বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বরিশাল বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্রই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৬ পিএম | 87 বার পড়া হয়েছে
বরিশাল বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্রই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’

বরিশাল বিভাগের অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের নির্বাচনী লড়াইয়ের মাঠ প্রস্তুত হচ্ছে। তবে এই প্রস্তুতির মধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার চিত্র। বিভাগের ৬ জেলার ২১টি আসনের ৫১ শতাংশ ভোটকেন্দ্রকে এবার ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অতিগুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকেই এমন শ্রেণিতে ফেলা হয়। পুলিশ ও প্রশাসন বলছে, রাজনৈতিক সংঘাতের চেয়েও নদীবেষ্টিত এই অঞ্চলের ভৌগোলিক দুর্গমতা ও অবকাঠামোগত সংকটই কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের মোট দুই হাজার ৭৩৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬২১টি ‘অতিগুরুত্বপূর্ণ’ এবং ৮২৭টি ‘গুরুত্বপূর্ণ’। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি কেন্দ্রই বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, চরাঞ্চল, নদীভাঙন এলাকা এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন জনপদগুলোতে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের পৌঁছাতে বেগ পেতে হয়। তাই এসব কেন্দ্রে নিরাপত্তা ও তদারকি বাড়ানো হয়েছে।

মাঠপর্যায়ের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, খোদ বরিশাল নগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এর বর্তমান অবস্থা জীর্ণ। তিনটি কক্ষ পরিত্যক্ত হওয়া সত্ত্বেও এটি ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আফসানা মুন্নি জানান, বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগ থাকলেও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কারণে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ভোট গ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। শুধু এই স্কুল নয়, বিভাগের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই এখন পর্যন্ত আধুনিক নির্বাচনী সরঞ্জামে সজ্জিত নয়।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বড় দুশ্চিন্তা মেহেন্দিগঞ্জ, হিজলা ও মুলাদীসহ দুর্গম ১৩টি উপজেলা নিয়ে। অতীতে এসব এলাকায় ভোট গ্রহণ করতে গিয়ে নারী কর্মকর্তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় পোলিং কর্মকর্তাদের অনেক সময় রাতভর নির্ঘুম কাটাতে হয়। ভোটগ্রহণকারী শিক্ষকরা বলছেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের’ দাবি অনুযায়ী কেন্দ্রগুলোতে জেনারেটর সুবিধা এবং সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা থাকা জরুরি, যা এখনো শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে এক ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “গুরুত্বপূর্ণ মানেই সেখানে সন্ত্রাস হবে-এমন ধারণা ভুল। জনবসতি, চরাঞ্চল কিংবা প্রার্থীর বাড়ির কাছের কেন্দ্র হওয়ায় আমরা বাড়তি নিরাপত্তার খাতিরে সেগুলোকে তালিকায় রেখেছি।” মূলত কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই যাতে ভোট সম্পন্ন হয়, সেজন্যই এই বিশেষ বিন্যাস।

অন্যদিকে, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নের বিষয়ে আশার বাণী শুনিয়েছেন বরিশাল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন। তিনি জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্থায়ীভাবে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা নির্বাচনের আগেই সম্পন্ন হবে। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মতে, এখনো ৩৪টি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, যার মধ্যে ৩১টিই ভোলা জেলায়। এসব প্রতিকূলতা ছাপিয়েও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কমিশন।

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রতিটি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর চেষ্টা করছি। সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেও বদ্ধপরিকর। দুর্গম এলাকার কেন্দ্রগুলোর জন্য বিশেষ যাতায়াত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।”

উখিয়ায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের বিনামূল্যে (ভিজিএফ) চাল বিতরণ

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪১ এএম
উখিয়ায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের বিনামূল্যে (ভিজিএফ) চাল বিতরণ

পবিত্র রমজান মাসে ঈদ উপহার হিসেবে উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের (১২ মার্চ) সকাল ৯ টার সময় (ভিজিএফ) চাল বিতরণ উদ্বোধন করেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান এসময় উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান প্যানেল চেয়ারম্যান ছৈয়দ হামজা ও সদস্য সচিব মৃনাল বড়ুয়া।এবিষয়ে রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান জানান গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার হতদরিদ্র মানুষের জন্য ঈদ উপলক্ষে উপহার স্বরুপ (ভিজিএফ) ১০ কেজি করে চাল প্রদান করেছেন হতদরিদ্র পরিবারের জন্য। এতে করে হতদরিদ্র পরিবার গুলো উপকৃত হয়েছেন বলে আমি মনে করি। আমার ইউনিয়নে ৭৭৫৪ হতদরিদ্র পরিবার এই চাল পাবেন।

উত্তরার হোটেলিয়ানদের মিলনমেলা: ইফতার ও ডিনারে আতিথেয়তা শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

দিশা আক্তারঃ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
উত্তরার হোটেলিয়ানদের মিলনমেলা: ইফতার ও ডিনারে আতিথেয়তা শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

রাজধানীর উত্তরা এলাকার বিভিন্ন হোটেলে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মীদের উদ্যোগে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলা, ইফতার ও ডিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উত্তরার বিভিন্ন হোটেলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, পেশাগত সম্পর্ক জোরদার এবং আতিথেয়তা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হোটেল শিল্প শুধু খাবার পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মানুষের থাকা, বিশ্রাম, নিরাপত্তা ও সম্মানজনক আতিথেয়তার একটি সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা। একজন অতিথি যখন একটি হোটেলে আসেন, তখন তিনি শুধু একটি কক্ষ বা খাবারই পান না, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, উত্তরা বর্তমানে ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দ্রুত উন্নয়নশীল এলাকা। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কারণে এখানে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি বহু মানুষের আগমন ঘটে। ফলে উত্তরা খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি সম্ভাবনাময় হসপিটালিটি হাব হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ রাখে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী হোটেল কর্মকর্তারা মনে করেন, মানসম্মত সেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, আরামদায়ক থাকার ব্যবস্থা এবং পেশাদার আতিথেয়তার মাধ্যমে উত্তরার হোটেল শিল্পকে আরও উন্নত করা সম্ভব। একই সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত ঐক্যের মাধ্যমে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মিলনমেলার মাধ্যমে উত্তরার হোটেল শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

আসন্ন ঈদুল উল ফিতর কে সামনে রেখে

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কড়া নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টর প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৭ এএম
ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কড়া নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আসন্ন ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী এসপি সার্কেল প্রণব কুমার ও ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোমিনুজ্জামান এর নেতৃত্বে পুরো ঈশ্বরদী উপজেলা জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ।

ঈশ্বরদীতে মাদক-জুয়া/অনলাইন জুয়া, বাজিতে লুডু খেলা, রাত ৮ টার পর মহল্লার অলিগলিতে কিশোর স্কুল পড়ুয়া উঠতি বয়সের ছেলেদের চায়ের দোকানে আড্ডা রোধে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ নজরদারি জোরদার করেছে।

আসন্ন ঈদুল ফিতর ঈদের আগে আপনার এলাকায় বহিরাগত সন্দেহ জনক লোকের আনাগোনা দেখতে পেলে থানা পুলিশকে অবহিত করুন। ঈদে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের একাধিক টহল টিম রাত্রিকালীন পেট্রোলিং কার্যক্রম চালু করেছে। শিল্প নগরীর ৭ টি ইউনিয়ন, ১টি পৌর শহর ও হাইওয়ে মহাসড়কে টহল জোরদার করেছে। আপনারা স্ব স্ব অবস্থানে থেকে পুলিশ কে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।
ঈশ্বরদী বাসীদের উদ্দেশ্যে সকল প্রকার সহযোগিতার জন্য উদাত্ত আহ্বান করেছেন।

 

error: Content is protected !!