একজন ইরাকি যে ভাবে নরওয়েকে ধনী করলেন
অনেকেই জানেন না—নরওয়ের তেল সম্পদকে সঠিকভাবে পরিচালনার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এক ইরাকি বংশোদ্ভূত অর্থনীতিবিদ: Farouk Al-Kasim
তিনি ছিলেন সেই নীতিনির্ধারকদের একজন, যিনি নরওয়েকে “তেল-নির্ভর অভিশাপ” থেকে বাঁচিয়ে “তেল-সমৃদ্ধ আশীর্বাদে” পরিণত করতে সাহায্য করেন। 🌍✨
🔍 তাঁর অবদান কী ছিল?
🔹 ১৯৬০–৭০-এর দশকে যখন উত্তর সাগরে তেল আবিষ্কার হয়, তখন অনেক দেশ তেল সম্পদে ধনী হলেও দুর্নীতি ও অপচয়ের কারণে অর্থনীতি ধ্বংস করে ফেলেছিল।
🔹 কিন্তু আল-কাসিম পরামর্শ দেন—
✔️ বিদেশি কোম্পানিকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ না দিয়ে রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধান রাখতে হবে
✔️ জাতীয় তেল কোম্পানি গঠন করতে হবে
✔️ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তহবিল গঠন করতে হবে
এই দর্শনের ফলেই গড়ে ওঠে আজকের শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি Equinor (সাবেক Statoil)। 🛢️
💰 ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়
নরওয়ে তেলের আয় সরাসরি খরচ না করে তা জমা রাখে একটি সার্বভৌম সম্পদ তহবিলে—
👉 Government Pension Fund Global
আজ এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম তহবিল! এই তহবিলের কারণেই নরওয়ে বিশ্বের ধনী ও স্থিতিশীল দেশগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। 🇳🇴📈
🌟 শিক্ষণীয় বিষয়
একজন অভিবাসী বিশেষজ্ঞের জ্ঞান, সততা ও দূরদর্শিতা পুরো একটি দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।
👉 সম্পদ নয়, সঠিক নীতি-পরিকল্পনাই একটি দেশকে সত্যিকারের ধনী করে।
📢 আমাদের জন্য বার্তা
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি বড় শিক্ষা—প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই উন্নয়ন নিশ্চিত হয় না; দরকার স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
💬 আপনার কী মনে হয়—বাংলাদেশ কি নরওয়ের মডেল থেকে কিছু শিখতে পারে?














