মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

চাঁদাবাজ দুর্নীতিমুক্ত সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই

Md. Omar Faruk (Sunny)
Md. Omar Faruk (Sunny) - Staff Reporter, Pabna District প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম | 66 বার পড়া হয়েছে
চাঁদাবাজ দুর্নীতিমুক্ত সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা চাঁদাবাজ দুর্নীতিমুক্ত সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সুযোগ পেলে আধিপত্য বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সরকার গঠন করা হবে। আমাদের সরকার হবে ইনসাফ ন্যায় ও মানবিক কল্যাণের সরকার।
গতকাল বৃহস্পতিবার ( ২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাবনা জেলা শাখা আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেয়া কালে তিনি একথা গুলো বলেন।
পাবনা জেলা জামায়াতের আমির ও পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খান, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আবু সালেহ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও এস এম সোহেল এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ সিবগাতুল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পাবনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান, পাবনার-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসাইন,পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক আলী আজগার, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সুজানগর উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন,পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার মাওলানা নাজিবুর রহমান মোমেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, আমেরিকা প্রবাসী জামায়াত নেতা আকবর হোসেন, এবি পার্টির জেলা আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ মোল্লা, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আবু মুসা, এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সমন্বয়কারী আলম মোহাম্মদ রওশন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা আমির মুফতি অলিউল্লাহ , জুলাই শহীদ জাহিদুল ইসলাম জাহিদের পিতা দুলাল উদ্দিন মাস্টার, মাহবুব হোসেন নিলয়ের পিতা আবুল কালাম আজাদ, জেলা এডভোকেট বার সমিতির সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ খান এহিয়া, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের পাবনা জেলা শাখার সেক্রেটারি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার আব্দুস সাত্তার, সাবেক সাংসদ মাওলানা আব্দুস সুবহান সাহেবের ছেলে আব্দুল হালিম লাল, ইসলামী ছাত্রশিবিরের পাবনা শহর শাখার সভাপতি আব্দুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন পাবনার প্রধান সমন্বয়ক বরকতউল্লাহ ফাহাদ, সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ, পাবনা সদর উপজেলা জামাতের আমির মাওলানা আব্দুর রব, ও রোজা মতের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফ।
এসময় মঞ্চে ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের আমির ডঃ নুরুজ্জামান প্রামানিক আটঘরিয়ার আমির মাওলানা নকিবুল্লাহ চাটমোহরের আমির মাওলানা আব্দুল হামিদ ভাঙ্গুরার আমির মাওলানা মহির উদ্দিন ফরিদপুরের আবু তালেব বেড়ার মাওলানা আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ করার লক্ষ্য জামায়াত কাজ করে যাচ্ছে। জামাতের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আগামী দিনের দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মাধ্যমে দেশে জামায়াত সরকার গঠন করবে। তিনি আরো বলেন আগামী দিনের এ সরকার হবে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সরকার, দুর্নীতিমুক্ত চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধের সরকার এবং ইসলামের সরকার হবে।
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসাইন বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সৎ, দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থী জাতির সামনে উপস্থাপন করেছে, দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ১২ তারিখে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করে জাতিকে একটি শোষণ দুর্নীতি চাঁদাবাজ মুক্ত ন্যায় ও ইনসাফের মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করুন।
পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার মাওলানা নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন,দেশের মানুষ ফ্যাসিবাদকে লাল কার্ড দেখিয়েছে, আগামী নির্বাচনে চাঁদাবাজি সন্ত্রাসীদের লাল কার্ড দেখিয়ে বিদায় করবে। আগামী নির্বাচনে ন্যায়ের প্রতিক দাড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে সকল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জবাব দিবে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আগামী দিনে পাবনার ৫ টি আসনের দাড়িপাল্লার বিজয় হবে ইনশাল্লাহ।
পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন বলেন, পাবনায় কোন সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি ঠাঁই দেওয়া হবে না। আমরা কোন বাতিল শক্তি বা অপশক্তির কাছে ইসলামের মর্যাদা ক্ষুন্ন হতে দেবো না।
পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক আলী আজগর বলেন, প্রতিপক্ষ দলের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা চোখ রাঙাবেন না, জামাত নেতা কর্মী চোখ রাঙানো দেখে ভয় পায় না। আগামী ১২ফেব্রুয়ারী দেশের মানুষ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করে সাধারণ জনগণ উপযুক্ত জবাব দিবেন।
জামায়াত আমির ডা: শফিকুর রহমান আরও বলেন,আমরা কারো চোখ রাঙানিতে ভয় পাই না, আমরা শুধুমাত্র আল্লাহকেই ভয় পাই। আমরা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে নতুন ভাবে দেশ গঠন করতে চাই। তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হাজার হাজার নেতা কর্মীকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করা হয়েছিলো। আগামী দিনে দেশে আর ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হবে না। ফ্যাসিবাদ মুক্ত দেশ গঠন করতে হলে ‘হ্যাঁ’ তে ভোট দিতে হবে। তার সাথে দাড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে সকল প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। পাবনা জেলা জামায়াত আয়োজিত এই নির্বাচনী জনসভা বিকেল সাড়ে তিনটায় শুরু হয়ে রাত ৯টায় শেষ হয়।

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার

কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম
কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম এরশাদের স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) কক্সবাজারের হোটেল মিশুক রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ আনোয়ার হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং মরহুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলুল কাদের চৌধুরী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এরশাদকে আমরা হারাবো এটা কখনো ভাবিনি। তিনি ছিলেন একজন পরিশ্রমী, ধর্মপ্রাণ ও দায়িত্বশীল মানুষ। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও সম্পর্ক ছিল গভীর। তার মৃত্যুতে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

অনুষ্ঠানে মরহুমের সুযোগ্য সন্তান অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্য রাখেন,কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ শামসুল আলম শ্রাবণ, ইমাম খাইর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন, মোহাম্মদ আয়াজ রবি, কবি জসিম উদ্দিন, নাছিমা আক্তার, দিদারুল আলম, ফরিদ আলম রনি, নাজিম উদ্দিন, আমিন উল্লাহ, জাহেদ হোসেন, মোঃ হাসান, আলাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু মুছা, আমিনুল ইসলাম, ডা. এরফান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এম আলাউদ্দিন, এম জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম বাবু, হাফেজ আনোয়ার, সোলতান, কামরুল ইসলামসহ অসংখ্য সাংবাদিক।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন বলেন, এরশাদ ভাই ছিলেন সাহসী ও আপসহীন এক কলমযোদ্ধা। সাংবাদিকতার শুরু থেকে তিনি অন্যায়, দুর্নীতি, মাদক ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে লিখেছেন। বহু হুমকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হননি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ হিসেবে এরশাদ ভাই ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অভিভাবকের মতো। তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

বক্তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

পবিত্র মসজিদুল হারামে কাবার গিলাফ (কিসওয়া) কাটার চেষ্টার অভিযোগে এক তুর্কি নারীকে আটক করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। একটি তুর্কি হজ কাফেলার সঙ্গে আসা ওই নারী কাঁচি দিয়ে গিলাফের একটি অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই নারী যখন কাঁচি দিয়ে কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা করছিলেন, তখন পাশে থাকা অন্য মুসল্লিরা তাঁকে বাধা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত লোকজন তাঁকে ‘হাজি, এটা হারাম (নিষিদ্ধ)’ বলে সতর্ক করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নারী মিসরীয় নাগরিক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক ইনফরমেশন’-এর প্রতিনিধি ওতাইবি নিশ্চিত করেছেন যে, আটক নারী প্রকৃতপক্ষে তুরস্কের নাগরিক এবং তিনি একটি তুর্কি হজ কাফেলার সদস্য হিসেবে সৌদি আরব ভ্রমণ করছিলেন। ফলে মিসরীয় নাগরিক হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

 

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক মহান অঙ্গীকার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, যিনি সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক সাংবাদিকই নির্যাতন, নিপীড়ন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, এমনকি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটি এমন একটি সংগঠন, যেখানে সাংবাদিকরা বৈধভাবে, নিরাপদভাবে এবং নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

🌟 মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

✔ অধিকার রক্ষা: সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
✔ আইনি সহায়তা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি সহযোগিতা প্রদান।
✔ নিরাপদ কর্মপরিবেশ: মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয়।
✔ হয়রানি প্রতিরোধ: ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ।
✔ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন: সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।
✔ ঐক্য গঠন: সারাদেশের সাংবাদিকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তোলা।
✔ বৈধ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ: ভুয়া বা প্রতারক সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করে প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদান।

📌 প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম:

🔹 নির্যাতিত সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত
🔹 দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ
🔹 মানবাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা
🔹 সাংবাদিকদের জন্য আইডেন্টিটি যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিতকরণ
🔹 মিডিয়া নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলা

🎯 আমাদের অঙ্গীকার:

আমরা বিশ্বাস করি—সাংবাদিকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
👉 সত্যের পক্ষে থাকবো
👉 অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো
👉 সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করবো
👉 একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলবো

পরিশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগটি শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়—এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। কারণ, সাংবাদিক নিরাপদ থাকলে সত্য প্রকাশ পায়, আর সত্য প্রকাশ পেলে সমাজ এগিয়ে যায়।

error: Content is protected !!