বরিশালে মনোনয়ন প্রত্যাহার করল জামায়াত
বরিশালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচনা করা হয় বরিশাল সদর আসনকে। এখানে সিটি করপোরেশন, বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভাগীয় সদর দপ্তর রয়েছে। এই আসনটিতে শুরু থেকে প্রচার প্রচারণায় শক্ত ভুমিকায় ছিল জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকে মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
জনসেবা, সভা সমাবেশ, মানুষের দ্বারে দ্বারে যাওয়া এমনকি সুখ-দুঃখে মানুষের পাশে থেকে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন তিনি। এভাবে সাধারণ কর্মী সমর্থকদের মাঝে আশার আলো সঞ্চার হয়।
সবশেষ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে জোট ভেঙ্গে যাওয়ার পর জামায়াতের সমর্থকরা আরো আশাবাদী হয়ে ওঠেন। তাদের ভাষ্য, সদর আসনে জামায়াতের পক্ষে একটি আবহ তৈরী হয়েছে। পূর্বের সব হিসেব নিকেশ পেছনে ফেলে এবার দাঁড়িপাল্লাকে জয়ী হওয়ার যথেষ্ট ক্ষেত্র তৈরী হয়েছে।
এসব আশা আকাঙ্খাকে পিশে দিয়ে ২০ জানুয়ারী (মঙ্গলবার) বরিশাল-৫ (সদর-সিটি) থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকে মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর মুয়াযযম হোসাইন হেলাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘দলীয় সিদ্ধান্তের পাশাপাশি সৌজন্যতার জায়গা থেকে ফয়জুল করিমের আসনে তাকে সমর্থন জানিয়ে আমার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি।’
এর ফলে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতে জামায়াতের প্রার্থীরা মাঠে থাকছেন। এর আগে দশ দলীয় জোটের শরিক এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে সমর্থন জানিয়ে বরিশাল-৩ আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেও তা জমা দেননি মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর।
এদিকে বরিশাল সদর আসনে কর্মী সমর্থকরা মনুক্ষন্ন হয়ে বলছেন, জামায়াতে ইসলামীতে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ বা রেওয়াজ নেই। তাই আমরা বাধ্য হয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছি। কিন্তু বিজয়ী হওয়ার সমূহ সম্ভাবনাময় একটি আসন ছেড়ে দেয়াকে আমরা মন থেকে মানতে পারছিনা।














