বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

১০ম গ্রেডে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের কোটা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৮ পিএম | 49 বার পড়া হয়েছে
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের বিক্ষোভ

১০ম গ্রেডভুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী/সমমানের পদে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য কোটা সংরক্ষণের কোনো প্রস্তাব মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক-পেশাজীবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর রেলগেট (গোরহাঙ্গা) এলাকায় ১০ম গ্রেডভুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী/সমমান পদে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ৩৩ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের প্রস্তাবের প্রতিবাদে আয়োজিত অবস্থান ও বিক্ষোভ  কর্মসূচি থেকে তারা এ হুঁশিয়ারি দেন।উক্ত অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি রেলগেট থেকে শুরু হয়ে ভদ্রা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।এ সময় তারা তারা আরো বলেন, বিএসসি ডিগ্রিধারী ও ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের পেশাগত সমাধানে সরকারের কমিটি কর্তৃক ১০ম উপ-সহকারী প্রকৌশলী/সমমান পদে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ৩৩% কোটা সংরক্ষণের প্রস্তাবের প্রতিবাদে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী/সমমান পদটি ১৯৭৮ সালে শুধুমাত্র ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে এবং সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এটি একটি মীমাংসিত বিষয়। এ পদের কর্মধরন অনুযায়ী বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের প্রবেশের দাবি অবান্তর। তারা আরও বলেন, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের নিম্নপদে প্রবেশ জাতীয় মেধার অপচয় এবং এতে প্রকৌশল খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, কিছু কারিগরি আমলা পরিকল্পিতভাবে রিটের মাধ্যমে মেট্রোরেল, ওজোপাডিকোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিচ্ছে এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের পদসংখ্যা সংকুচিত করা হচ্ছে।বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচিতে বৈষম্যহীন উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সুষ্ঠু প্রকৌশল কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার যখন গণতন্ত্রের পথে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে ডিগ্রি প্রকৌশলী ও বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীরা পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য ও বিভিন্ন সংস্থায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।কারিগরি আমলারা পরিকল্পিতভাবে মেট্রোরেল ও ওজোপাটিকো সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উপসহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া রিটের মাধ্যমে আইনি জটিলতা সৃষ্টি করে বন্ধ করে দিচ্ছে।
বিভিন্ন সংস্থা মাথাভারী অর্গানোগ্রাম প্রণয়নের মাধ্যমে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের পদ সংখ্যা সংকুচিত করছে এবং উপসহকারী প্রকৌশলী সমমান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতায় প্রকৌশলে উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের সুযোগ দিয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনের লংঘন করছে। উক্ত অবস্থান ও বিক্ষেপ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, সার্ভিস এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ, সরকারি/বেসরকারি  পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র শিক্ষক বিভিন্ন পেশাজীবী ডিপ্লোমা সদস্য প্রকৌশলী ও জ্যেষ্ঠ সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন, প্রকৌশলী জনাব,মাহমুদ হোসেন।
আইডিইবি রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক প্রকৌশলী এ. আর. জামিল ইদি, সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

জয় ই মামুন

মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

জয় ই মামুন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরির অভিযোগে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে যেসব ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে সেগুলো হলো- কে এফ সি ব্রিকস (বেরুন্ডি) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহানা ব্রিকস (খোলাপাড়া) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স এ এ বি অ্যান্ড কোং (গাড়াদিয়া) ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স জে বি সি ব্রিকস (গোবিন্দল) ২ লাখ টাকা, মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-১ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-২ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস (রামকান্তপুর) ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মো. মোজাফফর খান।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাব-৪ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা সহায়তা প্রদান করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে পরিবেশ ধ্বংস রোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিস্টরা।

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী

জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী পৌর (৪নং ওয়ার্ড) ডাঙ্গপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

নিহত মিমনুর রহমান ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন (আল্লীর) প্রথম পুত্র এবং বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ তিনি ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উদ্বেগ, শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে ব্যানার হাতে নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ন্যায়বিচারের দাবি জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: মনোয়ারা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মহুবর রহমান, শিক্ষক আব্দুল হাই, মিজানুর রহমান, স্বপন কুমার রায়, ভগীরথ চন্দ্র রায় এবং সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা সুলতানা ও শিলা রানী রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, নিহতের পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করছে। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এমন ঘটনা আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চারতলা ভবন

আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

মেহেদী হাসান রিপন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

যশোরবাসীর পুলিশি সেবা আরও বেগবান ও আধুনিক করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগে হাত দিয়েছে সরকার। শহরের জরাজীর্ণ কোতোয়ালি মডেল থানা ভবনটি ভেঙে সেখানে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ষাট দশকে নির্মিত বর্তমান থানা ভবনটি দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সরকারের দেশব্যাপী ১০৭টি থানা আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় এই সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে। যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২৬ হাজার স্কয়ার ফিটের এই ভবনের মূল কাঠামো বা ফাউন্ডেশন হবে ছয়তলা পর্যন্ত, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি চারতলা হিসেবে নির্মিত হবে। ঝিনাইদহের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেবাপ্রার্থী এবং পুলিশ সদস্যদের সুবিধার্থে ভবনের প্রতিটি তলা সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছে:
* প্রথম তলা: অভ্যর্থনা কেন্দ্র এবং দাপ্তরিক অফিস।
* দ্বিতীয় তলা: হাজতখানা ও প্রশাসনিক শাখা।
* তৃতীয় তলা: অফিস এবং নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক।
* চতুর্থ তলা: পুরুষ পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক ব্যারাক।

অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়িতে

নির্মাণ কাজ চলাকালীন জনসেবা যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য থানার যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পরিচালিত হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান ভবনটি খালি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জনবল অনুযায়ী চাঁচড়া ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় পুলিশ সদস্যদের সাময়িকভাবে কিছুটা আবাসন সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, উন্নত ও আধুনিক পুলিশি সেবার স্বার্থে এই সাময়িক কষ্টটুকু মেনে নিতে হবে। নতুন ভবন নির্মিত হলে যশোরবাসীকে সেবা প্রদানের মান ও পুলিশের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

error: Content is protected !!