে। সেই নৌপথে যাওয়া এবং আসার জন্য ১৮০০ থেকে দুই হাজার লিটার জ্বালানি (ডিজেল) তেলের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ডিপো থেকে সেই তেল না পাওয়ায় আমা জাহাজ ফেয়ারওয়েতে যেতে পারেনি। এ রকম শতাধিক লাইটার জাহাজ তেল সংকটে পড়ে আছে।’

‎বন্দরের লাইটার মালিকরা আরো বলেন, ‘জ্বালানি তেলের সংকটে কোনও লাইটার জাহাজ পণ্য নিয়ে কলকাতায় যেতে পারছে না। আমার আরেকটি জাহাজ ফেয়ারওয়েতে অবস্থান করা জাহাজ থেকে সারবোঝাই করে সেখানে অবস্থান করছে। জ্বালানি তেলের সংকটে সেখান থেকে ছেড়ে আসতে পারছে না। এভাবে চললে বন্দরের কাজে অচলাবস্থা সৃষ্টি হবে।’

‎একই অবস্থা বন্দরের প্রায় সব লাইটার জাহাজের। তেলের সংকটে বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করতে পারছেন না বন্দরের ব্যবসায়ীরা। এতে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

‎মোংলা বন্দর ব্যবহারকারীরা বলেন, ‘তেল সংকটে কোনও লাইটার জাহাজ চলাচল করছে না। ফেয়ারওয়েতে থাকা একটি বড় জাহাজ থেকে কয়লা খালাস করতে পারছি না। এতে আমরা ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। কবে এর সমাধান হবে তাও জানি না।’

‎তেলের সংকট স্বাভাবিক না হলে বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা

‎মোংলা বন্দরের লাইটার জাহাজের মালিক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাসে বিলম্ব হলে আমদানিকারকদের অতিরিক্ত জাহাজ ভাড়া গুনতে হবে। আবার পণ্যের আমদানি খরচ বেড়ে গেলে প্রভাব পড়বে বাজার মূল্যের ওপর। তাই জাহাজ থেকে পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে গেলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন ও বাজার সরবরাহ ব্যবস্থায়। দ্রুত জ্বালানি তেলের সংকট সামাল দিতে না পারলে মোংলা বন্দর অচল হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

‎লাইটার জাহাজ চলাচল ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেলের (বিডব্লিউটিসিসি) আহ্বায়ক সফিক আহমেদ ৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি দিয়ে জানান, জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক লাইটার জাহাজ কর্ণফুলীতে পণ্য নিয়ে ভাসছে, গন্তব্যে যেতে পারছে না। চিঠিতে বন্দর থেকে নদীপথে পণ্য সরবরাহ ঠিক রাখতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়।

মো: তরিকুল ইসলাম মহম্মদপুর (মাগুরা)

মাগুরায় পটল চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক মহন মজুমদার

মো: তরিকুল ইসলাম মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৭ পিএম
মাগুরায় পটল চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক মহন মজুমদার

মাগুরা সদর উপজেলার বগিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক মহন মজুমদার পটল চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন। দীর্ঘমেয়াদি এই ফসল চাষ করে তিনি ভালো লাভের আশা করছেন।

তিনি জানান, পটল একটি লাভজনক ফসল। অন্যান্য অনেক ফসলের তুলনায় এর ফলন ও বাজারমূল্য ভালো হওয়ায় কৃষকদের কাছে এর চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এ বছর তিনি প্রায় ২০ শতক জমিতে পটল চাষ করেছেন।
পটল গাছে ফল ধরা শুরু হলে প্রায় প্রতি ৫ দিন পরপর পটল তোলা যায়, এবং এই ফসল প্রায় ৭ মাস পর্যন্ত সংগ্রহ করা সম্ভব। কৃষক মহন মজুমদারের আশা, যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং বাজারদর ভালো থাকে, তাহলে এ জমি থেকে তিনি প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, সঠিক পরিচর্যা ও বাজার সুবিধা পেলে পটল চাষ কৃষকদের জন্য একটি লাভজনক সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

মোঃ আব্দুল কাদের, সহকারী অধ্যাপক (ইংরেজি বিভাগ) তাড়াশ কলেজ, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৬৪ সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সর্বসাধারণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন

মোঃ আব্দুল কাদের, সহকারী অধ্যাপক (ইংরেজি) প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৫ পিএম
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৬৪ সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সর্বসাধারণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৬৪ সিরাজগঞ্জ-৩ (তাড়াশ–রায়গঞ্জ–সলঙ্গা) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, সাদামাটা মনের মানুষ, অত্যন্ত সজ্জন, জনবান্ধব ও রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক, ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিত্ব জনাব ভিপি আইনুল হক এমপি মহোদয় তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা উপজেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং সর্বসাধারণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তিনি এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, সংযম, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য বার্তা বহন করে। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই ঈদ আমাদের জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে। এই পবিত্র দিনে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকল মানুষ একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়, যা আমাদের সমাজে মানবিক মূল্যবোধকে আরও সমৃদ্ধ করে।
তিনি আরও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, ঈদের এই মহিমান্বিত শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবনে ন্যায়, সততা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণা জোগাবে। পাশাপাশি তিনি তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও সলঙ্গার সর্বস্তরের জনগণের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।
পরিশেষে তিনি সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন,
“ঈদ মুবারক!” “ঈদের আনন্দ সবার জীবনে বয়ে আনুক অফুরন্ত সুখ, শান্তি ও কল্যাণ।”

error: Content is protected !!