বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২

লড়াই হবে বিএনপি জামায়াতের

রাজশাহী-১ আসনে এগিয়ে বিএনপির শরীফ উদ্দিন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩৩ পিএম | 75 বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী-১ আসনে এগিয়ে বিএনপির শরীফ উদ্দিন

ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনটি। এআসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন নেত্রী মরহুমা বেগম জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন। জামায়াত থেকে কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। ইতিপূর্বেই দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়। যদিও নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়নি। কিন্তু দুই প্রার্থী দিনরাত সমান তালে ভোটের মাঠ চোষে বেড়াচ্ছেন। তবে জামায়াতের প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী শরীফ উদ্দিন। তারা সমান তালে ভোটারদের সাথে মতবিনিময় থেকে শুরু করে কুশল বিনিময় করছেন। কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি না।জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন মেজর জেনারেল (অব) শরীফ উদ্দিন। বিগত ১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবারের মত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমপি প্রার্থী হিসেবে ভোট করেন প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক। তিনি মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিনের আপন বড় ভাই। ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মৃত্যুর পর এই আসনে বিএনপির হাল ধরেন শরীফ উদ্দিন। গত ২০১৮ সালে নির্বাচন শেষ বারের মত লড়াই করেন ব্যারিস্টার আমিনুল হক। ওই নির্বাচনের পর ২০১৯ সালে ব্যারিস্টার মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর তানোর ও গোদাগাড়ীর বিএনপি অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে। দলের হাল ধরেন মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন। 
 বিএনপির দলীয় সুত্র জানায়, বিগত ১৯৯১ সালে প্রথম বারের মত এমপি নির্বাচিত হয়ে সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার। প্রতিমন্ত্রী হয়ে দুই উপজেলায় উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যায়। যার কারনে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে পুনরায় এমপি নির্বাচিত হন তিনি। তবে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে আ”লীগ। ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াতসহ চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে পুনরায় বিজয়ী হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক। দায়িত্ব পায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর। দুই উপজেলায় বাকি উন্নয়ন কাজ করতে সক্ষম হন তিনি। ২০০৮ সালের ফখরুদ্দিন ও মঈন উদ্দিনের পাতানো নির্বাচনে পরাজিত হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক। ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা এমপি নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক করেন। এরপর ২০১৪ সালের এক তরফা নির্বাচন বর্জন, ২০১৮ সালের দিনের ভোট রাতে এবং ২০২৪ সালে আমি ডাবি নির্বাচন বর্জন করে। তৃনমুলের ভাষ্য, তানোর গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত। এখানে যতই হেভিওয়েট প্রার্থী থাক না কেন। ধানের শীষের প্রার্থী কে পরাজয় করা যাবেনা। বিগত তিনটি নির্বাচনে জনসাধারণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি।তৃনমূলের ভোটার আব্দুল, আইয়ুব, জারদিস, মোবারক, মোস্তফা সহ অনেকে জানান, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। কারন এলাকার উন্নয়ন চাইলে ধানের শীষের বিকল্প নাই। মানুষ ধানের শীষে ভোট দিতে মরিয়া হয়ে আছে।পৌর যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক নুর হাসান মাহমুদ রাজা জানান, ভোটের প্রচারণা শুরু হয়নি এজন্য ধানের শীষের জোয়ার বোঝা যাচ্ছে না। প্রচারণা শুরুর পর সবাই বুঝতে পারবে ধানের শীষের কি পরিমান জোয়ার আছে। ধানের জোয়ারে অন্যরা ভেসে যাবে। তবে প্রতিপক্ষ কে আমরা কখনো ছোট করে দেখিনা। দেশ রক্ষা ও ব্যারিস্টার আমিনুল হকের বাকি উন্নয়ন সমাপ্ত করতে হলে মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিনের বিকল্প নাই। ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক মন্ডল জানান, আগামীর নির্বাচন অনেক চ্যালেঞ্জিং নির্বাচন হবে। এটা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বারবার বলেছেন। সুতরাং ভোটারদের দ্বারেদ্বারে গিয়ে মন জয় করতে হবে। কারন আগামীর নির্বাচন দেশ রক্ষার নির্বাচন। এই নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী কে বিজয়ী করতেই হবে। একারনে সিনিয়র নেতা থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বসে থাকার সময় না। সকল ভোটারের কাছে গিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইতে হবে। এআসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। কারন প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে হলে এবং তার মানবিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হলে শরীফ উদ্দিনের বিকল্প নেই। সাবেক আরেক ছাত্র নেতা সুলতান আহম্মেদ জানান, যেহেতু ভোটের প্রচার প্রচারণা শুরু হয়নি। তারপরও দলীয় ভাবে মরহুমা বেগম জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে নারী পুরুষ সবাই ধানের শীষে ভোট দিতে উদগ্রীব হয়ে আছে। ইনশাআল্লাহ ধানের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান জানান, এদুই উপজেলায় সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জনপ্রিয়তা ছিল আকাশ চুম্বি। তারমত জনপ্রিয় নেতা পাওয়া খুবই কষ্টকর। তবে আমাদের এবং দুই উপজেলাবাসীর সৌভাগ্য যে ব্যারিস্টার মারা যাওয়ার পর তার ভাই মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন কে নেতা হিসেবে পেয়েছি। কারন তিনি ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম জিয়ার সামরিক সচিব ছিলেন। তারমত এত বড় মাপের ব্যক্তিকে আমরা নেতা হিসেবে পেয়ে গর্বিত। প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা কে কাজে লাগাচ্ছেন ধানের শীষের প্রার্থী ও তার ভাই। ইতিপূর্বেই নির্বাচনে সেন্ট্রাল কমিটি থেকে শুরু করে যাবতীয় সবকিছু শেষ করা হয়েছে। ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব:) শরীফ উদ্দিন কে ভোট দিতে মরিয়া হয়ে আছেন দলীয় থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারেরা। আশা করছি দীর্ঘ সময় পর এআসন পুনরায় শরীফ উদ্দিনের মাধ্যমে উদ্ধার হবে এবং বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।

জয় ই মামুন

মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

জয় ই মামুন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরির অভিযোগে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে যেসব ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে সেগুলো হলো- কে এফ সি ব্রিকস (বেরুন্ডি) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহানা ব্রিকস (খোলাপাড়া) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স এ এ বি অ্যান্ড কোং (গাড়াদিয়া) ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স জে বি সি ব্রিকস (গোবিন্দল) ২ লাখ টাকা, মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-১ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-২ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস (রামকান্তপুর) ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মো. মোজাফফর খান।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাব-৪ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা সহায়তা প্রদান করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে পরিবেশ ধ্বংস রোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিস্টরা।

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী

জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী পৌর (৪নং ওয়ার্ড) ডাঙ্গপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

নিহত মিমনুর রহমান ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন (আল্লীর) প্রথম পুত্র এবং বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ তিনি ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উদ্বেগ, শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে ব্যানার হাতে নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ন্যায়বিচারের দাবি জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: মনোয়ারা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মহুবর রহমান, শিক্ষক আব্দুল হাই, মিজানুর রহমান, স্বপন কুমার রায়, ভগীরথ চন্দ্র রায় এবং সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা সুলতানা ও শিলা রানী রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, নিহতের পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করছে। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এমন ঘটনা আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চারতলা ভবন

আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

মেহেদী হাসান রিপন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

যশোরবাসীর পুলিশি সেবা আরও বেগবান ও আধুনিক করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগে হাত দিয়েছে সরকার। শহরের জরাজীর্ণ কোতোয়ালি মডেল থানা ভবনটি ভেঙে সেখানে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ষাট দশকে নির্মিত বর্তমান থানা ভবনটি দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সরকারের দেশব্যাপী ১০৭টি থানা আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় এই সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে। যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২৬ হাজার স্কয়ার ফিটের এই ভবনের মূল কাঠামো বা ফাউন্ডেশন হবে ছয়তলা পর্যন্ত, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি চারতলা হিসেবে নির্মিত হবে। ঝিনাইদহের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেবাপ্রার্থী এবং পুলিশ সদস্যদের সুবিধার্থে ভবনের প্রতিটি তলা সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছে:
* প্রথম তলা: অভ্যর্থনা কেন্দ্র এবং দাপ্তরিক অফিস।
* দ্বিতীয় তলা: হাজতখানা ও প্রশাসনিক শাখা।
* তৃতীয় তলা: অফিস এবং নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক।
* চতুর্থ তলা: পুরুষ পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক ব্যারাক।

অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়িতে

নির্মাণ কাজ চলাকালীন জনসেবা যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য থানার যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পরিচালিত হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান ভবনটি খালি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জনবল অনুযায়ী চাঁচড়া ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় পুলিশ সদস্যদের সাময়িকভাবে কিছুটা আবাসন সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, উন্নত ও আধুনিক পুলিশি সেবার স্বার্থে এই সাময়িক কষ্টটুকু মেনে নিতে হবে। নতুন ভবন নির্মিত হলে যশোরবাসীকে সেবা প্রদানের মান ও পুলিশের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

error: Content is protected !!