আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি এক নিঃসন্তান মায়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস ভাইরাল হওয়ার পর তার প্রতি জনসমর্থন ও সাধারণ মানুষের সহমর্মিতা আরও বেড়েছে।
চিকিৎসায় অভাবনীয় সাফল্য
পিরোজপুরের বাসিন্দা আইরিন সুলতানা নামে এক নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, দীর্ঘ ৬ বছর দেশের নামি-দামি বহু চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েও তিনি মাতৃত্বের স্বাদ পাননি। অবশেষে ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের চিকিৎসায় মাত্র ২৬ দিনের মাথায় তিনি গর্ভধারণ করেন। বর্তমানে তিনি একটি সুস্থ কন্যাসন্তানের মা। তার মতে, রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও একজন চিকিৎসক হিসেবে ডা. খালিদুজ্জামান বহু পরিবারে আশার আলো জ্বালিয়েছেন।
যোগ্যতা নিয়ে অপপ্রচারের জবাব
ডা. খালিদুজ্জামানের এমএসসি ইন ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি (ভারত) ডিগ্রিসহ চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার সফলতার রেকর্ডটি দীর্ঘ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম টেস্টটিউব বেবি সফলতায় তার অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, তার মেধা ও দক্ষতাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।
নির্বাচনী মাঠে ‘দাড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রভাব
ব্যক্তিগত জীবনে পরোপকারী এবং সফল এই চিকিৎসককে ঘিরে ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ভোটারদের একাংশ মনে করছেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে একজন দক্ষ পেশাজীবীকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাওয়া এলাকার উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে উন্নত চিকিৎসার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিচ্ছেন, তা সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে।
জনগণের প্রত্যাশা
নির্বাচনী প্রচারণায় ডা. খালিদুজ্জামান বলছেন, তিনি নির্বাচিত হলে ঢাকা-১৭ আসনকে একটি আধুনিক ও স্বাস্থ্যসেবা-বান্ধব মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন। কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং কর্মের মাধ্যমেই তিনি সকল সমালোচনার জবাব দিতে চান।
পরিশেষে, একজন সফল চিকিৎসক যখন রাজনৈতিক ময়দানে আসেন, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে যায়। আইরিন সুলতানার মতো হাজারো মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই এখন ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার বড় শক্তি।