মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বরিশালে জামায়াতের আমির: দূর্নীতিবাজদের গলা চেপে ধরবো

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৯ পিএম | 80 বার পড়া হয়েছে
বরিশালে জামায়াতের আমির: দূর্নীতিবাজদের গলা চেপে ধরবো

৪৯ জন ঋণখেলাপী আর চাঁদাবাজদের নিয়ে যারা নির্বাচনে অংশ নেয় তারা নিজের দল সামলাতে পারে না, তারা দেশও সামলাতে পারবে না, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘৫৪ বছরে যাদের দেখেছি, তাদের আমলনামা আমাদের সামনে আছে। আবার ৫ আগস্ট থেকে ১৭ মাস যাদের দেখেছি, তাদের আমলনামাও আমাদের সামনে আছে। সুতরাং যাদের আমলনামা আমরা ভালোবাসব, তাদেরই আমরা ভোট দেব। যারা নিজের দল সামলাতে পারে না, তারা দেশও সামলাতে পারবে না। যারা নিজের দল সামলাতে পারে, তারাই ইনশা আল্লাহ দেশ সামলাতে পারবে।’ শুক্রবার সকালে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার আর সি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নিজের দলটাকে পাহারা দিয়েছি। এত দিন পাহারাদারি করেছি দলকে, এখন আপনারা মেহেরবানি করে সুযোগ দিলে আমরা দেশের ১৮ কোটি মানুষের চৌকিদারি করতে চাই। তাদের জীবন, সম্পদ ও ইজ্জতের পাহারাদার হতে চাই। সেই সুযোগ আপনারা যদি দেন, আপনাদের আস্থার প্রতিদান দেওয়া আমাদের জন্য ওয়াজিব। আমরা জান-প্রাণ দিয়ে সেটার চেষ্টা চালিয়ে যাব।’ ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরবেন উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা দুর্নীতিবাজদের গলা চেপে ধরব। দুর্নীতিবাজদের মুখের ভেতর হাত ঢুকিয়ে দিয়ে পেটের ভেতর থেকে সব টাকা ফেরত আনব। দেশের অনেক টাকা পাচার হয়েছে, সেই টাকা ফেরত আনতে হবে। সব টাকা ফেরত আনার লড়াই হবে চূড়ান্ত লড়াই।’ তিনি বলেন, ‘সবার সমান অধিকার নয়, আমরা ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করব। কারও সঙ্গে অন্যায়-অবিচার করা হবে না। প্রত্যেকে তাঁর প্রয়োজন ও চাহিদা অনুযায়ী সাহায্য-সহযোগিতা পাবেন।’ নারীদের বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘জীবন দিতে রাজি আছি, মায়ের ইজ্জত দেব না। নারী জাতি মায়ের জাতি। আমরা প্রত্যেকেই মায়ের সন্তান। ইসলাম মায়ের জাতিকে সম্মানিত স্থানে রেখেছে। নারীদের স্বয়ং আল্লাহ সম্মানিত করেছেন। আমরা সবাই নারীদের নিরাপত্তা ও সম্মান দেব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে বেকার ভাতা দেব না। আমরা সবার হাতে কাজ তুলে দেব। বেকার ভাতা দিয়ে কাউকে অপমান করব না।’
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি মন্তব্য করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা গোলামি চাই না। আমরা আজাদি চাই। তাই আজাদির জন্য গণভোটে হ্যাঁ-কে জয়ী করব।’ মেহেন্দীগঞ্জের ভৌগোলিক অবস্থান ও উন্নয়ন বঞ্চনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘মেহেন্দীগঞ্জ ভোলা নদীকেন্দ্রিক এলাকা। এসব জায়গাও বাংলাদেশের অংশ। এসব অবহেলিত জায়গাকে প্রাধান্য দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প শুরু হবে। নদী আমাদের জন্য অভিশাপ নয়, নদী সম্পদ। নদী সংস্কার করা প্রয়োজন।’
মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বরিশাল-৪ (মেহেন্দীগঞ্জ ও হিজলা) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার। অনুষ্ঠান শেষে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বরিশাল-১, ২, ৩, ৪ ও ৬ আসনের প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন জামায়াতের আমির। তিনি তাঁদের বিজয়ী করার জন্য বরিশালবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। মেহেন্দীগঞ্জে জনসভার পর দুপুর ১২টায় পটুয়াখালীর বাউফলে জনসভায় যোগ দেন জামায়াতের আমির। পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদের পক্ষে স্থানীয় পাবলিক মাঠে এ জনসভার আয়োজন করা হয়।
জনসভায় ডা.শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত সব সরকার আমাদের দুর্নীতি, মামলাবাজি, দখলদারি, ফ্যাসিবাদ ও বিচারহীনতা উপহার দিয়েছে। আমরা তা পাল্টে দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। ১২ তারিখের নির্বাচনে মহান রাব্বুল আলামিন যদি আমাদের সুযোগ দেন, তাহলে আমরা নতুন বাংলাদেশ উপহার দিতে চাই। ১৩ তারিখ নতুন সূর্য উদিত হবে, ইনশা আল্লাহ।’ জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা দখলবাজি করি না, কাউকে করতেও দেব না। আমরা চাঁদাবাজি করি না, কাউকে করতেও দেব না। আমরা দুর্নীতি করি না, কাউকে করতেও দেব না। এই বাংলাদেশে আর ব্যাংক লুট করতে দেওয়া হবে না, শেয়ারবাজারে ডাকাতি করতে দেওয়া হবে না।’ তিনি বলেন, ‘মামলা-বাণিজ্যকে আমরা ঘৃণা করি। আমরা এটাকে প্রশ্রয় দিই না। অনেকে আছেন, যাঁরা মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন ধ্বংস করে দেন। যাঁরা মিথ্যা মামলা-বাণিজ্য করবেন, তাঁদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।’ বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির ইসাহাক মিয়ার সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিক মেহেদি হাসানের মা মাহমুদা বেগম। এ ছাড়া জামায়াত ও ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতারা বক্তব্য দেন।

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার

কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম
কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম এরশাদের স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) কক্সবাজারের হোটেল মিশুক রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ আনোয়ার হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং মরহুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলুল কাদের চৌধুরী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এরশাদকে আমরা হারাবো এটা কখনো ভাবিনি। তিনি ছিলেন একজন পরিশ্রমী, ধর্মপ্রাণ ও দায়িত্বশীল মানুষ। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও সম্পর্ক ছিল গভীর। তার মৃত্যুতে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

অনুষ্ঠানে মরহুমের সুযোগ্য সন্তান অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্য রাখেন,কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ শামসুল আলম শ্রাবণ, ইমাম খাইর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন, মোহাম্মদ আয়াজ রবি, কবি জসিম উদ্দিন, নাছিমা আক্তার, দিদারুল আলম, ফরিদ আলম রনি, নাজিম উদ্দিন, আমিন উল্লাহ, জাহেদ হোসেন, মোঃ হাসান, আলাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু মুছা, আমিনুল ইসলাম, ডা. এরফান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এম আলাউদ্দিন, এম জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম বাবু, হাফেজ আনোয়ার, সোলতান, কামরুল ইসলামসহ অসংখ্য সাংবাদিক।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন বলেন, এরশাদ ভাই ছিলেন সাহসী ও আপসহীন এক কলমযোদ্ধা। সাংবাদিকতার শুরু থেকে তিনি অন্যায়, দুর্নীতি, মাদক ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে লিখেছেন। বহু হুমকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হননি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ হিসেবে এরশাদ ভাই ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অভিভাবকের মতো। তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

বক্তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

পবিত্র মসজিদুল হারামে কাবার গিলাফ (কিসওয়া) কাটার চেষ্টার অভিযোগে এক তুর্কি নারীকে আটক করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। একটি তুর্কি হজ কাফেলার সঙ্গে আসা ওই নারী কাঁচি দিয়ে গিলাফের একটি অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই নারী যখন কাঁচি দিয়ে কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা করছিলেন, তখন পাশে থাকা অন্য মুসল্লিরা তাঁকে বাধা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত লোকজন তাঁকে ‘হাজি, এটা হারাম (নিষিদ্ধ)’ বলে সতর্ক করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নারী মিসরীয় নাগরিক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক ইনফরমেশন’-এর প্রতিনিধি ওতাইবি নিশ্চিত করেছেন যে, আটক নারী প্রকৃতপক্ষে তুরস্কের নাগরিক এবং তিনি একটি তুর্কি হজ কাফেলার সদস্য হিসেবে সৌদি আরব ভ্রমণ করছিলেন। ফলে মিসরীয় নাগরিক হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

 

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক মহান অঙ্গীকার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, যিনি সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক সাংবাদিকই নির্যাতন, নিপীড়ন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, এমনকি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটি এমন একটি সংগঠন, যেখানে সাংবাদিকরা বৈধভাবে, নিরাপদভাবে এবং নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

🌟 মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

✔ অধিকার রক্ষা: সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
✔ আইনি সহায়তা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি সহযোগিতা প্রদান।
✔ নিরাপদ কর্মপরিবেশ: মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয়।
✔ হয়রানি প্রতিরোধ: ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ।
✔ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন: সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।
✔ ঐক্য গঠন: সারাদেশের সাংবাদিকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তোলা।
✔ বৈধ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ: ভুয়া বা প্রতারক সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করে প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদান।

📌 প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম:

🔹 নির্যাতিত সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত
🔹 দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ
🔹 মানবাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা
🔹 সাংবাদিকদের জন্য আইডেন্টিটি যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিতকরণ
🔹 মিডিয়া নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলা

🎯 আমাদের অঙ্গীকার:

আমরা বিশ্বাস করি—সাংবাদিকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
👉 সত্যের পক্ষে থাকবো
👉 অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো
👉 সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করবো
👉 একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলবো

পরিশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগটি শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়—এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। কারণ, সাংবাদিক নিরাপদ থাকলে সত্য প্রকাশ পায়, আর সত্য প্রকাশ পেলে সমাজ এগিয়ে যায়।

error: Content is protected !!