বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

পাবনার মেরিল বাইপাস-টিবুনিয়া মহাসড়ক: হ্যারাসমেন্টের ফাঁদ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৮ পিএম | 43 বার পড়া হয়েছে
পাবনার মেরিল বাইপাস-টিবুনিয়া মহাসড়ক: হ্যারাসমেন্টের ফাঁদ

সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই পাবনা সদরের মেরিল বাইপাস–টিবুনিয়া মহাসড়ক পরিণত হচ্ছে আতঙ্কের জনপদে। নির্জনতা, পর্যাপ্ত আলোর অভাব এবং পুলিশের নিয়মিত টহলের ঘাটতির সুযোগ নিয়ে এ সড়কে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ছিনতাই ও হ্যারাসমেন্টকারী একটি চক্র। এমনই অভিযোগ উঠেছে জনসাধারণের কাছ থেকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাবনার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে টেবুনিয়া যাবার পথে মেরিল বাইপাস, রামানন্দপুর, গাছপাড়া, মালিগাছা, টিবুনিয়া ফার্ম সহ কয়েকটি অংশ দীর্ঘদিন ধরেই জনমানবহীন অন্ধকারাচ্ছন্ন। এই সুযোগে নেশাগ্রস্ত, অস্ত্রধারী কিছু দুষ্কৃতকারী চক্র সংঘবদ্ধভাবে পথচারী, রিকশাচালক ও অটোচালকদের পথ রোধ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিনতাই করে। চক্রটির মূল টার্গেট কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া শিক্ষার্থী। সন্ধার পরে যুবক-যুবতীকে একসাথে রিক্সা বা বাইকে দেখলেই চক্রটি কয়েকটি ধাপে মোটরসাইকেল যোগে তাদের ফলো করে। সুযোগ বুঝে একসময় সংঘবদ্ধ হয়ে জনমানবহীন অন্ধকারচ্ছন্ন কোন জায়গায় তাদের পথরোধ করে। প্রথমেই জিজ্ঞেস করা হয় তারা স্বামী স্ত্রী কিনা। স্বামী স্ত্রী না হলেই শুরু হয় হ্যারাসমেন্ট। শুরু হয় অমানুষিক নির্যাতন। মানসম্মানের ভয়ে একসময় তারা টাকাপয়সা মোবাইল সব দিয়ে দিতে বাধ্য হয়। অনেকসময় যুবক যুবতীকে আটকে রেখে পরিবারের কাছেও মোটা অংকের টাকা দাবি করে এই চক্র। এদের মধ্যে কেউ কেউ মধুচক্রের সাথেও জড়িত বলে জানা যায়।
পাবনা শহরের সোলাইমান নামে ভুক্তভোগী এক যুবক জানান, প্রায় ১৫ দিন আগে ঊষা নামে এক তরুণী আমার দোকানে রিংলাইট কিনতে আসলে তার সাথে আমার পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে ভিডিও ও গ্রাফিক্সের কাজের কথা বলে গত ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪ টার দিকে আমাকে মালিগাছা গোরস্থানের সামনে ডাকা হয়। সেখানে পৌঁছালে পুর্ব পরিকল্পিতভাবে কয়েকজন দুষ্কৃতকারী আমাকে মধুচক্রের ফাঁদে ফেলে। সন্ধায় জোরপূর্বক তারা আমাকে গোরস্থানের পেছনে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ডিবি স্টিক দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি আঘাত ও কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এরপর হামলাকারীরা আমার সাথে থাকা নগদ ১১ হাজার টাকা এবং ৩০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একটি বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে আরও ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। ঘটনা জানাজানি করলে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায় অভিযুক্তরা। পরে পাবনা সদর থানায় অভিযোগ করেও তদন্তে কোন অগ্রগতি হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, সন্ধায় সহপাঠীকে নিয়ে টার্মিনাল হয়ে মেরিল বাইপাস দিয়ে টেবুনিয়ায় যাচ্ছিলাম মালাই চা খেতে। মেরিল বাইপাস পার হবার সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল দেখলাম আমাদের ফলো করছে। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। তারপর হঠাৎ গাছপাড়া পার হবার পর জনমানবহীন অন্ধকারচ্ছন্ন একটি জায়গায় হঠাৎ তিনটা মোটরসাইকেল আমাদের রিক্সার সামনে এসে রিক্সার গতিরোধ করে। তারপর প্রায় ১২ জন মোটরসাইকেল থেকে নেমে আমাদের জিজ্ঞেস করে আমরা বিবাহিত কিনা। আমারা জানাই না আমরা বন্ধু। ঠিক তখনই আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে চড় থাপ্পর মেরে আমাদের জোড় করে রিক্সা থেকে নামায়। তারপর বলে পরিবারের কাছে ফোন দে। আজ মোটা একটা দান মারি। আমরা ভয়ে হাত পা জড়িয়ে ধরে অনেক রিকোয়েস্ট করার পর একজন আমাদের ফাঁকে নিয়ে এসে আমাদের কাছে নগদ টাকা মোবাইল সহ যা ছিল সব নিয়ে নেয়। তারপর ছেড়ে দিয়ে বলে, যা এবারের মত ছেড়ে দিলাম। আর এই ঘটনা কেউ যেন না জানে। জানলে কিন্তু তুই শেষ। মানসম্মানের ভয়ে পরে আমরাও বিষয়টা কাউকে বলতে পারিনি।
ভুক্তভোগী রিকশাচালক ও অটোচালকরাও একই অভিযোগ করেন। তাদের ভাষ্য, রাতের বেলায় এই সড়কে চলাচল এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। অনেক চালকই জীবনের ঝুঁকি এড়াতে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন, ফলে যাত্রীদেরও ভোগান্তি বাড়ছে।
এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ওসি মোঃ দুলাল হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অভিযোগ পেয়েছি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুতই ব্যবস্থা নেবো।
উল্লেখ্য, মেরিল বাইপাস–টিবুনিয়া সড়কটি পাবনা শহরের সঙ্গে আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ এলাকার সংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট। সেখানে নিরাপত্তাহীনতা অব্যাহত থাকলে জনজীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়বে—এমন আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

আসন্ন ঈদুল উল ফিতর কে সামনে রেখে

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কড়া নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টর প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৭ এএম
ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কড়া নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আসন্ন ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী এসপি সার্কেল প্রণব কুমার ও ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোমিনুজ্জামান এর নেতৃত্বে পুরো ঈশ্বরদী উপজেলা জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ।

ঈশ্বরদীতে মাদক-জুয়া/অনলাইন জুয়া, বাজিতে লুডু খেলা, রাত ৮ টার পর মহল্লার অলিগলিতে কিশোর স্কুল পড়ুয়া উঠতি বয়সের ছেলেদের চায়ের দোকানে আড্ডা রোধে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ নজরদারি জোরদার করেছে।

আসন্ন ঈদুল ফিতর ঈদের আগে আপনার এলাকায় বহিরাগত সন্দেহ জনক লোকের আনাগোনা দেখতে পেলে থানা পুলিশকে অবহিত করুন। ঈদে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের একাধিক টহল টিম রাত্রিকালীন পেট্রোলিং কার্যক্রম চালু করেছে। শিল্প নগরীর ৭ টি ইউনিয়ন, ১টি পৌর শহর ও হাইওয়ে মহাসড়কে টহল জোরদার করেছে। আপনারা স্ব স্ব অবস্থানে থেকে পুলিশ কে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।
ঈশ্বরদী বাসীদের উদ্দেশ্যে সকল প্রকার সহযোগিতার জন্য উদাত্ত আহ্বান করেছেন।

 

উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া কক্সবাজার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৩ এএম
উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

(১১মার্চ) রোজ বুধবার উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যেগে উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার সভাপতিত্বে মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই সময় নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এহেচান উল্লাহ সিকদারকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পিত শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
এসময় উপজেলা পর্য্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।মাসিক সাধারণ সভায় উখিয়া উপজেলার সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আরও সমন্বিত ও জনকল্যাণমুখী করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এহেচান উল্লাহ সিকদার। মাসিক সাধারণ সভার সভাপতি উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা তার গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে জানান উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে সাধারণ মানুষ যাতে তাদের প্রাপ্য সেবা পাই সেদিন কড়া নজরদারি রাখা হবে।

নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ এএম
নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি গত ৫ আগস্টের পরে চেয়ারম্যান পালিয়ে যাওয়ার পর ইউনিয়ন বাসিকে নিয়ে কাজ করছেন সুনাম ও দক্ষতার সাথে।
পুটিয়া ইউনিয়ন বাসীর সুখে দুঃখে প্রতিটি এলাকার যে কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন অবিরত। এদিকে বিভিন্ন সেবা জয়িতা এসে সচিব আলতাফ হোসেন কে সাধুবাদ জানাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তাতে পুটিয়া ইউনিয়ন বাসী গর্বিত।
সরকারি কর্মকর্তা হয়েও পুটিয়া বাসীর কাছে তিনি মানবিক জনসেবক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। আলতাব হোসেন জানান পুটিয়া ইউনিয়ন এর উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে আমার তীক্ষ্ণ নজরদারিতে সঠিক ও স্বচ্ছতা সবসময়। বিগত সময়ের নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের তুলনায় বর্তমানে পুটিয়া ইউনিয়নে অনেক বেশি উন্নয়ন মুলক কাজ শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে। আমাল লক্ষ্য উদ্দেশ্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সকল সদস্যদের নিয়ে পুটিয়া ইউনিয়ন কে বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য উদ্দেশ্য সফল করতে, ইউনিয়নবাসী পাশে থাকলে পুটিয়া ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ।

error: Content is protected !!